Connect with us

আন্তর্জাতিক

গাজায় যুদ্ধবিরতির পর ৬৭ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত: জাতিসংঘ

Published

on

সূচক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার পরেও ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৭ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। প্রতিষ্ঠানটি এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং গাজার শিশুদের জন্য কোনো নিরাপদ স্থান নেই। শনিবার (২২ নভেম্বর) আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে ইউনিসেফের মুখপাত্র রিকার্ডো পিরেস জানান, নিহতদের মধ্যে রয়েছে বৃহস্পতিবার দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এক নবজাতক শিশু। এর আগের দিনও ইসরায়েলি হামলায় আরও সাত শিশু নিহত হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পিরেস বলেন, এটি যুদ্ধবিরতির সময় ঘটছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এরা কেবল সংখ্যাতাত্ত্বিক তথ্য নয়— প্রতিটি শিশু একটি পরিবার, একটি স্বপ্ন, একটি জীবন নিয়ে ছিল। হঠাৎ করে অব্যাহত সহিংসতার কারণে সব শেষ হয়ে গেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইউনিসেফের আগের হিসাবে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৪ হাজার ফিলিস্তিনি শিশু হতাহত হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন জানিয়েছে, ২০২৪ সালে প্রতি মাসে গড়ে ৪৭৫ জন ফিলিস্তিনি শিশু আজীবন পঙ্গুত্ব বয়ে আনবে এমন আঘাত পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি, পোড়া ক্ষতসহ অন্যান্য গুরুতর শারীরিক ক্ষতি।

সংস্থাটি আরও বলেছে, গাজা এখন ‘আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিশু অঙ্গহানি-বহুল অঞ্চলে’ পরিণত হয়েছে।

খাদ্য সংকটও শিশুদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মানবিক সহায়তা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বহু শিশু অপুষ্টি ও ক্ষুধাজনিত জটিলতায় মারা গেছে বলে বিভিন্ন সংস্থা অভিযোগ করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজাজুড়ে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলের দাবি, সেনাদের ওপর হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে হামাস এই দাবি অস্বীকার করে এটিকে ‘গণহত্যা পুনরায় শুরু করার স্পষ্ট ইঙ্গিত’ বলে অভিহিত করেছে।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) জানিয়েছে, তাদের চিকিৎসকরা সাম্প্রতিক হামলায় গুলিবিদ্ধ ও খোলা হাড় ভাঙাসহ গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত বহু নারী ও শিশুকে চিকিৎসা দিয়েছেন। গাজা সিটির একটি মোবাইল ক্লিনিকে কর্মরত নার্স জাহের জানান, তারা এক নারীকে পায়ের গুরুতর আঘাত এবং একজন নয় বছরের মেয়েকে মুখের গুলিবিদ্ধ ক্ষত নিয়ে চিকিৎসা দিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধে গাজায় শীতের মৌসুমে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী—বিশেষ করে তাঁবু, কম্বল, ওষুধ—গুরুতরভাবে সংকট সৃষ্টি করেছে। ইউনিসেফ বলছে, বহু শিশু খোলা আকাশের নিচে, বৃষ্টিভেজা অস্থায়ী আশ্রয়ে শীতের তীব্র ঠান্ডা সহ্য করছে।

ইউনিসেফের মুখপাত্র পিরেসের মতে, গাজার শিশুদের জন্য বাস্তবতা নির্মম ও স্পষ্টত তাদের জন্য কোনো নিরাপদ স্থান নেই। তিনি বলেন, শীতের আগমন তাদের জন্য নতুন হুমকি। হিটার নেই, পর্যাপ্ত কম্বল নেই—শিশুরা রাতভর কাঁপছে ঠান্ডায়।

এমকে

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

তেহরান-ওয়াশিংটন সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন, অগ্রগতি সত্ত্বেও ‘অধরা’ শান্তি

Published

on

সূচক

ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।

ইরানের এক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা ও দেশটির সংসদ মজলিসে শূরার স্পিকার বাকের কালিবাফ জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হলেও একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে দু’দেশ এখনো ‘অনেক দূরে’ অবস্থান করছে। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সাথে অত্যন্ত গঠনমূলক আলোচনার কথা স্বীকার করলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী নিয়ে তিনি তেহরানকে কোনোভাবেই যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করার সুযোগ দেবেন না।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধই থাকবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তেহরানের দৃষ্টিতে এই অবরোধ হলো যুদ্ধবিরতির শর্তের সরাসরি লঙ্ঘন। তবে পরিস্থিতির মোড় ঘুরাতে ওয়াশিংটন কিছু নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে, যা বর্তমানে ইরান সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে।

এই টানাপোড়েন আসলে বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল দাবার চাল। হরমুজ প্রণালী হলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের ফুসফুস, যা বন্ধ থাকলে পুরো পৃথিবীর তেলের বাজারে ধস নামতে পারে। ইরান এই ভৌগোলিক শক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মার্কিন অবরোধ ভাঙতে চাইছে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার জানালা খোলা রাখার বার্তা দিচ্ছে, কিন্তু একইসাথে তারা তেহরানের ওপর থেকে চাপ কমাতেও নারাজ।

ওয়াশিংটনের নতুন প্রস্তাবগুলো যদি ইরানের অর্থনৈতিক অবরোধের গেরো খুলতে না পারে, তবে আলোচনার এই টেবিলে বসা কেবল কালক্ষেপণ ছাড়া আর কিছু হবে না।

আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন তেহরানের পর্যালোচনার ওপর। শান্তি আলোচনার এই ধীরগতি প্রমাণ করে যে দু’দেশের দীর্ঘদিনের অবিশ্বাসের দেয়াল এখনো কতটা শক্ত। একদিকে সামরিক উত্তজনা আর অন্যদিকে কূটনৈতিক দরকষাকষি- এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসী এখন শান্তির আশায় থাকলেও বাস্তব পরিস্থিতি বলছে দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য হয়তো আমাদের আরো অনেকটা সময় অপেক্ষা করতে হবে। দু’পক্ষই নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে অনড় থাকায় সামনের দিনগুলোতে এই কূটনৈতিক লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, তাই এখন দেখার বিষয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে ইসরায়েলে বিক্ষোভ

Published

on

সূচক

ইসরায়েলের তেল আবিবের রাস্তায় শনিবার হাজারো মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার সরকারের পদত্যাগের দাবিতে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

বিক্ষোভকারীদের একজন রাফায়েল পিনাইনা বলেন, নেতানিয়াহু দেশের অভ্যন্তরীণ সামাজিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন এবং ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক দুর্বল করে দিচ্ছেন। এ কারণেই তিনি প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভকারীরা ৭ অক্টোবরের ঘটনা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন, যাতে সত্য প্রকাশ পায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সমাজকর্মী লি হফম্যান-আজিভ বলেন, তিনি মূলত সেখানে এসেছেন ৭ অক্টোবরের পর থেকে চলমান সংঘাতে প্রাণ হারানোদের পরিবারের প্রতি সমর্থন জানাতে।

অন্যদিকে, বিক্ষোভকারী হাইম ট্রিভ্যাক্স দাবি করেন, লেবানন ও ইরানে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ইসরায়েলের জন্য ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তার অভিযোগ, নেতানিয়াহু দেশের স্বার্থ নয়, বরং ব্যক্তিগত রাজনৈতিক স্বার্থে এসব পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রাজনৈতিক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কিউবার সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানাল মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল

Published

on

সূচক

কিউবার পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে মেক্সিকো, স্পেন ও ব্রাজিল। দেশ তিনটি কিউবাকে আরও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটির সার্বভৌমত্ব সম্মান করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বার্সেলোনায় বিশ্বজুড়ে বামপন্থি নেতাদের এক বৈঠকে দেশগুলো এ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিবৃতিতে দেশগুলো কিউবার জনগণের ‘গুরুতর মানবিক সংকট’ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শীতল যুদ্ধের সময় ১৯৬০-এর দশক থেকে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে। এরপর সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে। এটিকে দেশটির নেতৃত্ব পরিবর্তনের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আল জাজিরা জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল আমদানি নিষিদ্ধ করেছেন। এছাড়া কিউবায় তেল সরবরাহ করলে অন্যান্য দেশগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন। এতে করে দেশটিতে জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট তৈরি হয়েছে। এটিকে ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়েজ কানেলকে অপসারণেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প।

বিবৃতিতে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেডরো সানচেজ এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। তারা বলেন, কিউবার জনগণের কষ্ট লাঘবে আমরা আমাদের মানবিক সহায়তা বাড়াতে সমন্বিতভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যৌথ বিবৃতিতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না থাকলেও, জাতিসংঘ সনদে বর্ণিত ‘ভৌগোলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌম সমতা এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ নিষ্পত্তির’ প্রতি সম্মান জানানোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

দেশগুলো জানিয়েছে, কিউবার ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার শুধুমাত্র কিউবার জনগণেরই থাকা উচিত এবং তা হতে হবে সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে।

এদিকে চলদি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি ব্যবহার করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধ শেষ হলে কিউবার দিকে নজর দেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, আমরা এটা শেষ করার পর কিউবায়ও যেতে পারি।

ট্রাম্প প্রশাসন বারবার দাবি করেছে, কিউবার বর্তমান মানবিক সংকটের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নীতি দায়ী নয়। বরং এটি দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক দুর্ব্যবস্থাপনার ফল। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার ফিদেল কাস্ত্রোর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ৬৫তম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হতে পারে। অমাাদের গুরুতর হুমকি, এমনকি সামরিক আগ্রাসনের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। তবে আমরা তা চাই না। এটি এড়াতে প্রস্তুত থাকা আমাদের দায়িত্ব। আর যদি তা অনিবার্য হয়, তাহলে তা মোকাবিলা করতে হবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের নতুন হামলা

Published

on

সূচক

যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘হলুদ রেখা’র দক্ষিণে সম্ভাব্য হুমকি লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার বেশ কয়েকটি গ্রামে কামান ও গোলাবর্ষণের পাশাপাশি মেশিনগানের গুলিবর্ষণ অব্যাহত ছিল। একই সঙ্গে ইসরায়েল দুটি বিমান হামলার কথাও নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসরায়েলের দাবি, একটি হামলায় হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের একটি দলকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়, যারা ‘হলুদ রেখা’র দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। অন্য হামলায় ওই রেখার দক্ষিণে একটি সুড়ঙ্গের প্রবেশপথের কাছে থাকা এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানা হয় এবং প্রবেশপথটি ধ্বংস করা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে ইসরায়েলি সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন, এসব পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন নয়; বরং আত্মরক্ষার অংশ হিসেবেই অভিযান চালানো হয়েছে।

এদিকে নাইম কাসেম এই চুক্তিকে লেবাননের জন্য অপমানজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কূটনৈতিক আলোচনা চললেও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি এখনও অস্থির। দক্ষিণ লেবাননের অনেক মানুষ নিজ নিজ গ্রামে ফেরার চেষ্টা করছেন, তবে যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা এ নিয়ে অনিশ্চয়তায় অনেকেই এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

লোকসভায় ভোটে বড় পরাজয় মোদির

Published

on

সূচক

ভারতের লোকসভায় পাস হতে ব্যর্থ হলো নারী আসন সংরক্ষণ ও লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির সংশোধনী বিল। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) লোকসভায় বিলটির পক্ষে পর্যাপ্ত ভোট না পড়ায় এটি বাতিল হয়ে যায়। দেশটির সংসদীয় ইতিহাসে একে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বড় পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু এ খবর জানিয়েছে।

জানা গেছে, বিলের পক্ষে ২৯৮ জন সদস্য ভোট দিলেও বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় বিলটি বাতিল হয়। বিলটি ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় নারী কোটা কার্যকর করা এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রস্তাব করা হয়েছিল। এই বিলটির পরাজয়ের পর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি বিল থেকেও সরে আসার ঘোষণা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিলটি খারিজ হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, তারা এই সংক্রান্ত অন্য দুটি বিল নিয়েও আর এগোবে না। সরকারের মতে, বিষয়গুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করা সম্ভব নয়। বিলটি পাস না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করে সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্কারে ঐকমত্য গড়ে তোলার সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিতর্কের জবাবে জানান, ভোটার ও সংসদ সদস্যদের অনুপাতের ভারসাম্যহীনতা সীমানা পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিক করা সম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে জনগণকে সীমানা পুনর্নির্ধারণ থেকে বঞ্চিত করেছিল এবং এখনও একই অবস্থান বজায় রেখেছে।

বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী লোকসভায় তার বক্তব্যে সরকারের এই বিলের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি দাবি করেন, এই বিলটির সঙ্গে নারী সংরক্ষণের কোনও সম্পর্ক নেই। বরং এটি দেশের নির্বাচনী মানচিত্র বদলের একটি প্রচেষ্টা।

রাহুল গান্ধী বলেন, দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্ব কেড়ে নেওয়ার এই চেষ্টা একটি ‘দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ ছাড়া আর কিছুই নয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার23 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২০৮ কোম্পানির

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দুই...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার20 hours ago

ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৯ কোটি টাকার

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪৫টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৯ কোটি...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার20 hours ago

দরপতনের শীর্ষে পপুলার লাইফ ফার্স্ট

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে পপুলার লাইফ ফার্স্ট...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার21 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে রানার অটোমোবাইলস

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৪০৪টি কোম্পানির মধ্যে ১২৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার21 hours ago

লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি। ঢাকা স্টক...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার21 hours ago

প্রথম কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়া, লেনদেন ৮১৯ কোটি

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার21 hours ago

এনসিসি ব্যাংকের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৭ এপ্রিল...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
সূচক
খেলাধুলা7 minutes ago

বিসিবির সম্মাননা পেলেন রুবেল

সূচক
জাতীয়14 minutes ago

ন্যায়বিচার দয়া নয়, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার23 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২০৮ কোম্পানির

সূচক
জাতীয়34 minutes ago

সংসদের ক্রয়কার্য নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

সূচক
আইন-আদালত55 minutes ago

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সূচক
জাতীয়1 hour ago

শাহজালাল বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: বিমানমন্ত্রী

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আঙ্কারায় যাবে বিজিএমইএর প্রতিনিধিদল

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

ডিজিটাল বিনিয়োগ সেবা বাড়াতে ৫ ব্যাংকের সঙ্গে বিডার চুক্তি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

একযোগে পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সূচক
খেলাধুলা7 minutes ago

বিসিবির সম্মাননা পেলেন রুবেল

সূচক
জাতীয়14 minutes ago

ন্যায়বিচার দয়া নয়, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার23 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২০৮ কোম্পানির

সূচক
জাতীয়34 minutes ago

সংসদের ক্রয়কার্য নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

সূচক
আইন-আদালত55 minutes ago

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সূচক
জাতীয়1 hour ago

শাহজালাল বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: বিমানমন্ত্রী

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আঙ্কারায় যাবে বিজিএমইএর প্রতিনিধিদল

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

ডিজিটাল বিনিয়োগ সেবা বাড়াতে ৫ ব্যাংকের সঙ্গে বিডার চুক্তি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

একযোগে পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সূচক
খেলাধুলা7 minutes ago

বিসিবির সম্মাননা পেলেন রুবেল

সূচক
জাতীয়14 minutes ago

ন্যায়বিচার দয়া নয়, নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার23 minutes ago

সূচক নিম্নমুখী, দুই ঘণ্টায় শেয়ারদর কমেছে ২০৮ কোম্পানির

সূচক
জাতীয়34 minutes ago

সংসদের ক্রয়কার্য নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত

সূচক
আইন-আদালত55 minutes ago

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

সূচক
জাতীয়1 hour ago

শাহজালাল বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: বিমানমন্ত্রী

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আঙ্কারায় যাবে বিজিএমইএর প্রতিনিধিদল

সূচক
অর্থনীতি2 hours ago

ডিজিটাল বিনিয়োগ সেবা বাড়াতে ৫ ব্যাংকের সঙ্গে বিডার চুক্তি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

একযোগে পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

সূচক
জাতীয়2 hours ago

বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান