আন্তর্জাতিক
রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল থাকা অসম্ভব: রাশিয়া
বিশ্বের জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে রাশিয়ার তেলের কোনো বিকল্প নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ। তিনি বলেছেন, রুশ তেল ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার কোনোভাবেই স্থিতিশীল থাকতে পারে না।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে দিমিত্রিভ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত একটি রূঢ় সত্যকেই স্বীকার করে নিচ্ছে। আর তা হলো— রুশ তেল ছাড়া বিশ্ব জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সম্ভব নয়।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সম্প্রতি এক বিশেষ অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সাগরে ভাসমান জাহাজে থাকা রাশিয়ার তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সাময়িকভাবে কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মূলত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই মার্কিন প্রশাসন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের পরই দিমিত্রিভ এমন মন্তব্য করলেন।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, সমুদ্রের মাঝপথে আটকে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের বিশেষ লাইসেন্স বা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।
এর আগে ৫ মার্চ, ভারতের জন্য একইভাবে ৩০ দিনের একটি বিশেষ ছাড় দিয়েছিল মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। ফলে সাগরে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় নয়াদিল্লি।
সূত্র : বিবিসি।
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানে ক্ষমতাসীনদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ : ট্রাম্প
ইরানে ক্ষমতাসীন সরকারের সদস্য ও কর্মকর্তাদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা বার্তায় ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “আমরা ইরানের সন্ত্রাসী সরকারকে সামরিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং আরও বিভিন্নভাবে পুরোপুরি ধ্বংস করে দিচ্ছি। ইরানের নৌবাহিনী ডুবে গেছে, তাদের বিমান বাহিনী বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং অন্যান্য যেসব সমরাস্ত্র আছে— সেসবও শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং এই সরকারের নেতারা একে একে পৃথিবী থেকে বিদায় নিচ্ছেন।”
“আমাদের আছে অতুলনীয় সমরাস্ত্র, সীমাহীন গোলাবারুদ এবং প্রচুর সময়। এই উন্মাদ গোষ্ঠীর কী হয়— আপনারা দেখবেন। গত ৪৭ বছর ধরে তারা নিজেদের দেশ এবং বিশ্বজুড়ে নিরপরাধ লোকজনকে হত্যা করে যাচ্ছে। এখন আমি, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাদের হত্যা করছি। এটা অত্যন্ত সম্মানজনক।”
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : এএফপি
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানে যুদ্ধের ১২ দিনে ২৪ হাজার ৫ শতাধিক বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২ দিনে ইরানে ২৪ হাজার ৫৩১টি বেসামরিক স্থাপনা সম্পূর্ণ বা আংশিক ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রিসেন্টের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ইরনা।
ক্ষতিগ্রস্ত এসব বেসামরিক স্থাপনার অধিকাংশই বাড়িঘর। ইরনার প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য অনুসারে, ধ্বংস হওয়া এই ২৪ হাজার ৫৩১টি বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে বাড়িঘর ও অ্যাপার্টমেন্ট ভবন আছে ১৯ জহাচার ৭৭৫টি, দোকান-পাট, বাণিজ্য-অর্থনৈতিক কেন্দ্র আছে ৪ হাজার ৫১১টি, স্কুল ৬৯টি, রেড ক্রিসেন্ট কেন্দ্র ১৬টি, উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত যানবাহন ২১টি এবং ১৯টি অ্যাম্বুলেন্স আছে।
এছাড়া গত গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ২ শতাধিক মানুষ, আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
যুদ্ধের প্রথম দিন ২৮ অক্টোবর নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-সহ ইরানের অন্তত ৪০ জন সামরিক ও বেসামরিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো এবং সেসব দেশের বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে ইরান।
সূত্র : আলজাজিরা
এমএন
আন্তর্জাতিক
তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর অর্থ উপার্জন করে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য অর্থ উপার্জন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার এই মন্তব্যের পরে কিছু যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইনপ্রণেতা তার সমালোচনা করেছেন এবং বলছেন, তিনি শুধু ধনীদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তিত।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ। তাই তেলের দাম বাড়লে আমরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করি। তবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
মার্কিন সিনেটর মার্ক কেলি একজন অ্যারিজোনা বলেন, ‘ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন তাতে কর্মজীবী আমেরিকানরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের ফলে কেবল বড় তেল কম্পানিগুলোই উপকৃত হচ্ছে।’
২০২৮ সালের সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কেলি, এক্স-এ আরো লিখেছেন, ‘কিন্তু ট্রাম্প কেন এতে খুশি? কারণ তিনি কেবল ধনী ব্যক্তিদেরই কথাই চিন্তা করেন।’ ডেমোক্র্যাটিক দলের অন্তত দুইজন আইনপ্রণেতা উইসকনসিনের মার্ক পোকান এবং ভার্জিনিয়ার ডন বেয়ার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনাকে ‘বোকামি’ বলেছেন। দেশাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-যুদ্ধের কারণে তেলের ও গ্যাসের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে গেলেও যুদ্ধ শেষ হলে তা আবার কমে যাবে।
তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের মূল বক্তব্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ও গ্যাস উৎপাদক এবং তেল রপ্তানিকারক, যা এই প্রশাসনের শক্তিশালী এনার্জি নীতি পরিকল্পনার ফল।’
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং প্রতি ব্যারেল দাম ১০০ ডালার উঠেছে।
একই সময় ইরাকের একটি বন্দরে দুইটি তেল ট্যাংকারে আগুন ধরে ভস্মীভূত হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এগুলোতে ইরান হামলা করেছে। এ ছাড়া আরো অনেক তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধে মোতায়েন বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে আগুন
ইরান যুদ্ধে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডে আগুন লেগেছে। তবে শত্রুপক্ষের হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে মার্কিন নৌবাহনীর পঞ্চম বহরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রণতরীটির লন্ড্রির কক্ষে আগুন লাগে। সেখানে সেনাদের জামাকাপড় ধোয়া হচ্ছিল। আগুন নেভাতে গিয়ে দুজন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।
ইরান যুদ্ধের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল এই বিমানবাহী রণতরীটি। মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট কমান্ডের অধীন রণতরীটি বর্তমানে লোহিত সাগরে মোতায়েন আছে। সেখান থেকে ইরানে হামলার ঘটনা ঘটছে।
মার্কিন নৌবাহনী জানায়, রণতরীটিতে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যথার্থ কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি সেটিকে আঞ্চলিক জলসীমা ছেড়ে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট দাবিটি করেছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত এই অভিযানে ওমান সাগরে ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ওই মার্কিন রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এমএন
আন্তর্জাতিক
রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিলো যুক্তরাষ্ট্র
দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলার পর পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এতে করে জ্বালানির সংকটে পড়ার শঙ্কায় পড়ে বিশ্ব।
এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সময় শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিক্রির জন্য অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এর জবাবে দেশটির তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রাশিয়ার তেলের ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইরানের হুমকি মোকাবিলা করতেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ১২ মার্চ পর্যন্ত রাশিয়ার যেসব অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য জাহাজে বোঝাই করা হয়েছে সেগুলো আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাধা ছাড়াই বিশ্বব্যাপী সরবরাহ করতে পারবে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইরাক এ সরু সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস পাঠায়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
এমএন




