জাতীয়
আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
জাতীয় গ্রিড লাইনের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি এলাকায় আজ বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর কালীগঞ্জ জোনাল অফিসে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আগামী ২৭ নভেম্বর ও ২৯ নভেম্বর প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলবে। এ সময় কালীগঞ্জ, সেভেন রিংস ও জাংগালিয়া এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তবে গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় কালীগঞ্জ উপজেলা, কালীগঞ্জ থানা এলাকা এবং প্রোপার ফিডার বিকল্পভাবে সচল রাখা হবে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।
রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়া এবং ভবিষ্যতে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিতের স্বার্থে সাময়িক ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
পাশাপাশি নির্ধারিত দুই দিনে সবার সহযোগিতা কামনা করেছে গাজীপুর পবিস-১ এর কালীগঞ্জ জোনাল অফিস।
এমকে
জাতীয়
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি বলেছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি দেশের মূল্যস্ফীতির জন্য দায়ী নয়। আন্তর্জাতিক বাজারের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানির দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সংসদে রুমিন ফারহানা তার বক্তব্যে জানতে চান, বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি ডাবল ডিজিটে ছিল, যা এখনো খাদ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রে ৯ শতাংশের উপরে। এই মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ আছে কি না।
জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মূল্যস্ফীতি কেন বাড়ছে, সেটি আমাদের বুঝতে হবে। সারা পৃথিবীতে জ্বালানি তেলের দাম যে অনুপাতে বেড়েছে, তার তুলনায় বাংলাদেশে সেটি অনেক কম। আমরা জ্বালানির দাম খুবই মডারেট হারে বাড়িয়েছি।
তিনি বলেন, একটি শিল্প কারখানায় মোট উৎপাদন খরচের মাত্র ৭ থেকে ৮ শতাংশ ব্যয় হয় জ্বালানির পেছনে। সেখানে ডিজেলের দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, উৎপাদন খরচের সেই ৭-৮ শতাংশের ওপর ১৫ শতাংশ প্রভাব পড়েছে, যা খুব বড় কোনো অভিঘাত নয়।
পরিবহন খাতের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, একটি বাস ২০০ কিলোমিটার চলতে ২৫-৩০ লিটার ডিজেল ব্যবহার করে। এতে খরচ বেড়েছে ৪৫০ টাকা। এই ৩০ লিটার ডিজেলের জ্বালানি দিয়ে যে ট্রাকটি পণ্য পরিবহন করে, সেটি ১০ হাজার কেজি পণ্য বহন করতে পারে। অর্থাৎ, এই ৪৫০ টাকার প্রভাব ১০ হাজার কেজি পণ্যের ওপর পড়ে। শুনলে মনে হতে পারে দাম অনেক বেড়েছে, কিন্তু পরিবাহিত পণ্যের ইউনিটের ভিত্তিতে হিসাব করলে এটি মূল্যস্ফীতি ঘটানোর মতো কোনো বড় উদ্দীপক নয়।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশে জ্বালানি তেলের দাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয় (অটোমেটেড)। সেখানে সরকারের আলাদা পদক্ষেপের প্রয়োজন হয় না। আমেরিকার উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, যুদ্ধের আগে সেখানে গ্যালনপ্রতি দাম ২ ডলার ৭০-৮০ সেন্ট থাকলেও তা পরে ৫ ডলার ছাড়িয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আপনি অর্থনীতিকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারবেন না, যে জায়গায় ফান্ডামেন্টাল ব্যালেন্স ইমব্যালেন্সে পৌঁছে যায়। সেই ভারসাম্য রক্ষার্থে পৃথিবীর সব দেশ যে নীতি নিয়েছে, আমরাও সেই নীতি অবলম্বন করে মডারেটভাবে মূল্যবৃদ্ধি করেছি।
এমএন
জাতীয়
শুধু বগুড়ার না, দেশের উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার শুধু বগুড়ার উন্নয়ন নয়, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করছে। কোনো একটি এলাকার উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে অন্য অঞ্চলকে বঞ্চিত করা হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়া সফরে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়ার ওপর এলাকার মানুষের অধিকার আছে। তাই বলে সব উন্নয়ন যদি বগুড়া ও গাবতলীতে হয়, তাহলে সারাদেশের মানুষতো বঞ্চিত হবে। সারাদেশের অনেক জায়গা এখনও খুবই অবহেলিত, তাই সেগুলোর আগে উন্নয়ন করতে হবে।
বিগত সরকার দেশের টাকা লুট করে বিদেশে পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে লুট ও পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে কৃষককার্ড ফ্যামিলিকার্ডের মাধ্যমে জনগণকে দেয়া হবে।
এছাড়া বগুড়া সিটি করপোরেশন নিয়ে তারেক রহমান বলেন, বগুড়ার মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা সিটি করপোরেশনের। ২০০১ সাল থেকে কাজ শুরু করে বিএনপি। ২০০৬ পর্যন্ত সুযোগ-সুবিধাগুলো গড়ে তোলা হয়েছিল। আজ বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।
সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টার দিকে তিনি বগুড়ায় পৌঁছান। এরেআগে, সকাল ৬টা ১০ মিনিটে ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে তিনি বগুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। দিনব্যাপী এই সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ‘বগুড়া সিটি করপোরেশন’-এর ফলক উন্মোচন করেন। এছাড়া জেলাজুড়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এমএন
