জাতীয়
নির্বাচনী কার্যক্রম সমন্বয়ে ইসির উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনি কার্যক্রমের সমন্বয়ের লক্ষ্যে আজ (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় ও নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সভাপতিত্বে অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্বাচনি কার্যক্রমের সমন্বয় সংক্রান্ত এ বৈঠক আজ বুধবার বেলা ১১টায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে (কক্ষ নম্বর-৫২০) অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনাররা এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারাও অনলাইনের মাধ্যমে সভায় অংশ নেবেন।
এমএন
জাতীয়
দেশে পৌঁছেছে তিন লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে তিন লাখ ২৬ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালটের ভোট দেশে পৌঁছেছে। আজ বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীরা গ্রহণ করেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯টি পোস্টাল ব্যালট। এর মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন প্রবাসী এবং দেশে ফেরত পাঠাতে পোস্ট অফিসে পোস্টাল ব্যালট জমা দিয়েছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৪৮ জন প্রবাসী। বাংলাদেশে এসেছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে ৪১ হাজার ১৭৮টি পোস্টাল ভোট।
ইসি আরও জানায়, দেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভোটারদের কাছে পাঠানো হয়েছে ৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১টি ব্যালট। এর মধ্যে গ্রহণ করেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৬৯১ জন ভোটার। ভোট দিয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৩২ জন, পোস্ট অফিসে জমা দিয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ১৬৫ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তা এর মধ্যে ব্যালট গ্রহণ করেছেন ১২ হাজার ৯১৫ জন।
১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এমএন
জাতীয়
নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই: সেনাপ্রধান
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) তিন বাহিনীর প্রধানদের গাজীপুর জেলা পরিদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, সুন্দর নির্বাচন করার জন্য আমরা সক্ষম। নির্বাচন নিয়ে সবাই আগ্রহী। নির্বাচন নিয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশ ও সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীসহ সবাই আগ্রহী। সেখানে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আরও বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মাধ্যমে কিছু মানি ট্রানজেকশন হতে পারে। আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি। কিছু ক্রিমিনাল (অপরাধী) থাকতে পারে। সবাই এ ধরনের অপকর্ম করবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচনের দিন যারা র্যাগিং এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী অ্যাকশন নেবে। অপরাধ করলে যতটুকু আইনে রয়েছে ততটুকু শাস্তি পাবে।
সভায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, দিনে-রাতে বিভিন্ন সময় অপারেশনের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীদের আটক করা হচ্ছে। সবসময় যেন তারা ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে সেই পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। আমাদের সবার উদ্দেশ্য একটাই—সুষ্ঠু, সুন্দর এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন।
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে আমাদের। সে উদ্দেশে সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা জোগাতে হবে। যারা মাঠে মোতায়েন থাকবেন তাদের সবার দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়াতে হবে, কাউকে বসে থাকা যাবে না।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তা, ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এসময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধান পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়াও পরিদর্শনকালে তিন বাহিনীর প্রধান ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’র আওতায় মোতায়েনরত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয়
নির্বাচনী দায়িত্বে পেশাদারিত্ব ও নাগরিকবান্ধব আচরণের নির্দেশ সেনাপ্রধানের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করার উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আজ শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও মুন্সিগঞ্জ জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা করেন।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সেনাবাহিনী প্রধান শরীয়তপুর জেলা সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং নাগরিকবান্ধব আচরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
শরীয়তপুর জেলা পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধানের সাথে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া; সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএন
জাতীয়
চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিকদের লাগাতার কর্মবিরতির ঘোষণা
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার ভার বিদেশি অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’কে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। আগামীকাল বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বন্দর এলাকায় আয়োজিত এক অবরোধ কর্মসূচি থেকে এই ঘোষণা দেন চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন।
ইব্রাহিম খোকন বলেন, নৌ-উপদেষ্টা আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়েছেন। আমাদের লোকদের বদলি করছেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে শাস্তির কথা বলছেন। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আগামীকাল সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা করছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
এর আগে মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এর ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরের পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
শ্রমিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-এনসিটি জেটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়া, বন্দর চেয়ারম্যানের পদত্যাগ এবং আন্দোলন কেন্দ্র করে দেওয়া সব বদলির আদেশ বাতিল করা।
বর্তমানে এনসিটি, চট্টগ্রাম কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থসহ সব টার্মিনালেই অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্কপের যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামাল জানান, কর্মবিরতির কারণে কনটেইনার ও সাধারণ পণ্য ওঠানামা পুরোপুরি বন্ধ থাকায় বন্দরের সামগ্রিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে শ্রমিক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। সমাবেশ শেষে মিছিলটি বন্দর অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির অভিযোগ করেন, সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নিয়ে কর্তৃপক্ষ উল্টো দমন-পীড়ন ও বদলির মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
এদিকে চার দিন ধরে জেটিতে জাহাজ অপেক্ষমাণ থাকায় এবং পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএর সহসভাপতি সেলিমুর রহমান বলেন, এই অচলাবস্থার কারণে আমদানি ব্যয় বাড়ছে এবং পোশাক খাতের রপ্তানি শিডিউল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
জাতীয়
র্যাবের নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে নতুন নাম
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নাম পরিবর্তন করে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ) রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। নামের পরিবর্তনের পাশাপাশি বাহিনীটির পোশাকেও পরিবর্তন আনা হবে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত গেজেট জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কোর কমিটির সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
নাম পরিবর্তনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, নামটির প্রতি মানুষের খারাপ ধারণা ছিল, মানুষের ইচ্ছেই ছিল এই নামটির পরিবর্তন হোক। মানুষের ইচ্ছে পূরণ করতেই র্যাবের নামের পরিবর্তন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই র্যাবের কার্যক্রমে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। র্যাবের নামের পরিবর্তনের সাথে কাজেরও পরিবর্তন আসবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর পুলিশের মনোবল অনেক ভালোভাবে ফিরে এসেছে। আগের পুলিশ এখন আর নেই।
কোর কমিটি সভায় আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবারের নির্বাচন খুবই সুষ্ঠু, উৎসবমুখর, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য হবে। নির্বাচনে মব হবে না বলে আশা করছি। সেভাবেই সব ধরনের চেষ্টা করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এমএন



