বিনোদন
পেট্রল দিয়ে ভিডিও কন্টেন্ট বানাতে গিয়ে দগ্ধ আল-আমিন, নেওয়া হলো ঢাকায়
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য হাস্যরস, বাস্তব ও অবাস্তব মিলে কনটেন্ট তৈরি করে মানুষের গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কনটেন্ট ক্রিয়েটর আল-আমিন (৪০)। এ অবস্থায় দুই দিন আগে আগুন নিয়ে কনটেন্ট তৈরি করতে গিয়ে সেই আগুনেই মারাত্মক দগ্ধ হয়ে এখন তিনি মৃত্যুশয্যায়। তাকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করানো হয়েছে।
জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে উপজেলার দাড়িয়াপুর ইটখলার মোড় সংলগ্ন কৃত্রিম চৌবাচ্চায় মাচা তৈরি করে আগুন পোহাতে পোহাতে গোসল করার কনটেন্ট তৈরি করার সময় তিনি অগ্নিদগ্ধ হন।
ওই সময় তিনি একটি চৌবাচ্চার পানিতে পেট্রোল ঢেলে আগুন পোহাতে পোহাতে গোসলের দৃশ্য ধারণ করতে গিয়ে তার শরীরে আগুনের অত্যধিক তাপে শরীর দগ্ধ হয়ে যায়। এ সময় নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেশি পেট্রোল ঢেলে দেওয়ায় আগুন স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অধিক উচ্চতায় উঠে যায়।
এই আগুনে দগ্ধ হয়ে তার শরীরের ৩৫-৪০ ভাগ দগ্ধ হয় বলে জানিয়েছেন আল-আমিনের সহকারীরা। প্রথমে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে রেফার্ড করা হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, আগুন বেপরোয়া জ্বলা অবস্থাতেই তিনি নিজেকে রক্ষা করতে পানিতে ঝাঁপ দেন। তারপরও রক্ষা পাননি।
এ বিষয়ে কনটেন্ট ধারাভাষ্যকর আজাদ হোসেন জনি জানান, বর্তমানে বারডেম হাসপাতালের সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। চিকিৎসকরা তাকে সারিয়ে তুলতে চেষ্টা করছেন।
আল-আমীনের সহকারী সুবল চন্দ্র অধিকারী তার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। আল-আমিনের এ ধরনের দুর্ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি সর্বত্রই ছড়িয়ে পড়ে। তার আরোগ্য লাভের জন্য সবাই দোয়ার আবেদন করে পোস্ট দিচ্ছেন।
বিনোদন
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ পেলেন হিরো আলম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচন করার ঘোষণা আগেই দিয়েছেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গুঞ্জন ছিল নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। তবে শেষ মুহূর্তে ‘আমজনতা’ দল থেকে মনোনয়নপত্র কেনেন।
মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা না দিতে পারায় তার ফরমটি নেয়নি জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা। হিরো আলমের নির্বাচনের অংশ নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। তবে হাইকোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটে গেছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) হিরো আলম হাইকোর্টের রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্যোশাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ হাইকোর্ট থেকে আপিলে রায় পেয়েছি মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার।
এরআগে, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো বগুড়া থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে প্রার্থিতা বাতিল হলেও পরে আদালতের আদেশে তা ফিরে পান এবং ‘সিংহ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ভোটের দিন কারচুপির অভিযোগ তুলে তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
পরে ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুর পর অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনেও অংশ নেন হিরো আলম। সেই নির্বাচনে ভোটের দিন এক কেন্দ্রে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
বিনোদন
আমরা এখন একসঙ্গে থাকছি না: তাহসান খান
গেল বছরের শুরুতেই কোনো ধরনের পূর্বাভাস বা গুঞ্জন ছাড়াই হঠাৎ করে বিয়ের খবর দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। মেকওভার আর্টিস্ট হিসেবে পরিচিত রোজা আহমেদের সঙ্গে জীবনের এই নতুন অধ্যায় শুরু করেছিলেন তিনি।
এরমধ্যেই খবর, বিয়ের কয়েক মাস থেকেই দুজনের মধ্যে সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না। গায়কের নব্য গড়া সংসার ভাঙতে চলেছে।
শুধু তাই নয়, গেল কয়েক মাস ধরেই আলাদা থাকছেন এই দম্পতি।
দুঃসংবাদটি নিশ্চিত করেছেন তাহসান খান নিজেই। তাহসান খান বলেন, “খবরটি সত্য। দীর্ঘদিন ধরেই, অর্থাৎ জুলাইয়ের শেষ থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন এবং আলাদা থাকছি।
সঠিক সময় এলে তখনই এই বিষয়ে বিস্তারিত বলব।”
জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে আগ্রহী ছিলেন না তিনি।
তাহসান বলেন, “ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইনি। কিন্তু বিবাহবার্ষিকী নিয়ে কিছু ভুয়া খবর দেখলাম, সে কারণেই বলতে হচ্ছে যে, আমরা এখন একসঙ্গে থাকছি না।”
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ে রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা আহমেদ একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে তাঁর নিজস্ব একটি মেকআপ প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান খান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই সংসারের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে।
তারও দুই বছর আগে থেকে তারা আলাদা থাকছিলেন। সেই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান রয়েছে—আইরা তাহরিম খান।
বিনোদন
অভিনয় ছাড়লেন সিমরিন লুবাবা, প্রকাশ্যে আর মুখও দেখাবেন না
সিমরিন লুবাবার জন্ম সংস্কৃতিমনা পরিবারে। তার দাদা প্রখ্যাত মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা প্রয়াত আব্দুল কাদের। দাদার অনুপ্রেরণায় খুব ছোট বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ায় ছোট্ট লুবাবা। সে থেকে শিশুশিল্পী হিসেবে তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছিল অভিনয় ও মডেলিংয়ে।
তবে মিডিয়া ছেড়ে দিয়েছে লুবাবা। এছাড়াও আর কখনো মুখ দেখাবে না, ইতোমধ্যে নেকাবে মুখ ঢেকেছে এই শিশু শিল্পী। তবে সামাজিক মাধ্যমে কিছু প্রচারণার কাজ করলেও সেটা নেকাবের সঙ্গেই করবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন লুবাবার মা জাহিদা ইসলাম জেমি।
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে গণমাধ্যমকে জেমি বলেন, লুবাবার নিজেরই উপলব্ধি হয়েছে সেই আর মিডিয়ায় কাজ করবে না। মুখ দেখাবে না, তাই নেকাব পরা শুরু করেছে। এ অবস্থায় তো মিডিয়ায় কাজ করা যায় না। লুবাবা ধর্মীয় বই পড়ে পড়ে নিজে নিজে মনে করেছে সে জীবনধারায় পরিবর্তন আনবে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জেমি আরও বলেন, লুবাবা এরইমধ্যে কোরআন খতম দিয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ে, হাদিস পড়ে। এসব পড়াশোনা করেই তার মধ্যে এই পরিবর্তন আসে। আগামী রমজানে সে ওমরাহ হজ পালন করতে মক্কায় যাবে, এমন পরিকল্পনা রয়েছে।
এমকে
বিনোদন
তারেক রহমানের বক্তব্যে মুগ্ধ পরীমনি
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকার ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’
তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে। সেই উচ্ছ্বাসের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে শোবিজ অঙ্গনেও।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তারেক রহমানের বক্তব্যের প্রশংসা করতে দেখা গেছে বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষকে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনি।
এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমনি জানান, তারেক রহমানের বক্তব্যের একটি লাইন তার মনে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। পুরো বক্তব্যে চারদিকে এক ধরনের মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
পরীমনি লেখেন, “‘আজ এ দেশের মানুষ চায়…’ যখন বললেন, একদম শিরদাঁড়ায় এসে বিঁধল। কী যে এক মুগ্ধতা ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে! শান্তি নেমে আসুক সবার জীবনে, আর কিছু চাওয়ার নেই।”
সেই বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়।
এ দেশের মানুষ চায় যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার।’
তারেক রহমানের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতিক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
এমকে
বিনোদন
গানম্যান চান হিরো আলম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। এরপর থেকে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন করতে যাচ্ছেন শিগগিরই।
তিনি নিরাপত্তার জন্য একজন গানম্যান চেয়ে আবেদন করবেন।
হিরো আলম জানান, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত এবং বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাকে। এতে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সে কারণে প্রধান উপদেষ্টার নিকট একজন নিরাপত্তাকর্মী (গানম্যান) চেয়ে অনুরোধ করে আবেদন করবেন তিনি।
পাশাপাশি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন হিরো আলম।
গেল মাসে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দেন হিরো আলম। তবে কোন দল থেকে তিনি প্রার্থী হবেন সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। তিনি চান স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে। এদিকে ৪টি দল থেকে প্রার্থী হওয়ারও প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি।
হিরো আলম বলেন, স্বতন্ত্র হিসেবে আমি কয়েকবার নির্বাচন করেছি। এবার কিছু রাজনৈতিক দল আমাকে তাদের প্রতীকে নির্বাচন করার প্রস্তাব দিয়েছে। তাই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছি। তবে কোন দল থেকে নির্বাচন করব এটা এখনই বলতে চাই না। সময় হলে জানাবো।
কোন কোন দল যোগাযোগ করেছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি যে চারটি দলের নাম উল্লেখ করেন সেগুলো হলো- গণঅধিকার পরিষদ, আমজনতার দল, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টি।
হিরো আলম বলেন, দল যেটিই হোক, আমার মূল লক্ষ্য জনগণের জন্য কাজ করা। আমাকে যে দলই নিক, আমি যেন মানুষের পাশে থাকতে পারি, সেটাই মূখ্য। তিনি জানান, ঢাকা ও বগুড়া থেকে দুটি আসনে লড়বেন বলে প্রস্তুত হচ্ছেন হিরো আলম।
রাজনৈতিক অঙ্গনে হিরো আলমের সক্রিয়তা, সাহসী অবস্থান ও নিয়মিত প্রচারণা তাকে বারবার আলোচনায় এনে দিয়েছে। এবার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে দাঁড়ালে তার রাজনৈতিক যাত্রায় এটি হবে নতুন অধ্যায়।