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে বগুড়া সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেছে বগুড়া।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে সিটি করপোরেশন চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদিন সকাল ৬টায় ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে বগুড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। সকাল ৯ টা ৫৫ মিনিটে তিনি বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছান। পরে বেলা সাড়ে ১১টায় পায়ে হেটে জেলা জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এরপর তিনি বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। উদ্বোধন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ পৈতৃক এলাকা বাগবাড়ীর উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন এবং পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার।
সফরের শেষপর্যায়ে বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। বক্তব্য শেষে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে বগুড়া প্রেসক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন করবেন। পরে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটেই বগুড়া বাইতুর রহমান কেন্দ্রীয় মসজিদের পূর্ণনির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন। সবশেষে সন্ধ্যা ৬টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে সংক্ষিপ্ত বিরতি শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে তৎকালীন সরকার বগুড়া পৌরসভার সীমানা সম্প্রসারণ করে আশপাশের ৪৮টি মৌজা অন্তর্ভুক্ত করে এবং ওয়ার্ড সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হয়। সে সময় থেকেই বগুড়াকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার পরিকল্পনা থাকলেও নানা কারণে তা বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে বগুড়া সিটি করপোরেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল।
জাতীয়
ন্যায়বিচার দয়া নয়, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার: প্রধানমন্ত্রী
ন্যায়বিচার দয়া নয়, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল) বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত ভবনের ফলক উন্মোচন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচারকদের ভূমিকাই মুখ্য। ফ্যাসিবাদী আমলে বিচার ব্যবস্থা দলীয়করণ করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী আমলে রাতের আধারে আদালত বসিয়ে আইনের নামে বেআইনি শাসন চালানো হয়েছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আদালত হয়রানির জায়গা নয়। মানুষের আস্থার জায়গা। ইবেইল বন্ডের মাধ্যমে জামিনে হয়রানি বন্ধ হবে।’
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পর জনগণের ভোটে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। মানুষ রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে। সময়ের দাবি, যেন আর ফ্যাসিবাদ চেপে না বসে। আইন, বিচার ও শাসন সমন্বয় করতে পারলে গণতান্ত্রিক অধিকারের সুফল মিলবে।’
এ সময় বগুড়া কোর্ট ভবন নির্মাণ খরচ বাবদ ১৫ লাখ এবং লাইব্রেরি বই কেনা বাবদ ৫ লাখ; মোট ২০ লাখ টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে, গার্ড অব অনার শেষে বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত ভবনের ফলক উন্মোচন করেন তিনি। সেখানে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে ১৮৭৬ সালে স্থাপিত বগুড়া পৌরসভা সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলো।
এদিকে, প্রায় দীর্ঘ ২০ বছর পর বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি গ্রামের পৈতৃক নিবাসে যাবেন তিনি। দুপুরে গাবতলী উপজেলার বাগবাড়িতে যাবেন তিনি। জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জরুরি হাম রুবেলা টিকা ক্যাম্প উদ্বোধন করবেন সরকার প্রধান। পরে শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে দ্বিতীয় ধাপের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন তিনি। পরে বাগবাড়ির গ্রামের নশিপুর ইউনিয়নে চৌকিরদহ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। এরপর পৈতৃক ভিটায় অবস্থান শেষে বগুড়া শহরে ফিরে আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠের জনসভায় যোগ দেয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
জাতীয়
সংসদের ক্রয়কার্য নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত
সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ।
জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার (১৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানানো হয়।
এতে হয়, ওই প্রতিবেদনে সংসদ সচিবালয়ের ক্রয়কার্য সম্পর্কে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য অচিরেই একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ক্রয়ের কোনো বিল পরিশোধ করা হবে না।
এমএন



