জাতীয়
বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : বিমানমন্ত্রী
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেন।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর বিষয়ে আন্তরিক এবং এ নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন সামনে টার্মিনালটি চালু করা যায়। এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।
থার্ড টার্মিনাল কবে নাগাদ চালু হতে পারে— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনই বলা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এখন আলোচনা হবে, প্রয়োজন হলে তদন্ত হবে। কীভাবে দ্রুত চালু করা যায়, সে বিষয়েই কাজ চলছে। তবে নির্দিষ্ট কোনো সময় বলা যাচ্ছে না।
মন্ত্রী আরও জানান, থার্ড টার্মিনাল নিয়ে বেশ কিছু সুপারিশ রয়েছে। কিছু অংশে কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন হতে পারে, পাশাপাশি নেটওয়ার্কসংক্রান্ত কিছু সমস্যাও ছিল। প্রকল্পের ৯৯ শতাংশের বেশি কাজ সম্পন্ন হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি।
কেন এত অগ্রগতি সত্ত্বেও টার্মিনাল চালু হয়নি—এমন প্রশ্নের জবাবে আফরোজা খানম বলেন, বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার। তবে বর্তমান সরকার দ্রুত চালুর লক্ষ্যে কাজ করছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
তিন পর্যায়ের পর্যবেক্ষণ শেষে মিলবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’
নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের মানুষের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। তবে এই কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তিন পর্যায়ের কঠোর পর্যবেক্ষণের শেষে আবেদনকারীদের ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কার্ড দেয়া হবে। পরিবারে নারীদের গুরুত্ব বাড়ানো এবং স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
জাহিদ হোসেন দাবি করেন, কার্ড দেয়ার প্রক্রিয়াটি এতটাই স্বচ্ছ হবে, যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না।
এদিকে ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার কথা রয়েছে। দুই জন মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীসহ ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিটিকে প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
এমএন
জাতীয়
সিদ্ধান্ত বিএনপির কাছে দলীয় প্রতীক থাকবে কি না সিটি নির্বাচনে: ইসি
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হবে কি না, তা এখন নির্ভর করছে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের ওপর। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, যেহেতু বর্তমান সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে, তাই দলীয় প্রতীকের বিধান থাকা বা না থাকার বিষয়টি মূলত দলটির ওপরই নির্ভর করছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানান।
তিনি একই সঙ্গে সংরক্ষিত নারী আসন এবং স্থগিত হওয়া উপনির্বাচনগুলো নিয়ে কমিশনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নের বিধান (অর্ডিন্যান্স) পরিবর্তন প্রসঙ্গে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমার জানামতে, অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে মেয়র প্রার্থী পদে দলীয় মনোনয়নের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদ বসবে। সংসদ বসার পর এই বিল বা অর্ডিন্যান্স যদি রেটিফাই (অনুমোদন) হয়, তবে সেভাবেই নির্বাচন হবে। আর যদি পরিবর্তন হয়ে আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তবে অন্য রকম হবে। আমরা মূলত সংসদ অধিবেশনের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছি।’
সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া কার্যত শুরু হয়ে গেছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো যাদের মনোনীত করবেন, মূলত তারাই নির্বাচিত হবেন। দলগুলো ইতোমধ্যে প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। বিধি অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের ৯০ দিনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে; কমিশন সেই সময়ের মধ্যেই তা সম্পন্ন করবে।
এমএন
জাতীয়
শিক্ষকদের দাবি বাস্তবায়নে কাজ শুরু, আর রাজপথে নামতে হবে না
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আর রাজপথে নামার প্রয়োজন হবে না। সরকার শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য জোটের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যদিও বাজেটসংক্রান্ত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তবু শিক্ষকদের অন্যান্য দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করা হবে। নতুন বাজেটে অনেক বিষয় অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সব দাবি বাস্তবায়ন সম্ভব নয়, তবে সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিযোগগুলো পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা ও সমাধান করা হবে। স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটি ও গভর্নিং বডি–সংক্রান্ত বিষয়েও আলোচনা চলছে। একজন ব্যক্তিকে একাধিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব না দেওয়ার বিষয়টি ম্যানেজিং কমিটির সভায় বিবেচনা করা হবে।
এনটিআরসি (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ) প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নিয়োগ ব্যবস্থায় যেসব পরিবর্তন এসেছে, তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কোথায় সংশোধন দরকার, তা রিভিউ করে দেখা হবে। ‘আমরা দুর্নীতি করি না, করব না, করতে দেব না’—এই অবস্থানে সরকার অনড়। শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টসহ অন্যান্য আর্থিক বিষয় নিয়েও শিগগিরই বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শিক্ষা খাত সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক মন্ত্রিসভা বৈঠকেও শিক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ভুঁইয়া।
এমএন
জাতীয়
শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল দ্রুত চালুর কথা ভাবছে সরকার: বিমানমন্ত্রী
দ্রুত সময়ে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালটি চালু করার কথা সরকার ভাবছে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা)।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে থার্ড টার্মিনাল বিষয়ক সভা শেষে এ তথ্য জানান তিনি।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালটি কবে চালু হবে তা নিয়ে ধোঁয়াশা দীর্ঘ দিনের। কথা ছিল অবিলম্বে চালু হবে গুরুত্বপূর্ণ এ টার্মিনাল৷ কিন্তু কেন সেটি হলো না, তা জানতে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বেলা ১২টায় বৈঠকে বসেন তারেক রহমান।
বৈঠক শেষে বিমানমন্ত্রী বলেন, দ্রুত সময়ে এই টার্মিনাল চালু করতে চায় সরকার।
দুপুরের পর সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন সংক্রান্ত একটি সভায় মিলিত হন সরকারপ্রধান।
এমএন
জাতীয়
পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর প্রথম সাক্ষাৎ পেলেন সৌদি রাষ্ট্রদূত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া।
বিদেশি কূটনীতিকদের মধ্যে সৌদি রাষ্ট্রদূতই প্রথম এই দুই মন্ত্রীর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সাক্ষাতের সুযোগ পেলেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন রাষ্ট্রদূত জাফর।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে তার দপ্তরে সাক্ষাৎ করেন। এরপর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন। উভয় সাক্ষাতে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একই দিনে সৌদি রাষ্ট্রদূত সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী ও সৌদি রাষ্ট্রদূত দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি এবং জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের ওপর এই বৈঠকে বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
এমএন



