রাজনীতি
গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিচ্ছেন আসিফ মাহমুদ
সদ্য পদত্যাগ করা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া আবার গণঅধিকার পরিষদে যোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে একটি গণমাধ্যমকে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘আমাদের ছাত্র সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছিল আসিফ মাহমুদ। ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে আমাদের সঙ্গে রাজপথের সব লড়াই-সংগ্রামে ছিল সে। এমনকি সেসময় অনেক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আসিফের সঙ্গে আমাদের আলাপ চলছে। এর আগেও সে গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। দলে তাকে সম্মানজনক পদ দেওয়া হবে। এ নিয়ে তার সঙ্গে আমাদের আলোচনা হয়েছে। খুব শিগগিরই বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তবে তাকে আমরা যেকোনো মূল্যে দলে ফেরাতে চাই।’
এর আগে, বুধবার সন্ধ্যায় যমুনায় গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বিকেলে সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, ‘আমি নির্বাচন করব, এটা নিশ্চিত। যে দল থেকেই নির্বাচন করি সেটা পরে জানানো হবে।’
জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার উদ্দেশ্যে উপদেষ্টার পদ ছাড়েন আসিফ মাহমুদ। রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে, তিনি ঢাকা-১০ আসন (ধানমন্ডি, কলাবাগান, নিউমার্কেট ও হাজারীবাগ) থেকে নির্বাচন করতে পারেন। ইতোমধ্যে তিনি এ আসনের ভোটারও হয়েছেন।
গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর ৮ আগস্ট মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন সরকারে জায়গা পান। তাদের মধ্যে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রথমে শ্রম উপদেষ্টা এবং পরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
এমকে
রাজনীতি
ডেমরায় ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী কামাল হোসেনের গণসংযোগ
ডেমরায় ঢাকা-৫ আসনে ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারী) বিকাল ৪টায় ডেমরা বাজার থেকে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের গণসংযোগ শুরু হয়ে মালা মার্কেট, মীর পাড়া, বড় পাইটি হয়ে ওয়াসা মোড়ে এসে শেষ হয়।
গণসংযোগ পূর্ব পথ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি এবং ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
৬৯নং ওয়ার্ড আমীর মাওলানা মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি আদনানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোকাররম হোসেন, ঢাকা-৫ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি জনাব আব্দুস সালাম, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক দ্বীন মোহাম্মদ মিন্টু।
এমএন
রাজনীতি
শেয়ারবাজার লুটপাটের রাজনীতি আমরা চাই না: জামায়াত আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘ধোঁকাবাজি, ব্যাংক ডাকাতি কিংবা শেয়ারবাজার লুটপাটের রাজনীতি আমরা করতে চাই না। আমাদের রাজনীতি দেশের মালিক হওয়ার জন্য নয়, দেশের সেবক হওয়ার জন্য।’
মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর বাসস্ট্যান্ডে নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় জামায়াতের আমির বলেন, ‘৫ তারিখের আগপর্যন্ত সবচেয়ে দুঃখকষ্ট পাওয়া দল হলো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’দোষারোপ, তোষামদি, ধোঁকা–মিথ্যাবাদী ও ফ্যাসিবাদী কায়দার রাজনীতি থেকে দেশকে বের করে আনতে হবে। আমরা সকল ধর্ম ও শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, আশ্বস্ত করেছি, সাহস জুগিয়েছি—এ দেশে সবাই সমান, অধিকারও সমান।
সমাবেশে জামায়াতের আমির বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ‘আগামীর প্রজন্মের জন্য হিংসামুক্ত, ঐক্যের বাংলাদেশ গড়তে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। জালিমকে কারও দিকে হাত বাড়াতে দেব না।’
সমাবেশের এক পর্যায়ে জামায়াতের আমির গোপালগঞ্জে-১ (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানীর একাংশ) আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. আব্দুল হামিদের হাত উঁচু করে জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আমি এই তাঁর হাতটি উঁচু করে ধরলাম—আপনারাও তাঁর জন্য লড়বেন।’
জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘অতীতে আমাদের সঙ্গে যা যা হয়েছে, আমরা তা দলের পক্ষ থেকে মাফ করে দিয়েছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি।’
মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টায় দিকে অনুষ্ঠিত ওই পথসভাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যা থেকেই মুকসুদপুর কলেজ মোড় ও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জামায়াতের নেতা–কর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হন। জামায়াত আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে বাসস্ট্যান্ড মোড় এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
এমএন
রাজনীতি
বৈষম্যের রাজনীতির কারণে মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ: শাহজাহান মিয়া
লুটপাট, দুঃশাসন ও বৈষম্যের রাজনীতির কারণে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া।
তিনি বলেন, আপনারা যদি পরিবর্তন চান, একটি সুন্দর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চান; তাহলে দাড়িপাল্লা মার্কায় ও ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে আমাদের পাশে থাকুন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় আশিকাটি ইউনিয়নের চাঁদখার বাজার থেকে শুরু করে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় ব্যাপক গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় পথসভা ও গণসংযোগে বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।
গণসংযোগকালে পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এডভোকেট মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে এ জনপদের মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। লুটপাট, দুঃশাসন ও বৈষম্যের রাজনীতির কারণে সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আজ প্রশ্নবিদ্ধ। আমরা ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি-আমরা এসেছি জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দিতে। দাড়িপাল্লা হচ্ছে ন্যায়, সততা ও ইনসাফের প্রতীক।’
তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে আশিকাটি ইউনিয়নসহ চাঁদপুর-৩ আসনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এ সময় সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব তামিম খান, চাঁদপুর সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহা. জুবাইয়ের হোসেন খান, আশিকাটি ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী অহিদুর রহমান খান উৎপল, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি নাছির উদ্দিন, সেক্রেটারি শাহজাহান, জামায়াত নেতা আলমগীর বন্দুকসীসহ জামায়াত ও জোটভুক্ত বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দ।
গণসংযোগ শেষে স্থানীয় ভোটাররা বলেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অবহেলার অবসান ঘটাতে তারা পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন এবং দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিতে প্রস্তুত।
এমকে
রাজনীতি
দেশ গঠনের কাজে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সেই আত্মত্যাগ কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। স্বৈরশাসনের পতন হয়েছে, এবার দেশ গঠনের কাজে সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলেই একটি প্রত্যাশিত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে গাজীপুরের ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, গাজীপুর কেবল একটি শিল্পাঞ্চল নয়, এটি দেশের গার্মেন্ট শিল্পের প্রাণকেন্দ্র। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে গার্মেন্ট শিল্পের সূচনা করেন, যার ফলে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।
পাশাপাশি বিদেশে শ্রমশক্তি রপ্তানির উদ্যোগও তিনিই প্রথম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশে প্রথমবারের মতো প্রথম শ্রেণি থেকে ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেন।
তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন করে রপ্তানি আয় বাড়ানো হবে। খেটে খাওয়া মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হবে। নারী শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। শ্রমিকদের জন্য হেল্থ কার্ড চালু করে ঘরে বসেই প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গাজীপুরবাসীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই গাজীপুরের অন্যতম বড় সমস্যা জয়দেবপুর রেলক্রসিংয়ের যানজট নিরসনে সেখানে ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি জেলার প্রধান তিনটি খাল—চিলাই, তুলাগ ও লবনদহ—খননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ও পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শ্রমিকদের আবাসন সংকটও সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের জয়ী করতে হবে। আগামী ১২ তারিখে ভোটের দিন ফজরের নামাজ শেষে সবাই যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়ান, যাতে কেউ ভোটাধিকার হরণ করতে না পারে—এ আহ্বান জানান তিনি।
গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মো. শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. মঞ্জুরুল করিম রনি, ডা. অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, মজিবুর রহমান, শাহ রিয়াজুল হান্নান এবং সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকারসহ অনেকে।
উল্লেখ্য, সন্ধ্যা ৬টায় তারেক রহমানের জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি সভাস্থলে পৌঁছান রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে এবং পাঁচ মিনিট পর মঞ্চে ওঠেন। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভাওয়াল রাজবাড়ি মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়, যা আশপাশের সড়ক ও অলিগলিতেও ছড়িয়ে পড়ে। জনসমাগমের কারণে বিকেল ৩টার পর থেকেই রাজবাড়ি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এমকে
রাজনীতি
বীজযুক্ত লিফলেটে বিএনপির ব্যতিক্রমী প্রচারণা, তৈরি হবে চারা
পরিবেশ সুরক্ষায় নির্বাচনী প্রচারণায় এক অভিনব ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ নিয়েছে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে ধানের শীষের সমর্থকরা। বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণার কাজে সাধারণ কাগজের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ‘বনকাগজ’ বা ‘সিড পেপার’ দিয়ে তৈরি লিফলেট। যা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক ব্যাপক প্রশংসা জাগিয়েছে।
বগুড়া সদরের এই প্রচারণার প্রধান আকর্ষণ হলো এর বীজযুক্ত লিফলেট। সাধারণ লিফলেট ব্যবহারের পর যত্রতত্র ফেলে দিলে তা পরিবেশের আবর্জনা তৈরি করে, কিন্তু এই লিফলেটগুলো মাটিতে পড়লে বা কেউ ফেলে দিলে সেখান থেকেই জন্ম নেবে টমেটো, মরিচ কিংবা বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। কাগজের মণ্ড তৈরির সময়ই এতে উন্নত মানের সবজি বীজ মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা পচনশীল কাগজের সংস্পর্শে এসে চারা গাছে রূপান্তরিত হয়।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাজনৈতিক প্রচারণার মাধ্যমে কেবল মানুষের কাছে পৌঁছানোই নয়, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সাধারণ ভোটাররা এই সৃজনশীল প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, প্লাস্টিক বা সাধারণ কাগজের বর্জ্য কমানোর এই কৌশল অন্যান্য প্রার্থীদের জন্য একটি উদাহরণ হতে পারে। প্রচারণার পাশাপাশি প্রকৃতির যত্ন নেওয়ার এই ব্যতিক্রমী ধারাটি এবারের নির্বাচনী মাঠে এক নতুন মাত্রা যোগ করল।
এমকে



