কর্পোরেট সংবাদ
‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’, ডিজিটাল সালামিতে জমে উঠছে ঈদ উৎসব
ঈদের দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ার আগে অফিসের শেষ কর্মদিবসটি এখন ভিন্ন এক আমেজ নিয়ে আসে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেই কনিষ্ঠ সহকর্মীদের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে দল বেঁধে অগ্রজদের কাছ থেকে সালামি আদায় করা। আর এই সালামি আদান-প্রদানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় মজার সব স্মৃতি।
এক সময় নতুন কড়কড়ে নোটে সালামি দেয়ার চল থাকলেও, কালের বিবর্তনে সালামি আদান-প্রদানেও লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। গত কয়েক বছর ধরেই ঈদ ঘনিয়ে আসলে কানে বাজছে ‘ঈদের চাঁদ আকাশে সালামি দিন বিকাশ-এ।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন যাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করি, তাদের সঙ্গে ঈদের আগে সালামি বিনিময় এক বাড়তি আনন্দ যোগ করে। আগে নতুন নোটের জন্য ব্যাংকে যেতে হতো, এখন আগেভাগেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে ‘অ্যাড মানি’ করে রাখি। এতে অফিসের জুনিয়র সহকর্মী থেকে শুরু করে এলাকার ছোট ভাইবোন, দূরে থাকা ভাগ্নে-ভাগ্নি কিংবা ভাতিজা-ভাতিজিদের সালামি পাঠানো কাছেও সহজ হয়ে গিয়েছে বিকাশ-এর কল্যাণে।”
এ বছরই চৌদ্দ বছরে পড়েছে কায়নাত আরিতা। মাকে বলে সে কয়েক মাস আগে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলেছে। কায়নাত জানায়, “গত বছর সবাই বড় আপুর মোবাইলে আমার সালামি পাঠিয়ে দিয়েছিল। তবে এবার আমার নিজেরই বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে। তাই নিজের অ্যাকাউন্টেই এবার সালামি পাব।”
এমনি করে লাখো গ্রাহক এখন সালামি দিতে বিকাশ ব্যবহার করছেন। ২০২৫ সালে ঈদ-উল-ফিতরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বিকাশ অ্যাপ থেকে ঈদ কার্ড সহ সালামি পাঠিয়েছেন। এই গ্রাহকদের ৪০ শতাংশই নারী। আবার, গ্রাহকদের ৩০ শতাংশই সালামি পাঠিয়েছেন চাঁদ রাতে। প্রায় ৪৮ শতাংশ পাঠিয়েছেন ঈদের দিন, আর বাকিরা পরের দুই দিনে। এদিকে, ৭০ শতাংশের বেশি সালামি যাচ্ছে এক জেলা থেকে আরেক জেলায়। এছাড়াও, জেন-জি থেকে বেবি বুমার সব বয়সের গ্রাহকরাই বিকাশ থেকে
সালামি পাঠাচ্ছেন।
বিকাশ-এ সালামি পাঠানোর খুঁটিনাটি:
যেভাবে বিকাশ-এ সালামি পাঠাবেন: ঈদ সালামি পাঠাতে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি অপশনে যেতে হবে, তারপর নিচে থাকা ঈদ মোবারক লেখা ঈদ কার্ড সিলেক্ট করতে হবে। সেখানে নিজের মতো করে ম্যাসেজ এবং সিগনেচার যোগ করে দেয়া যাবে। অথবা আগে থেকেই যুক্ত থাকা ম্যাসেজও পাঠানো যাবে। কার্ড যুক্ত হয়ে গেলে সালামির অংক বসিয়ে এবং সবশেষে বিকাশ পিন দিয়ে সালামি পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রুপ সেন্ড মানি: যারা একসঙ্গে অনেককে সালামি পাঠাবেন, তারা খুব সহজে বিকাশ অ্যাপে গ্রুপ সেন্ড মানি ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য শুরুতেই বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি আইকনে ক্লিক করে গ্রুপ সেন্ড মানি অপশন ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ৭টি নাম্বার অ্যাড করে সালামি পাঠানোর গ্রুপ তৈরি করে নেয়া যাচ্ছে। তারপর মোট সেন্ড মানির পরিমাণ দিয়ে চাইলে প্রতি নাম্বারে সমানভাগে অথবা একেক নাম্বারে একেক পরিমান সালামি পাঠাতে পারবেন। একজন গ্রাহক একাধিক গ্রুপ তৈরি করে সালামি পাঠাতে পারবেন।
সালামির সাথে বর্ণিল ঈদ কার্ড: সালামি পাঠানোর সময় বিকাশ অ্যাপে থাকা বর্ণিল ঈদ কার্ড সিলেক্ট করে তার উপর নিজের আবেগ-অনুভূতি, স্নেহ-ভালোবাসা জানিয়ে মেসেজ যুক্ত করতে পারবেন যেকোনো গ্রাহক। বাংলা ও ইংরেজি– দুই ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।
সালামি চেয়ে রিকোয়েস্ট মানি: সালামি শিকারিদের জন্য এক মোক্ষম অস্ত্র বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি ফিচার। অ্যাপ থেকে ‘রিকোয়েস্ট মানি’ আইকনে ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ১০টি বিকাশ নাম্বারে পৃথকভাবে বা গ্রুপ তৈরি করে প্রিয়জনের কাছে সালামির রিকোয়েস্ট পৌঁছে দেয়া যাবে। রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে বিদেশ থেকে সালামি: যারা কাজের প্রয়োজনে প্রিয়জনকে দূরে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন তারাও এখন বিকাশ-এর রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে সালামি পাঠাতে পারেন।
সেন্ড মানি বান্ডেল: এদিকে, যারা অনেককে সালামি পাঠাবেন তারা সেন্ড মানির খরচ কমাতে বিকাশ অ্যাপের ‘আমার বিকাশ’ সেকশন থেকে পছন্দের ‘সেন্ড মানি বান্ডেল’ কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে গ্রাহকরা ৩০ দিন মেয়াদে ৫, ১০, ২৫, ৫০, ও ১০০টি সেন্ড মানি বান্ডেল কিনতে পারবেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদ ইসলামিকের তিন ব্যবহারকারী জিতলেন উমরাহ প্যাকেজ
