পুঁজিবাজার
মুনাফা বেড়েছে রবি আজিয়াটার
তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রবি আজিয়াটা পিএলসির সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে মুনাফা বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানিটি।
তথ্যানুসারে, সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩৪ পয়সায়।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া জন্য আগামী ২২ এপ্রিল বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ মার্চ।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস ৬১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৭৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৭ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে রবি আজিয়াটার ইপিএস হয়েছে ৩৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৮২ পয়সায়।
রবি আজিয়াটার সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)।
২০২০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রবি আজিয়াটার অনুমোদিত মূলধন ৬ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৫ হাজার ২৩৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬২২ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৫২৩ কোটি ৭৯ লাখ ৩২ হাজার ৮৯৫। এর ৯০ শতাংশই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ দশমিক ৫০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
পুঁজিবাজার
যমুনা ও ট্রাস্ট ব্যাংকের বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ বাড়ালো বিএসইসি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংক পিএলসি ও ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসির সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ সর্বশেষবারের মতো বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কমিশনের ১০০৭তম সভায়, সংস্থাটির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ-এর সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএসইসি জানায়, যমুনা ব্যাংক পিএলসি-এর ৮০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টিবল, আনসিকিউরড, ফুলি রিডিমেবল, ফ্লোটিং রেট সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডের সম্মতিপত্রের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মূল সম্মতিপত্রের অন্যান্য শর্তাবলী অপরিবর্তিত থাকবে।
একইভাবে, ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর ৫০০ কোটি টাকার আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, রিডিমেবল, ফ্লোটিং রেট সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড (বন্ড-৮)-এর সম্মতিপত্রের মেয়াদও বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে। এ বন্ডের ক্ষেত্রেও পূর্বের সব শর্ত অপরিবর্তিত থাকবে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, উভয় ব্যাংকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই সময়সীমা শেষবারের মতো বাড়ানো হয়েছে।
পুঁজিবাজার
সিটি ব্যাংকের ১,২০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডে বিএসইসির অনুমোদন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসির ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কমিশনের ১০০৭তম সভায়, সংস্থাটির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ-এর সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
বিএসইসি জানায়, বন্ডটি হবে আনসিকিউরড, নন-কনভার্টিবল, সম্পূর্ণ পরিশোধিত (ফুলি পেইড-আপ), সম্পূর্ণ রিডিমেবল এবং কুপন-ভিত্তিক সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড। এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ বছর। কুপন রেট নির্ধারিত হবে বিদ্যমান রেফারেন্স বা বেঞ্চমার্ক রেটের সঙ্গে অতিরিক্ত ৩ শতাংশ মার্জিন যোগ করে।
সংস্থাটির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানান, প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ডটি ইস্যু করা হবে। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের মধ্যে থাকবে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, উচ্চ সম্পদশালী ব্যক্তি (এইচএনআই) এবং মিউচুয়াল ফান্ড।
বন্ডটির প্রতিটি ইউনিটের অভিহিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ লাখ টাকা। এই বন্ড থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যাংকটি কর্পোরেট, রিটেইল ও এসএমই খাতে ঋণ বিতরণে ব্যবহার করবে।
এছাড়া, বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করবে ইবিএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। যৌথ অ্যারেঞ্জার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্স লিমিটেড এবং আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
পুঁজিবাজারে লেনদেনের সুবিধার্থে বন্ডটি অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) তালিকাভুক্ত করার শর্তে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে লেনদেন ৩৫ কোটি টাকার
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৩২টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) কোম্পানিগুলোর মোট ১ কোটি ২৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৭ টি শেয়ার ৯৪ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের ১১ কোটি ০১ লাখ ২০ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে অ্যাপেক্স স্পিনিংয়ের ৯ কোটি ০৮ লাখ ১৬ হাজার টাকার ও তৃতীয় স্থানে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৪ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির শেয়ার দর ৮ পয়সা বা ৫ দশমিক ০৬ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা উত্তরা ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেডের শেয়ার দর ৩ দশমিক ০৫ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ২.৫৬ শতাংশ, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের ২.৫৪ শতাংশ, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ডের ২.৫ শতাংশ, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের ২.৪৮ শতাংশ, আমান কটনের ২.২২ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংকের ২.২২ শতাংশ এবং ডিবিএইচ ফাস্ট মিউচুয়াল ফান্ডের ২.১২ শতাংশ কমেছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধি শীর্ষে লাভেলো আইসক্রিম
সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৩টি কোম্পানির মধ্যে ২৭৫টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ডিএসইতে সর্বোচ্চ তৌফিকা ফুডস অ্যান্ড লাভেলো আইসক্রিম পিএলসির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৬ টাকা ৮ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ অটোকারস লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা একমি পেস্টিসাইড লিমিটেডের দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- রানার অটোমোবাইলের ৯.৮১ শতাংশ, কেডিএস এক্সেসরিসের ৯.৩২ শতাংশ, বাংলাদেশ থাই অ্যালুমিনিয়ামের ৮.৫৫ শতাংশ, বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজের ৭.৮৩ শতাংশ, লিগাসি ফুটওয়ারের ৭.২৫ শতাংশ, টেকনো ড্রাগ লিমিটেডের ৬.২৭ শতাংশ ও শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ৬.২৫ শতাংশ দর বেড়েছে।
এমএন



