Connect with us
৬৫২৬৫২৬৫২

আন্তর্জাতিক

ইসরায়েলকে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধের আহ্বান ট্রাম্পের

Published

on

সূচকে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় পরিকল্পনার বিষয়ে হামাসের প্রতিক্রিয়া দেখে তিনি ‘দীর্ঘস্থায়ী শান্তি’র সম্ভাবনা দেখছেন। ফলে ইসরায়েলকে গাজায় হামলা বন্ধ করতে বলেছেন তিনি।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, ‘ইসরায়েলকে অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ করতে হবে, যাতে আমরা দ্রুত ও নিরাপদে জিম্মিদের মুক্ত করতে পারি।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হামাস এরইমধ্যে ট্রাম্পের প্রস্তাবের আনুষ্ঠানিক জবাব দিয়েছে। এতে সব ইসরায়েলি বন্দি মুক্তি, নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর এবং গাজা প্রশাসন একটি স্বাধীন প্রযুক্তিগত (টেকনোক্র্যাট) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি অনুমোদন করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসরায়েলের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে গাজায় ৪৮ জন ইসরায়েলি বন্দি রয়েছে, এর মধ্যে ২০ জন জীবিত। অন্যদিকে ইসরায়েলি কারাগারে প্রায় ১১ হাজার ফিলিস্তিনি আটক রয়েছেন, যাদের অনেকেই নির্যাতন, অনাহার ও চিকিৎসা সেবার অভাবে মারা গেছেন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে।

হামাস টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, গাজার ভবিষ্যৎ ও ফিলিস্তিনি জনগণের বৈধ অধিকার সংক্রান্ত বিষয়গুলো জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাব অনুযায়ী সমাধান হতে হবে। সংগঠনটি আরও জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ আরব, ইসলামি ও আন্তর্জাতিক মহলের প্রচেষ্টাকে তারা মূল্যায়ন করছে—যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময়, জরুরি মানবিক সহায়তা প্রবেশ, গাজা দখল প্রত্যাখ্যান এবং জনগণের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি রোধে।

এদিন ট্রাম্প হামাসকে আগামী রোববার ওয়াশিংটন সময় সন্ধ্যা ৬টা (বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৪টা) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজাকে অস্ত্রমুক্ত অঞ্চল ঘোষণা করা হবে এবং একটি আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে ট্রাম্প নিজে এর বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।

পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, অনুমোদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে হামাসের হাতে থাকা সব ইসরায়েলি বন্দি মুক্তি পাবে এবং বিনিময়ে শত শত ফিলিস্তিনি বন্দি ইসরায়েলি কারাগার থেকে ছাড়া হবে। ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনারা গাজা থেকে সরে যাবে এবং একটি প্রযুক্তিগত প্রশাসন আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে শাসনভার গ্রহণ করবে।

২০০৭ সাল থেকে গাজায় অবরোধ জারি রেখেছে ইসরায়েল। গত মার্চে খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় অবরোধ আরও কঠোর হয়, ফলে ফিলিস্তিনি উপত্যকাটি দুর্ভিক্ষের মুখে পড়ে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৬ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, গাজা এখন বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে, সেখানে দুর্ভিক্ষ ও মহামারি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

সূচকে

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সামরিক সক্ষমতা প্রমাণ এবং যুদ্ধ করতে চায় তাহলে ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) আল জাজিরা আরবিকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ওয়াশিংটন যদি আবারও ইরানকে ‘পরীক্ষা’ করতে চায়, তবে তেহরান তার দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত। আরাঘচির দাবি অনুযায়ী, গত বছরের ১২ দিনের সংঘাতের অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমানে ইরানের সামরিক প্রস্তুতি আগের চেয়ে অনেক বেশি ‘বিশাল ও বিস্তৃত’।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রতিক্রিয়া এল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে ইরানেও ‘শক্তিশালী বিকল্প’ ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বৈঠকের আগে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

ট্রাম্পের এই হুমকির জবাবে আরাঘচি বলেন যে, ওয়াশিংটন অতীতেও সামরিক পথ বেছে নিয়ে ব্যর্থ হয়েছে এবং আবারও সেই ভুল করলে ইরান তা মোকাবিলায় সক্ষম। তবে একই সঙ্গে তিনি এটিও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান অস্থিরতার মধ্যেও আমেরিকার সাথে যোগাযোগের কূটনৈতিক পথগুলো ইরান খোলা রেখেছে।

