Connect with us

জাতীয়

ভিসাসেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশীদের সতর্ক করল ১৩ দেশ

Published

on

লভ্যাংশ

বিশ্বের ১৩টি দেশ তাদের দূতাবাসগুলো থেকে ভিসাসহ সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ ও কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভিসা, পারমিট ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণে আবেদনকারীদের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো হচ্ছে—যুক্তরাজ্য, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আমরা যৌথভাবে সব আবেদনকারীকে ভিসা, পারমিট বা অন্যান্য কনস্যুলার সেবা নেয়ার সময় অফিসিয়াল পদ্ধতি অনুসরণের জন্য অনুরোধ করছি উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, জাল নথি, অনির্ভরযোগ্য বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্ট ব্যবহার করবেন না, অথবা অননুমোদিত ব্যক্তি, এজেন্ট বা মিশনকে অর্থ প্রদান করবেন না। এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে কাজে দেরি হওয়া, আর্থিক ক্ষতি, সীমান্তে প্রবেশে অস্বীকৃতি এবং/অথবা গুরুতর আইনি পরিণাম হতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোনো মিশনের সঙ্গে কোনো এজেন্টের সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আবেদনকারীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, তারা যেন এমন কোনো মধ্যস্থতাকারীর ওপর নির্ভর না করেন যারা ভিসা সিদ্ধান্তের ওপর বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব খাটানোর দাবি করে।

সর্বদা যাচাইকৃত তথ্য এবং বৈধ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অফিসিয়াল মাধ্যমের ওপর নির্ভর করার তাগিদ জানিয়ে বিবৃতির শেষে বলা হয়, আমাদের সকলের অগ্রাধিকার হলো সবার জন্য একটি নিরাপদ, সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ আবেদন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শ্রমিক দলের সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (১ মে) বিকাল প্রায় সোয়া ৪টার দিকে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে বিকাল ৩টার দিকে সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাবেশ শুরু হয়। অনুষ্ঠানে দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সমাবেশের মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

যদিও সমাবেশ শুরুর নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর আড়াইটা, সকাল থেকেই ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার শিল্পাঞ্চল থেকে শ্রমিকরা দলে দলে উপস্থিত হতে থাকেন। তারা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে শ্রমিক অধিকারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নয়াপল্টন ছাড়িয়ে কাকরাইল, নাইটিঙ্গেল এবং ফকিরেরপুল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা

Published

on

লভ্যাংশ
মহান মে দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষেরাই দেশের অর্থনীতির প্রকৃত চালিকাশক্তি, কিন্তু তারা প্রাপ্য স্বীকৃতি খুব কমই পান।
শুক্রবার (১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, ‘মে দিবস’ সংক্রান্ত ওই পোস্টে প্রবাসী শ্রমিকদের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে ইউনূস বলেন, পরিবার-পরিজন ছেড়ে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তারা প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, যা অর্থনীতিকে সচল ও সমৃদ্ধ রাখছে।
দেশের অভ্যন্তরে আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত শ্রমজীবী মানুষের অবদানের কথাও তুলে ধরেন তিনি। পোশাক শ্রমিক, কৃষক, নির্মাণ ও পরিবহন শ্রমিক, ক্ষুদ্র দোকানকর্মী ও উদ্যোক্তাদের ‘অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেন সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
নারী শ্রমিকদের বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরে প্রফেসর ইউনূস বলেন, বিশ্বব্যাপী নারী শ্রমিকরা একই কাজের জন্য এখনো পুরুষদের তুলনায় কম পারিশ্রমিক পান। শ্রমশক্তিতে তাদের অংশগ্রহণ সমান বা অনেক ক্ষেত্রে বেশি হলেও তাদের অবদান যথাযথ মূল্যায়ন পায় না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে শ্রমজীবী মানুষ একটি নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে— অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার। এর ফলে আগামী এক প্রজন্মের মধ্যেই কোটি মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, অটোমেশনকে এমনভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে শ্রমিকরা ঝুঁকিপূর্ণ ও মর্যাদাহীন কাজ থেকে মুক্তি পায় এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে মানুষের সৃজনশীলতা বিকাশ ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।
মে দিবসে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর ইউনূস বলেন, এমন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যেখানে প্রত্যেক মানুষ নিজের পছন্দ অনুযায়ী কর্মজীবন বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে এবং চাইলে উদ্যোক্তা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।
শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

Published

on

লভ্যাংশ

বর্তমান সময়ে রেমিট্যান্স যে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে, তার প্রকৃত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এমন মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং বিভিন্ন শ্রমিক সমাবেশে অংশ নিয়ে শ্রমজীবী মানুষের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রাষ্ট্রপতি বলেন, জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ত্রিপক্ষীয় শ্রমনীতি এবং শ্রমখাতের সংস্কার বাংলাদেশের শ্রমকল্যাণ ব্যবস্থাকে শক্ত ভিত্তি দিয়েছে। তিনি ১৯৭৬ সালে ‘মিনিস্ট্রি অব ম্যানপাওয়ার’ প্রতিষ্ঠা করে মধ্যপ্রাচ্যসহ ৩৩টি দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নেন, যা পরবর্তীতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশনেত্রী ‘শ্রম আইন ২০০৬’ প্রণয়ন এবং শ্রম কল্যাণ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাসহ শ্রমিকের অধিকার, কর্মসংস্থান ও কল্যাণের পরিধিকে আরও বিস্তৃত করেছিলেন।

সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণ, ন্যায্য পাওনা রক্ষা, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য এবং নিরাপদ ও উন্নত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। শ্রমিকরাই দেশের প্রকৃত উন্নয়নের কারিগর। শিল্প-কারখানা, কৃষি, পরিবহন, নির্মাণ ও গৃহকর্মসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের হাড়ভাঙা পরিশ্রম আমাদের সমাজ, সভ্যতা এবং অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে।

বিশেষ করে প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এবং পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের কষ্টের বিনিময়ে অর্জিত আয় আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনীতির মূল শক্তি।

তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণে ঘোষিত সকল কর্মপরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকল, রেশম ও পাটকলসহ বিভিন্ন শিল্প-কারখানা পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পদক্ষেপ নিয়েছে। এমনকি চলতি বছরের আগামী ছয় মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আরও ছয়টি পাটকল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্পক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য মালিক ও শ্রমিকের পারস্পরিক আস্থা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। শ্রম খাতে সুষ্ঠু সম্পর্ক বজায় রাখা এবং উভয়ের অধিকার নিশ্চিত করতে ট্রেড ইউনিয়নের কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে বর্তমান সরকার সর্বদা সচেষ্ট থাকবে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’: আইনমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, নতুন আইনের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে ‘প্রতিষ্ঠিত সত্য’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শুক্রবার (১ মে) ঝিনাইদহের শৈলকূপায় মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

মন্ত্রী বলেন, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) আইন-২০২৬ সংসদে পাস হওয়ার সময় আইনের ২ নম্বর ধারার ১০ উপধারায় দেওয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী জামায়াতকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, দলটির অতীত ভূমিকা নিয়ে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি আরও বলেন, সংসদে বিলটি উত্থাপনের পর জামায়াতে ইসলামী সরাসরি বিরোধিতা করেনি, বরং নীরব থেকেছে। তার ভাষায়, নীরবতা সম্মতির ইঙ্গিত বহন করে।

এ সময় তিনি জানান, জাতীয় নাগরিক পার্টি লিখিতভাবে বিলটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। একইসঙ্গে আসন্ন রাজনৈতিক প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপে বিএনপি অংশ নেবে, তবে গণভোটের একটি অংশে প্রতারণার অভিযোগ থাকায় সেই অংশের সঙ্গে দলটি একমত নয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

বিএনপির আমলে শেয়ারবাজারে লুটের সুযোগ ছিল না, এবারও হবে না: অর্থমন্ত্রী

Published

on

লভ্যাংশ

বিএনপি সরকারের সময়ে শেয়ারবাজারে কোনো ধরনের লুটপাটের সুযোগ ছিল না এবং বর্তমান সময়েও কেউ এমন সুযোগ পাবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংসদে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আইন সংশোধন বিল-২০২৬ নিয়ে আলোচনার সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, এবারও কেউ লুটপাটের সুযোগ পাবে না।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা লুট হয়েছে এবং দায়ীদের এখনো বিচারের আওতায় আনা হয়নি।

শেয়ারবাজার লুটপাটে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে দেয়া বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি দেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও শক্তিশালী করতে যে কটি স্তম্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তার অন্যতম একটি হচ্ছে পুঁজিবাজার।

তিনি বলেন, আজকের বিশ্বে যেসব দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক, তাদের শক্তির অন্যতম উৎস শেয়ারবাজার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের শেয়ারবাজার ১৯৯৬ সালে একবার এবং ২০১০ সালে আরেকবার ভয়াবহ রকম পতনের শিকার হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে প্রকাশিত শ্বেতপত্রের উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, গত ১৫ বছরে শেয়ারবাজার থেকে লুট হয়েছে ১ লাখ কোটি টাকার উপরে। এই ১ লাখ কোটি টাকা, সাধারণ মানুষের টাকা। যে মানুষগুলো তাদের সব সঞ্চয়গুলো হয়তো শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেন- সেই মানুষগুলোর টাকা। এগুলো লুটপাট করা হয়েছে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর মাধ্যমে। বিশেষ কিছু ব্যবসায়ীর মাধ্যমে। যাদের কখনোই বিচারের আওতায় আনা হয়নি।

দেশের অর্থনীতি নানা সমস্যার মুখে আছে উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘এই সার্বিক পরিস্থিতিতে আমি আমি আশা করব, অর্থমন্ত্রী শেয়ারবাজার লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের যেমন জবাবদিহিতার আওতায় আনবেন, একইসঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে দক্ষ ও যোগ্য মানুষের সম্মিলন ঘটিয়ে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আবারও একটি আস্থার জায়গায় নিয়ে যাবেন।’

জবাবে রুমিন ফারহানার সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু বিশেষ কমিটি এই বিলটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে, তারপর বিলটি এখানে এসেছে। সুতরাং আর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য দেয়ার দরকার আছে বলে আমি মনে করি না।’

এ সময় বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নিয়োগ ও বিদায়সহ যেসব পরিবর্তন এসেছে কোনোটাই দেশের জনগণ ও গণতন্ত্র সাপোর্ট করে না উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা ও ঢাকা-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যোগ্য লোকদের যোগ্য জায়গায় বসানো দরকার। খেলার মাঠটা পর্যন্ত আমরা উন্মুক্ত রাখতে পারলাম না। ওখানেও গিয়ে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়লাম। এভাবে চললে দেশ আগাবে কীভাবে? দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এমন কোনো কিছু দৃশ্যমান কিছু হচ্ছে না।

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নরের পারফরম্যান্স আগের যেকোনো গভর্নরের চেয়ে ভালো। ফিনানশিয়ালি সেক্টরে কোনো পলিটিকাল নিয়োগ হবে না- এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আপনারাও দেখুন আগামীতে এমন কোনো নিয়োগ হয় কি না।

এরপর বিরোধী দলীয় উপনেতা ও কুমিল্লা-১১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিল বর্তমান গভর্নর, তাহলে তাকে পরিবর্তন করে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হবে কি না?

বিরোধী দলীয় উপনেতার এমন বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, দলকে সমর্থন করা মানে দলের লোক নয়।

এরপর বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল-২০২৬ সংসদে কণ্ঠ ভোটে পাস হয়। তবে দুটি বিলেই বিরোধী দলের আপত্তি ছিল। আলোচনার জন্য সময় চাওয়া হলে বিলটির ওপর জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার20 hours ago

এনআরবিসি ব্যাংকের লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার20 hours ago

রূপালী ব্যাংকের লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সের ১৫% লভ্যাংশ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স পিএলসি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটি আলোচিত বছরের...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

শাশা ডেনিমসের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শাশা ডেনিমস পিএলসি গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড গত ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।...

লভ্যাংশ লভ্যাংশ
পুঁজিবাজার21 hours ago

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ৩১ মার্চ, ২০২৬ তারিখে সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি’২৬-মার্চ’২৬) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১  
লভ্যাংশ
বিনোদন12 minutes ago

বিশ্বমঞ্চে সঞ্চালকের ভূমিকায় রাশমিকা মান্দানা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক17 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয়ের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

লভ্যাংশ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার26 minutes ago

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

লভ্যাংশ
জাতীয়40 minutes ago

নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
স্বাস্থ্য43 minutes ago

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

লভ্যাংশ
মত দ্বিমত56 minutes ago

রূপপুরের আলো: ১৯৬১ সালের স্বপ্ন থেকে আধুনিক বাংলাদেশের পারমাণবিক বাস্তবতা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

লভ্যাংশ
জাতীয়2 hours ago

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

লভ্যাংশ
বিনোদন12 minutes ago

বিশ্বমঞ্চে সঞ্চালকের ভূমিকায় রাশমিকা মান্দানা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক17 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয়ের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

লভ্যাংশ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার26 minutes ago

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

লভ্যাংশ
জাতীয়40 minutes ago

নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
স্বাস্থ্য43 minutes ago

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

লভ্যাংশ
মত দ্বিমত56 minutes ago

রূপপুরের আলো: ১৯৬১ সালের স্বপ্ন থেকে আধুনিক বাংলাদেশের পারমাণবিক বাস্তবতা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

লভ্যাংশ
জাতীয়2 hours ago

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি

লভ্যাংশ
বিনোদন12 minutes ago

বিশ্বমঞ্চে সঞ্চালকের ভূমিকায় রাশমিকা মান্দানা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক17 minutes ago

ইরানের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয়ের প্রত্যাশা ট্রাম্পের

লভ্যাংশ
ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার26 minutes ago

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

লভ্যাংশ
জাতীয়40 minutes ago

নয়াপল্টনের সমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লভ্যাংশ
স্বাস্থ্য43 minutes ago

দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

লভ্যাংশ
মত দ্বিমত56 minutes ago

রূপপুরের আলো: ১৯৬১ সালের স্বপ্ন থেকে আধুনিক বাংলাদেশের পারমাণবিক বাস্তবতা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

ইরান যুদ্ধে প্রাথমিক হিসেবের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যয় হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের

লভ্যাংশ
জাতীয়1 hour ago

মে দিবসে শ্রমজীবী মানুষের প্রতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শ্রদ্ধা

লভ্যাংশ
আন্তর্জাতিক1 hour ago

১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের

লভ্যাংশ
জাতীয়2 hours ago

রেমিট্যান্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি