সারাদেশ
নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে চাঁদা না দেওয়ায় একটি পরিবারের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২২ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রোজিনা ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন।
এর আগে গত ২০ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফতুল্লার শিবু মার্কেট পশ্চিম লামাপাড়া এলাকায় ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল লাঠি, রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই বাড়িতে হামলা চালায়। এতে মুহূর্তেই পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
হামলাকারীরা বাড়ির গেট ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে নারীসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং ঘরের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ফতুল্লা ইউনিয়ন বিএনপির ৫নং ওয়ার্ডের নেতা আমির প্রধানের সহযোগী আনোয়ার হোসেন অনু, আনিছুর রহমান ও রুবেল দীর্ঘদিন ধরে জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। একপর্যায়ে তাদের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী আরো জানান, হামলাকারীরা শুধু মারধর ও ভাঙচুরই করেনি, আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে। এতে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, ঘটনাটি জমি দখল সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটেছে। পুলিশ মামলা গ্রহণ করেছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তদন্ত শেষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় এনে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
রাজনীতি
বিএনপি বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে না : মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ মানুষ ধার্মিক, এ দেশের মানুষ ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা পছন্দ করে না। ধর্মকে বিক্রি করে কিছু করা সম্ভব নয়, ধর্ম মানুষের অন্তরের বিষয়। আমরা অন্যান্য নেতার মতো বেহেশতের টিকিট বিক্রি করি না, আমরা আমাদের কাজের মধ্য দিয়ে ও ইবাদত করে বেহেশতে যাব।’
সোমবার (২৩ মার্চ) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ভাউলার হাট এলাকায় হেনা নদীর পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে বিএনপি যে প্রতিশ্রতি দিয়েছিল তা সব কিছুই পূরণ করা হবে। সরকার গঠনের পর আমরা ধারাবাহিকভাবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। একটি দল সবার আগে মা-বোনদের বেহেশতের টিকিট দেবে বলে তাদের ভুলিয়ে রাখতে চায়। নামাজ, রোজা ইবাদত ও সৎ কাজ ছাড়া কোনোভাবেই বেহেশতে যাওয়া সম্ভব নয়।
এ জন্য আমাদের সবাইকে সৎ কাজ করতে হবে, সৎভাবে জীবন যাপন করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘কোনোভাবেই মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না, মবকে কঠোর হস্তে দমন করা হবে। বিএনপি কখনোই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি, দলীয় কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শৃঙ্খলা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না, তাই আমাদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
যুদ্ধের কারণে এখন বড় সংকট দেখা দিয়েছে তেলের। সমস্যা থাকলে তার সমাধান আছে, কিন্তু কোনোভাবে মব সৃষ্টি করা যাবে না। গায়ের জোরে আইনের বাইরে গিয়ে কোনো কাজ করা যাবে না। এই সরকার শুধু কয়েক দিন হলো ক্ষমতা গ্রহণ করেছে, আমাদের কাজ করার সময় ও সুযোগ দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
ফ্যামিলি কার্ড, খালখনন প্রকল্পের পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কৃষকের উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব।’ এ ছাড়া তিনি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কৃষকসহ বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যা মোকাবেলায় সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে।’
তিনি জানান, দলীয় কোনো নেতা, শ্রমিক বা সরকারি কোনো কর্মকর্তা, ঠিকাদার খাল খনন কাজে কোনো দুর্নীতি করলে বা বিভিন্ন অজুহাতে কাজ ফেলে রাখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ইসরাত ফারজানার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার বেলল হোসেন, বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম পর্যায়ে শালিকষা হতে সিন্দুরনা মৌজা পর্যন্ত ৫ দশমিক ৮ কিলোমিটার খাল খনন করতে খরচ হবে প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। প্রকল্প কাজ শেষ হবে ২৫ জুন।
সারাদেশ
নারায়ণগঞ্জে কোটি টাকার অবৈধ চিংড়ি রেণু জব্দ
নারায়ণগঞ্জে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের অবৈধ চিংড়ি রেণু জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। এ ঘটনায় বিপুল পরিমাণ রেণু উদ্ধার হলেও কাউকে আটক করা হয়নি।
সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা বিএন লেফটেন্যান্ট সাব্বির আলম সুজন তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এর আগে এদিন মধ্যরাত ২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কোস্ট গার্ড স্টেশন পাগলা নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান চলাকালে কুমিল্লা থেকে সাতক্ষীরাগামী সন্দেহভাজন দুটি মাইক্রোবাস তল্লাশি করে প্রায় ২২ লাখ ৫০ হাজার পিস অবৈধ চিংড়ি রেণু জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
পরে জব্দকৃত চিংড়ি রেণু সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে বুড়িগঙ্গা নদীতে অবমুক্ত করা হয়। একইসঙ্গে মাইক্রোবাসের চালক ও হেল্পারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা বিএন লেফটেন্যান্ট সাব্বির আলম সুজন জানান, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
সারাদেশ
পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১০
পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক গৃহবধূ মারা গেছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ১০ জন। সোমবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধুর নাম চায়না খাতুন ৪০)। তিনি ওই গ্রামের শুকুর আলীর স্ত্রী।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে হাটখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাজা গ্রুপের সাথে মানিকহাট ইউনিয়নের ভিটবিলা গ্রামের বিএনপি সমর্থক ইসলাম প্রামাণিক গ্রুপের সাথে বিরোধ চলছিল। রোববার দিবাগত রাতে দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে গতরাত থেকেই দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।
আজ সোমবার সকালে ইসলাম প্রামানিক গ্রুপের লোকজন লাঠি সোটা নিয়ে এলাকায় জড়ো হচ্ছিল। এমন সময় রাজা গ্রুপের লোকজন লাঠিসোটা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপরে হামলা চালিয়ে গুলিবর্ষণ ও বাড়ি ভাঙচুর করে। গুলিতে গৃহবধূ চায়না খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এছাড়া গুরুতর আহত ১০ জনকে উদ্ধার করে সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলাম প্রামানিক বলেন, আমার ভাগ্নে ফরহাদ আওয়ামী লীগ সমর্থক ছিল। এজন্য রোববার রাতে ভিটবিলা বাজারে তাকে মারধর করে রাজা গ্রুপের লোকজন। আমি খবর পেয়ে তখনি সেখানে গিয়ে ঘটনা শুনে তাদেরকে এ বিষয়ে মারামারি না করার অনুরোধ করি। কিন্তু তারা উল্টো আমার উপরও হামলা করে মারধর করে। খবর পেয়ে আমার গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয় মুরুব্বিদের সাথে বসে আলোচনা করে এ বিষয়ে সমঝোতা করা হবে। সকালে আমরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় রাজার গ্রুপের লোকজন লাঠিসোঠক অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে রাজার নেতৃত্বে এসে অতর্কিত আমাদের গ্রামের লোকজনের উপরে গুলি ও হামলা চালায়। এতে গুলিতে স্পটে মারা গেছে চায়না খাতুন। আরো ৮-১০ জন আহত হয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাজা বলেন, ঘটনার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। ঘটনার সময় আমি স্পটেও ছিলাম না। আমার এক আত্মীয়ের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসছি। এখানে আমার নাম জড়ানো ষড়যন্ত্রমূলক। গুলিবর্ষণ হয়েছে কিনা বা গুলিতে চায়না খাতুন মারা গেছে কিনা আমি জানি না। আমি শুনেছি চায়না খাতুন স্ট্রোক করে মারা গেছে। আপনারা ভালো করে তদন্ত করে দেখেন আমি সেখানে ছিলাম কিনা আমার নেতৃত্বে হামলা হয়েছে কিনা। আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান বলেন, দুই পক্ষই বিএনপি সমর্থক। ভিটবিলা পশ্চিমপাড়া বাজার এলাকা ও পুর্বপাড়া এলাকার দুই পক্ষের ছেলেদের মধ্যে গতরাতে ঝামেলা হয় শুনেছি। সেই ঘটনার পর পূর্বপাড়ার লোকদের (রাজা গ্রুপের) পশ্চিমপাড়া বাজারে যেতে দেবে না বলে ঘোষণা দেয় পশ্চিমপাড়া এলাকার (ইসলাম গ্রুপের) লোকজন। আজ সকালে লাঠি সোটা নিয়ে পাহারা বসায় তারা এবং বাজারে যাওয়া পুর্বপাড়ার লোকদেরকে ফিরিয়ে দেয় পশ্চিমপাড়া লোকজন। পরে পূর্বপাড়ার লোকজন একজোট হয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এসে পূর্বপাড়ার লোকদের উপর হামলা চালায়।
সুজানগর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সাদিক আহমেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কি বিষয় নিয়ে হামলার ঘটনা সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো যাবে।
সারাদেশ
চট্টগ্রামে ঘরে ঢুকে গুলি, বিএনপি নেতা ও তার মা গুরুতর আহত
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতির বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে প্রকৌশলী ওসমান (৪২) ও তার মা আছিয়া বেগম (৭০) গুরুতর আহত হয়েছেন।
রবিবার (২২ মার্চ) রাত আনুমানিক ৮টা ১০ মিনিটে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওসমান সরফভাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের গঞ্জম আলী সরকারের বাড়ির বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
তার বাবা রশিদ আহমদ জানান, চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে হঠাৎ গুলি ছুড়তে শুরু করে। এতে ওসমান হাত ও পেটে গুলিবিদ্ধ হন। ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার মা আছিয়া বেগমের দুই পায়েও গুলি লাগে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
জানা গেছে, ওসমানের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার মায়ের চিকিৎসা স্থানীয়ভাবে চলছে। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দীন আহমেদ জানান, গুলির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
সারাদেশ
সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিংয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার প্রায় সাড়ে ৭ ঘণ্টা পর চট্টগ্রামের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থলে রিলিফ ট্রেন পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত ঢাকা মেইল ট্রেন উদ্ধার করে এবং রেললাইনে আটকে থাকা বাসটি সরিয়ে নেয়। সকাল সাড়ে ১০ টার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যবস্থাপক মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় ‘মামুন পরিবহন’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাসকে ধাক্কা দেয় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেন। সংঘর্ষের পর বাসটি প্রায় আধা কিলোমিটার দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেনটি।
এই দুর্ঘটনায় প্রথমে ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও পরে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১২ জনে।
ঘটনার পরপরই চট্টগ্রামের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। পরে আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিস, সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।