ইরানে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে এক ভয়াবহ স্নায়ুযুদ্ধ শুরু হয়েছে। প্রথমে জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হলেও দ্রুত তা সরকারবিরোধী গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। ইরান অভিযোগ করেছে যে, গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশে অস্থিরতা উসকে দেওয়ার পেছনে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হাত রয়েছে।

আরাঘচি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কিছু পক্ষ নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এবং বিশেষ করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটনকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে টেনে আনার চেষ্টা করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আমেরিকা হঠকারিতা বাদ দিয়ে বুদ্ধিমানের মতো সংলাপের পথ বেছে নেবে।

বর্তমানে ইরান সরকার দাবি করছে যে তারা যেকোনো অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সংকট মোকাবিলায় আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই সংকটের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা এখন চরম ঝুঁকির মুখে। আরাঘচি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিদেশি হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার আগুন ‘পুরো অঞ্চলকে জ্বালিয়ে দেবে’।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও কোনো ঝটিকা অভিযানের পরিকল্পনা করলে তা একটি বড় ধরনের আঞ্চলিক যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটাতে পারে। এখন বিশ্ব রাজনীতির নজর ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং তেহরানের প্রতিরক্ষা কৌশলের ওপর নিবদ্ধ।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় তথ্যপ্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। নেটব্লকস জানায়, সোমবার পর্যন্ত টানা ৯৬ ঘণ্টা দেশটি কার্যত অফলাইনে ছিল। আরাঘচি জানান, নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ইন্টারনেট সেবা পুনরায় চালু করা হবে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট দাবি করেছেন, প্রকাশ্যে ও গোপনে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে ভিন্ন ভিন্ন বার্তা দিচ্ছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন একদিকে সামরিক হামলার কথা ভাবছে, অন্যদিকে ইরানের সামরিক আলোচনার প্রস্তাবও বিবেচনা করছে।

গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের জীবনে নরক সৃষ্টি করেছে: গাম্বিয়া

Published

on

সূচকে

আন্তর্জাতিক আদালতে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের গণহত্যার অভিযোগে বিচার শুরু হয়েছে। গত সোমবার এই বিচার শুরু হয়। মামলার বাদী গাম্বিয়া বলেছে, রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূলের লক্ষ্যে টার্গেট করা হয়েছে। তাদের জীবনকে মিয়ানমার এক বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে।

গত এক দশকেরও বেশি সময় পর এই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ গণহত্যা মামলা শুনানির পর্যায়ে এসেছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে)। মামলার রায় শুধু মিয়ানমারের ক্ষেত্রেই নয়, এর প্রভাব পড়বে দক্ষিণ আফ্রিকার দায়ের করা গাজা যুদ্ধ-সংক্রান্ত ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা মামলার ওপরও। মিয়ানমার শুরু থেকেই গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী দাওদা জালো আদালতে বলেন, ‘রোহিঙ্গারা ছিল শান্তি ও মর্যাদায় বাঁচার স্বপ্ন দেখা সাধারণ মানুষ; কিন্তু মিয়ানমার সেই স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছে। বরং তাদের জীবনকে এমন এক দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে, যার ভয়াবহতা কল্পনারও বাইরে।’

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পশ্চিম আফ্রিকার ছোট মুসলিম দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালে আইসিজেতে এই মামলা করে। ৫৭ দেশের ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সমর্থনে রোহিঙ্গাদের পক্ষে এই মামলা করে তারা। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বড় পরিসরে অভিযান চালায়। এতে অন্তত ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তারা হত্যাযজ্ঞ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের বিবরণ দেন। এর আগে ও পরে আরও তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।

জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন বলেছে, সেনা অভিযানে ‘গণহত্যার লক্ষণ’ ছিল। হেগে আদালত প্রাঙ্গণে রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীরা বলেন, তারা দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই মামলায় সুবিচার প্রত্যাশা করেন।

প্রায় ৫২ বছর বয়সী রোহিঙ্গা শরণার্থী ইউসুফ আলী বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী তাকে নির্যাতন করেছে। তিনি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা আশা করছি এমন একটি রায় হবে, যা বিশ্বকে জানাবে যে মিয়ানমার সত্যিই গণহত্যা চালিয়েছে এবং আমরা তার শিকার। আমরা ন্যায়ের দাবিদার।’

মিয়ানমার অবশ্য এসব অভিযোগকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী বৈধ সামরিক অভিযান বলে দাবি করে, যা মুসলিম জঙ্গিদের হামলার জবাবে চালানো হয়েছিল বলে জানায় তারা। ২০১৯ সালে মামলার প্রাথমিক শুনানিতে মিয়ানমারের তৎকালীন বেসামরিক নেত্রী অং সান সু চি গাম্বিয়ার অভিযোগকে ‘অসম্পূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেন।

এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে তিন সপ্তাহ ধরে। রোহিঙ্গা ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য নেওয়া হবে গণমাধ্যম ও জনসাধারণের উপস্থিতি ছাড়া, যাতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করা যায়। জাতিসংঘের এই সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।

২০২১ সালে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর পরিস্থিতি আরও অস্থির হয়ে ওঠে। নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে এবং গণতন্ত্রপন্থি আন্দোলনকারীদের কঠোরভাবে দমন করে। এরপর থেকে দেশজুড়ে চলছে সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ। বর্তমানে মিয়ানমারে পর্যায়ক্রমে নির্বাচন চলছে। তবে জাতিসংঘ, পশ্চিমা কয়েকটি দেশ এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু নয় বলে অভিহিত করেছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

এবারও কলকাতার বইমেলায় থাকছে না বাংলাদেশ

Published

on

সূচকে

আগামী ২২ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে ৪৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা। সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক মেলার মাঠে এই বইমেলা চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। প্রতি বছরের মতো এবারও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন। এবারের ফোকাল থিম কান্ট্রি আর্জেন্টিনা।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকেরা জানান, এবারের বইমেলায় বাংলাদেশের কোনো স্টল থাকছে না। গত বছরও বাংলাদেশ অংশ নেয়নি। ১৯৯৬ সাল থেকে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ কলকাতা বইমেলায় অংশনিলেও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো দেশটি অনুপস্থিত থাকছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আর্জেন্টিনার সাহিত্যিক গুস্তাবো কানসোব্রে। এবছর বইমেলায় এক হাজারের বেশি স্টল থাকবে এবং ২০টিরও বেশি দেশ অংশ নেবে। ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মেলার প্রাঙ্গণে মোট নয়টি তোরণ তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি আর্জেন্টিনার স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হবে। প্রয়াত সাহিত্যিক প্রফুল্ল রায় ও প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের নামে দুটি তোরণ থাকছে। সাহিত্যিক শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার নামে একটি তোরণ উৎসর্গ করা হবে।

বইমেলায় যাতায়াত সহজ করতে মেট্রোর বিশেষ বুথ থাকছে, যেখানে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টিকিট কাটা যাবে। মেলার দিনগুলোতে রাত ১০টা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু থাকবে এবং ছুটির দিনেও পরিষেবা মিলবে।

এ ছাড়া অ্যাপ ও কিউআর কোডের মাধ্যমে মেলার ডিজিটাল ম্যাপ, স্টল খোঁজার সুবিধা এবং ভার্চুয়ালি বইমেলা দেখার সুযোগ থাকছে বলে জানানো হয়েছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর পণ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ট্রাম্পের

Published

on

সূচকে

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে- এমন দেশগুলোর পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক ঘোষণায় তিনি জানান, এই সিদ্ধান্ত ‘তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর’।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ তৃতীয় সপ্তাহে গড়ানোর প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ তেহরানের ওপর চাপ আরও বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তবে ট্রাম্প কীভাবে ‘ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা’ সংজ্ঞায়িত করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে সাধারণত চীনের নাম উল্লেখ করা হয়। এর পরেই রয়েছে ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, তুরস্ক ও ভারত। নতুন এই শুল্ক আরোপ এসব দেশের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এই ঘোষণা আসে এমন এক সময়, যখন ট্রাম্প ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যার ঘটনা ঘটলে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট সোমবার বলেন, বিমান হামলাসহ সামরিক বিকল্পগুলোর পরিকল্পনা এখনো ‘টেবিলে রয়েছে’।

ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করে- এমন যে কোনো দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের সব ধরনের বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক দেবে।” তিনি আরও বলেন, “এই আদেশ চূড়ান্ত ও কার্যকর।”

তবে হোয়াইট হাউস এখন পর্যন্ত কোন কোন দেশের কোন পণ্যের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে- সে বিষয়ে অতিরিক্ত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

গত বছরের শেষ দিকে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের দরপতনকে কেন্দ্র করে দেশটিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বৈধতা নিয়েই বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটে রূপ নেয়।

মার্কিনভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, চলমান বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারী ও ৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্যের মৃত্যুর তথ্য তারা যাচাই করেছে। তবে বিবিসিকে দেওয়া বিভিন্ন সূত্রের দাবি, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় ইরানের ভেতর থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিবিসিসহ অধিকাংশ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বর্তমানে দেশটির ভেতর থেকে সরাসরি সংবাদ সংগ্রহ করতে পারছে না।

এর আগে রোববার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানি কর্মকর্তারা তার সঙ্গে ‘আলোচনার জন্য’ যোগাযোগ করেছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “বৈঠকের আগেই আমাদের পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।”

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা দেশটির অর্থনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এর সঙ্গে সরকারি অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে দোকানিরা রাস্তায় নামেন, যখন খোলা বাজারে ডলারের বিপরীতে রিয়ালের মান বড় ধরনের ধাক্কা খায়। গত এক বছরে ইরানের মুদ্রা রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতি ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় রান্নার তেল, মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত বেড়েছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

১৫ স্যাটেলাইট নিয়ে ছিটকে পড়ল ভারতের রকেট

Published

on

সূচকে

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) উৎক্ষেপণের পরপরই ত্রুটির কারণে ১৫টি স্যাটেলাইট নিয়ে নির্ধারিত পথ থেকে ছিটকে পড়েছে একটি রকেট। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে দেশটির অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটা দ্বীপের সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণের সময় এই ঘটনা ঘটে। ভারতের এ ঘটনাকে দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বড় ধরনের ব্যর্থতা হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

ইসরো বলেছে, রকেটটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণকারী একটি উপগ্রহ ও বাণিজ্যিক পেলোড বহন করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইসরো বলেছে, চার ধাপের উৎক্ষেপণযান পিএসএলভি-সি৬২ তৃতীয় ধাপের শেষের দিকে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে কী ধরনের ত্রুটির কারণে রকেটটি নির্ধারিত পথ থেকে ছিটকে পড়েছে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি ইসরো। ভারতীয় এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা বলেছে, এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উৎক্ষেপণ দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারের ভিডিওতে রকেটটিকে আকাশে ছুটে যেতে দেখা যায়। তবে ত্রুটির কারণে রকেটটির উড্ডয়নপথে বিচ্যুতি ঘটে বলে ইসরোর প্রধান ভি নারায়ণন জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে ভারতের জাতীয় মহাকাশ কর্মসূচির প্রধান ভরসা হিসেবে পরিচিত পিএসএলভি রকেট দেশটির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মিশন উৎক্ষেপণ করেছে; যার মধ্যে প্রথম চন্দ্র ও মঙ্গল অভিযানের কক্ষপথযানও রয়েছে।

২০১৭ সালে একক মিশনে ১০৪টি উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিল পিএসএলভি।

সোমবার উৎক্ষেপিত পিএসএলভি-সি৬২ রকেটটি একটি পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহসহ দেশি ও বিদেশি গ্রাহকদের জন্য ১৫টি উপগ্রহ বহন করছিল বলে ইসরো পৃথক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে।

ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন দূরদর্শনকে নারায়ণন বলেন, তৃতীয় ধাপের শেষের দিকে আমরা যানটিতে কিছুটা বেশি অস্থিরতা লক্ষ্য করছি। তিনি বলেন, এর পরপরই যানটির উড্ডয়নপথে বিচ্যুতি দেখা যায়।

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত গত এক দশকে মহাকাশ অভিযানে নিজেদের সক্ষমতা জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। তুলনামূলক কম খরচে প্রতিষ্ঠিত শক্তিধর দেশগুলোর অর্জনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মহাকাশ কর্মসূচি আকার ও গতি ব্যাপক বাড়িয়েছে দেশটি।

২০২৩ সালের আগস্টে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর চতুর্থ দেশ হিসেবে চাঁদে মনুষ্যবিহীন একটি যান অবতরণ করায় ভারত। ২০২৪ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনার ঘোষণা দেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার7 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন সামান্য বেড়েছে

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার31 minutes ago

দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। কোম্পানি দুটি হলো-...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার3 hours ago

দুই ঘণ্টায় ২১৭ শেয়ারের দরবৃদ্ধি, লেনদেন ১৬৩ কোটি টাকা

সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উর্ধ্বমূখী প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দুই...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার3 hours ago

রংপুর ডেইরির কর্পোরেট পরিচালকের শেয়ার বিক্রয়

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কর্পোরেট পরিচালক বিদিশা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শেয়ার বিক্রয় সম্পন্ন করেছেন।...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার21 hours ago

বিএসইসির প্রেস ব্রিফিং বুধবার

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (পাবলিক অফার অব ইকুইটি সিকিউরিটিজ) রুলস,২০২৫ গত ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায়...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার23 hours ago

বিইউএফটি’র শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিআইসিএম’র বিনিয়োগ শিক্ষা প্রোগ্রাম

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউএফটি) বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে “ইনভেস্টমেন্ট ইন ক্যাপিটাল মার্কেট” শীর্ষক বিনিয়োগ শিক্ষা প্রশিক্ষণ...

সূচকে সূচকে
পুঁজিবাজার23 hours ago

প্রিমিয়ার লিজিংয়ের সর্বোচ্চ দরপতন

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
সূচকে
পুঁজিবাজার7 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন সামান্য বেড়েছে

সূচকে
জাতীয়8 minutes ago

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব

সূচকে
পুঁজিবাজার31 minutes ago

দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচকে
আইন-আদালত45 minutes ago

শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

সূচকে
অর্থনীতি56 minutes ago

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমালো এনবিআর, কমবে ফোনের দাম

সূচকে
অর্থনীতি1 hour ago

প্রতিবেদন পাওয়ার পর পে-স্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

সূচকে
আইন-আদালত1 hour ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছাল

সূচকে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সূচকে
জাতীয়3 hours ago

নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

সূচকে
পুঁজিবাজার3 hours ago

দুই ঘণ্টায় ২১৭ শেয়ারের দরবৃদ্ধি, লেনদেন ১৬৩ কোটি টাকা

সূচকে
পুঁজিবাজার7 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন সামান্য বেড়েছে

সূচকে
জাতীয়8 minutes ago

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব

সূচকে
পুঁজিবাজার31 minutes ago

দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচকে
আইন-আদালত45 minutes ago

শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

সূচকে
অর্থনীতি56 minutes ago

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমালো এনবিআর, কমবে ফোনের দাম

সূচকে
অর্থনীতি1 hour ago

প্রতিবেদন পাওয়ার পর পে-স্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

সূচকে
আইন-আদালত1 hour ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছাল

সূচকে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সূচকে
জাতীয়3 hours ago

নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

সূচকে
পুঁজিবাজার3 hours ago

দুই ঘণ্টায় ২১৭ শেয়ারের দরবৃদ্ধি, লেনদেন ১৬৩ কোটি টাকা

সূচকে
পুঁজিবাজার7 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন সামান্য বেড়েছে

সূচকে
জাতীয়8 minutes ago

মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব

সূচকে
পুঁজিবাজার31 minutes ago

দুই কোম্পানির ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সূচকে
আইন-আদালত45 minutes ago

শেখ হাসিনা, টিউলিপ ও আজমিনার মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

সূচকে
অর্থনীতি56 minutes ago

মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমালো এনবিআর, কমবে ফোনের দাম

সূচকে
অর্থনীতি1 hour ago

প্রতিবেদন পাওয়ার পর পে-স্কেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: অর্থ উপদেষ্টা

সূচকে
আইন-আদালত1 hour ago

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন ফের পেছাল

সূচকে
আন্তর্জাতিক2 hours ago

তেহরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সূচকে
জাতীয়3 hours ago

নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

সূচকে
পুঁজিবাজার3 hours ago

দুই ঘণ্টায় ২১৭ শেয়ারের দরবৃদ্ধি, লেনদেন ১৬৩ কোটি টাকা