জাতীয়
নির্বাচনী কর্মকর্তাদের জন্য ইসির বিশেষ সতর্কবার্তা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সম্মানী ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্য ও বিকাশ নম্বর হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
সম্প্রতি ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে ইসি জানায়, সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারক চক্র মূলত ০১৩৪২০৪৬২৩২ ও ০১৬১২৬৭৭০৭৪ নম্বর ব্যবহার করে এসব প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন তাদের বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সব কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানী দেওয়া হবে। এজন্য কোনো ব্যক্তি বা আলাদা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের কোনো প্রয়োজন নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা যেন এই প্রতারক চক্রের কোনো প্রলোভন বা ফোনকলে সাড়া না দেন। সরকারি এই পেমেন্ট প্রক্রিয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং তথ্য বা পিন নম্বর চাওয়ার সুযোগ নেই। যদি কেউ ইসি’র পরিচয় দিয়ে তথ্য চায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছে ইসি।
এমএন
জাতীয়
আজ বিশ্ব ক্যানসার দিবস, সচেতনতায় কমতে পারে মৃত্যুঝুঁকি
আজ বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। প্রতিবছর (৪ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। মরণব্যাধি ক্যানসার সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এই রোগে আক্রান্তদের সহায়তা করার লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালন শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে। ফ্রান্সের প্যারিসে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট এগেইনস্ট ক্যানসার’-এর মঞ্চ থেকে এ প্রচেষ্টা শুরু হয়।
দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য হলো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী এ রোগ সম্পর্কে জণসাধারণের কাছে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া। পাশাপাশি এ রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বে মৃত্যুর দ্বিতীয় কারণে রয়েছে এই ক্যানসারের নাম। তাই ক্যানসার-সম্পর্কিত সমস্যাগুলো মোকাবিলা করার জন্য বিশ্বজুড়ে বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালন করা হয়।
গ্লোবাল ক্যানসার অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ক্যানসার পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ২০২২ সালে দেশে ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৫৬ জন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন এবং একই বছরে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৮ জনের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি বছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করেন। বিশেষ করে সাড়ে ১০ কোটি নারী ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। তবে তামাক ব্যবহার পরিহারের মাধ্যমে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ক্যানসারে মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এমএন
জাতীয়
দেশে পৌঁছেছে তিন লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তিন লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালটের ভোট দেশে পৌঁছেছে। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীরা গ্রহণ করেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯টি পোস্টাল ব্যালট। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন প্রবাসী এবং দেশে ফেরত পাঠাতে পোস্ট অফিসে পোস্টাল ব্যালট জমা দিয়েছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৮ জন প্রবাসী। বাংলাদেশে এসেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে ৪১ হাজার ১৭৮টি পোস্টাল ভোট।
ইসি আরও জানায়, দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভোটারদের কাছে পাঠানো হয়েছে ৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১টি ব্যালট। এর মধ্যে গ্রহণ করেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৯১ জন ভোটার। ভোট দিয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৩২ জন, পোস্ট অফিসে জমা দিয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৬৫ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তা এর মধ্যে ব্যালট গ্রহণ করেছেন ১২ হাজার ৯১৫ জন।
১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনি কার্যক্রমের সমন্বয়ের লক্ষ্যে আজ (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় ও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সভাপতিত্বে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচনি কার্যক্রমের সমন্বয় সংক্রান্ত এ বৈঠক আজ বুধবার বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নম্বর-৫২০) অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনাররা এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারাও অনলাইনের মাধ্যমে সভায় অংশ নেবেন।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তিন বাহিনীর প্রধানদের গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী। নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মাধ্যমে কিছু মানি ট্রানজেকশন হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল (অপরাধী) থাকতে পারে। সবাই এ ধরনের অপকর্ম করবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যারা র্যাগিং এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অ্যাকশন নেবে। অপরাধ করলে যতটুকু আইনে রয়েছে ততটুকু শাস্তি পাবে।
সভায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, দিনে-রাতে বিভিন্ন সময় অপারেশনের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। সবসময় যেন তারা ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে সেই পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই—সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন।
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। সে উদ্দেশে সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে হবে। যারা মাঠে মোতায়েন থাকবেন তাদের সবার দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে, কাউকে বসে থাকা যাবে না।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও পরিদর্শনকালে তিন বাহিনীর প্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’র আওতায় মোতায়েনরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
নির্বাচনী দায়িত্বে পেশাদারিত্ব ও নাগরিকবান্ধব আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেন।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সেনাবাহিনী প্রধান শরীয়তপুর জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন



