রাজনীতি
তাহাজ্জুদের পর সিল মারার পরিকল্পনা করছে একটি দল: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দল তাহাজ্জুদের পর তারা সিল মারার পরিকল্পনা করছে; ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। ইনশাআল্লাহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা সব ষড়যন্ত্র রুখে দিবে।
সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ বলেন, “একটি দল অন্য সব দলকে বিলুপ্ত করে নিজের পেটের ভেতর নিয়ে নিয়েছে। সেই দলের শীর্ষ নেতা তার প্রথম জনসভা শুরু করেছেন সমালোচনা দিয়ে। বলা হচ্ছে, তাহাজ্জুদের পরে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে। ‘তাহাজ্জুদের পর তারা সিল মারার পরিকল্পনা করছে; ভোটকেন্দ্র দখলের পাঁয়তারা করছে। ইনশাআল্লাহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা সব ষড়যন্ত্র রুখে দিবে।’
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি একাধিক নির্বাচনি জনসভায় কর্মী-সমর্থকদের ভোটের আগের রাতে তাহাজুদ্দের সময় ঘুম ওঠার আহ্বান জানান। তিনি ভোটকেন্দ্রের সামনে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করে নেতাকর্মীদের ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার কথা বলেন। ভোট নিয়ে ‘ষড়যন্ত্র হচ্ছে’— এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে এ আহ্বান জানান তারেক রহমান।
বিএনপি চেয়ারম্যানের এ বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে নাহিদ বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারি আমরা অপেক্ষা করব। আমরা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেব, আমাদের বোনেরা-মায়েরা, সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে-নির্বিঘ্নে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারেন। যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে, যারা ষড়যন্ত্র করবে, তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জোটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা ১০ দল থেকে ১১ দলে উপনীত হয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে সবাই ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে চলে আসবে। আমরা দরজা খোলা রেখেছি।”
সমাবেশে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী ও রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর হাসান আল বান্নাহ বক্তব্য রাখেন।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচন রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেওয়ার সুযোগ: জামায়াত আমির
আসন্ন নির্বাচনকে দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এটি কেবল ক্ষমতা বদলের লড়াই নয়; বরং জনগণের রায়ের মাধ্যমে রাজনীতির গতিপথ পাল্টে দেওয়ার সুযোগ।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যশোর জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
তিনি জনসভায় সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন- দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে নিজেকেও, দেশকেও মুক্তির পথে এগিয়ে নিন। তাঁর মতে, এটি কেবল ভোট নয়, বরং রাজনীতির ধারা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ, যেখানে জনগণের সিদ্ধান্তই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান যশোরের উন্নয়ন চাহিদাকে যৌক্তিক উল্লেখ করে বলেন, দেশের অন্যতম প্রাচীন জেলা হওয়া সত্ত্বেও যশোর দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়ে গেছে।
তিনি যশোরকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করা, মেডিকেল কলেজের সম্প্রসারণ, জেনারেল হাসপাতালের উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ভৌত অবকাঠামোর আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় গেলে এসব দাবি বাস্তবায়নকে জামায়াত নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেই দেখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
পরিবারকেন্দ্রিক বা গোষ্ঠীগত রাজনীতির পরিবর্তে জনগণকেন্দ্রিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি। ভোটকে গণভোটের সঙ্গে তুলনা করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়াকে মুক্তির পথ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন ডা. শফিকুর রহমান।
নারীদের প্রতি আচরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যেসব দল প্রকাশ্যে নারীদের কল্যাণের কথা বলে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়, তাদেরই নির্বাচনী প্রচারে নারী কর্মীদের গায়ে হাত তোলার মতো ঘটনা ঘটে-যা পুরো সমাজের জন্য লজ্জাজনক।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, মায়েদের অসম্মান কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আইন কখনোই নিজের হাতে তুলে নেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে যুবসমাজকে এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনভাবে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হলেও সংঘাতে না জড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
জনসভায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে স্লোগান ওঠে। জামায়াত আমির বলেন, জনগণের অধিকার, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এই নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হচ্ছে। যশোরবাসীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, ঐক্যবদ্ধভাবে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার জন্য।
এমকে
রাজনীতি
