Connect with us

আন্তর্জাতিক

নাগরিকত্ব পাওয়া সহজ করছে কানাডা

Published

on

সূচক

কানাডা সরকার দেশের নাগরিকত্ব আইনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের পথে হাঁটছে। নতুন আইনটি বিল সি-৩ নামে পরিচিত। এটি কার্যকর হলে বিদেশে জন্ম নেওয়া হাজার হাজার কানাডীয় বংশোদ্ভূত পরিবার ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কানাডার অভিবাসন মন্ত্রী লেনা মেটলেজ ডিয়াব এই আইন সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘বিল সি-৩ আমাদের নাগরিকত্ব আইনের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান করবে এবং বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া শিশুদের পরিবারের জন্য ন্যায্যতা আনবে। এই সংস্কার পুরোনো আইনের কারণে বাদ পড়া মানুষকে নাগরিকত্ব দেবে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম তৈরি করবে, যা আধুনিক পরিবারগুলোর জীবনযাত্রাকে বিবেচনা করে। এই পরিবর্তন কানাডার নাগরিকত্বকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করবে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ব কানাডা (আইআরসিসি) ব্যাখ্যা করেছে, ২০০৯ সালে চালু হওয়া ‘ফার্স্ট-জেনারেশন লিমিট’ একটি বড় সমস্যা তৈরি করেছিল। এই বিধিনিষেধ অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া কোনো শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানাডার নাগরিকত্ব পাবে না, যদি তার মা-বাবা কানাডার বাইরে জন্ম নেন বা তাদের দত্তক নেওয়া হয়ে থাকে। তবে বাবা-মায়ের মধ্যে অন্তত একজন যদি কানাডায় জন্মগ্রহণ করে থাকেন বা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন, তখন ওই সন্তান সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী নাগরিকত্ব পেতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট এই বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। ফেডারেল সরকার আদালতের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় এবং কোনো আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই বিধিনিষেধের কারণে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হওয়া মানুষ, যারা ভুল করে নিজেদের নাগরিক ভাবতেন, তাদের প্রায়শই ‘হারানো কানাডিয়ান’ নামে উল্লেখ করা হতো।

বিল সি-৩ পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরোনো বিধিনিষেধের শিকার হওয়া ‘হারানো কানাডীয়দের’ নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। পাশাপাশি, বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য একটি নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে, যার নাম ‘সাবস্ট্যানশিয়াল কানেকশন টেস্ট’।

এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কানাডীয় বংশোদ্ভূত অভিভাবক যাঁরা বিদেশে জন্মেছেন বা যাদের দত্তক নেওয়া হয়েছিল, তাঁদের বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া সন্তান নাগরিকত্ব পাবেন। তবে, শর্ত হলো ওই কানাডীয় অভিভাবককে সন্তানের জন্ম বা দত্তক নেওয়ার আগে কানাডায় কমপক্ষে ১ হাজার ৯৫ দিন (মোট তিন বছর) অবস্থান করার প্রমাণ দেখাতে হবে।

এই কঠোরতা বা মানদণ্ডটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশের নাগরিকত্ব নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে।

আইনটি কার্যকর করার জন্য আদালত ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছে, যাতে আইআরসিসি প্রস্তুত হতে পারে। কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এই সংস্কারকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাগরিকত্বের আবেদনের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৬ সালের কানাডিয়ান নাগরিকত্ব আইনের আওতায় অসংখ্য মানুষ নাগরিকত্ব হারিয়েছে বা নাগরিকত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০০৯ এবং ২০১৫ সালের সংশোধনীতে বেশির ভাগের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করা হলেও, ২০০৯ সালের ‘ফার্স্ট-জেনারেশন লিমিট’ বিদেশে জন্ম নেওয়া কানাডীয় বংশোদ্ভূত পিতামাতার ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করে রেখেছিল। নতুন বিল সি-৩ সেই পুরোনো জটিলতার অবসান ঘটাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

Published

on

সূচক

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ ‘শেষের খুবই কাছাকাছি’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মার্কিন বাহিনী ইরানে এখনও তার কাজ ‘শেষ করেনি’ বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় ইরান যুদ্ধ শেষের পথে। হ্যাঁ, মানে আমি দেখতে পাচ্ছি যে এই যুদ্ধ শেষের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

“ আমি আরও বলব, যদি এখনই আমি ইরান থেকে সবকিছু গুটিয়ে নেই— তাহলে দেশ পুনর্গঠন করতে তাদের ২০ বছর লাগবে…এবং আমরা এখনও (অভিজান) শেষ করিনি। আমরা দেখব কী হয়। আমার মনে হয় তারা খুব তীব্রভাবে একটি চুক্তিতে আসতে চাইছে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

এই যুদ্ধবিরতেকে স্থায়ী যুদ্ধাবসানের দিকে নিয়ে যেতে গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।

বৈঠকের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২২ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও কোনো চুক্তিস্বাক্ষর ছাড়াই শেষ হয়েছে ইসলামাবাদ বৈঠক।

তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বলেছেন, শিগগিরই ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠকে বসবেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

কমলো তেলের দাম

Published

on

সূচক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনার আশায় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নের আশঙ্কা কিছুটা কমায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রায় ১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮.৪০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম ১.৭ শতাংশ কমে ৯৭.৪০ ডলারে দাঁড়ায়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সমঝোতা নিয়ে তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এরপরই হঠাৎ তেলের দাম কমলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে, সপ্তাহান্তে দুই দেশের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এর জেরে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে যায়।

নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা কমেছে, যা বাজারে স্বস্তি এনে দিয়েছে। তবে তেলের দামের ঊর্ধ্বমুখী ধারা ফিরে আসার শঙ্কা প্রবল।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি চীনের

