জাতীয়
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, খোঁজ নেই একজনের: সেনা সদর
মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর।
আজ শনিবার বিকেলে সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেক বছর সিলেকশন বোর্ড হয়। এটার শিডিউল ছিল ৫-১১ অক্টোবর পর্যন্ত। আমাদের প্রতিটি পদ প্রেসক্রাইব। আমাদের বোর্ড শেষ হয় ৮ অক্টোবর। এরপর হয় জেনারেলের কনফারেন্স।’
তিনি বলেন, ‘৮ তারিখে নামাজের এবং লাঞ্চ ব্রেকে জানতে পারি, ২৫ জন সাবেক ও বর্তমান সেনা কর্মকর্তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আজ পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আমাদের হস্তগত হয়নি। আমরা এখন পর্যন্ত কোনো অনুলিপি পাইনি। ৮ তারিখে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে অনেকে সাবেক ও অনেকে কর্মরত। তাদের ৯ তারিখের মধ্যে ঢাকা ক্যান্টমেন্টে সেনা হেফাজতে আনার জন্য বলা হয়। এটা সেনাবাহিনীর প্র্যাকটিস, যাদের নামে অভিযোগ ওঠে তাদের আমরা হেফাজতে নিই। এরপর বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৫ জনকে সেনা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। একজন ৯ তারিখ সকালে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। তার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ডিজিএফআই, এনএসআই, বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলা হয়েছে, ওই কর্মকর্তা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, ‘গুম কমিশন করা হয়েছে। …আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি, এখনো করে যাচ্ছি। সেনাবাহিনী বিচারের পক্ষে। ইনসাফের সঙ্গে কোনো কপ্রোমাইজ হবে না।’
হেফাজতে থাকা সেনা কর্মকর্তাদের আগামী ২২ তারিখে আদালতে হাজির করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা এটার একটা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
গুমের দায় সেনাবাহিনী নেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডিজিএফআই অফিসে ২০০৭, ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে কী ঘটেছিল, সেটা আর্মি কীভাবে জানবে? আমরা কীভাবে জানবো?’
অবসরপ্রাপ্ত যারা আছেন, তাদের কীভাবে গ্রেপ্তার করা হবে, এমন প্রশ্নে মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, ‘তারা চাইলে আমাদের হেফাজতে আসতে পারে। অথবা পুলিশের কাছে, অথবা আদালতে যেতে পারে।’
জাতীয়
প্রার্থিতা ফিরে পেলো আরও ৬০ জন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ দিনে আরও ৬০টি আপিল মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনে (বৃহস্পতিবার) ১০৪টি আবেদনের শুনানি গ্রহণ করা হয়। এরমধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৬০টি আপিল আবেদন মঞ্জুর হয়েছে এবং ২৯টি আপিল আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। কমিশন মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ৫টি আপিল নামঞ্জুর করেছে। শুনানিতে ১০টি আপিল আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেইজমেন্ট-২) সকাল ১০টা থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল শুনানি গ্রহণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ফুল কমিশন।
এদিকে, ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত ৪৮১ থেকে ৫১০ নম্বর ও পেন্ডিং আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া ১৭ জানুয়ারি (শনিবার) ৫১১ থেকে ৬১০ নম্বর আপিল এবং ১৮ জানুয়ারি রোববার ৬১১ থেকে ৬৪৫ নম্বর ও অবশিষ্ট পেন্ডিং আপিলের শুনানির মধ্য দিয়ে আপিল শুনানির কার্যক্রম শেষ হবে।
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।
জাতীয়
পে-স্কেল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলো কমিশন
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে পে-কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত পূর্ণ কমিশন সভায় গ্রেড সংখ্যা পরিবর্তনের প্রস্তাব আলোচনা হলেও, প্রশাসনিক জটিলতা এড়িয়ে আগের মতো ২০টি গ্রেডই বহাল রাখার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
তবে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের হার নির্ধারণে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর হয়নি এবং বিষয়টি ঝুলে রয়েছে।
কমিশনের একটি সূত্র জানায়, গ্রেড সংখ্যা কমানোর বা পুনর্গঠনের প্রস্তাব থাকলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কমিশনের এক সদস্য নিশ্চিত করেন, গ্রেড সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করা হবে।
সভায় বেতন কাঠামোর পাশাপাশি পেনশন ও চিকিৎসা ভাতাসহ অন্যান্য ভাতার বিষয় আলোচনা করা হলেও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন নির্ধারণে একমত হতে না পারায় অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
কমিশন সদস্যরা সর্বনিম্ন বেতনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। আগামী ২১ জানুয়ারি পরবর্তী সভায় এই বিষয়ে পুনরায় আলোচনা হবে। এছাড়া, কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বনিম্ন বেতনের হার নির্ধারণের জন্য সবুজ সংকেত নিতে পারেন বলে জানা গেছে।
আগের সংবাদ অনুযায়ী, বেতন বৈষম্য কমাতে বেতনের অনুপাত ১:৮ রাখার কথা ভাবা হচ্ছিল, যা নিয়েও আলোচনা চলছে। এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেলে পরিবর্তনের আশা জাগলেও, চূড়ান্ত বেতন কাঠামোর অগ্রগতি কিছুদিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
জাতীয়
সিআইডিকে হাদি হত্যা মামলা পুনঃতদন্তের নির্দেশ
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলাটি পুনরায় তদন্ত করতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।
এর আগে, মামলাটির তদন্তে ছিল ডিবি। তবে ডিবির তদন্তে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আদালতে নারাজির আবেদন করেন মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।
ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের ডিসি মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান জানান, আদালত পুনঃতদন্ত করে ২০ জানুয়ারির মধ্যে সিআইডিকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে, গত ৬ জানুয়ারি হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। কিন্তু অভিযোগপত্রে সন্তুষ্ট নয় ইনকিলাব মঞ্চ। সেদিন মামলাটি শুনানির জন্য থাকলেও আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য দুই দিন সময় চান। আদালত তা মঞ্জুর করে বৃহস্পতিবার অভিযোগপত্র গ্রহণের দিন ধার্য করেন।
এদিন ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে নারাজি দাখিল করেছেন মামলার বাদী। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল শুনানি করেন।
শুনানিতে তিনি বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা শুধু অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। অথচ, এখানে হত্যার পরিকল্পনাকারীদের সাথে হত্যাকারী শুটারদের কী সম্পর্ক তা উল্লেখ করা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে আওয়ামী লীগের একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলেরর কথা বলা হয়েছে। এটা হাস্যকরা। একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের এ সাহস করার কথা না। অবশ্যই বড় কোনো পরিকল্পনা ছিল। এজন্য এ অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আমরা নারাজি দিয়েছি।
এ ছাড়া অভিযোগপত্রের বিভিন্ন অসঙ্গতি নিয়ে আদালতকে অবহিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজ পড়ে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ অটোরিকশা করে ফেরার পথে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়।
পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় গত ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
জাতীয়
সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফের বিন আবিয়াহ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার অগ্রগতি, জনশক্তি রপ্তানি ও পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য ‘বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী’ -এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব ঘনিষ্ঠ বন্ধুপ্রতিম দেশ। সৌদি আরব বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শুধু ইসলাম ধর্মের পবিত্র ভূমি হিসেবে নয় বরং আমাদের ৩২ লাখের বেশি প্রবাসী কর্মীর দ্বিতীয় আবাসস্থল হিসেবেও এটি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরে আসীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সৌদি প্রবাসীদের অবদান বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ থেকে আরও অধিক হারে জনশক্তি আমদানির জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রদূত উপদেষ্টাকে সৌদি আরবে বসবাসরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাদের (বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান।
উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। সৌদি আরবে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন এবং বাংলাদেশের বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এ বিষয়ে পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছে। এটি ত্বরান্বিত করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি বিশেষ টিমও পাঠানো হয়েছে। তবে মিশনে আসা আবেদনের তুলনায় পাসপোর্টের এনরোলমেন্টে উপস্থিতির হার অনেক কম রয়েছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সৌদি আরবের ইন্টেরিয়র মিনিস্টারকে অবহিত করা হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন পরিচালনার মূল দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মূল দায়িত্ব হচ্ছে জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা। আর আমরা এ বিষয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছি।
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত একটি পরিপত্রও জারি করা হয়েছে। অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযান বেগবান করা হয়েছে। ‘ডেভিল হান্ট ফেইজ-২’ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান চলছে।
রাষ্ট্রদূত উপদেষ্টাকে আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মেয়াদে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এ সংক্রান্ত সৌদি ইন্টেরিয়র মিনিস্টারের একটি আমন্ত্রণপত্র উপদেষ্টার হাতে তুলে দেন।
উপদেষ্টা বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের কারণে তিনি এ ইভেন্টে অংশগ্রহণে অপারগতা প্রকাশ করেন এবং উপযুক্ত প্রতিনিধি প্রেরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জাতীয়
গ্যাস বিল পরিশোধে সতর্ক থাকার আহ্বান তিতাসের
গ্যাস বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতারক চক্র থেকে গ্রাহকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তিতাস গ্যাস। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
বার্তায় বলা হয়, সম্প্রতি কিছু প্রতারক চক্র নিজেদেরকে তিতাস গ্যাস টি অ্যান্ড ডি পিএলসির কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে কল করছে। তারা গ্রাহকদেরকে ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে বকেয়া গ্যাস বিল পরিশোধ করার জন্য চাপ ও হুমকি দিচ্ছে।
তিতাস গ্যাসের পক্ষ থেকে গ্রাহকদেরকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, শুধু কোম্পানির নির্ধারিত ব্যাংকে এবং অনলাইন মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাপের মাধ্যমে (বিকাশ, রকেট, উপায় ও ট্যাপ) গ্যাস বিল পরিশোধ করুন। কারও ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে গ্যাস বিল পরিশোধ করবেন না।প্রতারক চক্র থেকে রক্ষা পেতে সচেতন থাকুন।প্রয়োজনে তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট রাজস্ব অফিসে উপস্থিত হয়ে অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করে পরামর্শ ও সেবা গ্রহণ করুন।



