অর্থনীতি
রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ৩২ বিলিয়ন ডলার
রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলাম পদ্ধতিতে ডলার কেনার প্রেক্ষাপটে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও দেখা দিয়েছে উত্থান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, সোমবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ ২৭ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৯ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী যার পরিমাণ ছিল ২৭ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনায় রিজার্ভ বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে ৩২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আর গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে মোট ২১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু হয়।
এছাড়া সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়ছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের। আগের অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থবছর অনুযায়ী রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে—জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ ডলার এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।
অর্থনীতি
ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ: বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। গত কয়েকদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে তেলের বাজার এখন নিম্নমুখী।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেন চলাকালীন ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৪ ডলার কমে ৯৫ ডলারে নেমে আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দামও কমে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯১ ডলারে নেমেছে।
এর আগে সোমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল, যা তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে— এই আশঙ্কায় দাম বেড়ে গিয়েছিল।
তবে পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়। ওই আলোচনায় দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে কথা হওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এবং তেলের দাম কমতে শুরু করে।
এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে— এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজারে আতঙ্ক কিছুটা কমেছে এবং তেলের দামও কমে এসেছে। সূত্র : রয়টার্সে
এমএন
অর্থনীতি
দেশের বাজারে আজ কত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
বিশ্ববাজারে উত্তেজনার মধ্যেই দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (১০ মার্চ) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সবশেষ নির্ধারিত দামে।
সোমবার (৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা এবং রুপার দাম কমেছে ১৭৫ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) ও রুপার দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন এ দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকায়, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এর আগে গত ৪ মার্চ বড় ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৯ হাজার ২১৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬৮ হাজার ২১৪ টাকা। তখন ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫৬ হাজার ২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৯ হাজার ৪৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৯ টাকা ছিল।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৩৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার দাম বেড়েছে এবং ১৪ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল- যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি এবার কমানো হয়েছে রুপার দামও। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৯০৭ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম ২৩ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ বার দাম বেড়েছে এবং ৯ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মোট ১৩ বার- যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ৩ বার কমানো হয়।
এমএন
অর্থনীতি
ভারত থেকে পাইপলাইনে বাংলাদেশে আসছে ৫ হাজার টন ডিজেল
দেশের জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে এই ডিজেল বাংলাদেশে আসছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে ডিজেলের পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে পাইপলাইনে করে বাংলাদেশে পৌঁছাবে এ ডিজেল। জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।
এর আগে, জ্বালানি সংকট মেটাতে রোববার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ- ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী ৪ মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টন ডিজেল আনার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেন।
এমএন
অর্থনীতি
আল-আরাফাসহ চার ব্যাংকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষক নিয়োগ
ঋণ কেলেঙ্কারি, অযাচিত হস্তক্ষেপসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হলো—ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক।
সোমবার (৯ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো চিঠিতে পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংক সুপারভিশন বিভাগ-১২ এর পরিচালক মুনির আহমেদ চৌধুরীকে। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকে ইসলামিক ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, প্রিমিয়ার ব্যাংকে পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের পরিচালক এ.এন.এম. মঈনুল কবির এবং আইএফআইসি ব্যাংকে ফরেক্স রিজার্ভ অ্যান্ড ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ-১ এর পরিচালক একেএম কামরুজ্জামানকে পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
পর্যবেক্ষকরা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে উপস্থিত থেকে বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনীয় মতামত বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তুলে ধরবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব কর্মকর্তা পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এখন থেকে পরিচালনা পর্ষদের সব বৈঠক, নির্বাহী কমিটি ও অডিট কমিটির বৈঠকেও তারা উপস্থিত থাকবেন। দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে প্রতিটি পর্ষদ বৈঠকের অন্তত তিন কার্যদিবস আগে পর্যবেক্ষকদের কাছে বৈঠকের এজেন্ডা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, কয়েকটি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগের বিষয়ে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত ছিল। নতুন গভর্নর সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আপাতত চারটি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক দিয়েছেন।
এর আগে ঋণ জালিয়াতি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগের পর আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর মোট ১৪টি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে পুনর্গঠন করে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ওই তালিকায় এই চারটি ব্যাংকও ছিল। সে সময় এসব ব্যাংকের পরিচালনায় যুক্ত অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঋণ ও বিনিয়োগের প্রকৃত শ্রেণিমান যথাযথভাবে রিপোর্ট না করায় বেসরকারি ব্যাংক ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ও আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসিকে পাঁচ লাখ টাকা করে জরিমানা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অর্থনীতি
দেশে ভোজ্যতেলের সংকট নেই, দামও বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশে জ্বালানি তেল বা ভোজ্যতেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং বাজারে সরবরাহও স্বাভাবিক রয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উৎপাদক ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, বৈঠকে অংশ নেওয়া উৎপাদক ও আমদানিকারকরা মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন যে দেশে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো সমস্যা নেই।
তবে প্যানিক বায়িংয়ের কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে ভোজ্যতেল শেষ হয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। এ পরিস্থিতিতে ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত ভোজ্যতেল না কেনার পরামর্শ দেন তিনি।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোজ্যতেলের দাম এক টাকাও বাড়বে না এবং বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাজারে নজরদারি জোরদার করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এমএন




