আন্তর্জাতিক
ইরান যুদ্ধে মোতায়েন বৃহত্তম মার্কিন বিমানবাহী রণতরীতে আগুন
ইরান যুদ্ধে মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডে আগুন লেগেছে। তবে শত্রুপক্ষের হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবারের বিবৃতিতে মার্কিন নৌবাহনীর পঞ্চম বহরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রণতরীটির লন্ড্রির কক্ষে আগুন লাগে। সেখানে সেনাদের জামাকাপড় ধোয়া হচ্ছিল। আগুন নেভাতে গিয়ে দুজন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের অবস্থা গুরুতর নয়।
ইরান যুদ্ধের আগে গত ফেব্রুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে আসা হয়েছিল এই বিমানবাহী রণতরীটি। মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট কমান্ডের অধীন রণতরীটি বর্তমানে লোহিত সাগরে মোতায়েন আছে। সেখান থেকে ইরানে হামলার ঘটনা ঘটছে।
মার্কিন নৌবাহনী জানায়, রণতরীটিতে বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। যথার্থ কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এমনকি সেটিকে আঞ্চলিক জলসীমা ছেড়ে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ ইউনিট দাবিটি করেছে।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে পরিচালিত এই অভিযানে ওমান সাগরে ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থানরত ওই মার্কিন রণতরীকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
এমএন
আন্তর্জাতিক
তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর অর্থ উপার্জন করে: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়লে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য অর্থ উপার্জন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তার এই মন্তব্যের পরে কিছু যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন আইনপ্রণেতা তার সমালোচনা করেছেন এবং বলছেন, তিনি শুধু ধনীদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তিত।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদনকারী দেশ। তাই তেলের দাম বাড়লে আমরা প্রচুর অর্থ উপার্জন করি। তবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”
মার্কিন সিনেটর মার্ক কেলি একজন অ্যারিজোনা বলেন, ‘ট্রাম্প যে যুদ্ধ শুরু করেছেন তাতে কর্মজীবী আমেরিকানরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘গ্যাসের আকাশছোঁয়া দামের ফলে কেবল বড় তেল কম্পানিগুলোই উপকৃত হচ্ছে।’
২০২৮ সালের সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কেলি, এক্স-এ আরো লিখেছেন, ‘কিন্তু ট্রাম্প কেন এতে খুশি? কারণ তিনি কেবল ধনী ব্যক্তিদেরই কথাই চিন্তা করেন।’ ডেমোক্র্যাটিক দলের অন্তত দুইজন আইনপ্রণেতা উইসকনসিনের মার্ক পোকান এবং ভার্জিনিয়ার ডন বেয়ার একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেশাই ট্রাম্পের মন্তব্যের সমালোচনাকে ‘বোকামি’ বলেছেন। দেশাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-যুদ্ধের কারণে তেলের ও গ্যাসের দাম সাময়িকভাবে বেড়ে গেলেও যুদ্ধ শেষ হলে তা আবার কমে যাবে।
তিনি আরো বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের মূল বক্তব্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ও গ্যাস উৎপাদক এবং তেল রপ্তানিকারক, যা এই প্রশাসনের শক্তিশালী এনার্জি নীতি পরিকল্পনার ফল।’
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে তেলের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং প্রতি ব্যারেল দাম ১০০ ডালার উঠেছে।
একই সময় ইরাকের একটি বন্দরে দুইটি তেল ট্যাংকারে আগুন ধরে ভস্মীভূত হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এগুলোতে ইরান হামলা করেছে। এ ছাড়া আরো অনেক তেলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে।
সূত্র : রয়টার্স
এমএন
আন্তর্জাতিক
রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিলো যুক্তরাষ্ট্র
দখলদার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে যৌথ হামলার পর পাল্টা জবাব হিসেবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। এতে করে জ্বালানির সংকটে পড়ার শঙ্কায় পড়ে বিশ্ব।
এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সময় শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, জাহাজে লোড করা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বিক্রির জন্য অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। এর জবাবে দেশটির তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানির বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে রাশিয়ার তেলের ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইরানের হুমকি মোকাবিলা করতেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ১২ মার্চ পর্যন্ত রাশিয়ার যেসব অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য জাহাজে বোঝাই করা হয়েছে সেগুলো আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত বাধা ছাড়াই বিশ্বব্যাপী সরবরাহ করতে পারবে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইরাক এ সরু সামুদ্রিক পথ দিয়ে বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস পাঠায়।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
এমএন
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন সতর্কবার্তা ইরানের
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে আবারও দাবি করেছে ইরান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের জাহাজকে এই জলপথ দিয়ে চলাচল করতে না দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সামরিক অভিযান তদারককারী খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর জানায়, হরমুজ প্রণালি বর্তমানে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এবং সাম্প্রতিক হামলায় জড়িত দেশগুলোর জাহাজের এই প্রণালি দিয়ে চলাচলের কোনো অধিকার নেই।
এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার সঙ্গে জড়িত দেশগুলোর জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক পথ দিয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের বড় একটি অংশ পরিবহন করা হয়।
এদিকে পৃথক এক ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরের প্রায় ৬৫ কিলোমিটার উত্তরে একটি কনটেইনার জাহাজে অজ্ঞাত বস্তু আঘাত হেনেছে। এতে জাহাজটিতে ছোট আকারের আগুন লাগে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সামুদ্রিক বাণিজ্য পর্যবেক্ষণ সংস্থা।
জাহাজটির ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, অজ্ঞাত বস্তু আঘাত করার পর আগুন লাগে। তবে জাহাজের সব নাবিক নিরাপদ আছেন এবং এখন পর্যন্ত পরিবেশগত কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র : আনাদুলু
এমএন
আন্তর্জাতিক
ইরানে নিজেদের দূতাবাস বন্ধ করল সুইজারল্যান্ড
নিরাপত্তাজনিত কারণে তেহরানে নিজেদের দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ইরানে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অলিভিয়ের ব্যাঙ্গার্টার-সহ দূতাবাসের সর্বশেষ ৫ সুইস কর্মী ইতোমধ্যে ইরান ত্যাগ করেছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র দপ্তর।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী গানাজিও ক্যাসিস স্বাক্ষরিত সেই বিবৃতি বলা হয়েছে, “ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলা এবং তার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী কর্তৃক মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আক্রমণের প্রেক্ষিতে সৃষ্ট নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কার কারণে তেহরানে সুইজারল্যান্ডের দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।”
“ইরানের দূতাবাসে সুইজারল্যান্ডের মোট ১০ জন নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে ৪ জন গত ৩ মার্চ এবং রাষ্ট্রদূত অলিভিয়েল ব্যাঙ্গার্টার-সহ বাকি ৬ জন আজ বুধবার তেহরান ত্যাগ করেছেন। যখন পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে, তখন ফের দূতবাস খোলা হবে এবং পূর্ণমাত্রার কার্যক্রম শুরু হবে।”
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার ভূমিকায় আছে সুইজারল্যান্ড। ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্র। তারপর থেকে ইরানে বসবাসরত কিংবা ভ্রমণে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের কনস্যুলার পরিষেবা দিয়ে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড।
মঙ্গলবারের বিবৃতিতে সুইস পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, দূতাবাস বন্ধ হলেও ইরানে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য কনস্যুলার পরিষেবা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র : এএফপি, আনাদোলু এজেন্সি
আন্তর্জাতিক
হরমুজ প্রণালীতে ভারতগামী কার্গো জাহাজে হামলা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি বন্দর ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই বুধবার (১১ মার্চ) হরমুজ প্রণালীর কাছে থাই পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়্যাল থাই নৌবাহিনী।
এ ঘটনায় ২০ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তিনজনের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদন অনুসারে, থাই কোম্পানি প্রিশিয়াস শিপিং পিসিএল-এর মালিকানাধীন বাল্ক ক্যারিয়ার ‘ময়ূরী নারি’ জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের খলিফা বন্দর ছেড়ে ভারতের কান্দলা বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় এটি আক্রমণের শিকার হয়।
থাই নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আক্রমণের সুনির্দিষ্ট বিবরণ এবং কারণ বর্তমানে তদন্তাধীন।’
এদিকে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে তিনটি জাহাজ ‘অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে একটি জাহাজে আগুন লেগে যায়।
রয়টার্স বলছে, থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী বাল্ক ক্যারিয়ার বা কার্গো জাহাজ ‘ময়ূরী নারি’-কে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় এবং ওমানের প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল উত্তরে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এ ঘটনার উল্লেখ করে জানায়, জাহাজটিতে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে এবং এতে কোনো পরিবেশগত ক্ষতি হয়নি। প্রয়োজনীয় কিছু নাবিক জাহাজে অবস্থান করছেন।
এর আগে, জাপানের পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ ‘ওয়ান ম্যাজেস্টি’ অজ্ঞাত একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাটি ঘটে রাস আল খাইমাহ-এর প্রায় ২৫ নটিক্যাল মাইল (৪৬ কিলোমিটার) উত্তর-পশ্চিমে।
সূত্রগুলো জানায়, জাহাজটির নাবিকরা নিরাপদ আছেন এবং জাহাজটি একটি নিরাপদ নোঙর স্থানের দিকে এগোচ্ছে।
এদিকে তৃতীয় কার্গো জাহাজটি দুবাইয়ের প্রায় ৫০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ‘স্টার গুইনেথ’ নামের জাহাজটির গায়ে প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড টেক।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর, বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তেল ও গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল দ্রুতই কমে গেছে।
সাম্প্রতিক এসব ঘটনায় সংঘাত শুরুর পর থেকে হামলার মুখে পড়া জাহাজের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ১৪টিতে দাঁড়িয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি




