রাজনীতি
এনসিপির মনোনয়ন পাননি আলোচিত রিকশাচালক সুজন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ১২৫টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে প্রথম তালিকায় স্থান পাননি কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের স্যালুট জানিয়ে আলোচনায় আসা রিকশাচালক সুজন। সবাই মনে করেছিল, তাঁকে হয়ত ঢাকা-৮ আসনে এনসিপি’র প্রার্থী হিসেবে দেখা যাবে। গত বেশ কিছুদিন এমন খবরই ভেসে বেড়াচ্ছিল বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এছাড়াও এনসিপি’র অফিসেও দেখা গেছে সুজনকে। কিন্তু ঢাকা-৮ আসনে এখন পর্যন্ত কাউকে মনোনয়ন দেয়নি দলটি। ফলে এই আসন থেকে মোহাম্মদ সুজন এনসিপি’র মনোনয়ন পাবেন কিনা, সেটি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রার্থী তালিকা ঘোষণা শেষে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘আমরা মনোনয়নপত্র বিতরণ শেষ করেছি। আজ প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করছি। আজ যাদের নাম ঘোষণা করা হলো, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তা তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।’
ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় বিভিন্ন আসনে যাদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে:
পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ।
এ ছাড়া পাবনা-৪ আসনে অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুল মজিদ, মেহেরপুর-১ আসনে মো. সোহেল রানা, মেহেরপুর-২ আসনে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, ঝিনাইদহ-১ আসনে অ্যাডভোকেট লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার), যশোর-৪ আসনে মো. শাহজাহান কবীর, মাগুড়া-২ আসনে মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনে মোল্যা রহমাতুল্লাহ, খুলনা-১ আসনে মো. ওয়াহিদ উজ জামান, খুলনা-২ আসনে ফরিদুল হক, পটুয়াখালী-১ আসনে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা ও পটুয়াখালী-২ আসনে মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এদিকে ভোলা-১ আসনে অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, বরিশাল-৪ আসনে আবু সাঈদ মুসা, বরিশাল-৫ আসনে মো. নুরুল হুদা চৌধুরী, ঝালকাঠি-১ আসনে ডা. মাহমুদা আলম মিতু, পিরোজপুর-৩ আসনে ড. মো. শামীম হামিদী, টাঙ্গাইল-১ আসনে সাইদুল ইসলাম (শহিদ সাজিদের পরিবার), টাঙ্গাইল-৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৫ আসনে মাসুদুর রহমান রাসেল, টাঙ্গাইল-৭ আসনে খন্দকার মাসুদ পারভেজ, জামালপুর-৪ আসনে ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, শেরপুর-১ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া ও শেরপুর-২ আসনে খোকন চন্দ্র বর্মণ (আহত) এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।
অন্যদিকে ময়মনসিংহ-১ আসনে মো. আবু রেহান, ময়মনসিংহ-৩ আসনে কবি সেলিম বালা, ময়মনসিংহ-৫ আসনে মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, ময়মনসিংহ-৬ আসনে জাবেদ রাসিন, ময়মনসিংহ-৭ আসনে অ্যাডভোকেট এ. টি. এম. মাহবুব-উল আলম, ময়মনসিংহ-৯ আসনে আশিকিন আলম (রাজন), ময়মনসিংহ-১১ আসনে তানহা শান্তা, নেত্রকোণা-২ আসনে ফাহিম রহমান খান পাঠান, নেত্রকোণা-৩ আসনে প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম), কিশোরগঞ্জ-২ আসনে আবু সাঈদ (সাঈদ উজ্জ্বল) ও কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে শেখ খায়রুল কবির আহমেদ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
এছাড়াও মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে আলী নেওয়াজ, মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে মাজেদুল ইসলাম, ঢাকা-১ আসনে মো. রাসেল আহমেদ, ঢাকা-৪ আসনে ডা. জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা-৫ আসনে এস এম শাহরিয়ার, ঢাকা-৭ তারেক আহম্মেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারা, ঢাকা-১১ আসনে মো. নাহিদ ইসলাম, ঢাকা-১২ আসনে নাহিদা সারওয়ার নিভা, ঢাকা-১৩ আসনে আকরাম হুসাইন, ঢাকা-১৫ আসনে অবসরপ্রাপ্ত মেজর মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস, ঢাকা-১৬ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, ঢাকা-১৭ ডা. তাজনূভা জাবীন, ঢাকা-১৮ আসনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, ঢাকা-১৯ আসনে ফয়সাল মাহমুদ শান্ত ও ঢাকা-২০ আসনে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।
