রাজনীতি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জোর করে সিল মারার পায়তারা করেছে : রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার ৮টি ভোটকেন্দ্রে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী জোনায়েদ আল হাবিবের সমর্থকরা জোর করে ব্যালটে সিল মারার পায়তারা করেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ৯টায় সরাইলের শাহবাজপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, পুলিশ-সেনবাহিনী-ডিসিসহ সবাইকে কাছে ৮টি কেন্দ্রের তালিকা পাঠিয়েছি। আমরা নেতাকর্মীরা কিছুটা প্রশাসনিক হেনস্থার শিকার হচ্ছে। দুইজন কর্মীকে পুলিশ গতকাল রাতে ধরে নিয়ে গেছে। রাতে খেঁজুর গাছে সিল মারার পরিকল্পনা ছিল, সেজন্য তারা পাহারায় ছিল। কিন্তু কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাদেরকে ধরা হয়েছে।
এমএন
রাজনীতি
খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে উত্তেজনা: বিএনপি নেতার মৃত্যু
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালে খুলনা মহানগরীর আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকালে ভোটকেন্দ্রের বাইরে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সকাল আটটায় আলিয়া মাদ্রাস একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের অদূরে সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, ‘সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খান এবং মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাঁধা দেই। তখন তাঁদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন। কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার সিসি ক্যামেরা আছে চেক করলে সব ধরা পড়বে।’
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানা এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, ‘দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে যাই এবং দুই পক্ষকে সরিয়ে দেই। তখন একজনকে অটোরিকশায় করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না। খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদ্রাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্ৰেপ্তারের দাবি জানাই।’
খুলনা-২ আসনে জামায়তের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।’
রাজনীতি
ফেনীতে ভোটকেন্দ্রে জামায়াতকর্মীর ওপর হামলা: অভিযুক্ত বিএনপির ২ কর্মী
ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়নের মধ্যম ফরহাদ নগর গ্রামের মাহবুবুল হক উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মীর ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিএনপির দুই কর্মী বকু ও স্বপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতকর্মী রেজাউল করিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পূর্বপরিকল্পিতভাবে বকু ও স্বপনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি অতর্কিতভাবে রেজাউল করিমের ওপর হামলা চালায়।
ফরহাদ নগর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমরা বিষয়টি অবগত নই। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
ফেনী জেলা জামাতের আমির মাওলানা আব্দুল হান্নান বলেন, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
ফেনী মডেল থানার ওসি ফৌজুল আজিম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এমএন
রাজনীতি
ভোটকেন্দ্রে দেখা কাবিলা-পাটোয়ারীর, চাইলেন ভোট
সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটযুদ্ধ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। সাধারণ ভোটারদের পাশাপাশি ভোট উৎসবে শামিল হচ্ছেন শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও। রাজধানীর আরামবাগ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসে নজর কাড়লেন জনপ্রিয় খল-কৌতুক অভিনেতা কাবিলা।
ঢাকা-৮ আসনের ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর। প্রিয় অভিনেতাকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন প্রার্থী নিজেই। এগিয়ে গিয়ে কথা বলেন, কুশল বিনিময় করেন। এ সময় দুজনকেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেছে। সুযোগ পেয়ে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী কাবিলার কাছে ভোট ও দোয়া চান। কাবিলাও হাসিমুখে সম্মতি জানান। সংক্ষিপ্ত এই হৃদ্যতাপূর্ণ সাক্ষাতের পর দুজন যার যার গন্তব্যে পা বাড়ান।
কাবিলার আসল নাম নজরুল ইসলাম শামীম। ২০০৩ সালে ‘অন্ধকার’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ খলচরিত্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেতা সাম্প্রতিক সময়ে শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনেকটাই আড়ালে রয়েছেন। কণ্ঠনালীর সমস্যার কারণে নিচু স্বরে কথা বলতে হয় তাকে। তবুও শারীরিক প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে ভুললেন না তিনি। ভোটাররা জানাচ্ছেন, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে।
এমএন
রাজনীতি
ভোট দিতে পেরে আনন্দিত হাবিবুর রশিদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মাদারটেক আব্দুল আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি ভোট দেন।
ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের হাবিব বলেন, দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। ভোটের মাধ্যমে শহীদ ও নিখোঁজ সহযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানাতে পেরেছেন।
হাবিবুর রশিদ বলেন, বহু বছর পর ভোট দিতে এসে তার মনে হয়েছে তিনি রাষ্ট্রের একজন নাগরিক এবং নাগরিক হিসেবে তার ভোটাধিকার রয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন করতে গিয়ে অনেক সহযোদ্ধাকে হারানোর কথাও তিনি উল্লেখ করেন। জুলাই-আগস্টের গণপথে ছাত্র-জনতার শহীদ হওয়া, সহযোদ্ধাদের গুম ও পঙ্গুত্ববরণের ঘটনাগুলো স্মরণ করে হাবিব ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
ঢাকা-৯ আসনের ভোটের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভোটাধিকার নিশ্চিত ও স্থিতিশীল থাকবে এমন প্রত্যাশা তার। তিনি চান ভোটাররা নিজেরাই তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের কাছে জবাবদিহির মধ্যে থাকবেন। জনগণের ভালোবাসা ও ভোট ছাড়া কোনো প্রতিনিধির পক্ষে মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকা বা এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব নয়।
ভোটগ্রহণে কোনো অভিযোগ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তেমন কোনো অভিযোগ নেই। তবে অনেক ভোটার ব্যালট পেপার কীভাবে ভাঁজ করতে হবে তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন এ বিষয়ে পোলিং ও প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের ভোটারদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি, যাতে কোনো ভোট নষ্ট না হয়।
গণভোট ও দুই ধরনের ব্যালট নিয়ে বিভ্রান্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে ভোটাররা সচেতন হয়েছেন এবং অধিকাংশই বিষয়টি সম্পর্কে জানেন। তবে কিছু ক্ষেত্রে নতুন ব্যালট ব্যবহারে সীমিত সমস্যা দেখা দিতে পারে ।
নিজের বিজয়ের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে হাবিবুর রশিদ বলেন, তিনি বিষয়টি ভোটারদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। ভোটাররা ভোট দিলে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশা করেন।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, অতীত ও বর্তমান বিবেচনায় যদি ভোটাররা মনে করেন তিনি ভবিষ্যতের জন্য উপযুক্ত, তবে তারা তাকে নির্বাচিত করবেন। এলাকার মানুষ তার সম্পর্কে সহজেই খোঁজ নিতে পারবেন।
ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে বিএনপির এ প্রার্থী বলেন, অনেক দিন পর ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত হবে এমন বিশ্বাস থেকে ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ ও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে।
রাজনীতি
ভোট জালিয়াতির চেষ্টার অভিযোগ কামাল হোসেনের
বুধবার রাতে ধানের শীষের লোকেরা মব সৃষ্টি করে ভোট জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পশ্চিম সানারপাড়ে ফুলকুড়ি আদর্শ স্কুল কেন্দ্রে ভোট দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, আমার প্রতিপক্ষের বন্ধুরা, বিশেষ করে ধানের শীষ গত রাতে শামসুল হক খান স্কুল, শহীদ জিয়া স্কুল, যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, দারুন্নাজাত মাদ্রাসা, রুস্তম আলী স্কুলসহ আমাদের সকল প্রতিষ্ঠানে একযোগে মব সৃষ্টি করে এখানে ভোট জালিয়াতির চেষ্টা করেছেন। আমার কাছে তথ্য নয় শুধু, এক্ষেত্রে দেশের মিডিয়াগুলো, সোশ্যাল মিডিয়াগুলো আপনার ভূমিকা রাখছে, কথা বলছে এবং তারা তথ্য এক্ষেত্রে জাতিকে জানিয়েছে।
তিনি বলেন, আমাকে নিয়ে গত রাতে একদল গুজব ছড়িয়েছে। এবং আমার কাছে তথ্য আছে এখানে ধানের শীষের প্রার্থী নিজে এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে নিয়ে তারা শামসুল হক খান স্কুলে প্রবেশ করেছেন। জনতার দাওয়ায় চারজন পালিয়ে গেছেন, বাকিদেরকে পরবর্তীতে পুলিশ এসেছে, সেনাবাহিনী অলরেডি এসেছে। এবং সেক্ষেত্রে জনগণ দেখেছে গত রাত থেকে তারা কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছে। জামায়াত-শিবির এবং সাধারণ জনগণ তাদেরকে প্রতিহত করেছে এবং আমরা বিভিন্ন কেন্দ্রে সারারাত পাহারা দিয়েছি।
সারারাত্রে তারা মব সৃষ্টি করে বিভিন্ন কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেছে। আমাদের কাছে সকল তথ্য… আমাদের কাছে নয় শুধু, জনগণের কাছে তথ্য আছে।
তিনি বলেন, আমি পৌনে আটটার দিকে ভোট দিয়েছি। আমি এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো দেখছি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তারা চেষ্টা করছেন, এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ ভালো আছে।
তিনি আরও বলেন, জয়ের ব্যাপারে আমি মনে করি এখন পর্যন্ত যে অবস্থা চলছে, এই অবস্থা যদি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয় এবং সকল ক্ষেত্রে আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ যদি নিশ্চিত হয়, সেক্ষেত্রে আমি ১০০ ভাগ আশাবাদী ইনশাআল্লাহ।
সারা দেশে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-৫ আসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২টি ওয়ার্ডে মোট ১৫০টি কেন্দ্রের ৭৮১টি কক্ষে ভোটগ্রহণ হচ্ছে।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৪ হাজার ৫৯৪ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৫ হাজার ৩৯৭ জন।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা, কদমতলী (আংশিক) থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ সংসদীয় আসন। এ আসনে রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২, ৬৩, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নম্বর ওয়ার্ড।
ঢাকা-৫ আসনে মোট প্রার্থী ১১ জন। বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ নবী (ধানের শীষ প্রতীক), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর হাজী মো. ইবরাহীম (হাতপাখা প্রতীক)। মূলত এ তিন প্রার্থীর মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
ঢাকা-৫ আসনে মোট প্রার্থী ১১ জন। এরমধ্যে বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ (ধানের শীষ প্রতীক), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- এর হাজী মো. ইবরাহীম (হাতপাখা প্রতীক)।
এছাড়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির তোফাজ্জল হোসেন মোস্তফা (কাস্তে প্রতীক), গণঅধিকার পরিষদের সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (ট্রাক প্রতীক), জাতীয় পার্টির মীর আব্দুস সবুর (লাঙ্গল প্রতীক), লেবার পার্টির মো. গোলাম আজম (আনারস প্রতীক), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মো. তাইফুর রহমান রাহী (ছড়ি প্রতীক), সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) শাহিনুর আক্তার সুমি (কাচি প্রতীক), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মো. হুমায়ূন কবির (ছাতা প্রতীক) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. সাইফুল আলম (ডাব প্রতীক)।
এমএন