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নগদ ইসলামিক ওয়ালেট ব্যবহার করে তিন পেশার তিনজন গ্রাহক জিতে নিয়েছেন পবিত্র উমরাহ প্যাকেজ। বিজয়ীদের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে নগদের পক্ষ থেকে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।
নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন, ঢাকার কাফরুল এলাকার ঠিকাদার মো. শাহজাহান ও লালমনিরহাটের একজন কৃষক মো. মানিক এই পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে পবিত্র উমরাহ করতে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে বিজয়ী তিনজনই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পুরস্কার পাওয়ার নিজের অনুভূতি জানিয়ে অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘মা অসুস্থ, ওষুধপত্র কেনার জন্য নগদ ইসলামিক অ্যাপ ব্যবহার করি। আল্লাহর ঘর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে যাব, এটা একটা পরম সৌভাগ্য।’
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইস্কাটনের মসজিদুন নূরের খতিব মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, নাশিদ শিল্পী মুনাইম বিল্লাহ ও নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, ‘নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তিনজন মুসলমান ভাই মহান আল্লাহর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে পারবেন, এটার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। আমরা নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে এরকম কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।’
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘পাঠাও ঈদ বাজার’ আয়োজন
ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আর এই আনন্দের দিনে পাঠাও পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের হিরোদের যারা প্রতিদিন সচল রাখছেন বাংলাদেশের চাকা। দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’, তাদের রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারদের পার্টনারদের সম্মান জানাতে প্রতিষ্ঠানটি আয়োজন করেছে বিশেষ ‘পাঠাও ঈদ বাজার’।
সারা বছর ধরে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পার্সেল সার্ভিসে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পাঠাও হিরোদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজনে রাইডস, ফুড ও পার্সেল সার্ভিসের সেরা ৫০০ জন পারফর্মিং পাঠাও হিরোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এই বিশেষ ‘ঈদ বাজার’ থেকে তারা নিজেদের এবং পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন, যেন প্রিয়জনদের নিয়ে ঈদের খুশি উপভোগ করতে পারেন আরও প্রাণবন্তভাবে।
এ বিষয়ে পাঠাও-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবরার হাসনাইন বলেন, পাঠাও-এর প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের রাইডার ও পার্টনাররা। তারাই আমাদের মেরুদণ্ড এবং আসল হিরো। এই ঈদ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই এবং চাই তারা যেন পরিবারের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে উৎসবটি উদযাপন করতে পারেন।
উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পাঠাও হিরোদের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে পদ্মা ডায়াগনস্টিক লিমিটেডের সঙ্গে একটি স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি করেছে পাঠাও। এর ফলে পাঠাও হিরোরা এখন থেকে রেডিওলজি ও প্যাথলজি সেবায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন। রাইডার কমিউনিটির জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাঠাওয়ের চলমান প্রচেষ্টারই একটি প্রতিফলন এই পার্টনারশিপ।
পাঠাও-এর সাথে কাজ করা অনেক হিরোর গল্পই সংগ্রামের এবং সাফল্যের। বছরের পর বছর ধরে পাঠাও- এর সাথে যুক্ত থেকে অনেক রাইডার তাদের সন্তানদের উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করছেন এবং পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছেন। তাদের এই অদম্য যাত্রায় পাশে থাকতে পেরে পাঠাও গর্বিত। এই ঈদে পাঠাও সেইসব হিরোদের সেলিব্রেট করছে, যাদের নিষ্ঠা আর পরিশ্রমে প্রতিদিন সহজ হচ্ছে লাখো মানুষের জীবন।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজারের বেশি রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন
প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিটেন্স বৈধপথে দেশে পাঠানোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্যা খাতুন। দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিটেন্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণের হার তুলে দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এসময় সেখানে নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার উপহার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাই প্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। তিনি কথা বলেন অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও। এসময় ফরিদ বলেন, “নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে সেটা জানতাম। কিন্তু এই স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই যাবে সেটা চিন্তাও করিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিটেন্স পাঠাই, কিন্তু এত বড় একটা গিফট পাব সেটা ছিল আমার ভাবনার বাইরে।”
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশের প্রিয়জনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু করে নগদ। ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিটেন্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। আমরা এই পুরো ঘটনাটিকে আরো আনন্দময় করতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করি। এই প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী ও তার স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা।’
কর্পোরেট সংবাদ
রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে চুক্তি করল নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক
দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আরও দ্রুত ও সহজে প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ ও মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্স সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেটে জমা হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত মিডল্যান্ড ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। চুক্তিতে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ এবং নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো কষ্টার্জিত অর্থ মিডল্যান্ড ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি নগদ গ্রাহকদের মোবাইল ওয়ালেটে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর ফলে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) কিংবা ব্যাংকের মাধ্যমে বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসহ যেকোনো স্থান থেকে উপকারভোগীরা ২৪ ঘণ্টা নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআরও মো. জাহিদ হোসেন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও মো. নজমুল হুদা সরকার, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জাভেদ তারেক খান ও খন্দকার তৌফিক হোসেন খান প্রমুখ।
এছাড়া নগদের পক্ষ থেকে রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মিডল্যান্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, মিডল্যান্ড ব্যাংক বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত অংশীদার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করে থাকে। নগদের সঙ্গে এই চুক্তির ফলে প্রবাসী ও তাদের পরিবার আরও দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স সেবা পাবেন।
এ সময় নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, এই চুক্তির ফলে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সর্বোচ্চ নিরাপত্তার সঙ্গে তৎক্ষণাৎ প্রাপকের নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে যাবে। গ্রাহকরা চাইলে যেকোনো সময় এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন কিংবা দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে থাকা নগদের তিন লক্ষাধিক উদ্যোক্তা পয়েন্ট থেকে সহজেই ক্যাশআউট করতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ দেশের রেমিট্যান্স ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করবে এবং বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
কর্পোরেট সংবাদ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্টার্টআপ ফান্ডে এসবিএসি ব্যাংকের চেক হস্তান্তর
প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী উদ্যোক্তাদের জন্য ইক্যুইটি বিনিয়োগ সহজলভ্য করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসিতে অর্থ স্থানান্তরের অংশ হিসেবে চেক হস্তান্তর করেছে এসবিএসি ব্যাংক পিএলসি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিচালক নওশাদ মোস্তাফার কাছে এসবিএসি ব্যাংকের বিনিয়োগযোগ্য তহবিলের ২ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের চেক হস্তান্তর করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ রবিউল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসবিএসি ব্যাংকের ইভিপি ও হেড অব ক্রেডিট মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
এমএন




