আন্তর্জাতিক
হরমুজে বাণিজ্য রক্ষায় টাস্ক ফোর্স গঠন করবে জাতিসংঘ
জাতিসংঘ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে বাণিজ্য প্রবাহ সচল রাখার জন্য একটি টাস্ক ফোর্স গঠন করা হচ্ছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ইরান যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে খাদ্য সংকট ও মানবিক সংকট আরও বাড়াতে পারে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেছেন, ‘এই সংঘাত কমাতে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।’ তিনি জানান, আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল হোর্হে মোরেইরা দা সিল্ভা এই টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দেবেন।
তিনি বলেন, টাস্ক ফোর্সটি ইউক্রেনের ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভ এবং গাজার ইউএন২৭২০ মেকানিজমসহ জাতিসংঘের অন্যান্য প্রকল্প থেকে অনুপ্রেরণা নেবে।
দুজারিক বলেন, ‘এই উদ্যোগটি কীভাবে কার্যকর করা যায় তা দেখতে টাস্ক ফোর্সটি এখন সমস্ত প্রাসঙ্গিক সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট সমস্ত সদস্য রাষ্ট্র এটিকে সমর্থন জানাবে। বিশেষ করে সেইসব মানুষের স্বার্থে… যারা ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সারের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়া এবং জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে খাদ্যের দাম আরো বাড়তে পারে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে, যদি ইরান যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চলে, তবে কয়েক কোটি মানুষ তীব্র ক্ষুধার সম্মুখীন হতে পারে।
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের ইতি কবে, জানালেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধ কয়েক মাস নয়, বরং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হতে পারে। তিনি দাবি করেন, স্থলবাহিনী মোতায়েন ছাড়াই ওয়াশিংটন তাদের সব কৌশলগত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবে।
ফ্রান্সে জি৭ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে শুক্রবার (২৭ মার্চ) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমরা এই অভিযানে নির্ধারিত সময়সূচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বা তার থেকেও এগিয়ে আছি। যথাসময়ে—কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই—এটি শেষ হবে।
রুবিও আরও বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যখন এই অভিযান শেষ হবে, তখন ইরান সাম্প্রতিক ইতিহাসের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়বে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুবিও জি৭ মিত্রদের জানিয়েছেন—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে যুদ্ধ শুরু করেছে, তা আরও দুই থেকে চার সপ্তাহ চলতে পারে।
তবে যুদ্ধ-পরবর্তী সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে ইরান যেন জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে। বিশ্বে মোট তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।
রুবিও জানান, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান করেছে এবং কিছু বিষয়ে আলোচনার আগ্রহের ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার আনুষ্ঠানিক জবাব দেয়নি তেহরান।
তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে বার্তা বিনিময় হয়েছে এবং ইরানের পক্ষ থেকে কিছু বিষয়ে আলোচনার আগ্রহের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তবে এখনো তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
আন্তর্জাতিক
দিল্লি রেলস্টেশনে দেওবন্দ শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করল উগ্র হিন্দুত্ববাদী
ভারতের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে হিন্দু উগ্রবাদীদের হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন একদল মুসলিম শিক্ষার্থী।
হায়দ্রাবাদ থেকে উত্তরপ্রদেশে যাওয়ার পথে দিল্লি রেলওয়ে স্টেশনে গত ২৬ মার্চ ওই উগ্র হিন্দুত্ববাদীর কবলে পড়েন তারা। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভারতজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ওই ভিডিওতে দেখা যায়, দাড়ি, টুপি এবং ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিহিত একদল মুসলিম শিক্ষার্থী প্ল্যাটফর্মে শান্তভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। এমন সময় গেরুয়া পোশাকধারী এক ব্যক্তি তাদের দিকে তেড়ে আসেন এবং হিন্দিতে হুমকি দিয়ে বলতে থাকেন, ‘অ্যায়, গায় কা হত্যা করো মত, অ্যায় গায় কা হত্যা করো মত। নেহি তো তেরা হত্যা করেঙ্গে’ (গরু হত্যা করো না, না হলে তোমাদের মেরে ফেলব)।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হেনস্তার সময় মুসলিম শিক্ষার্থীরা চরম ধৈর্যের পরিচয় দিলেও ওই ব্যক্তি আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার অব্যাহত রাখেন।
এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তৎক্ষণাৎ দৃশ্যটি ধারণ করেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। এটিকে তিনি মুসলিমদের সঙ্গে সুস্পষ্ট উস্কানিমূলক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী জানান, তারা কেবল তাদের কানেক্টিং ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কারো সঙ্গে কোনো কথা বা বিতণ্ডায় জড়াননি।
তিনি বলেন, তারা চায় আমরা রাগান্বিত হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাই যাতে তারা আমাদের কোনো আইনি ঝামেলায় ফেলতে পারে বা দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারে।
ভিডিওটি শেয়ার করে ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী হায়দ্রাবাদ বা অন্যান্য রাজ্য থেকে আসা শিক্ষার্থীদের ভ্রমণের সময় সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, কিছু মানুষ আপনাদের বিভ্রান্ত বা উত্তেজিত করার চেষ্টা করতে পারে, বিশেষ করে কুর্তা-পাজামা বা মুসলিম ধর্মীয় পোশাক দেখে টার্গেট করতে পারে। নিজেদের খেয়াল রাখুন এবং তাদের সঙ্গে তর্কে জড়াবেন না।
দেওবন্দে পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের প্রতি ওই শিক্ষার্থী শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তারা চায় আপনারা রাগের মাথায় কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান বা মারামারি শুরু করেন। এসব দুষ্কৃতীদের কোনো জবাব না দিয়ে শান্তভাবে এড়িয়ে চলুন।
ভিডিওতে ওই শিক্ষার্থীকে হতাশকন্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘ভারতে এখন মুসলমানদের রক্ত পশুর রক্তের চেয়েও সস্তা হয়ে গেছে’।
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধের ১ মাস পূর্ণ হলো আজ
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার এক মাস পূর্ণ হলো আজ (২৮ মার্চ)। তবে এই সংঘাত শুধু ইরানের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। এক মাসের এই যুদ্ধে হাজারো প্রাণ ঝরে গেছে, অসংখ্য পরিবার গৃহহীন হয়েছে। বহু জনপদ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
ইরান‑যুক্তরাষ্ট্র‑ইসরায়েল যুদ্ধ গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়। ওই দিন মার্কিন বাহিনী ও ইসরায়েল সম্মিলিতভাবে ইরানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। জবাবে ইরানও উপসাগরীয় দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। যা পরবর্তী সময়ে আরো বড় সংঘাতে পরিণত হয়।
এই হামলা ইরানের তেলের চাহিদা, অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে।
জাতিসংঘে গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি রেড ক্রিসেন্টের প্রতিনিধিদলের প্রধান মারিয়া মার্টিনেজ যুদ্ধের ভয়াবহতার এক মর্মস্পর্শী চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাতে গিয়ে অনেক চিকিৎসাকর্মী নিজেদের পরিবারের সদস্যদের নিথর দেহ খুঁজে পেয়েছেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত ইরানে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৯০০।
প্রতিবেশী লেবাননেও ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ১৪২ জন, যাদের মধ্যে অন্তত ১২২ জন শিশু।
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের ধারাবাহিকতায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ২৬৭ জনে। যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও সেখানে আরো ৬৯১ জন নিহত হয়েছেন। পশ্চিম তীরেও সহিংসতা থেমে নেই, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও বসতি স্থাপনকারীদের আক্রমণে অন্তত ৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
এই সংঘাতের প্রভাব ইরাক ও উপসাগরীয় অঞ্চলগুলোতেও পড়েছে।
ইরাকে নিহত হয়েছেন ৯৬ জন এবং উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশে ৩০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের অনেকেই অভিবাসী শ্রমিক।
ইসরায়েলের ভেতরেও ক্ষয়ক্ষতি কম নয়। লেবানন সীমান্তসহ বিভিন্ন স্থানে হামলায় ১৯ জন ইসরায়েলি নাগরিক এবং ৪ জন সেনা নিহত হয়েছেন। একই সময়ে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে, ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এ পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক
পেট্রোল রপ্তানি বন্ধ করতে যাচ্ছে রাশিয়া
রাশিয়া ১ এপ্রিল থেকে পেট্রোল রপ্তানি বন্ধ করতে পারে। এ বিষয়ে খসড়া সিদ্ধান্ত তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেক্সান্দার নোভাক শুক্রবার জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে এই নির্দেশ দেন। সরকারি সংবাদমাধ্যম টাস জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা ৩১ জুলাই পর্যন্ত চালু থাকতে পারে।
নোভাক বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে তেলের দাম ওঠানামা করছে।
তিনি আরও বলেন, বিদেশে রাশিয়ার জ্বালানির চাহিদা এখনো অনেক বেশি। তবে দেশের ভেতরে সরবরাহ ঠিক রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
রাশিয়া সরকার জানিয়েছে, দেশটিতে এখন তেল পরিশোধনের পরিমাণ গত বছরের মতোই আছে। তাই দেশের ভেতরে জ্বালানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।
গত বছর রাশিয়ার কয়েকটি অঞ্চলে পেট্রোলের সংকট দেখা দিয়েছিল। ইউক্রেনের হামলায় কিছু তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তখন জ্বালানির চাহিদাও বেড়ে যায়।
এ কারণে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাশিয়া আগেও কয়েকবার পেট্রোল ও ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করেছিল।
গত বছর রাশিয়া প্রায় ৫০ লাখ টন পেট্রোল রপ্তানি করেছে। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার ব্যারেল পেট্রোল রপ্তানি করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক
ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-মোদির ফোনালাপ, ছিলেন মাস্কও
ইরান যুদ্ধ নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এতে যোগ দিয়েছিলেন বিলিয়নিয়ার ইলন মাস্কও।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মোদি ফোন করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ শুরুর পর এটিই ছিল দুই নেতার মধ্যে প্রথম ফোনালাপ।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুইজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এই ফোনালাপে ইলন মাস্কও ছিলেন। যুদ্ধের মতো সংবেদনশীল সময়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার কথোপকথনে কোনো বেসরকারি ব্যক্তির উপস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্প ও মোদির মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির সম্পর্ক খুব ভালো, এবং এটি একটি গঠনমূলক আলোচনা ছিল।’
গত বছর সরকার থেকে ইলন মাস্কের বিদায়ের পর ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। তবে এই ঘটনায় ধারণা করা হচ্ছে, তাদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিকের দিকে ফিরছে।
তবে মাস্ক কেন এই ফোনালাপে ছিলেন বা তিনি কোনো কথা বলেছেন কি না—তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এদিকে, এই আলোচনায় মোদি হরমুজ প্রণালি খোলা, নিরাপদ ও সবার জন্য সহজগম্য রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক কল্যাণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’