এদিকে গাজীপুর-৬ আসনে ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল, নরসিংদী-১ আসনে মো. আবদুল্লাহ আল ফয়সাল, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, নরসিংদী-৪ আসনে ডা. মো. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর, নরসিংদী-৫ আসনে মো. নাজমুল হক সিকদার, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে আহমেদুর রহমান তনু, রাজবাড়ী-২ আসনে সাইয়েদ জামিল (জামিল হিজাযী) ও ফরিদপুর-৩ আসনে সৈয়দা নীলিমা দোলা জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
অন্যদিকে গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রলয় কুমার পাল, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মো. আরিফুল দাড়িয়া, শরীয়তপুর-১ আসনে মো. আব্দুর রহমান, সিলেট-১ আসনে এহতেশাম হক, সিলেট-৩ আসনে ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, সিলেট-৪ আসনে মো. রাশেল উল আলম, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ, হবিগঞ্জ-৪ আসনে নাহিদ উদ্দিন তারেক, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি, ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ আসনে মো. আতাউল্লাহ এনসিপির হয়ে এমপি পদে লড়বেন।
এছাড়া কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহ, কুমিল্লা-৬ আসনে নাভিদ নওরোজ শাহ, চাঁদপুর-১ আসনে আরিফুল ইসলাম, চাঁদপুর-২ আসনে ইসরাত জাহান বিন্দু, চাঁদপুর-৫ আসনে মো. মাহাবুব আলম, ফেনী-৩ আসনে মোহাম্মাদ আবুল কাশেম, নোয়াখালী-১ আসনে ব্যারিস্টার মো. ওমর ফারুক, নোয়াখালী-৫ আসনে অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, নোয়াখালী-৬ আসনে আব্দুল হান্নান মাসউদ, চট্টগ্রাম-৬ আসনে মহিউদ্দিন জিলানী, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ, চট্টগ্রাম-৯ আসনে মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু, চট্টগ্রাম-১০ আসনে সাগুফতা বুশরা মিশমা, চট্রগ্রাম-১১ আসনে মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জুবাইরুল আলম মানিক, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে মুহাম্মদ হাসান আলীম চট্টগ্রাম-১৫ আসনে আবদুল মাবুদ সৈয়দ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে মীর আরশাদুল হক জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে লড়বেন।
এদিকে কক্সবাজার-১ আসনে মো. মাইমুল আহসাম খান, কক্সবাজার-২ আসনে আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, কক্সবাজার-৪ আসনে মুহাম্মদ হোসাইন ছাড়াও খাগড়াছড়িতে অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা, রাঙামাটিতে প্রিয় চাকমা ও বান্দারবানে মংসা প্রু চৌধুরী এনসিপির হয়ে এমপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
রাজনীতি
বিএনপি সরকারে আসলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে: তারেক রহমান
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের পরিচয় দলীয় নয়, বরং আইনের দৃষ্টিতে তারা অপরাধী এবং দেশের আইন অনুযায়ী সবার বিরুদ্ধে সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে যে কোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রামে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তারেক রহমান।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকার অতীতেও প্রমাণ করেছে যে তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম।
১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত যে সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা দুর্নীতির মাধ্যমে দেশকে নিচের দিকে নিয়ে গিয়েছিল। পরে ২০০১ সালে জনগণের রায়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ধীরে ধীরে দেশকে দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের করে আনে।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে আইন সবার জন্য সমান। অপরাধীর পরিচয় কোনো দল দিয়ে নয়, বরং আইনের দৃষ্টিতে সে অপরাধী। অপরাধী যেই হোক না কেন, দেশের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়াও, চট্রগ্রামে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা।
এমএন
রাজনীতি
আমার হাঁস, আমার চাষ করা ধানই খাইব: রুমিন ফারহানা
‘আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়াড়ে তুলবেন’, এভাবেই সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার আহবান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, নবীনগর ও আশুগঞ্জের একাংশ) আসনের আলোচিত হাঁস মার্কা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় এসব কথা বলেন বিএনপির এ বিদ্রোহী প্রার্থী।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে, তাহলে কেমনটা লাগে–সেটা আপনারা বোঝেন। আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাইব।’
তিনি আরও বলেন, ‘এবার সাধারণ মানুষের প্রতীক, জনতার প্রতীক হলো হাঁস। এটা কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়।’