Published

on

সূচক

ট্যারিফ বা শুল্ক বাড়ানোর হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের ওপর শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে চীন পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

যুদ্ধে ইরানকে সামরিকভাবে সহায়তা করলে চীনের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডলান্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, তেহরানকে সামরিক সহায়তা দিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী বেইজিংয়ের পণ্যের ওপর ‘বিস্ময়কর’ নতুন শুল্ক আরোপ করা হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের পর চীনে পূর্বনির্ধারিত একটি রাষ্ট্রীয় সফর স্থগিত করেন ট্রাম্প। যা আগামী মাসে হওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মধ্যে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী চীন ইরানকে সহায়তা করছে—এ বিষয়টি যদি সত্য হয়, তাহলে চীন বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়বে।’ ট্রাম্পের এই হুমকির জবাব দিয়েছে চীন। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, ইরানকে অস্ত্র দেয়ার খবর মিথ্যা। এই অজুহাতে আমেরিকা যদি চীনা পণ্যের শুল্ক বাড়ায়, তাহলে চীনও পাল্টা জবাব দেবে।

আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেছেন, ইরানকে সামরিক সাহায্য দেওয়ার অভিযোগে যে মিডিয়া রিপোর্টগুলো প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো পুরোপুরি বানানো এবং মিথ্যা। যদি যুক্তরাষ্ট্র এই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে চীনের ওপর ট্যারিফ বাড়ায়, তাহলে চীন অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও বলেন, ‘চীন সামরিক পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে সবসময় সতর্ক ও দায়িত্বশীল আচরণ করে। আমরা চীনের আইন-কানুন এবং আন্তর্জাতিক দায়িত্ব অনুসারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখি।’

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যে‌তে চাইলে ব্যয় বহনের প্রমাণ দিতে হবে

Published

on

সূচক

বি-২ ভিসা আবেদনকারীরা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যে‌তে চাইলে যাওয়া-আসার ব্যয় বহনের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ‌্য নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ওই বার্তায় বলা হ‌য়ে‌ছে, একজন বি-২ ভিসা আবেদনকারীকে চিকিৎসা, সংশ্লিষ্ট সব খরচ এবং ওই চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া-আসার ব্যয় বহনের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রতিটি আবেদন পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হবেন। যেন, যুক্তরাষ্ট্রে আবেদনকারী যে কাজের পরিকল্পনা করেছেন, তাতে আমেরিকার করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক বোঝা সৃষ্টি না হয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষাচুক্তি স্থগিত করল ইতালি

Published

on

সূচক

ইসরায়েলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির স্বয়ংক্রিয় নবায়ন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এ ঘোষণা দিয়েছেন।

টাইমস অফ ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরায়েল ও ইতালি একে-অপরের সঙ্গে সামরিক সরঞ্জাম (অস্ত্র) এবং প্রযুক্তি গবেষণা আদান-প্রদান করে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভেরোনায় এক উৎসবে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির স্বয়ংক্রিয় নবায়ন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে তৎকালীন ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনির সময় এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয় এবং প্রতি পাঁচ বছর পরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হয়ে আসছিল। এই চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সহযোগিতা চলত।

গাজায় হামলার পর থেকে ইতালিজুড়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। দেশটির ডানপন্থী সরকারের ওপরও এই ইস্যুতে ব্যাপক চাপ তৈরি হয়।

গত সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে দেওয়া এক ভাষণে মেলোনি জানান, গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু নিষেধাজ্ঞা সমর্থন করবে ইতালি। তিনি বলেন, ইসরায়েলের পদক্ষেপ ‘মানবিক সীমা লঙ্ঘন করেছে এবং এতে বেসামরিক মানুষের গণহত্যা ঘটছে।’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের সময় ইতালি তাদের সিগোনেলা ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু যুদ্ধবিমান অবতরণের অনুমতিও দেয়নি বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এবং ইতালীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন চলছে। এদিন প্রথম দেড় ঘণ্টায়...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার56 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেড শেয়ার দর ও লেনদেনের অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধির কারণ জানে না বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ১৯ এপ্রিল দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কোম্পানিটির পর্ষদ...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এসকোয়ার নিট

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এসকোয়ার নিট কম্পোজিট পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ইউনিলিভার কনজিউমার

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ার লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২০ এপ্রিল বিকাল ৪টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা...

সূচক সূচক
পুঁজিবাজার2 days ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পিপলস ইন্স্যুরেন্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৩ এপ্রিল বিকাল ৩টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক12 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়28 minutes ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার56 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি1 hour ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন17 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক12 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়28 minutes ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার56 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি1 hour ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন17 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

সূচক
জাতীয়3 minutes ago

মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি, কঠোর অবস্থানে সরকার: ডা. জাহেদ

সূচক
আন্তর্জাতিক12 minutes ago

ইরান যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হবে : ট্রাম্প

সূচক
জাতীয়28 minutes ago

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সূচক
পুঁজিবাজার45 minutes ago

সূচক ঊর্ধ্বমুখী, দেড় ঘণ্টায় বেড়েছে ৩০৫ শেয়ারদর

সূচক
পুঁজিবাজার56 minutes ago

দর বৃদ্ধির কারণ জানে না সাফকো স্পিনিং

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

প্রিমিয়ার সিমেন্টের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচক
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

সূচক
অর্থনীতি1 hour ago

দেশের বাজারে ফের বাড়ল সোনা ও রুপার দাম

সূচক
জাতীয়17 hours ago

মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

সূচক
ধর্ম ও জীবন17 hours ago

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান