Connect with us

ধর্ম ও জীবন

মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট দিয়ে করা যাবে হজযাত্রী নিবন্ধন

Published

on

হাইডেলবার্গ

এবার হজে গমনেচ্ছুদের নিবন্ধনের সুবিধার্থে পাসপোর্টের মেয়াদ সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এখন থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট দিয়েও হজযাত্রী নিবন্ধন করা যাবে।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি পত্র জারি করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পত্রে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সনের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। তবে এই সুযোগ গ্রহণকারী হজযাত্রী বা হজ এজেন্সিগুলোকে অবশ্যই একটি শর্ত পূরণ করতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ভিসা ইস্যুর জন্য পিআইডি (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন) নির্ধারণ করার সময় মেয়াদ সম্বলিত বা হালনাগাদ পাসপোর্ট সিস্টেমে আপডেট করতে হবে। যদি মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্ট সিস্টেমে হালনাগাদ করা না হয়, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর ভিসা ইস্যু হবে না।

সৌদি সরকার ঘোষিত হজের রোডম্যাপ অনুসারে, আসন্ন ২০২৬ সালের হজযাত্রী নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ হবে আগামী ১২ অক্টোবর।

হজযাত্রীদের সুবিধার্থে মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্ত নিবন্ধনে গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-

ধর্ম ও জীবন

দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান

Published

on

হাইডেলবার্গ

প্রখ্যাত আলেম মিজানুর রহমান আজহারি সম্প্রতি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘ইসলামে সম্প্রীতির অনন্য বার্তা’ শিরোনামে নিজের একটি আলোচনার ভিডিও শেয়ার করেছেন।

ওই আলোচনায় তিনি বলেন, ‘আমরা মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, পাহাড়ি, নৃগোষ্ঠী—সবাই মিলেমিশে একাকার। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশ। আমাদের পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভালোবাসা, সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও বোঝাপড়া বেশ দৃঢ়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে মাঝে মাঝে কিছু মানুষ এই সম্প্রীতির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করে। আমরা যে শান্তিতে ও সুখে আছি, তা অনেকের সহ্য হয় না। তাই এসব দুর্বৃত্তের বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিদ্যমান।

হিন্দুদের পূজার দিনে আমরা তাফসির মাহফিল করি না, আবার আমাদের তাফসিরুল কোরআনের প্রোগ্রামের দিন হিন্দু ভাইয়েরাও কোনো বিঘ্ন ঘটায় না। এমনকি হিন্দুদের পূজায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও নিরাপত্তা দিতে এগিয়ে আসে। সারা বিশ্বে এমন উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়।’

রাব্বুল আলামিন বলেছেন, ‘হে ঈমানদার বান্দারা! তারা আল্লাহ ছাড়া যেসব দেব-দেবীর উপাসনা করে, তোমরা তাদের গালি দিও না।

কারণ এতে তারা শত্রুতাবশত আল্লাহকে গালি দিতে পারে।’ তাই কোনো ধর্মকে ছোট করা যাবে না। অন্য ধর্মকে অবমাননা করা মানে ইসলামকেই ছোট করা। এতে মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে বরং দূরে সরে যেতে পারে।
আজহারি আরো বলেন, ‘আমরা নিজেরাই অনেক সময় মুসলিম হয়েও ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি না।

অথচ বিশ্বনবী (সা.) মুশরিকদের সঙ্গে হুদাইবিয়ার সন্ধি করেছিলেন। মদিনায় হিজরতের পর তিনি সব ধর্মাবলম্বীকে নিয়ে মদিনা সনদ প্রণয়ন করেন। ইসলাম অন্য ধর্মের প্রতি সহনশীলতার শিক্ষা দেয়, আর এর উত্তম উদাহরণ বিশ্বনবীর জীবনেই পাওয়া যায়।’

সংখ্যালঘুদের অধিকার প্রসঙ্গে বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো সংখ্যালঘুর ওপর জুলুম করবে, তার অধিকার হরণ করবে বা সম্পদ ছিনিয়ে নেবে, কিয়ামতের দিন আমি তার বিপক্ষে দাঁড়াব।’ অর্থাৎ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় ইসলাম অত্যন্ত কঠোর।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘আপনি নামাজি, হাজি—কিন্তু পাশের হিন্দু প্রতিবেশীর জমি দখল করতে চান—এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। কিয়ামতের দিন সেই নির্যাতিত ব্যক্তির পক্ষেই বিশ্বনবী (সা.) অবস্থান নেবেন।’

ইসলাম অমুসলিম প্রতিবেশীর সঙ্গে উত্তম আচরণের নির্দেশ দেয়। প্রতিবেশী হিন্দু বা অন্য ধর্মের হলেও তাকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। বরং অসুস্থ হলে খোঁজ নেওয়া, ফলমূল নিয়ে যাওয়া—এসবের মাধ্যমে সুন্দর আচরণ প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে। এতে ইসলামের সৌন্দর্য ফুটে ওঠে।

এ ছাড়া ইসলাম অমুসলিম মা-বাবার প্রতিও সদাচরণের নির্দেশ দেয়। কেউ ইসলাম গ্রহণ করলেও তার অমুসলিম মা-বাবাকে অবহেলা করা যাবে না। বরং তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণই ইসলামের শিক্ষা।

তিনি বলেন, ‘ইসলাম সংকীর্ণ নয়, বরং উদার। বিশ্বনবী (সা.) অমুসলিমদের উপহার গ্রহণ করেছেন এবং তাদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনও করেছেন। প্রয়োজনে অমুসলিমদের কাছ থেকে সহযোগিতা নেওয়াও বৈধ।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, তায়েফ থেকে ফিরে আসার সময় বিশ্বনবী (সা.) মক্কায় প্রবেশের জন্য মুতইম ইবনে আদির সাহায্য নিয়েছিলেন, যদিও তিনি মুসলিম ছিলেন না। তবু তার সেই সহযোগিতা বিশ্বনবী (সা.) কখনো ভোলেননি।

সর্বশেষে তিনি বলেন, ‘অমুসলিম মানেই শত্রু নয়। আমাদের মূল শক্তি হলো ভালোবাসা। এই ভালোবাসা দিয়েই আমরা পৃথিবী জয় করতে চাই।’

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

হজ যাত্রীদের টিকেটের দাম কমলো ১২ হাজার টাকা

Published

on

হাইডেলবার্গ

হজযাত্রীদের জন্য টিকিটের খরচ কমিয়েছে সরকার। এবার হজ ফ্লাইটের টিকিটপ্রতি ১২ হাজার টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

রোববার (১২ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, এবার কোনো চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা ছাড়াই ৭৮ হাজারের বেশি হজযাত্রীকে পরিবহন করা হচ্ছে। আর হজযাত্রায় টিকিটপ্রতি ১২ হাজার টাকা খরচ কমানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অন্যদিকে দুপুরে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হজ ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভা শেষে ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জানান, ২০২৬ সালের হজ ফ্লাইট শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) রাতে থেকে শুরু হচ্ছে। এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ধর্মমন্ত্রী বলেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী হাজি ক্যাম্প পরিদর্শনে যেতে পারেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ধর্মমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেও হজ ফ্লাইটের শিডিউলে বড় ধরনের কোনো বিপর্যয় হবে না বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে হজযাত্রীরা নির্বিঘ্নে সৌদি আরবে পৌঁছাতে পারেন।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫শ’ জন হজযাত্রী পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে যাবেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ২৬০ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৩৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

বৈধ হলেও যে ৩ কাজ ইসলামে নিন্দনীয়

Published

on

হাইডেলবার্গ

ইসলামের প্রতিটি নির্দেশনা দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণেই হয়ে থাকে। কিছু কাজ অবস্থা বিবেচনায় বৈধ হলেও যথাসম্ভব দূরে থাকতে উৎসাহিত করেছেন নবীজি (স.)। মূলত উম্মতের সুন্দর জীবন ও শঙ্কামুক্ত পরকালের জন্যই নবীজির এমন নির্দেশনা। নিচে তেমনই তিনটি নিন্দনীয় বৈধ কাজের পরিচয় তুলে ধরা হলো।

১. ভিক্ষাবৃত্তি

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তিকে জায়েজ রাখা হয়েছে নিঃস্ব, গরিব, মিসকিন, ঋণগ্রস্ত ও অসহায়দের কল্যাণার্থে। কিন্তু একে প্রবলভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘কষ্ট করে পিঠে বোঝা বহন করে জীবনযাপন করা ভিক্ষাবৃত্তি থেকে উত্তম ও শ্রেষ্ঠতর।’ (বুখারি: ১৪৭১) অন্য হাদিসে আছে, ‘নিশ্চয়ই ওপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম।’ (বুখারি: ১৪২৭)

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে যারা ভিক্ষাবৃত্তি করে তাদের পরকালে কঠিন শাস্তির হুঁশিয়ারি রয়েছে। রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ বাড়ানোর জন্য মানুষের কাছে সম্পদ ভিক্ষা করে বেড়ায় বস্তুত সে আগুনের ফুলকি ভিক্ষা করছে। কাজেই এখন তার ভেবে দেখা উচিত— সে বেশি নেবে না কম নেবে!’ (মুসলিম: ২২৮৯)। আরেক সহিহ বর্ণনায় এসেছে ‘যে ব্যক্তি সবসময় মানুষের কাছে চেয়ে থাকে, সে কেয়ামতের দিন এমনভাবে উপস্থিত হবে যে, তার চেহারায় কোনো গোশত থাকবে না।’ (বুখারি: ১৪৭৪)

ইসলাম কর্মহীন ও বেকারত্ব সমর্থন করে না বলেই প্রিয়নবী (স.) সাহায্যপ্রার্থীকে ‘বনে গিয়ে কাঠ কেটে’ সাবলম্বিতা অর্জনের পথ দেখিয়েছিলেন। (বুখারি: ২০৭৫)

২. ঋণগ্রহণ

প্রিয়নবী (স.) ‘ঋণ, রোগ, শত্রু’ এ তিন জিনিসকে ক্ষুদ্র ও সামান্য বিবেচনা করতে নিষেধ করেছেন। তাই বাধ্য হলেও ঋণগ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। পাওনাদারের পাওনা হাককুল ইবাদ তথা বান্দার অধিকার। ইসলামে ঋণগ্রস্তকে অর্থসংশ্লিষ্ট ইবাদত (হজ, জাকাত, কোরবানি, ফিতরা) স্থগিত রেখে আগে ঋণ পরিশোধের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ না করলে মহান আল্লাহও ঋণগ্রহীতাকে ক্ষমা করবেন না। জান্নাত পিয়াসী মুমিনদের এ ব্যাপারে সদা সতর্ক থাকা জরুরি। সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির মৃত্যু হবে অহংকার, খেয়ানত এবং ঋণ থেকে মুক্ত হয়ে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।’ (তিরমিজি: ১৫৭২; ইবনে মাজাহ: ২৪১২)

অর্থাৎ ঋণগ্রস্ত হয়ে মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তাছাড়া রাসুলুল্লাহ (স.) মৃত ব্যক্তির সম্পদ তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বণ্টনের আগে মৃতের ঋণ পরিশোধ করার ব্যাপারে জোর তাগিদ দিয়েছেন। (মুসনাদ আহমদ: ১৭২২৭) অন্য হাদিস থেকে জানা যায়, আল্লাহর পথে শহিদ হওয়া ব্যক্তিও তার ঋণের কারণে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবেন না। (মুসনাদ আহমদ: ২২৪৯৩)

৩. বিবাহবিচ্ছেদ

ইসলামি শরিয়তে অতি প্রয়োজনে তালাকের অবকাশ থাকলেও বিষয়টি অপছন্দনীয়। দুটি মন ও পরিবারের মেলবন্ধনে সংসার সুখের স্বর্গ এবং তা বজায় রাখা ইবাদততুল্য। কিন্তু তা একেবারেই অসম্ভব হলে বিবাহবিচ্ছেদ একটি উপায় মাত্র। পবিত্র কোরআনে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার জন্য ‘তালাক’ নামক একটি সুরা আছে। এছাড়া সুরা বাকারা, নিসা, নূর, মুজাদালা প্রভৃতি সুরায় বিবাহবিচ্ছেদসংক্রান্ত বিভিন্ন পারিভাষিক বিশ্লেষণ আছে।

পারিবারিক বৈরীতা প্রকট হলেও প্রথমে শান্তি ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, আর যদি তোমরা তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদের আশঙ্কা করো তাহলে স্বামীর পরিবার থেকে একজন বিচারক এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন বিচারক পাঠাও। যদি তারা মীমাংসা চায় তাহলে আল্লাহ উভয়ের মধ্যে মিল করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞানী, সম্যক অবগত। (সুরা নিসা: ৩৫)

আল্লাহ তাআলা পুরুষদের নির্দেশ দিয়েছেন ‘তাদের সঙ্গে সৎভাবে জীবনযাপন করবে।’ (সুরা নিসা: ১৯) হাদিসে আছে, ‘তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে সর্বোত্তম।’ (মেশকাত, পৃষ্ঠা- ২৮১)। আলী (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (স.) বলেন, ‘তোমরা বিয়ে করো, কিন্তু তালাক দিয়ো না। কেননা একটি তালাক সম্পন্ন হলে আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠে।’ (আহকামুল কোরআন, ৩৯ খ-, পৃষ্ঠা- ১৩৩)

নবীজি যেসব কাজে নিরুৎসাহিত করেছেন, সেসব কাজ থেকে আল্লাহ আমাদের দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

কাজা নামাজের বিধান, নিয়ম ও আদায়ের সঠিক পদ্ধতি

Published

on

হাইডেলবার্গ

মানুষের জীবনে সময়ের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে ইবাদতের ক্ষেত্রে সময়ানুবর্তিতা ইসলামের অন্যতম প্রধান শর্ত। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ে ফরজ করা হয়েছে। (সূরা নিসা: ১০৩)।

কিন্তু মানুষ হিসেবে শয়তানের কুমন্ত্রণা, অলসতা কিংবা বিশেষ কোনো ওজরের কারণে অনেক সময় নির্দিষ্ট ওয়াক্তে নামাজ পড়া সম্ভব হয় না। এই ছুটে যাওয়া নামাজকেই ইসলামি পরিভাষায় ‘কাজা নামাজ’ বলা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

নিচে কাজা নামাজের বিধান, এটি পড়ার নিয়ম এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কাজা নামাজ কী এবং কেন?

কোনো ফরজ বা ওয়াজিব নামাজ তার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদায় না করলে তাকে কাজা বলা হয়। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ কাজা করা কবিরা গুনাহ। তবে যদি কেউ ভুলে যায় কিংবা ঘুমের কারণে সময় অতিবাহিত হয়ে যায়, তবে মনে হওয়ার সাথে সাথেই তা আদায় করে নেওয়া ওয়াজিব।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি নামাজ পড়তে ভুলে যায় অথবা নামাজের সময় ঘুমিয়ে থাকে, তবে তার কাফফারা হলো যখনই মনে পড়বে তখনই নামাজ পড়ে নেওয়া।(সহিহ বুখারি)।

কাজা নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়। নিচে এর প্রধান দিকগুলো আলোচনা করা হলো:

১. তারতিব বা ধারাবাহিকতা রক্ষা

যাঁদের জীবনে অল্প কিছু নামাজ (ছয় ওয়াক্তের কম) কাজা হয়েছে, তাঁদের বলা হয় ‘সাহেবে তারতিব’। তাঁদের জন্য কাজা নামাজ পড়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা আবশ্যক। অর্থাৎ, ফজরের কাজা আগে, তারপর জোহরের কাজা এভাবে ক্রমানুসারে পড়তে হবে। তবে যদি কাজা নামাজের সংখ্যা ছয় ওয়াক্ত বা তার বেশি হয়ে যায়, তবে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি নয়; যেকোনো সময় যেকোনো ওয়াক্তের কাজা পড়া যাবে।

২. কোন কোন নামাজের কাজা পড়তে হয়?

কেবল ফরজ নামাজ এবং বিতর নামাজের কাজা আদায় করা আবশ্যক। সুন্নত বা নফল নামাজ কাজা হয়ে গেলে তা পুনরায় পড়ার প্রয়োজন নেই (তবে ফজরের সুন্নতের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ বিধান রয়েছে)। অর্থাৎ, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্তের ফরজ এবং এশার পরের বিতর এই মোট ৬টি নামাজের কাজা করতে হয়।

৩. কাজা নামাজের নিয়ত

কাজা নামাজের জন্য মনে মনে নির্দিষ্ট ওয়াক্তের নিয়ত করতে হবে। যেমন: আমি আমার জিন্দেগির সর্বপ্রথম বা সর্বশেষ ছুটে যাওয়া ফজরের ফরজ নামাজের কাজা আদায় করছি। এভাবে প্রতি ওয়াক্তের জন্য আলাদা নিয়ত করতে হবে।

যাঁদের জীবনে অনেক বছরের নামাজ কাজা হয়েছে, তাঁদের জন্য ‘উমরি কাজা’র বিধান রয়েছে। প্রতিদিনের ফরজ নামাজের সাথে সাথে তাঁরা হিসাব করে পুরনো কাজাগুলো আদায় করবেন।

কখন কাজা নামাজ পড়া নিষেধ?

কাজা নামাজ যেকোনো সময় পড়া যায়, তবে তিনটি নিষিদ্ধ সময়ে কাজা নামাজ পড়া জায়েজ নেই:

১. সূর্য উদয়ের সময়।
২. ঠিক মধ্য দুপুরে (সূর্য যখন মাথার ওপরে থাকে)।
৩. সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় (তবে ওই দিনের আসর বাকি থাকলে তা পড়া যায়)।

এই তিনটি সময় বাদে দিন বা রাতের যেকোনো অংশে কাজা নামাজ আদায় করা যায়। এমনকি মাকরুহ সময়েও (যেমন আসরের পর বা ফজরের পর) কাজা নামাজ পড়া জায়েজ।

যদি কেউ সফরে থাকা অবস্থায় নামাজ কাজা করে, তবে বাড়িতে ফিরে তাকে ‘কসর’ বা সংক্ষিপ্ত নামাজই কাজা করতে হবে (চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত)। আবার যদি বাড়িতে থাকা অবস্থায় নামাজ কাজা হয় এবং তা সফরে থাকা অবস্থায় আদায় করতে চায়, তবে তাকে পূর্ণ চার রাকাতই কাজা করতে হবে। অর্থাৎ, নামাজ যে অবস্থায় কাজা হয়েছে, ঠিক সেই নিয়মেই তা আদায় করতে হবে।

নামাজ হলো আল্লাহর হুকুম। সময়ের নামাজ সময়ে আদায় করা যেমন ফরজ, তেমনি তা ছুটে গেলে পুনরায় আদায় করাও আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সুযোগ। কাজা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর কাছে নিজের ভুল স্বীকার করে এবং তাঁর আনুগত্যের প্রমাণ দেয়।

কেবল কাজা নামাজ পড়লেই গুনাহ মাফ হয় না, বরং ইচ্ছাকৃত নামাজ ছাড়ার জন্য আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তওবা ও ইস্তিগফার করতে হবে। কাজা নামাজ পড়ার অর্থ হলো সেই ওয়াজিব জিম্মাদারি থেকে মুক্ত হওয়া।

দীর্ঘদিনের কাজা নামাজগুলো যখন একজন মুমিন ধীরে ধীরে শেষ করতে থাকেন, তখন তাঁর মনে এক ধরণের আত্মিক প্রশান্তি অনুভূত হয়। এটি আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথে বড় বাধা দূর করে।

পরিবারের কোনো সদস্য নামাজে অলসতা করলে তাকে কাজা নামাজের গুরুত্ব বোঝানো উচিত। বিশেষ করে সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই নামাজের সময়ানুবর্তিতা শেখাতে হবে। যদি কারো কাজা নামাজ বাকি থাকে, তবে তা আদায়ের জন্য তাকে উৎসাহিত করা এবং নামাজের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া সমাজের দায়িত্ব।

নামাজ ত্যাগ করা একজন মুমিনের জন্য অপমানের বিষয়। তবে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে নামাজ কাজা হয়ে গেলে নিরাশ হওয়া যাবে না। আল্লাহর রহমতের দরজা সব সময় খোলা। আজই হিসাব করে দেখুন আপনার জীবনে কত ওয়াক্ত নামাজ বাকি আছে এবং একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে তা আদায় শুরু করুন।

কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নেওয়া হবে। তাই দুনিয়ার এই ব্যস্ততার মাঝেই আমাদের বিগত দিনের ভুলগুলো শুধরে নেওয়া এবং জিন্দেগির সব কাজা নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা জরুরি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সময়ের নামাজ সময়ে পড়ার এবং বিগত দিনের কাজাগুলো দ্রুত আদায়ের তৌফিক দান করুন। আমিন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ধর্ম ও জীবন

তীব্র প্রয়োজনের মুহূর্তে রাসুল (সা.) যে আমল করতে বলেছেন

Published

on

হাইডেলবার্গ

মানুষের জীবনে অনেক সময় কোনো কিছুর তীব্র প্রয়োজন বা বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। স্বাভাবিকভাবে তা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন কঠিন সময়ে রাসুল (সা.) দুই রাকত নামাজ পড়ে একটি দোয়া পড়তে বলছেন।

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْحَلِيمُ الْكَرِيمُ سُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مُوجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالْغَنِيمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالسَّلاَمَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ أَسْأَلُكَ لاَ تَدَعَ لِي ذَنْبًا إِلاَّ غَفَرْتَهُ وَلاَ هَمًّا إِلاَّ فَرَّجْتَهُ وَلاَ حَاجَةً هِيَ لَكَ رِضًا إِلاَّ قَضَيْتَهَا لِي يا أرحمَ الراحمِين

