রাজনীতি
ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের আমির এগিয়ে
ঢাকা-১৫ আসনে (মিরপুর, ডিএনসিসি ওয়ার্ড ৪, ১৩, ১৪, ক্যান্টনমেন্ট, ডিএনসিসি ওয়ার্ড ১৬) ভোটের ১টি কেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে ৯৬৯টি ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন জামায়াত ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের মনোনীত বিএনপি প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫২৮টি ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন. নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৪ জন ভোটার রয়েছে। এছাড়া এখানে মোট কেন্দ্র ছিল ১২৭ জন। এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটযুদ্ধ শুরু হয়। ভোটগ্রহণের সময় শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪টায়। বিকেল সাড়ে ৪টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণের সময় শেষ হয়।
এদিন সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার পর ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ভোটাররা আগামীর বাংলাদেশ পুনর্গঠনে তাদের মতামত দিয়েছেন। এখন অপেক্ষা ফল প্রকাশের।
২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৯ জন; এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮০ জন। এবার ১১৯টি নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেল থেকে জানানো হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেশের ৪৮৬টি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে। জালভোট দেওয়া হয়েছে ৫৯টি এবং ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ৩টি জায়গায়।
এমএন
রাজনীতি
শরীয়তপুর-৩: ৪৭ কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে নুরুদ্দিন অপু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-৩ আসনে নির্বাচর্নী ফলাফলে এগিয়ে আছেন বিএনপির প্রার্থী বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। এই আসনে ১১৭টি কেন্দ্রের ৪৭টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত প্রাথমিক ফলাফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৪৮৬ ভোট। অপরদিকে মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৫১৫ ভোট।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৪টায়। এদিন সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে মহিলা ভোটারদের উপস্থিতি বেশ থাকলেও বেলা বাড়ার পর ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
এমএন
রাজনীতি
রাঙামাটিতে ৩০ কেন্দ্রের ফলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ধানের শীষ
রাঙামাটির ২৯৯ সংসদীয় আসনে ৩০ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল পাওয়া গেছে। এতে এগিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এ প্রতিবেদন লেখার সময় আরও কয়েকটি কেন্দ্রের ফলাফল প্রস্তুতের শেষ পর্যায়ে ছিল।
প্রাপ্ত ফলাফলে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এড্যাভোকেট দীপেন দেওয়ান ২৬,০৬০ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা পেয়েছেন ২,৪৯৭ ভোট। অপরদিকে খেলাফত মজলিসের রিকশা প্রতীক নিয়ে আবু বক্কর সিদ্দিক ১,৭২১ ভোট পেয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬-এর ভোটগ্রহণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়েছে। সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে। এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩ জন ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।
এমএন
রাজনীতি
রংপুর-৪: ধানের শীষকে পেছনে ফেলে ৫৭ কেন্দ্রে এগিয়ে আখতার হোসেন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের প্রাথমিক ফলাফলে জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) প্রার্থী আখতার হোসেন এগিয়ে রয়েছেন। এই আসনের মোট ১৬৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৭টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসার চেয়ে প্রায় ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।
সূত্রমতে, আখতার হোসেন শাপলা কলি প্রতীকে পেয়েছেন ৭২ হাজার ৮৯৭ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষে পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৪৩৯ এবং জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া শুরুর পর এবারই সবচেয়ে বেশি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ মোট ৫১টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোট প্রার্থী সংখ্যা ২ হাজার ২৯ জন; এর মধ্যে দলীয় প্রার্থী ১ হাজার ৭৫৫ জন এবং স্বতন্ত্র ২৭৪ জন। নারী প্রার্থী রয়েছেন ৮০ জন। এবার ১১৯টি নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এমএন
রাজনীতি
৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবো: নুরুল হক নুর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে সুদৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘ভোট সুষ্ঠু হলে কমপক্ষে ৩০ হাজার ভোট বেশি পেয়ে আমরা বিজয়ী হবো।’
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) তার আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক বলেন, ‘এটা বাস্তব যে আমরা একটা ভদ্র নম্র পলিটিক্স করায় আমাদের লোকজন স্বাভাবিকভাবেই বিনয়ী মানুষ। তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত, আমরা ভদ্র পলিটক্স করায় অনেকেই দুর্ব্যবহার করছেন।’
বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে নুর বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে- অনেক জায়গায় প্রিসাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার- তারা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কেন্দ্রের মধ্যে ভোট চাচ্ছেন এবং মানুষকে প্রেসার ক্রিয়েট করছেন।
এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় এজেন্টের সঙ্গে ঝামেলা করার অভিযোগ তুলে বিএনপি সমর্থিত এ প্রার্থী বলেন, এতে আমাদের ভোটাররা এবং এজেন্টরা আতঙ্কিত হয়েছেন।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুর বলেন, এখানকার চল্লিশটির মতো ভোটকেন্দ্র অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ। যেখানে যেকোনো সময়ে সংঘাত-সহিংসতা হতে পারে। এখন শেষ সময় প্রশাসনের তৎপরতা না থাকলে একটু সমস্যা হবে। আশা করি, এ ব্যাপারে প্রশাসন পদক্ষেপ নেবে।
উল্লেখ্য, পটুয়াখালী-৩ আসনে নুরুল হক নুরের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির সাবেক নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।
এমএন
রাজনীতি
ঢাকা-৬ আসনে ৩ কেন্দ্রে ধানের শীষের প্রার্থী ইশরাক এগিয়ে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। রাজধানীর কামরুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের অধীনে থাকা তিনটি ভোটকেন্দ্রের (৩৩, ৩৪ ও ৩৫ নম্বর কেন্দ্র) সমন্বিত ফলাফলে তিনি বিশাল জয় পেয়েছেন। এই তিনটি কেন্দ্রের সমন্বিত ফলাফলে ধানের শীষ পেয়েছে ২ হাজার ৮০০ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী মান্নান পেয়েছেন ১ হাজার ৯৩৬ ভোট।
৩৩ নম্বর কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৪৮১টি ভোটের মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে পড়েছে ৮১২ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ৬১৬ ভোট। এই কেন্দ্রে ‘হ্যাঁ’ ভোট ও ‘না’ ভোটের সংখ্যা যথাক্রমে ১ হাজার ৩৩ এবং ৪১৫।
৩৪ নম্বর কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৮৮৮টি ভোট সংগৃহীত হয়েছে। এর মধ্যে ইশরাক (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ হাজার ৮৭ ভোট এবং মান্নান (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭২৫ ভোট। এ ছাড়া ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ হাজার ৫১৫টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৩১৫টি।
৩৫ নম্বর কেন্দ্রে এই কেন্দ্রে ধানের শীষের পক্ষে পড়েছে ৯০১ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা পেয়েছে ৫৯৫ ভোট। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ১ হাজার ৬১টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৪৩১টি।
এমএন



