জাতীয়
সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে: রিজওয়ানা হাসান
নির্বাচন ইস্যুতে সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ ও তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ আহ্বান জানান।
সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন- দুটি দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে, নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণই হবে। এক দল আরেক দলকে হারানোর চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে, সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে। এটা খুব স্বাভাবিক।
রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা ও সভ্যতার সীমা রাখা হচ্ছে না। সে জন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে পৌঁছে যায়, তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বলল বা না বলল, সেটা তো সরকারের দায়িত্ব নয়।’
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত দেওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্লেষণ থাকতে পারে, কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে, জেতার আগেই এত কথা বলে দিলে সেই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ বলে মনে করার সুযোগ থাকে না।
ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটি বিবৃতি রয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি, তা ঠিক কথা নয়। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো, সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন হয়েছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে, তা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে। প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা আরও বাড়াব।
কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যা করছি তা হলো, আমরা সব উপদেষ্টারা দেশের ৬৪টি জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, শিক্ষক প্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলছি। গণভোট কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী—সেগুলো বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার অভিযান শুরু হয়ে গেছে, তাই এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু উপকরণ আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেগুলোই আমরা বিতরণ করছি।’
তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন বা করছেন না- জেলা প্রশাসকদের প্রচার বলতে বোঝায়, ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটি গণভোট হবে এবং জনগণ যেন সাধারণ ভোটের সঙ্গে গণভোটেও অংশ নেয়, সে তথ্য জানানো। এর বেশি তাদের আর কিছু করার কথা নয়।’
মানুষের মধ্যে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে, এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিন, কোন মানুষ আপনাকে বলেছে যে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এতগুলো জেলায় গেছি, সব জায়গায় গিয়ে দেখেছি নির্বাচনের একটি আমেজ তৈরি হয়েছে। আমরা যখন গিয়েছি, তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা বাংলাদেশে সবসময়ই হয়ে থাকে। আমি কোনো জায়গায় কাউকে বলতে শুনিনি যে ভোট দিতে যেতে তার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ তা বলে থাকে, আমাদের জানাবেন। তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।’
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানান ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে ভয়ের একটি আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ কারণেই বলা হচ্ছে, পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করার জন্য কোনো কাজ করে, তাহলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এমকে
জাতীয়
সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। আজ শনিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম (২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ১ম) অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দ ও অধিবেশনের স্থায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে এবং ৩০ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন সমাপ্ত হবে মর্মে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রয়োজনে অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস–সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান করা হয়।
এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১–এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের সংখ্যা (বিধি-১৩১)–এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠক জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেটকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। কমিটির সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম ও মুহাম্মদ নওশাদ জমির। বৈঠকে স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
জাতীয়
৫ সিটি করপোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ
দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনে পূর্ণকালীন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। শনিবার (১৪ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এরমধ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মাহফুজুর রহমান। পাশাপাশি বরিশাল সিটি করপোরেশনে অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরীন ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে মো. রুকুনোজ্জামান রোকনকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
এদিকে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে মো. ইউসুফ মোল্লাকে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মাহফুজ উন নবী চৌধুরী।
৫ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে বর্ণিত ব্যক্তিদের পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
এতে আরো বলা হয়, নিয়োগ পাওয়া এসব প্রশাসক ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ২৫ক এর উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তারা বিধি অনুযায়ী ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয়
গার্মেন্টসে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার অনুরোধ ডিএমপির
গার্মেন্টস শ্রমিকদের একবারে না দিয়ে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার। শনিবার (১৪ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান।
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হচ্ছে। সরকারি ছুটি বড় হওয়ায় ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন হওয়ার প্রত্যাশা করেন ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার।
এসময় ভোগান্তি কমাতে ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘অস্ত্রধারীসহ বিপুল পরিমাণ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বিভিন্ন টার্মিনালে নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট কালোবাজারি বন্ধেও নিয়মিত তদারকি করা হবে।’
এসময় দূরপাল্লার বাসে একাধিক চালক রাখার এবং বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন না করার আহ্বান জানান তিনি।
জাতীয়
গণপরিবহন পাবে পর্যাপ্ত তেল, উঠে যাচ্ছে রেশনিং পদ্ধতি
জ্বালানি সংকটের মধ্যে গণপরিবহনের তেলের রেশনিং পদ্ধতি তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘গণপরিবহনের জন্য জ্বালানি তেল রেশনিংয়ের সীমা আর থাকছে না।’
শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর গুলিস্তানে সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘দূরপাল্লা ও গণপরিবহনে তেলের রেশনিং আজ (শনিবার) রাত থেকে থাকছে না।
রাত থেকে পর্যাপ্ত তেল পাবে বাসগুলো।’
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইসরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দেশেও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এর মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছে।
ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছে সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল।
এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।
গণপরিবহনের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা পরিবর্তন হলেও ব্যক্তিগত যানবাহনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি।
জাতীয়
অতিরিক্ত ভাড়া ও টিকিট কালোবাজারি বন্ধে তদারকি করা হবে: ডিএমপি
ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রধারীসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বিভিন্ন টার্মিনালে নিয়মিত নিরাপত্তা অভিযান চলবে। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট কালোবাজারি বন্ধে নিয়মিত তদারকি করা হবে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে গাবতলী বাস টার্মিনালে বাস মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি কমাতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের একবারে ছুটি না দিয়ে ধাপে ধাপে ছুটি দেয়ার অনুরোধ জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি জানান, ফিটনেসবিহীন গাড়ি বন্ধে অভিযান চলছে। এসময় দূরপাল্লার বাসে একাধিক চালক রাখার এবং বাসের ছাদে যাত্রী পরিবহন না করার আহ্বান জানান তিনি




