জাতীয়
ভোট দিলেন জামায়াত আমির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী ডা. শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (বালক শাখা) কেন্দ্রে তিনি ভোট প্রদান করেন।
ভোট দেওয়ার আগে জয়ের ব্যাপারে আশাব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয়ের বিষয়ে আমরা আশাবাদী।
এদিন সকাল থেকেই জামায়াত আমিরের কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই ফজরের নামাজ পড়েই ভোটকেন্দ্রে চলে এসেছেন। উপস্থিত ভোটাররা বলছেন, দীর্ঘ ১৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ জাতীয় নির্বাচন। সঙ্গে সংস্কারের গণভোট। তাদের প্রত্যাশা শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হবে ভোটগ্রহণ।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩৫১৭১৮ জন। এ আসনে পুরুষ ভোটারের ১৭৯৬১৬, নারী ভোটার ১৭২০৯৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ৪ জন ভোটার। এই আসনে মোট কেন্দ্র ১২৭ এবং মোট প্রার্থী আট জন। প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. শফিকুর রহমান রহমান, আমজনতার দল মো. নিলাভ পারভেজ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) মোবারক হোসেন, জনতার দল খান শোয়েব আমান উল্লাহ, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ মো. আশফাকুর রহমান, জাতীয় পার্টি মো. সামসুল হক এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) আহাম্মদ সাজেদুল হক।
এমএন
জাতীয়
ঘোড়ায় চড়ে ভোটকেন্দ্র টহল দিচ্ছে ডিএমপির অশ্বারোহী দল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অশ্বারোহী দল। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সামনে ঘোড়ায় চড়ে পুলিশ সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে, যা ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের হরিয়ানা জাতের সুঠাম দেহের, লম্বা ও বলিষ্ঠ গড়নের ছয়টি ঘোড়া নিয়ে টহল দিচ্ছে। ঘোড়ার পিঠে ছিল সুসজ্জিত স্যাডল ও নিরাপত্তা সামগ্রী। নিয়ন্ত্রণে থাকা পুলিশ সদস্যদের নির্দেশে তারা ধীর গতিতে চলাচল করছিল। এরসাথে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান। এর মধ্যে রয়েছে—‘সুষ্ঠু নির্বাচন হোক আমাদের অঙ্গীকার’ এবং ‘ভোট হোক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন’।
এসময় ভোটকেন্দ্রের আশপাশে অশ্বারোহী দলকে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও উৎসাহ দেখা যায়। অনেকেই ঘোড়াগুলোকে ঘিরে সেলফি, ছবি ও ভিডিও তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
ছয় সদস্যের একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এসআই রফিকুল ইসলাম। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অশ্বারোহী দলের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগ থেকেই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ তুলনামূলক ভালো এবং শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটাররা উৎসবের আমেজে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের ২২ জন সদস্যের চারটি টিম রয়েছে। আমরা দুপুর পর্যন্ত এভাবে টহলে থাকব।
এর আগে আজ সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক নজরদারি রয়েছে। জানা গেছে, ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জনসহ কমনওয়েলথ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন।
এ ছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও এপির মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত আছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর অংশ হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অশ্বারোহী দল ঘোড়া নিয়ে সড়কে টহল দিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে দেখা যায় তাদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের সামনে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের হরিয়ানা জাতের সুঠাম দেহের, লম্বা ও বলিষ্ঠ গড়নের ছয়টি ঘোড়া নিয়ে টহল দিচ্ছে। ঘোড়ার পিঠে ছিল সুসজ্জিত স্যাডল ও নিরাপত্তা সামগ্রী। নিয়ন্ত্রণে থাকা পুলিশ সদস্যদের নির্দেশে তারা ধীর গতিতে চলাচল করছিল। এরসাথে যুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্লোগান। এর মধ্যে রয়েছে—‘সুষ্ঠু নির্বাচন হোক আমাদের অঙ্গীকার’ এবং ‘ভোট হোক উৎসবমুখর ও আনন্দঘন’।
এসময় ভোটকেন্দ্রের আশপাশে অশ্বারোহী দলকে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল ও উৎসাহ দেখা যায়। অনেকেই ঘোড়াগুলোকে ঘিরে সেলফি, ছবি ও ভিডিও তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
ছয় সদস্যের একটি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এসআই রফিকুল ইসলাম। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অশ্বারোহী দলের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভোটগ্রহণ শুরুর আগ থেকেই আমরা রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ তুলনামূলক ভালো এবং শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভোটাররা উৎসবের আমেজে ভোট দিচ্ছেন। আমাদের ২২ জন সদস্যের চারটি টিম রয়েছে। আমরা দুপুর পর্যন্ত এভাবে টহলে থাকব।
এর আগে আজ সকাল সাড়ে সাতটায় সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দেশি সংস্থার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মহলেরও ব্যাপক নজরদারি রয়েছে। জানা গেছে, ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। এর মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২২৩ জনসহ কমনওয়েলথ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন।
এ ছাড়া আল-জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স ও এপির মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানের ১৫০ জন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত আছেন।
এমএন
জাতীয়
গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবেই: ইস্কাটনে ভোট দিয়ে সিইসি
বাংলাদেশ গণতন্ত্রের যে ট্রেনে উঠেছে সেটি গন্তব্যে পৌঁছাবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ৷ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন হাইস্কুলের কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, “গতকাল আমি দেশের অনেক জেলা প্রশাসক, এসপিদের সাথে কথা বলেছি। তাদের আমি বলেছি কারো পক্ষে কাজ করতে পারবেন না। অবশ্যই নিরপেক্ষ থেকে কাজ করতে হবে। শুধু নিজে নিরপেক্ষ থাকলে হবেনা আপনার আশেপাশে সবাইকেও নিরপেক্ষ রাখতে হবে। এখানে বিভাগীয় কমিশনার সাহেব আছেন তিনি এটার সাক্ষী দিতে পারবেন।”
“আমি চেয়েছিলাম জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে একটা অবদান আমাকে রাখতে হবে। আমি সেই চেষ্টা করছি।”
“আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুয়া ভিডিও এবং এআই জেনারেটেড ছবি একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সবগুলো চাইলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। এগুলোর অনেক কিছুই সীমান্তের ওপার থেকে হয়। ফলে আমরা মেইনস্ট্রিম মিডিয়ার ওপর ভরসা করি। আশা করি জনগনও সত্য মিথ্যা যাচাই করে তথ্য শেয়ার দেবে।”
জানা গেছে – ঢাকা ৮ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ জন৷ এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন৷
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দেশব্যাপী ঐতিহাসিক এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এক নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালুর পর এবারই সর্বোচ্চ সংখ্যক দল ও প্রতীক নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছেন। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) মোট ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্রসহ ২০২৮ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জাতীয়
ভোটে কারচুপি বা ভোট কেনাবেচার সুযোগ নেই : ইসি সানাউল্লাহ
সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক। নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা টাকা দিয়ে ভোট কেনার অপচেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। দিন শেষে ভোটার উপস্থিতির হার বা ‘টার্নআউট’ সন্তোষজনক হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ইসি সানাউল্লাহ।
ভোট প্রদান ও কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, পরিদর্শিত কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে আসেনি। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভোটার উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। শহর এলাকার ভোটাররা সাধারণত কিছুটা দেরিতে কেন্দ্রে আসেন– এটিকে একটি ‘হ্যাবিট’ (অভ্যাস) হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, গ্রামাঞ্চলের অনেক কেন্দ্রে সকাল থেকেই উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও বলেন, “কিছু কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। এটি উৎসাহব্যঞ্জক।”
ভোটার তালিকায় নাম না পাওয়া বা কারিগরি জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, “হাজারে একটি টেকনিক্যাল গ্লিচ হতে পারে।” মাইগ্রেশন সংক্রান্ত সমস্যাগুলো ডাবল চেক করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করে কেউ সফল হতে পারবে না। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেনের সময় অভিযুক্তদের আটক হওয়ার বিষয়কে তিনি ‘ভালো লক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও যৌথ বাহিনী এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ মন্তব্য করেন যে, এটি বিশ্বব্যাপী একটি চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কমিশন ভুল তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে, তবে রাজনৈতিক অধিকার ও জনউদ্দীপনা বিবেচনায় কোনো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে তিনি মূলধারার গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট দিতে আসা এই কমিশনার মন্তব্য করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ভোট গ্রহণ সুশৃঙ্খলভাবে চলছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেন।
এমএন
জাতীয়
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে : কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপ
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কমনওয়েলথ অবজারভার গ্রুপ চেয়ারপারসন ও ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আড্ডো।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোর থেকেই কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটাররা। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে ভোট দেবেন ভোটাররা।
নানা আকুফো-আড্ডো বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। আশা করছি পুরো বাংলাদেশে এভাবে ভোট গ্রহণ হবে। রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করে গণমাধ্যমে এ কথা বলেন তিনি।
এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এটি একটি বড় দিন।
ভোটগ্রহণ শুরুর প্রায় আধাঘণ্টা আগে ইইউ পর্যবেক্ষক দলটি কেন্দ্রে এসে সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের সামনে ব্যালট বাক্স পরীক্ষা করে দেখান এবং ভোটের জন্য প্রস্তুত করেন। পরে নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
পর্যবেক্ষক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এখানে নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন শুরু হয়েছে। আমরা সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হতে দেখেছি।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি দিনের বাকি সময়েও পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন তিনি।
এমএন
জাতীয়
সুষ্ঠু হলে ফলাফল যাই হোক মেনে নেব, অন্যরাও মানবে: জামায়াত আমির
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অবাধ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পরপরই তিনি মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় (বালক শাখা) কেন্দ্রে ভোট প্রদান করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ভোট দিয়ে তিনি বলেন, ভোট সুষ্ঠু হলে ফলাফল যাই হোক, তা মেনে নেবেন এবং অন্যদেরও মেনে চলতে হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেক বছর দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেননি। আমি নিজেও ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জেলে থাকার কারণে ভোট দিতে পারিনি। আজ আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালা আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আশা করি ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সন্ত্রাসমুক্ত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।
তিনি আরও বলেন, চএই ভোটের মাধ্যমে যে সরকার গঠিত হবে, তা কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের নয়; বরং ১৮ কোটি মানুষের জনগণের সরকার হবে। দেশের উন্নয়নে সবাইকে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করতে হবে। গণমাধ্যমও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ছোটখাটো বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে, বড় কোনো সমস্যা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে। সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। মোট ৪২,৭৭৯টি কেন্দ্রে ২,৪৭,৪৮২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। এবারের নির্বাচনে ৫০টি রাজনৈতিক দল ও ২,০২৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নারী প্রার্থী ৮৩ জন। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট বাতিল হয়েছে।
ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৩, যার মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ এবং হিজড়া ১,২৩২ জন। ভোটের নিরাপত্তায় ৯ লাখ ১৯ হাজার ৩৫০ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, ৬৫৭ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১,০৪৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
এমএন



