সারাদেশ
টুঙ্গিপাড়ায় শান্তিতে ভোটগ্রহণ, দুপুরে গড় উপস্থিতি ১৯.২০ শতাংশ
গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে এবার ভিন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কেন্দ্রগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটদান চললেও ভোটারের উপস্থিতি ছিল তুলনামূলক কম। দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই উপজেলায় গড় ভোট পড়ার হার দাঁড়িয়েছে ১৯.২০ শতাংশ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণে শুরুতে উপস্থিতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটারদের উপস্থিতি কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি দেখা গেছে।
কেন্দ্রগুলো ঘুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ও টহল লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথম সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী গড়ে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় নির্বাচন ভবনে আয়োজিত ভোটগ্রহণ দিনের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সচিব বলেন, ‘সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রের তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সেখানে ৩২ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ বন্ধ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।’
ইসি সচিব আরও জানান, সারা দেশের ৪২ হাজারের বেশি কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময় শেষে শুরু হবে ভোট গণনার কাজ।
এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো গোলযোগের খবর পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন স্থান থেকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন থেকে নিয়মিত বিরতিতে ভোটের সর্বশেষ তথ্য গণমাধ্যমকে জানানোর কথা রয়েছে।
এমএন
সারাদেশ
চট্টগ্রামে শহরের চেয়ে গ্রামে ভোটার উপস্থিতি বেশি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে চট্টগ্রামে শহরের তুলনায় গ্রামীণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। বিকেল ৩টা পর্যন্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা বশির আহমেদ কালের কণ্ঠকে জানান, বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে সর্বোচ্চ ৪৯ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে-২২ শতাংশ। শহরাঞ্চলের আসনগুলোর মধ্যে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোনো আসনেই ৩০ শতাংশের বেশি ভোটগ্রহণ হয়নি।
তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) ও চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) ও চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে ৪৩ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
এছাড়া চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) ও চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ৩৮ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে ৩৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
অপরদিকে শহরকেন্দ্রিক আসনগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ২৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ৩০ শতাংশ, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে ২৯ শতাংশ, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে ২৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে ৩০ শতাংশ এবং চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে ২৮ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছে।
সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ শেষ হবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। গণভোট থাকায় এবার ভোটগ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। তবে বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে কোনো ভোটার কেন্দ্রে উপস্থিত থাকলে তার ভোট প্রদান শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে।
এমএন
সারাদেশ
ভোটকেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ও জুনায়েদের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সরাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোট প্রার্থী জুনায়েদ আল হাবিবের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের সামনে হাতাহাতি ও মারামারি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল পৌনে ১০টার দিকে সরাইল উপজেলার আলীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে অন্তত ১০ মিনিট ভোটগ্রহণ বন্ধ থাকে। তবে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনায় বড় ধরনের কোন সংঘর্ষের রূপ নেয় নি।
এ বিষয়ে সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, সকালে ভোট কেন্দ্রের বাইরে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ১০ মিনিটের জন্য ভোট গ্রহণ বন্ধ রেখেছিলেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতির স্বাভাবিক হওয়ায় বর্তমানে স্বাভাবিকভাবেই ভোট গ্রহণ চলছে। এ ঘটনায় কোন হতাহত হয়নি।
এর আগে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের আশুগঞ্জ উপজেলার আটটি কেন্দ্রে জোর করে খেজুর গাছ প্রতীকে সিল মারার পাঁয়তারা চলছে বলে অভিযোগ করেন রুমিন ফারহানা।
এদিন সকালে ভোট দেওয়ার পর তিনি বলেন, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ডিসিসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আটটি কেন্দ্রের নাম পাঠিয়েছি। আমার নেতাকর্মীরা প্রশাসনিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন। গতকাল রাতে দুইজন কর্মীকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। রাতে ‘খেজুর গাছ’ প্রতীকে সিল মারার পরিকল্পনা ছিল, সে কারণে তারা পাহারায় ছিলেন।