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী বলেন, ‘হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহসের মার্কা, সততার মার্কা। এটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মার্কা। সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘এটা সাধারণ আম-জনতার মার্কা। এটা কোনো নেতার মার্কা না, কোনো হাই কমান্ডের মার্কা না।’
এমকে
রাজনীতি
চট্টগ্রামে তারেক রহমানের সমাবেশ, জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা
ভোরের আলো ফুটতেই চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে জড়ো হতে শুরু করেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। আজ ভোর থেকেই দলে দলে সমাবেশস্থলে আসছেন তারা। অনেক নেতাকর্মী আবার শনিবার রাত থেকেই মাঠ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ও মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসাহ। পলোগ্রাউন্ড মাঠসহ আশপাশের সড়ক ও এলাকায় ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সাজানো হয়েছে পুরো পরিবেশ।
দেখা যায়, পলোগ্রাউন্ড মাঠের সামনের অংশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে। আগেভাগে আসা নেতাকর্মীরা জানান, প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার আগ্রহ থেকেই তারা ভোরে মাঠে এসেছেন।
সাতকানিয়া থেকে আসা বিএনপি এক কর্মী বলেন, বহু বছর ধরে তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় ছিলাম। আজ সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে।
দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হায়দার চৌধুরী জানান, অনেক নেতাকর্মী রাত থেকেই সমাবেশস্থলের আশপাশে অবস্থান করছেন। তিনি বলেন, সকালের মধ্যেই প্রোগ্রাম শেষ করে ফিরে যাব- এমন পরিকল্পনা থেকেই আমরা আগে চলে এসেছি।
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির প্রধান হিসেবে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে পৌঁছান তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৭ যোগে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখান থেকে সরাসরি নগরের পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান এবং সেখানে রাতযাপন করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি তরুণদের সঙ্গে একটি পলিসি ডায়ালগে অংশ নেবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠের মহাসমাবেশে যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম সফর শেষে তিনি ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
মহাসমাবেশকে ঘিরে চট্টগ্রাম নগরীতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে ভাগ করা হয়েছে রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন। মঞ্চ এলাকা রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কেবল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফরে গিয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় লালদিঘী ময়দানে জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন তারেক রহমান।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচনী প্রচারণার জন্য চট্টগ্রামের পথে তারেক রহমান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার প্রচারণায় অংশ নিতে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি চট্টগ্রামে অবতরণ করবে। সেখানে আজ রাতে অবস্থান করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
আগামীকাল রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লায় একাধিক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি। সফর শেষে মধ্যরাতে তিনি ফিরবেন গুলশানের বাসভবনে।
এমএন
রাজনীতি
ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে ভোট কেনার কৌশল চলছে: নাহিদ ইসলাম
ঢাকা-১১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের ভোট কেনার অপকৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। তবে ভোটাররা এখন সচেতন এবং তারা এই ধরনের ‘মিথ্যা আশ্বাস’ আর বিশ্বাস করছে না বলে তিনি দাবি করেন।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর সময় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের আগেই ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ব্যানার নিয়ে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে বিএনপির প্রার্থীরা। এছাড়া এনসিপির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের স্বার্থে যা যা করা দরকার, তার সবই আমরা করব। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত মানুষ কেন্দ্র ছেড়ে যাবে না। ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত মানুষ কেন্দ্র পাহারা দেবে এবং ফলাফল নিয়েই ঘরে ফিরবে।
এমএন



