আবহাওয়া
আবারও ভূমিকম্পের শঙ্কা, আন্তর্জাতিক আবহাওয়াবিদের সতর্কবার্তা
ভূমিকম্পের আঘাতে একদিনে দুইবার কেঁপে উঠেছে বাংলাদেশ। সবশেষ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার এক জোরালো ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্নস্থানে। এর আগে, একইদিন ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয় দেশে।
যে ফল্টে সবশেষ ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে, সেটি খুবই সক্রিয় থাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও ভূমিকম্পের (আফটার শক) আশঙ্কা রয়েছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ ব্যাপারে এক সতর্কবার্তা দিয়েছেন।
ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, আমেরিকান ভূত্বাত্তিক অধিদপ্তর ইউএসজিএসের প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, সবশেশগ ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৯ মাত্রার। ভূ-পৃষ্ট থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে এটি। এই ভূমিকম্পটি একই ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে, যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। ফল্টটি খুবই সক্রিয়। ফলে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।
রাতের ভূমিকম্পটি কক্সবাজার শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ২০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশে অনেক ভারি ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে বলেও জানান এই আবহাওয়া গবেষক।
৫ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পের ২০ মিনিটের ব্যবধানে মিয়ানমারে আবার ৫ দশমিক ৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়।
এর আগে, ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
এমএন
আবহাওয়া
সারাদেশে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
দেশের আট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ এবং সিলেট বিভাগ-এর অনেক জায়গায় দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার (২২ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এদিনও কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধির আভাস দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে রংপুর-এ ৪৩ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা টেকনাফ-এ ৩৩ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রংপুরে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তার আশপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। পাশাপাশি মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় রয়েছে, যা দেশের আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলছে।
আবহাওয়া
তিন অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সংকেত
দেশের তিনটি অঞ্চলের উপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৮০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।
শুক্রবার (২০ মার্চ) দুপুর ১টা পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া বিশেষ সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছ, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
সব এলাকার নদীবন্দরকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া
ঈদের দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল আবহাওয়া অফিস
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় উপর নির্ভর করবে ঈদুল ফিতরের দিন। তবুও শুক্রবার না হয়ে শনিবার যদি ঈদ হয় তাহলে ওইদিন সারাদেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছ বলে জানান আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আবহাওয়া অফিসে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।
আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, মার্চ ও এপ্রিল মাস কালবৈশাখীর সময়। এ সময়ে বৃষ্টি ও ঝড়ে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে।
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় উপর নির্ভর করবে ঈদুল ফিতরের দিন। যদি ২৯ রোজা হয় তাহলে শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদ হচ্ছে আর তা না হয়ে শনিবার (২১ মার্চ) হয় তাহলে ওইদিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।
তিনি আরও বলেন, তবে কোথাও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা নেই। এক দু পশলা বৃষ্টি হতে পারে। বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
সারাদেশে একসাথে বৃষ্টি হবে না। একেক সময় একেক জায়গায় হওয়ার সম্ভবনা বেশি। যেমন রাজশাহী ও রংপুর এবং ঢাকায় বৃষ্টি হতে পারে সকালের দিকে। বিকেলে বা সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম, সিলেট ও ময়মনসিংহে বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে।
পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এখনকার বৃষ্টিপাতে বজ্রপাতও বেশি হয়। বজ্রপাত থেকে বাঁচতে ঘরে থাকার বা নিরাপদ আশ্রয় নেয়ার কথা জানান তিনি।
আবহাওয়া
ঈদের দিন কেমন থাকবে আবহাওয়া
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে শুক্রবার, না হলে শনিবার বাংলাদেশে ঈদ। আর এ দুই দিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বুধবার (১৮ মার্চ) আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা জানান, বুধ থেকে রোববার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে বিছিন্নভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। সে অনুযায়ী ঈদের দিনেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টি বা শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকাবা ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
শনিবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎচমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
ঈদের পর রোববারও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া
আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির আভাস
পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সিলেট ও রংপুর বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা বেশি থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আগামী পাঁচদিনে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
বুধবার (১৮ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আগামী ২১ মার্চ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
২২ মার্চ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এমএন