এমনকি কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাদের আটক করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এমএন
সারাদেশ
গাইবান্ধায় ভোট দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না বাশেদ আলীর
গাইবান্ধা সাঘাটা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে বাশেদ আলী নামের এক বৃদ্ধ মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ওসমানেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। নিহত মধ্য ওসমানেরপাড়া কুদ্দুস আলীর ছেলে। পেশায় তিনি একজন কৃষক।
স্থানীয়রা জানান, বাশেদ আলী দুপুরে কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসমানেরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জহুরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, কেন্দ্র থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে গিয়ে বাশেদ আলী অসুস্থ হন। পরে তিনি মারা যান। নিহত বাশেদ আলীর ছোট ভাই সাইদুর রহমান কেন্দ্রে এক প্রতীকের এজেন্ট ছিলেন। বড় ভাই মারা যাওয়ার কারণে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়ে অন্যকে এজেন্ট দিয়ে চলে গেছেন।
সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল কবির জানান, বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর আমরা পেয়েছি। তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
সারাদেশ
চৌদ্দগ্রামের তিন ইউনিয়নের ২৫ কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্ট নেই, জাল ভোটের অভিযোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের তিনটি ইউনিয়নের ২৫টি ভোটকেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো এজেন্ট দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর সরেজমিনে আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের প্রায় ১৯টি কেন্দ্র এবং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের ৫টি কেন্দ্রে ধানের শীষের কোনো এজেন্ট পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, আগের রাতে ধানের শীষের এজেন্টদের তালিকা জমা দেওয়া হলেও সকালে কোনো এজেন্ট কেন্দ্রে উপস্থিত হননি। প্রার্থীর পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি বলে তারা জানান।
গুণবতী ইউনিয়নের বুধড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র ও গুণবতী বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট বুথগুলোতে ধানের শীষ প্রতীকের কোনো এজেন্ট নেই। তবে বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং মুক্তিজোটের ছড়ি প্রতীকের এজেন্টদের উপস্থিতি দেখা গেছে।
বুধড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘সকাল থেকে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কোনো এজেন্ট যোগাযোগ করেননি। প্রার্থীর পক্ষ থেকেও কোনো বার্তা পাইনি। একই ধরনের বক্তব্য দেন গুণবতী বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাও।
এদিকে জগন্নাথ ইউনিয়নের আতাকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকালে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বিএনপির প্রার্থী।
এছাড়া জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের পায়েলখোলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীকের এক এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
একই সঙ্গে আলকরা ও গুণবতী ইউনিয়নের কয়েকটি কেন্দ্রে ধানের শীষের সমর্থকদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন বিএনপি প্রার্থী মো. কামরুল হুদা।
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের বিএনপি প্রার্থী কামরুল হুদা বলেন, গুণবতী ও আলকরা ইউনিয়নের সব কেন্দ্র এবং জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের অধিকাংশ কেন্দ্র থেকে আমার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। ধানের শীষের সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কেউ ধানের শীষে ভোট দিতে চাইলে জোর করে ব্যালটে অন্য প্রতীকে সিল দিয়ে বের করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বারবার প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছি।
এ বিষয়ে জানতে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমএন
সারাদেশ
ভোট শেষ হওয়ার আগেই রেজাল্ট শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর: প্রিজাইডিং কর্মকর্তার ‘ভুল’ স্বীকার
মাদারীপুর-২ আসনের রাজৈর উপজেলার ৮৪নং নরারকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে রেজাল্ট শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রিজাইডিং অফিসার বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে।
তিনি সরমঙ্গল ফাজিল মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে ভুল স্বীকার করেছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বিষয়টি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহানের নজরে এলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন। পরে প্রশাসনের যাচাই-বাছাইয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
অভিযোগের পর জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর আলমকে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজ উল আলমকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বাক্ষরিত রেজাল্ট শিট জব্দ করেন।
এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার বাকি বিল্লাহ বলেন, কাজ এগিয়ে রাখার জন্য স্বাক্ষরগুলো নিয়ে রেখেছিলাম। আমার ভুল হয়ে গেছে।
রাজৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজুল হক বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পাওয়া যায়। স্বাক্ষরিত শিটগুলো জব্দ করে নতুন শিট সরবরাহ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএন



