সারাদেশ
পঞ্চগড়ে তীব্র হচ্ছে শীত, ১২ ডিগ্রিতে নামলো তাপমাত্রা
শীতের জেলা পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা আরও কমেছে। বেড়েছে শীতের অনুভূতি। কয়েকদিন ধরেই দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমাগত কমছে। বুধবার (১২ নভেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কদিন ধরেই সন্ধ্যার পর থেকে হালকা শীত অনুভূত হচ্ছে। রাতভর ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকে গোটা এলাকা। সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে শীত অনুভূত হয়। তবে ভোরের দিকে হালকা হতে থাকে কুয়াশা। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে কমে যায় ঠান্ডার অনুভূতি। সোমবার দিনের (সর্বোচ্চ) তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি। তবে সন্ধ্যার পর থেকে বেশ শীত অনুভূত হতে থাকে। স্থানীয়দের শীতের কাপড় পরতে দেখা গেছে।
সদর উপজেলার মাগুড়া এলাকার ময়নুদ্দীন বলেন, কয়েকদিন ধরে সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত ভালোই ঠান্ডা লাগে। ফজরের নামাজ পড়তে বাড়ি থেকে বের হলে ঘনকুয়াশা দেখা যায়। তবে সূর্য ওঠার পর ঠান্ডার অনুভূতি কমে যায়।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, বুধবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৬৭ শতাংশ। সোমবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি। চলতি মাসের শেষের দিকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
সারাদেশ
টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক, আটক ৫৩
মিয়ানমার থেকে আজ রোববার সকাল ৯টার দিকে আসা গুলিতে বাংলাদেশি এক শিশু আহত হয়েছে। টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটির নাম আফনান (১১)। সে ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) অলক বিশ্বাস আজ দুপুর আড়াইটার দিকে বলেন, শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। প্রথমে মারা যাওয়ার কথা শোনা গেলেও তা সঠিক নয়। শিশুটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র রুদ্র বলেছিলেন, ওপার থেকে আসা গুলিতে শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুলিতে আহত হয়েছেন আরও একজন। শিশুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টারশেল ও বোমা বিস্ফোরণ থামছে না। তিন দিন ধরে রাখাইন রাজ্যের মংডু টাউনশিপের আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে সরকারি জান্তা বাহিনী।
অন্যদিকে আরাকান আর্মির সঙ্গে স্থলভাগে সংঘর্ষে জড়িয়েছে রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র তিনটি গোষ্ঠী। এ কারণে সীমান্ত পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হচ্ছে। ওপারের বিকট শব্দের বিস্ফোরণে টেকনাফের বাংলাদেশ সীমান্তের গ্রামগুলোয় ভূকম্পন দেখা দিচ্ছে। কেঁপে উঠছে লোকজনের ঘরবাড়ি। ওপার থেকে ছোড়া গুলি এসে পড়ছে এপারে লোকজনের ঘরবাড়ি-চিংড়িঘের ও নাফ নদীতে।
সর্বশেষ গতকাল শনিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের বিপরীতে রাখাইন রাজ্যের বলিবাজার এলাকায় থেমে থেমে ব্যাপক গোলাগুলি, মর্টারশেলের বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিকট শব্দের বিস্ফোরণে টেকনাফের হোয়াইক্যং ও উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১১টি গ্রাম কেঁপে উঠছে। লোকজন রাত জেগে সময় পার করেন। অনেকে ঘরবাড়ি ফেলে নিরাপদ স্থানে ছোটেন। নাফ নদী ও স্থলসীমান্তে নজরদারি ও টহল বাড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও কোস্টগার্ড।
সীমান্তের একাধিক সূত্র জানায়, হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মির সঙ্গে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা), আরাকান রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এবং নবী হোসেন বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি ও থেমে থেমে গুলিবর্ষণ চলছে। অন্যদিকে মিয়ানমার জান্তা বাহিনীও আরাকান আর্মির অবস্থানে বিমান হামলা ও বোমা হামলা চালাচ্ছে।
কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সড়ক অবরোধ। আজ রোববার সকালে
কক্সবাজারে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সড়ক অবরোধ। আজ রোববার সকালেছবি:
উখিয়া-৬৪ বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জহিরুল ইসলাম বলেন, সীমান্তের ওপারে পরিস্থিতি এবং গোলাগুলির বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হয়েছে। অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নাফ নদী ও সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউ) সদস্য সিরাজুল মোস্তফা বলেন, তিন দিন ধরে হোয়াইক্যংয়ের ওপারে রাখাইন রাজ্যে ও দেশটির সীমান্তে দিনরাত গোলাগুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটছে। ওপারের গুলি এসে পড়ছে হোয়াইক্যং সীমান্তের লোকজনের ঘরবাড়ি ও চাষের জমিতে। ওপারের গুলি আতঙ্কে লোকজন স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারছেন না।
স্থানীয় জেলে মো. রফিক বলেন, আজ সকালে হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় বেড়িবাঁধে গেলে তিনি বেশ কিছু গুলি দেখতে পান। তখন ওপারে গোলাগুলি হচ্ছিল। এ সময় একটি গুলি এসে পড়ে তাঁর পায়ের কাছে মাটিতে। অল্পের জন্য গুলিটি তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয়নি।
সম্প্রতি রাখাইন রাজ্য থেকে টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মো. আরমান বলেন, রাখাইন রাজ্যের সীমান্তে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে আরাকান আর্মির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে। মাঝেমধ্যে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলাও চলছে। রাখাইন রাজ্যের পরিস্থিতি থমথমে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির ঘটনার বিষয়ে বিজিবিসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করতে সতর্ক করা হচ্ছে।
এমকে
সারাদেশ
বাস-অটোরিকশা-মোটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ, নিহত ৪
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়েছে একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে মুহূর্তেই আগুন ধরে গেছে বাসটিতে। এ ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে অন্তত ৪ বাসযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩০ জন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজন শিশু, একজন নারী ও একজন পুরুষ। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইকবাল বাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ বলছে, ত্রিমুখী সংঘর্ষেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। সংঘর্ষে যাত্রীবাহী বাসটিতে আগুন লেগে যায়। এটা মোটরসাইকেলের জ্বালানির ট্যাংকার থেকে হতে পারে।
দুর্ঘটনার পর বাসে আগুন ধরে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভান। ছবি: সংগৃহীত
দুর্ঘটনার পর চট্টগ্রামগামী লেনে বানিয়াপাড়া থেকে গৌরীপুর পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দাউদকান্দি ইউনিটের সদস্য, দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশ, কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। বেলা দুইটা থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। আহতদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।
সারাদেশ
গাজীপুরে ঝুট গোডাউনে ভয়াবহ আগুন
গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি থানাধীন দেওয়ালিয়াবাড়ি এলাকায় ঝুটের একাধিক গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে দেওয়ালিয়াবাড়ি কাঁঠালতলা এলাকায় অবস্থিত একটি ঝুট গোডাউনে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়।
স্থানীয়রা গোডাউন থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখে বিষয়টি টের পান। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের আরও কয়েকটি ঝুট গোডাউনে ছড়িয়ে পড়ে।
জানা গেছে, খবর পেয়ে প্রথমে কোনাবাড়ি ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। তবে আগুনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরবর্তীতে সারাবো ও ডিবিএল ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ৪টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।
এ বিষয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মামুন বলেন, একাধিক ঝুট গোডাউনে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে মোট ৬টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ধারণ করা যায়নি। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সারাদেশ
আজ যেসব এলাকায় রাত ১০ টা পর্যন্ত গ্যাস থাকবে না আজ
সার্ভিস লাইন নির্মাণ কাজের জন্য আজ রাত ১০ টা পর্যন্ত ঢাকার কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
এতে বলা হয়, মেসার্স বেঙ্গল ইন্ডিগো লিমিটেড আব্দুল্লাহপুর, উত্তরা, টঙ্গী গাজীপুরের সার্ভিস লাইন নির্মাণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টা উত্তরা, উত্তর খান ও দক্ষিন খান এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণীর গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এছাড়া, এর আশেপাশের এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে।
গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
সারাদেশ
নওগাঁয় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৭ ডিগ্রি
উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা নওগাঁয় বুধবার (০৭ জানুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জেলার বদলগাছী উপজেলায় রেকর্ড করা এ তাপমাত্রা ৬.৭ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে, ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি চলতি মৌসুমেরও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য মতে, সকাল ৯টা পর্যন্ত জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে প্রায় সাড়ে ৪ ডিগ্রি। তাপমাত্রা কমার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাস শীতকে বাড়িয়ে তুলেছে কয়েকগুণ। দিনে ঠিকমতো দেখা মিলছে না সূর্যের। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে চারপাশ। যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।
শহরের বরুণকান্দি এলাকার রিকশা চালক দবিরুল ইসলাম বলেন, দুইদিন থেকে অনেক বেশি শীত। শীতের কারণে বাইরে বের হওয়ায় যাচ্ছে না। লোকজন সেভাবে বাইরে বের হচ্ছে না দেখে আগের মতো ভাড়াও হচ্ছে না। শীতে কষ্ট হলেও দু-মুঠো খাবারের জন্য গাড়ি চালাতে হচ্ছে।
বদলগাছী কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের উচ্চ পর্যবেক্ষক মোহাম্মদ হামিদুল হক বলেন, জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বনিম্ন। আকাশে মেঘ এবং বাতাস থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি।
যখন কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলে। তাপমাত্রা ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে বলা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে গেলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।




