রাজনীতি
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে জামায়াতের প্রতিনিধিদলের বৈঠক
সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদল। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকাল ৯টায় ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জামায়াতে ইসলামী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের নায়েবে আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও বিরোধীদলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান ও জামায়াত আমিরের পররাষ্ট্র বিষয়ক বিশেষ উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমেদ বিন কাসেম।
এর আগে দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা পল কাপুর দিনভর কয়েক দফা বৈঠক করেন। শুরুতেই তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক শেষে মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং দুপুরে বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে। বিকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
পরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বলেও জানা গেছে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইফতার মাহফিলেও যোগ দেওয়ার কথা আছে তার।
এমএন
রাজনীতি
জাপান সফরে গেলেন জামায়াত আমির
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সাত দিনের সফরে জাপান গেলেন। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে আছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং আমিরের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি।
শনিবার (২ মে) রাত ৩টায় তিনি জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার রাত ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি ফ্লাইটে তিনি রওনা হন।
সাত দিনের এই সফরে ডা. শফিকুর রহমান জাপানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। আগামী ৯ মে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।
রাজনীতি
শ্রমিক দিবসে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের ২৩ দাবি
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে ইসলামি শ্রমনীতি, কল্যাণমুখী অর্থনীতি ও শ্রমিকবান্ধব রাষ্ট্রনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২৩ দফা দাবি জানিয়েছে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশ।
শুক্রবার (০১ মে) রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল শ্রমিক সমাবেশ থেকে এই দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম।
তিনি বলেন, শ্রমিকরা সব আমলেই বঞ্চিত ও নির্যাতিত। রাষ্ট্রের উচিত শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই সব শ্রেণির মতো শ্রমিকদেরও রাষ্ট্রীয়ভাবে কার্ড প্রদান করতে হবে। সেই কার্ডের অধীনে তাদের চিকিৎসা, খাদ্য ও আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশ থেকে রাষ্ট্র ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট ২৩টি দাবি তুলে ধরা হয়।
শ্রমিক আন্দোলনের দাবিসমূহ
১. ন্যায্য মজুরি নিশ্চিতকরণ: জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সকল শ্রমিকের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
২. শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ: কারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
৩. চাকরির স্থায়িত্ব ও বৈধতা: অস্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ কমিয়ে স্থায়ী চাকরির সুযোগ বৃদ্ধি করতে হবে।
৪. শ্রম আইন বাস্তবায়ন: বিদ্যমান শ্রম আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ এবং শ্রমিক নির্যাতন বন্ধে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।
৫. সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ তহবিল: শ্রমিকদের জন্য পেনশন, চিকিৎসা সুবিধা, মাতৃত্বকালীন ছুটি ও বীমা সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৬. ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার: শ্রমিকদের সংগঠিত হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা এবং ট্রেড ইউনিয়ন কার্যক্রমে বাধা দূর করতে হবে।
৭. দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
৮. নারী শ্রমিকদের অধিকার: সমান কাজে সমান মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও হয়রানি প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে।
৯. প্রবাসী শ্রমিকদের সুরক্ষা: বিদেশগামী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
১০. ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়ন: শোষণমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক শ্রমব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
খাতভিত্তিক দাবিসমূহ
১১. পরিবহন শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি, সড়ক নিরাপত্তা, চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
১২. গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য সময়মতো বেতন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ন্যায্য মজুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।
১৩. হকার্সদের জন্য বৈধতা প্রদান, নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ ও উচ্ছেদ-হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
১৪. নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য সেফটি ব্যবস্থা, দুর্ঘটনা বীমা ও কল্যাণ তহবিল চালু করতে হবে।
১৫. হোটেল ও রেস্তোরা শ্রমিকদের জন্য নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা, ন্যায্য বেতন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
১৬. দোকান শ্রমিকদের জন্য সাপ্তাহিক ছুটি, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা ও শ্রম আইনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
১৭. ট্রাক, বাস ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিকদের জন্য লাইসেন্স জটিলতা নিরসন, সড়ক নিরাপত্তা ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে।
১৮. সিএনজি, রিকশা ও ভ্যান শ্রমিকদের জন্য বৈধতা, নির্দিষ্ট রুট ও চাঁদাবাজি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
১৯. ডেকোরেটর ও ফার্নিচার শ্রমিকদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে।
২০. নৌ-শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ নৌযান, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও বীমা সুবিধা চালু করতে হবে।
২১. রেলওয়ে শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
২২. হালকাযান ও মোটরযান শ্রমিকদের জন্য লাইসেন্স সহজীকরণ, প্রশিক্ষণ ও সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সমন্বিত দাবি
২৩. সকল পর্যায়ের শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ, সব ধরনের সমস্যার দ্রুত সমাধান এবং সরকারি অর্থনৈতিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনীতি
ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে জামায়াতের মেয়রপ্রার্থী সাদিক কায়েম
আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীলদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এ সময় সাদিক কায়েম নিজেও উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলেও আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হতে পারে। এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সাদিক কায়েম কোনো মন্তব্য করেননি।
সাদিক কায়েম নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে তার জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যদিও এখনো বড় ধরনের প্রকাশ্য প্রচারণা শুরু হয়নি, তবে তিনি নিয়মিত দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-উভয়ের জন্যই দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের নাম প্রকাশ করা হবে।
দলীয় পর্যবেক্ষণে বলা হচ্ছে, সাদিক কায়েম বর্তমানে ডাকসুর ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় এবং তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তাকে ঘিরে নির্বাচনী কৌশল সাজানো হচ্ছে। জামায়াত মনে করছে, তার গ্রহণযোগ্যতা কাজে লাগিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও শক্তিশালী করা সম্ভব।
এমএন
রাজনীতি
বিএনপির শ্রমিক সমাবেশ শুরু
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক দলের সমাবেশ শুরু হয়েছে।
শুক্রবার (১ মে) বেলা আড়াইটায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সমাবেশের সূচনা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর ঢাকায় পহেলা মে উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশে এটিই তার প্রথম বক্তব্য হবে বলে জানানো হয়েছে।
এর আগে একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজনটি প্রাণবন্ত করা হয়।
দুপুর ১২টার পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। এতে পুরুষ শ্রমিকদের পাশাপাশি কর্মজীবী নারীরাও অংশ নেন।
দলটির নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন, ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ ও নেতাকর্মী এই সমাবেশে অংশ নেবেন। কেন্দ্রীয় নেতাদের প্রত্যাশা, সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতি ঘটবে।
এদিকে সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। পাশাপাশি জরুরি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
রাজনীতি
সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হচ্ছে সরকার: নাহিদ ইসলাম
জাতির কাছে দেওয়া সংস্কারসংক্রান্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, জাতির কাছে দেওয়া সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে তার কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচনি পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিরা ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের বর্তমান অগ্রগতি জানতে চাইলে নাহিদ ইসলাম সরকারের ধীরগতি ও আন্তরিকতার অভাবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জনগণের সামনে যে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবে প্রতিফলিত হচ্ছে না।
এ সময় ইইউ প্রতিনিধিদল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে তাদের পূর্ণাঙ্গ পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন নাহিদ ইসলামের হাতে তুলে দেয়।
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের মধ্যে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে প্রয়োজনীয় প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত সংস্কারের দাবিতে এনসিপি সংসদের ভেতরে ও বাইরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।
বৈঠকে ইইউ নির্বাচনি পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভারস আইজবস-এর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রধান বাইবা জারিনা, ডেপুটি চিফ অবজারভার ইন্টা লেইস, লিগ্যাল অ্যানালিস্ট ইরিনি মারিয়া গুওনারি এবং রায়ান ইসলাম।
এনসিপির পক্ষে নাহিদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন দলের যুগ্ম সদস্যসচিব ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক আলাউদ্দিন মোহাম্মদ।
এমএন




