জাতীয়
দুর্গম ২৭টি ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খাগড়াছড়ির পানছড়ি ও দীঘিনালা উপজেলার ২১.৮ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকাসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পানছড়ি ব্যাটালিয়নের (৩ বিজিবি) আওতায় থাকা দুর্গম ২৭টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ইতোমধ্যে ৬ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নির্বাচনী দায়িত্বের অংশ হিসেবে পানছড়ি উপজেলার ২৫টি এবং দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়া ইউনিয়নের ১টি। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারে গত ৩০ জানুয়ারি পানছড়ি উপজেলায় ৪টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
এছাড়া দীঘিনালার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা নাড়াইছড়িতে অবস্থিত ১টি হেলি-সাপোর্টেড ভোটকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মোতায়েন করা বিজিবি সদস্যরা যানবাহন, পায়ে হাঁটা ও নদী পারাপারের মাধ্যমে নিয়মিত ডমিনেশন টহল পরিচালনা করছেন। একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় ড্রোন নজরদারি, বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং আধুনিক রায়ট কন্ট্রোল সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচন উপলক্ষে লোগাং বিজিবি ক্যাম্প ও গিলাতলী বিওপি এলাকায় ২টি চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে জনসংযোগ, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম, ঝুঁকি বিশ্লেষণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারাদেশে উপকূলীয় ৬টি উপজেলা ব্যতীত ৪৮৯টি উপজেলায় ৩৭ হাজারেরও বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছে। বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ।
ভোটারদের ভোটাধিকার সুরক্ষা, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বিজিবি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
এমএন
জাতীয়
সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম সভায় ৪০ অধ্যাদেশ
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে জাতীয় সংসদের নবগঠিত বিশেষ কমিটি।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংশ্লিষ্ট সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণসহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অধ্যাদেশ নিয়ে চুলছেঁড়া বিশ্লেষণ করা হয়।
কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শুরুতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন ও বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
বিশেষ কমিটির বৈঠকে প্রশাসনিক ও জনগুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬; গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫; পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫।
এছাড়া সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪; জাতির পিতার পরিবার-সদস্যদের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪ ও সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয় জানায়, কমিটি আলোচ্য অধ্যাদেশগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করবে। এছাড়া অবশিষ্ট অধ্যাদেশগুলো নিয়ে পরবর্তী বৈঠকে আলোচনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বৈঠকে কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এমপি, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি এবং আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এমপি উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন– ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক এমপি, এ. এম. মাহবুব উদ্দিন এমপি, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এমপি, মুহাম্মদ নওশাদ জমির এমপি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি এবং সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জাতীয়
শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টির সাপোর্টে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশ
বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, ঈদের ছুটির পর আজকে প্রথম অফিস এবং প্রথম অফিসে বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সচিব এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে একটা ফলোআপ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তার নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এরকম দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটা আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাংক আছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংকই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বা এই সংকটের ফলে আমাদের অনেক শ্রমিকরা সেখানে বর্তমানে আছে। আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরেন এখানে মিডিলইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেস্ট্রয় করা হয়েছে এগুলো আবার রিবিল্ড করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরো তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে।
প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানে এক লাখ লোক পাঠানোর জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটা এমওইউ হয়েছে, সেটাকে কীভাবে ত্বরান্বিত করা যায়। জাপানসহ ইউরোপে কীভাবে আমরা লোক পাঠাতে পারি সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়েছে।
ইউরোপের বেশ কিছু দেশের ভিসা করার জন্য ইন্ডিয়া যেতে হয়। তো এটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন যে, তাদেরকে পারসু করে বাংলাদেশে তাদের একটা অফিস বা কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার জন্য তাদেরকে অনুরোধ করা। এই বিষয়ে আজকে আলোচনা হয়েছে। কিছু দেশ এরইমধ্যে এখানে কনস্যুলার সেবা দিচ্ছে। বাকি দেশগুলো যেন এখানে নিশ্চিত করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, বলেন নুরুল হক নুর।
তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডগুলো একটু প্রচার কম হচ্ছে। সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন যে, আমরা যেন যার যার মন্ত্রণালয় সোশ্যাল মিডিয়া, মেইনস্ট্রি মিডিয়ার সঙ্গে কানেক্টেড থেকে সরকারের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডগুলো যেন জনগণের সামনে আমরা পৌঁছে দেই।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৮০ দিন যে কর্মপরিকল্পনা তার মধ্যে আমাদের অভিবাসন ব্যয় নির্দিষ্ট করে দেওয়ার একটা বিষয় আছে। আমরা হয়তো কিছুদিনের মধ্যে সেটি চূড়ান্ত করব। আমাদের যেসব শ্রমবাজারগুলো বন্ধ আছে, মালয়েশিয়াসহ যে ধরনের সমস্যাগুলো আছে, এটিও দ্রুত সময়ের মধ্যে শর্টআউট করে লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করা। থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশেও আমরা যেন লোক পাঠাতে পারি। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন করে সেই বিষয়ে তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে রেমিটেন্সে কোনো ধাক্কা আসবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুদ্ধের ফলে আমাদের শ্রমবাজার কিংবা রেমিটেন্স-এর উপরে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। হয়তো সাময়িক কিছুটা হতে পারে। বরং যুদ্ধ স্টপ হলেও এগুলো পুনর্গঠনে তাদের যে ম্যানপাওয়ার লাগবে, আমি মনে করি ওই সব দেশের শ্রমবাজারে নতুন করে এন্ট্রি নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।
জাতীয়
জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সরকার গ্রহণ করবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে স্থায়ী রূপ দিতে বড় পদক্ষেপে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। বিশেষ করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ‘জুলাইযোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষা বা ইনডেমনিটি প্রদান এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়টি এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে প্রবেশ করার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ও ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই বর্তমান সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। এই আন্দোলনে যারা বীরত্বের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন, তাদের জন্য যে ‘ইনডেমনিটি’ বা দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে, তা সরকার গ্রহণ করবে। আমরা তাদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবেই অভিহিত করব।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে সালাহ উদ্দিন আহমদ জানান, সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলোর চূড়ান্ত সুরাহা করতে হবে। আমাদের হাতে থাকা সময় থেকে ইতোমধ্যে ১৫ দিন পার হয়ে গেছে। বাকি ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নেব।
বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক নামকরণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জনগণের দাবির মুখে বিতর্কিত সব নামকরণ পরিবর্তনের বিষয়টি আজকের আলোচনার অন্যতম প্রধান অ্যাজেন্ডা। প্রতিটি ক্ষেত্রে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র নায়েবে আমির মো. মুজিবুর রহমান বলেন, জুলাইয়ের জন-আকাঙ্ক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোকে জামায়াত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে। তবে যদি কোনো অধ্যাদেশ সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বা জনস্বার্থ পরিপন্থি হয়, তবে সে বিষয়ে আমরা আমাদের জোরালো মতামত তুলে ধরব।
সংসদ ভবনে চলমান এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে সরকারি ও বিরোধী দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আজকের বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বড় কোনো সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসতে পারে।
জাতীয়
দেশে তেলের কোনো সংকট নেই, সরবরাহ অব্যাহত: জ্বালানিমন্ত্রী
দেশে তেলের সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘দেশে তেলের কোনো সংকট নেই। সরবরাহ অব্যাহত আছে। তবে ঈদের কারণে গত দুই দিন সরবরাহ বন্ধ থাকায় কিছুটা চাপ তৈরি হয়েছে।’
আজ সোমবার নিজ দুপুরে নিজ বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এ সময় মন্ত্রী গ্রাহকদের প্যানিক না হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি তেল আমদানি করা হচ্ছে। সবাই তেল পাবে।
তাই জনগণকে প্যানিক বা আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সবাই তেল পাবে।’
এদিকে প্রয়োজনে পাম্পকেন্দ্রিক নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
তিনি বলেন, তেলের সংকটকে কেন্দ্র করে দাম বাড়ানোর যে পাঁয়তারা ছিল সেটিও সরকার সুন্দরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে।
ঈদের আগে যে শঙ্কা ছিল সেখান থেকে আমরা বের হয়ে আসতে পেরেছি। পাম্পকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ঈদের আগেও দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে এখনো করবে।
জাতীয়
মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রে জুবাইদা রহমান
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’-এ যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান।
রোববার (২২ মার্চ) তিনি ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হন। যাত্রাপথে তিনি যুক্তরাজ্যে যাত্রা বিরতি করবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আমন্ত্রণে এই জোটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের জীবনসঙ্গীরা অংশ নিচ্ছেন। শিশুদের শিক্ষায় নিরাপদ প্রযুক্তি ও বিকাশই এই জোটের মূল লক্ষ্য।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অন্যান্য উদ্ভাবনী প্রযুক্তি কীভাবে শিক্ষার সুযোগ বাড়াতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করবেন। এছাড়া শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রশিক্ষণ এবং শিশুদের অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রেখে উন্নত শিক্ষার পরিবেশ তৈরির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে নামমাত্র মূল্যে বা বিনামূল্যে এসব প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ দিতে সম্মত হয়েছে।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দেশের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী সবচেয়ে উপযোগী প্রযুক্তিগুলো যাচাই ও বাস্তবায়নে নিজ দেশের সরকারের সাথে সমন্বয় করে কাজ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সম্মেলনের কর্মসূচি শেষ করে জুবাইদা রহমানের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।