আজ ময়মনসিংহে জনসভা করবেন তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ ময়মনসিংহ সফরে যাচ্ছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে এই সফরে তিনি ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও রাজধানীর উত্তরায় জনসভায় ভাষণ দেবেন।
সফর সূচী অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।
ময়মনসিংহ থেকে ফেরার পথে একই দিন সন্ধ্যা ৬টায় গাজীপুর জেলা শহরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ী মাঠে আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। এরপর সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর উত্তরার আজমপুর ঈদগাহ মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত জনসভায় যোগ দেবেন।
কর্মসূচি শেষে তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।
এমএন
রাজনীতি
আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি: সালাহউদ্দিন
আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়ায় বমুবিলছড়িতে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা এখনও আওয়ামী লীগের প্রতি সহানুভূতিশীল, তাদের প্রতি অনুরোধ আপনারা স্বাধীনতাপন্থী শক্তির সঙ্গে থাকুন। কারণ, আওয়ামী লীগ কখনোই বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেনি। তারা বাংলাদেশকে ভারতের করদ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়েছে এবং নিজেদের দেশ ভারতের দিল্লিতে আশ্রয় নিয়েছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি গণহত্যাকারী, ফ্যাসিবাদী ও মাফিয়া শক্তি। আওয়ামী লীগের কখনোই প্রকৃত রাজনৈতিক চরিত্র ছিল না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, যারা আগে আওয়ামী লীগ করতেন, তাদের ভুল নিশ্চয়ই এখন ভেঙেছে। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে বিশ্বাস করবেন-এটাই প্রত্যাশা।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শেখ হাসিনা একা পালিয়ে গেলেও তার সব কর্মী দেশ ছেড়ে যেতে পারেনি। সবার তো আর দিল্লি যাওয়ার সুযোগ হয়নি, শেখ হাসিনাও সবাইকে নিয়ে যেতে পারেনি। দেশে যারা রয়ে গেছে— আমাদের অনেক ভাই-বন্ধু, যারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে যুক্ত ছিলেন, তারা রাজনীতি করতেই পারেন। সেটি তাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা।
ধর্মের উছিলায় একটি দল ভোট চায় মন্তব্য করে এরপর বিএনপির এ নেতা বলেন, কেউ কেউ জান্নাতের বাহনা দিচ্ছে। এতে যেন কেউ বিভ্রান্ত না হয়। দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য ধানের শীষে ভোট দেন সবাই।
এমকে
রাজনীতি
নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগে নৌকা আর ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নেই। নৌকার কান্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছে। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। বিপদে ফেলে চলে গেছে। থাকলে অত্যন্ত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী গণসংযোগে এ কথা বলেন তিনি৷
মির্জা ফখরুল বলেন, যারা পাকিস্তানি সেনাদের সাহায্য করেছে৷ আমাদের হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। তারা আবার এসে ভোট চাচ্ছে। যে দলটা আমাদের দেশকে বিশ্বাস করে না। স্বাধীনতাকে বিশ্বাস করে না। তাদেরকে ভোট দিয়ে দেশটার সর্বনাশ করব না৷
এ সময় সদর উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল হামিদসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
রাজনীতি
জুলাই যোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে: তারেক রহমান
১৯৭১ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছিলেন। সেটি ছিল আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ। আর ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টের যোদ্ধারা সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। গত ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিএনপির ৪১৯ জনসহ হাজারেরও বেশি মানুষকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যার তারেক রহমান।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১১টায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সুয়াগাজী ফুলতলী (ডিগবাজি) মাঠে আয়োজিত বিশাল এক নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি অতীতে সফলভাবে দেশ পরিচালনা করেছে। আমরাই নারীদের উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছি এবং কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদ মওকুফ করেছি। রাষ্ট্র পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে আমরা জানি—কীভাবে দুর্নীতি দমন করতে হয়, কীভাবে তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হয় এবং মানুষের জীবনযাত্রা নিরাপদ করতে হয়।
ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের এই উদ্যোগ নিয়ে অন্য দলগুলো অনেক সমালোচনা করেছে। তারা যা খুশি বলুক, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আপনারা ধানের শীষকে জয়যুক্ত করে সরকার গঠনের সুযোগ দিলে আমরা জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাবো।
তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ হচ্ছে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে হবে। জনগণ যদি এখন ১০ শতাংশ ভাল থাকে, যাতে আমরা ২০ শতাংশ করতে পারি। ১০০ শতাংশ ধীরে ধীরে যাবো আমরা। কিন্তু অন্তত ২০ শতাংশ নিলেও আমরা অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।
এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা ১১টি সংসদীয় আসনের নির্বাচনি সমন্বয়ক আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এমকে