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহুল হালিমুল কারিম। সুবহানাল্লাহি রাব্বিল আরশিল আজিম। আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। আসয়ালুকা মুজিবাতি রাহমাতিক ওয়া আজায়িমা মাগফিরাতিকা ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি বিররিন ওয়াস-সালামাতা মিন কুল্লি ইসমিন। আসয়ালুকা লা তাদা লি জামবান ইল্লা গাফারতাহু ওয়ালা হাম্মান ইল্লা ফাররাজতাহু ওয়া লা হাজাতান হিয়া লাকা রিদান ইল্লা কাদাইতাহা লি ইয়া আরহামার রাহিমিন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অর্থ : ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি অত্যন্ত ধৈর্যশীল ও দয়ালু। সব পবিত্রতা আরশের মালিক মহান আল্লাহর জন্য এবং সব প্রশংসা জগত্গুলোর প্রতিপালক আল্লাহর জন্য। আমি আপনার কাছে অনুগ্রহ লাভের উপায়গুলো, ক্ষমা লাভের দৃঢ় অঙ্গীকার, প্রত্যেক ভালো কাজের প্রাচুর্য এবং মন্দ কাজ থেকে আশ্রয় কামনা করছি। আপনি আমার কোনো পাপ ক্ষমা না করে রাখবেন না, কোনো দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি না দিয়ে রাখবেন না, আপনার সন্তুষ্টিদায়ক কোনো প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণ না করে রাখবেন না। হে পরম দয়ালু মহান আল্লাহ।’

আবদুল্লাহ বিন আবি আওফা (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে বললেন, ‘যদি তোমাদের কারো আল্লাহর কাছে বা কোনো আদম সন্তানের কাছে কোনো কিছুর প্রয়োজন হয়, সে যেন ভালোকরে অজু করে এবং দুই রাকাত নামাজ আদায় করে। অতঃপর আল্লাহর প্রশংসা ও তাঁর রাসুলের প্রতি দরুদ পাঠ করে এই দোয়া পড়ে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ৪৭৯)

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার40 minutes ago

হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়েলসের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়েলস বাংলাদেশ পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। কোম্পানিটি...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার1 hour ago

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক খাতের কোম্পানি কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্স পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এনার্জিপ্যাক পাওয়ার জেনারেশন পিএলসি গত গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

আইপিও অর্থের ব্যবহারে প্রকৃত উপযোগিতা যাচাই জরুরি: তপন চৌধুরী

পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের ব্যবহার প্রকৃত উপযোগিতা ও প্রকল্পের লাভজনকতা যাচাই করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো জাহিন স্পিনিং

পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি জাহিন স্পিনিং পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৮ এপ্রিল বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত...

হাইডেলবার্গ হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

একমি ল্যাবরেটরিজের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুজিঁবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ এপ্রিল বিকাল ৩টা ৩০...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০  
হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার40 minutes ago

হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়েলসের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক50 minutes ago

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইবার হামলা, চুরি ২৫ লাখ ডলার

হাইডেলবার্গ
অর্থনীতি1 hour ago

মার্চে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার, বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার1 hour ago

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

আইপিও অর্থের ব্যবহারে প্রকৃত উপযোগিতা যাচাই জরুরি: তপন চৌধুরী

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো জাহিন স্পিনিং

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার40 minutes ago

হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়েলসের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক50 minutes ago

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইবার হামলা, চুরি ২৫ লাখ ডলার

হাইডেলবার্গ
অর্থনীতি1 hour ago

মার্চে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার, বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার1 hour ago

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

আইপিও অর্থের ব্যবহারে প্রকৃত উপযোগিতা যাচাই জরুরি: তপন চৌধুরী

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো জাহিন স্পিনিং

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার40 minutes ago

হাইডেলবার্গ ম্যাটারিয়েলসের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক50 minutes ago

ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

হাইডেলবার্গ
আন্তর্জাতিক56 minutes ago

শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাইবার হামলা, চুরি ২৫ লাখ ডলার

হাইডেলবার্গ
অর্থনীতি1 hour ago

মার্চে ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়েছে সরকার, বাড়তে পারে মূল্যস্ফীতি

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার1 hour ago

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

কর্ণফুলি ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষণা

হাইডেলবার্গ
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

বিদেশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিডা-ইউসিবি সমঝোতা স্মারকে সই

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

এনার্জিপ্যাক পাওয়ারের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

আইপিও অর্থের ব্যবহারে প্রকৃত উপযোগিতা যাচাই জরুরি: তপন চৌধুরী

হাইডেলবার্গ
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো জাহিন স্পিনিং