জাতীয়
আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ পুলিশ আহত : ডিএমপি
হাদি হত্যার তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত নেতাকর্মী ও নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি কমিশনার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ডিএমপি কমিশনার জানান, সংঘর্ষে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের অন্তত ১৬ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, একজন পরিদর্শক, একজন সার্জেন্ট ও একাধিক কনস্টেবল। তাদের বেশির ভাগেরই হাত, পা ও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, একজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড় এলাকায় হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের এবং নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারি চাকরিজীবীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এ সময় আন্দোলনকারীরা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এমএন
জাতীয়
ঢাকার ১৪ ও ১৬ আসন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তার কঠোর বার্তা দিল সেনাবাহিনী
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজধানী ঢাকা ১৪ ও ১৬ আসনকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিরপুর ক্যাম্প কমান্ডার লে. কর্নেল এস এম ফুয়াদ মাসরুর এই তথ্য জানান।
এস এম ফুয়াদ মাসরুর বলেন, ঢাকা-১৪, ১৬ ও ১৮ আসনের সার্বিক নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এই তিনটি আসনের মোট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১৮ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে ১৪ ও ১৬ নম্বর আসন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
এ সময় তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভোটারদের নির্বিঘ্নে আসা-যাওয়ার বিষয়ে সজাগ রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, মধ্যম ও সাধারণ হিসেবে ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করে সে হিসেবেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
অন্যদিকে, নির্বাচনকালীন পেশাদারি বজায় রেখে নিউজ কাভার করতে সাংবাদিকদের অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার তথ্য পেলে তা প্রাথমিক যাচাই না করে উসকানি দেওয়া উচিত হবে না। নির্বাচনে প্রার্থীদের পাশাপাশি গণমাধ্যম কর্মীদেরও নিরাপত্তা দেবে সেনাবাহিনী।
এ ছাড়া সংবাদকর্মীদের কোথাও ঝুঁকি মনে হলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধও করেন ক্যাম্প কমান্ডার।
এমএন
জাতীয়
দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: শফিকুল আলম
ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় কিছু গণমাধ্যমের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমের কাছ থেকে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে শফিকুল আলম বলেন, গত ১৮ মাস গণমাধ্যম অভূতপূর্ব স্বাধীনতা ভোগ করেছে। তারপরও বারবার মৌলিক সাংবাদিকতায় যাচাই-বাছাইয়ে ব্যর্থতার উদাহরণ দেখা যাচ্ছে।
প্রেস সচিব জানান, শহিদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে হওয়া কর্মসূচির সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ও হাদির দীর্ঘদিনের সহচর আবদুল্লাহ আল জাবের পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত হন। এ সময় আরও বহু সমর্থক ও কর্মী আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
শফিকুল আলমের ভাষ্য, জাবেরকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট দেওয়া হয়, যেখানে দাবি করা হয় তিনি ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছেন। প্রেস সচিব বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ’ শব্দটি গভীর অর্থবোধক- সাধারণভাবে এটি সরাসরি গুলিতে আহত হওয়ার ধারণা দেয়। ওই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে।
প্রেস সচিব অভিযোগ করেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রসহ বড় বড় গণমাধ্যম ওই ফেসবুক পোস্টকেই সত্য ধরে নিয়ে ফটোকার্ড ও শিরোনামে জাবের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর প্রচার করে। এতে ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, সরকার তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) স্পষ্ট জানায়, ঘটনাস্থলে কোনো গুলি ছোড়া হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় পুলিশ এখন আর প্রাণঘাতী অস্ত্র বহন করে না। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকও নিশ্চিত করেন, জাবেরসহ কোনো আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হননি।
সংবাদ সংগ্রহ একটি গুরুদায়িত্ব উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, একটি ভুল সংবাদও সহিংসতা উসকে দিতে পারে, দাঙ্গা সৃষ্টি করতে পারে এবং জনজীবনে অরাজকতা ডেকে আনতে পারে। তার অভিযোগ, আগের দিনের সংঘর্ষের ঘটনায় অনেক সংবাদমাধ্যম মারাত্মকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা শুধু ক্লিকবেইটের ফাঁদে পড়েনি, সেটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকার, ডিএমপি ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বক্তব্য পরিস্থিতি শান্ত করতে সহায়তা করে।
এর আগে মাইলস্টোন স্কুলে বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনার পর সহিংস পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে শফিকুল আলম বলেন, তখনও ভুল এবং অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। সে সময় একটি উচ্ছৃঙ্খল জনতা স্কুলের ভেতরে কয়েকজন উপদেষ্টা ও কর্মকর্তাকে নয় ঘণ্টার বেশি আটকে রাখে এবং আরেকটি গ্রুপ সচিবালয়ে ভাঙচুর চালায়। তার মতে, গতকালের বেপরোয়া ক্লিকবেইট সাংবাদিকতা প্রায় একই ধরনের পরিস্থিতির জন্ম দিতে যাচ্ছিল।
সাংবাদিকদের দায়িত্ববোধের প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, সরকার, রাজনীতিক ও প্রভাবশালীদের দায়িত্বশীলতার কথা বলতে সাংবাদিকরা প্রায়ই সোচ্চার হন। কিন্তু নিজেদের ক্ষেত্রে আয়নায় তাকানোর সময় এলে অনেকেই চোখ ফিরিয়ে নেন।
এমএন
জাতীয়
সংসদ নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থীর ভিড়ে ৪১ শতাংশই স্বল্প আয়ের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে এক চমকপ্রদ আর্থিক চিত্র ফুটে উঠেছে। এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ২ হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮৩২ জন প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার কম, যা মোট প্রার্থীর ৪১ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্বল্প আয়ের এই প্রার্থীদের পাশাপাশি আরও ৭৪১ জন প্রার্থীর বার্ষিক আয় ৫ লাখ ১ টাকা থেকে ২৫ লাখ টাকার মধ্যে, যা মোট প্রার্থীর ৩৬ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অর্থাৎ মোট প্রার্থীদের প্রায় চার ভাগের তিন ভাগের বার্ষিক আয় ২৫ লাখ টাকার নিচে।
ডেটা বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২৫ লাখ থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করেন ১৩২ জন প্রার্থী (৬.৫১%)। ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা আয় করেন ৭১ জন (৩.৫০%)। আর ১ কোটির বেশি আয় উল্লেখ করেছেন মাত্র ৯৫ জন প্রার্থী, যা মোটের ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
এ ছাড়া ১৫৫ জন প্রার্থী আয় সংক্রান্ত তথ্য অসম্পূর্ণ বা উল্লেখ করেননি, যা মোট প্রার্থীর ৭.৬৫ শতাংশ। বিশ্লেষকদের মতে, আয় গোপন বা অসম্পূর্ণ তথ্য রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তৈরি করছে।
দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্বল্প আয়ের প্রার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি কিছু বড় ও মাঝারি রাজনৈতিক দলে। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যেও কম আয়ের অংশ উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে, ১ কোটির বেশি আয় করা প্রার্থীদের মধ্যে সর্বাধিক ৫১ জন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের, এরপর স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৫ জন এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছেন ৫ জন। এই তথ্য রাজনৈতিক দলগুলোর আর্থিক বৈষম্যের চিত্রও তুলে ধরে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তুলনায় এবার উচ্চ আয়ের প্রার্থীর হার কিছুটা কমেছে। তখন যেখানে ১ কোটির বেশি আয় করা প্রার্থীর হার ছিল ৮.৭৭ শতাংশ, এবারে তা নেমে এসেছে ৪.৫৯ শতাংশে। একইভাবে, ৫ লাখ টাকার কম আয় করা প্রার্থীর হারও কিছুটা কমেছে—তবে এখনও মোট প্রার্থীর প্রায় অর্ধেকই স্বল্প আয়ের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি একদিকে রাজনীতিতে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দিলেও, অন্যদিকে নির্বাচনী ব্যয় ও প্রকৃত আয়ের সঙ্গে হলফনামায় ঘোষিত আয়ের সামঞ্জস্য নিয়েও প্রশ্ন তোলে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আয় কম হলেও অনেক প্রার্থীর ব্যয় ও সম্পদের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি, যা নির্বাচনী রাজনীতিতে অর্থের অপ্রকাশ্য ভূমিকার দিকটি সামনে আনে। তারা বলছেন, হলফনামা সংস্কার ও কঠোর যাচাই ছাড়া প্রকৃত আর্থিক চিত্র পাওয়া কঠিন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৩২ জন চূড়ান্ত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রার্থীকে আয়, সম্পদ, দায়-দেনা ও মামলার তথ্য হলফনামায় উল্লেখ করতে হয়।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনে ২ দিন সারাদেশে দোকান ও শপিং মল বন্ধ থাকবে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার ও বৃহস্পতিবার) ঢাকাসহ সারা দেশের সব দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি।
আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে সুবিধা দিতে সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সারা দেশে দোকান, বাণিজ্যবিতান ও শপিং মল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এর ফলে ১০, ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি—টানা তিন দিন ছুটি থাকবে শিল্পকারখানার শ্রমিকদের।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগের দিন ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) এমনিতেই সাধারণ ছুটি থাকে। ভোটের পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। ফলে নির্বাচন উপলক্ষে টানা কয়েক দিন ছুটি থাকছে।
এমএন
জাতীয়
পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীদের জোয়ার, দেশে পৌঁছেছে ৪ লাখ ২২ হাজার ভোট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রয়োগে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের পাঠানো ৪ লাখ ২২ হাজার ৯৬০টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনবিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আজ সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৩ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ১৮৫ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
এ ছাড়া ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৯১ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন।
এর মধ্যে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৬৮টি ব্যালট ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
বিদেশের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) অবস্থানরত ভোটারদের কাছেও পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৬ জন নিবন্ধিত ভোটারের ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ শনিবার সকাল সোয়া ১০টা পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৭ জন ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
এর মধ্যে ৩ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ভোট দিয়েছেন এবং ২ লাখ ৭৬ হাজার ২৭২ জন পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ৮৩ হাজার ৯৪২টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন।
সালীম আহমাদ খান আরও জানান, এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন।
এমএন



