জাতীয়
অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধে তদারকি করা হবে: ডিএমপি
ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রধারীসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বিভিন্ন টার্মিনালে নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট কালোবাজারি বন্ধে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি কমাতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একবারে ছুটি না দিয়ে ধাপে ধাপে ছুটি দেয়ার অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে অভিযান চলছে। এসময় দূরপাল্লার বাসে একাধিক চালক রাখার এবং বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন না করার আহ্বান জানান তিনি
জাতীয়
গণপরিবহন পাবে পর্যাপ্ত তেল, উঠে যাচ্ছে রেশনিং পদ্ধতি
জ্বালানি সংকটের মধ্যে গণপরিবহনের তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না।’
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না।
রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে।
ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।
এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।
গণপরিবহনের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি।
জাতীয়
১৪ এপ্রিল থেকে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড: প্রধানমন্ত্রী
আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম ও মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব ইমাম মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সকল প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বার বার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারেনা।
তারেক রহমান বলেন, খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের সম্মানিত ভাতা দেয়ার যে কর্মসূচি আপনাদের সরকার চালু করেছে, এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় মোট ৪৯০৮ টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪ টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। সবাইকেই পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের জন্য সরকারের এইসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।
ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণী পেশার মানুষ তথা প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, তবে নাগরিকদেরও কিন্তু রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি কিছু দায় দায়িত্ব রয়েছে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি…আমি আশা করি, আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
জাতীয়
ইমাম-পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
একই সঙ্গে খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বার্তায় জানায়, ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি একই সঙ্গে ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ উপাসনালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদেরও সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন হবে।
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাবিউল্লাহ জানান, এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদের জন্য ১০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।
জাতীয়
আজ ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আজ শনিবার (১৪ মার্চ) ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠাব হবে বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো এক বার্তায় আরও জানানো হয়, একইদিন খাদেম, পুরোহিত, সেবায়েত, বিহার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
জাতীয়
ঈদ ফিরতি ট্রেনের দ্বিতীয় দিনের টিকিট পাওয়া যাবে আজ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসব শেষে ঘরমুখো মানুষের ফিরতি যাত্রার জন্য ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিন শনিবার (১৪ মার্চ)। আজ পাওয়া যাবে আগামী ২৪ মার্চের ট্রেনের আসনের টিকিট।
বরাবরের মতো এবারও আন্তঃনগর ট্রেনের সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের সুবিধার্থে শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
সকাল ৮টা থেকে অনলাইনে বিক্রি শুরু হবে এসব টিকিট। এ সময় পাওয়া যাবে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের টিকিট। অন্যদিকে দুপুর ২টা থেকে বিক্রি শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের আসনের অগ্রিম টিকিট।
সম্প্রতি রাজধানীর রেল ভবনে ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশেষ ট্রেনযাত্রার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৩ মার্চের টিকিট বিক্রি হয়েছে গত ১৩ মার্চ। এছাড়া ২৫ মার্চের টিকিট ১৫ মার্চ, ২৬ মার্চের টিকিট ১৬ মার্চ, ২৭ মার্চের টিকিট ১৭ মার্চ, ২৮ মার্চের টিকিট ১৮ মার্চ এবং ২৯ মার্চের টিকিট ১৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।
আরও সিদ্ধান্ত হয়েছে, চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আগামী ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট বিক্রি করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধে নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রা শুরুর আগে প্রারম্ভিক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।
ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবার কিনতে পারবেন। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহ করা যাবে। কোনো টিকিট রিফান্ড করা হবে না।




