Connect with us

জাতীয়

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

Published

on

গোল্ডেন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি বিশেষ ছুটি দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বুধ ও বৃহস্পতিবার সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সারাদেশে নির্বাচনকালীন নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হলো। একই সঙ্গে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এমএন

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

সর্বোচ্চ তিন মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

গোল্ডেন

অভিবাসন ভিসা স্থগিতের পর সর্বোচ্চ ৩ মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে বলে জানাল যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস ‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে এ সংক্রান্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসন ভিসা স্থগিত করছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। গেল ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশকে ‘ভিসা বন্ড’ তালিকাতেও যুক্ত করেছে দেশটি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

‘ভিসা বন্ড’ পাইলট প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে এ সংক্রান্ত বার্তায় আজ ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস জানিয়েছে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছে। তথ্যগুলো হলো-

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

• মা‌র্কিন যুক্তরা‌ষ্ট্রের ভিসার জন‌্য অনু‌মো‌দিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে ভিসা বন্ড পরিশোধ করতে হবে।

• ভিসা ইন্টারভিউয়ের পর যোগ্য হলে কনসুলার কর্মকর্তা আপনাকে pay.gov–এর সরাসরি লিংকসহ পরিশোধের নির্দেশনা দেবে।

• ৩০ দিনের মধ্যে বন্ড পরিশোধ করতে হবে।

• সর্বোচ্চ ৩ মাস মেয়াদি, একবার প্রবেশযোগ্য (সিঙ্গেল-এন্ট্রি) ভিসা দেওয়া হবে।

• নির্ধারিত কিছু পোর্ট অব এন্ট্রি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে।

• দেশে ফিরে আসার পর ভিসার সব শর্ত পূরণ হলে বন্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হবে এবং অর্থ ফেরত দেওয়া হবে (শর্তের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ না করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে ফেরা)।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভিসা বন্ড’ তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাড়তি সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ‘ভিসা বন্ড’ বা জামানত জমা দিতে হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান (ওভারস্টে), তাদের নিরুৎসাহিত করা। মূলত যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার বেশি, সেসব দেশকেই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ব্যবহার বাধ্যতামূলক
ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে তিনটি বিমানবন্দর নির্দিষ্ট করে দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ এখন বাংলাদেশিরা কেবল এই তিন বিমানবন্দর দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। বিমানবন্দর তিনটি হলো— বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (BOS), জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (JFK) ও ওয়াশিংটন ডুলস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (IAD)।

এই নির্ধারিত পথ ছাড়া অন্য কোনো পথে প্রবেশ বা বের হলে বন্ডের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে গণ্য হতে পারে, যা টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করবে।

বাংলাদেশের পাশাপাশি এই তালিকায় আছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, ভুটান, কিউবা, জিবুতি, ফিজি, নাইজেরিয়া, নেপাল, উগান্ডা। তালিকার দেশগুলোর জন্য ভিন্ন ভিন্ন তারিখ থেকে এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

এই নিয়মের ফলে বাংলাদেশিদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়া আরও ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে উঠবে।

ভিসা বন্ড কী
ভিসা বন্ড হলো এক ধরনের আর্থিক নিশ্চয়তা। কিছু দেশ নির্দিষ্ট বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক ভিসা দেওয়ার আগে এমন জামানত বা নিশ্চয়তা নিয়ে থাকে; যেন তারা ভিসার শর্ত, বিশেষ করে থাকার সময়সীমা মেনে চলেন।

প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র হাজারো বিদেশি শিক্ষার্থী, পর্যটক ও কর্মীকে অস্থায়ী নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা দেয়। এসব ভিসার মেয়াদ কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত হতে পারে।

কোনো নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারী অনুমোদিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে সেটি ভিসা ওভারস্টে বলে গণ্য হয়।

বেশির ভাগ দেশই ভিসার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ থাকার প্রমাণ চায়। কিন্তু ফেরতযোগ্য জামানত দিয়ে দেশে প্রবেশের অনুমতি প্রদানের ব্যবস্থা চালু করেনি। নিউজিল্যান্ড একসময় ওভারস্টে নিয়ন্ত্রণে ভিসা বন্ড চালু করেছিল, পরে তা আর কার্যকর হয়নি। ২০১৩ সালে যুক্তরাজ্য কিছু ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের ভ্রমণকারীদের জন্য ভিসা বন্ড চালুর উদ্যোগ নেয়, কিন্তু পরে তা বাতিল করে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জাতীয় ডাটা সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ১৯টি নতুন ক্লাউড

Published

on

গোল্ডেন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে জাতীয় ডাটা সেন্টার (এনডিসি)-এর ১৯টি নতুন ক্লাউড ফ্যাসিলিটির সেবা চালু করছে। ভৌত অবকাঠামো, স্টোরেজ, মেমোরি ও প্রসেসিং পাওয়ার, সিকিউরিটি এবং মনিটরিং—এই পাঁচটি মূল কম্পোনেন্টের সক্ষমতা কয়েকগুণ সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে বলা হয়, ভৌত অবকাঠামো, স্টোরেজ, মেমোরি ও প্রসেসিং পাওয়ার, সিকিউরিটি এবং মনিটরিং এই পাঁচটি মূল কম্পোনেন্টের সক্ষমতা কয়েকগুণ সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে জাতীয় ডেটা সেন্টারের আওতায় পরিচালিত বিদ্যমান ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বাস্তব চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং ভবিষ্যৎ চাহিদা বিবেচনায় যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে একটি নতুন তিনতলাবিশিষ্ট টায়ার-৩ সার্টিফায়েড পূর্ণাঙ্গ ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টার নির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নতুন ডেটা সেন্টারে উচ্চ বিদ্যুৎ সক্ষমতাসম্পন্ন দুই শতাধিক আইটি কেবিনেট ও রেক স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যেখানে কম্পিউটিং ওয়ার্কলোডের পাশাপাশি এআই ওয়ার্কলোডও হোস্ট করা যাবে। বর্তমানে এ সক্ষমতা মাত্র ১৬টি সাধারণ বিদ্যুৎ সক্ষমতাসম্পন্ন রেকে সীমাবদ্ধ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারের ছয় শতাধিক সংস্থার ই-মেইল সিস্টেম এবং ক্লাউড স্টোরেজ হোস্টিং সেবা প্রদানের লক্ষ্যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং অবকাঠামো হিসেবে নিউটানিক্স প্রাইভেট ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্থাপন করা হয়েছে। এ অবকাঠামোর আওতায় আধুনিক জিপিইউ সেবাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে সরকারি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ওয়ার্কলোড পরিচালনার পাশাপাশি জেনারেটিভ এআই এবং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) ভিত্তিক উদ্ভাবনী সেবা চালু করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল সরকারি ডিজিটাল অ্যাপ্লিকেশনসমূহ আধুনিকায়ন এবং সফটওয়্যার জীবনচক্র ব্যবস্থাপনায় ডেভওপস ও ডেভসেকওপস প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তির অধ্যাদেশ জারি

Published

on

গোল্ডেন

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক, মানবিক ও আইনের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলায় না জড়ানোর বিধান রেখে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে আধ্যাদেশের গেজেট জারি করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

জুলাই অভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যাবলী থেকে জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের দায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে। এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদ বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

অধ্যাদেশে বলা হয়, ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে, যা পরবর্তীকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন ফ্যাসিবাদী সরকারের নির্দেশে পরিচালিত নির্বিচার হত্যাকাণ্ড ও সশস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করতে আত্মরক্ষাসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অনিবার্য হয়ে উঠে।

এতে আরও বলা হয়, এ প্রতিরোধ কর্মে এবং জনশৃঙ্খলা পুনর্বহাল ও নিশ্চিত করার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী গণঅভ্যুত্থানকারীদের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৬ অনুযায়ী সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। তাই এ প্রেক্ষাপটে অধ্যাদেশটি করা হয়েছে।
আগের মামলা প্রত্যাহার, হবে না নতুন মামলা

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের কারণে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা বিধান অনুযায়ী প্রত্যাহার করা হবে। এ বিষয়ে নতুন কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের আইনত করা যাবে না।

কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা, অভিযোগ বা কার্যধারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করার কারণে দায়ের করা হলে পাবলিক প্রসিকিউটর বা সরকারনিযুক্ত কোনো আইনজীবীর প্রত্যয়নের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আদালতে আবেদন দাখিল করা হবে। আবেদন দাখিলের পর আদালত এ মামলা বা কার্যধারা সম্পর্কে আর কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করবেন না। এ মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি অবিলম্বে অব্যাহতি বা খালাস পাবেন বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো গণঅভ্যুত্থানকারীর বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগ থাকলে তা মানবাধিকার কমিশনে দাখিল করা যাবে এবং কমিশন অভিযোগ তদন্তের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তবে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এ যা কিছু থাকুক না কেন, যেক্ষেত্রে হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে (পুলিশ বা অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী) কর্মরত ছিলেন, সেক্ষেত্রে কমিশন ওই প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীতে বর্তমানে বা আগে কর্মরত কোনো কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিতে পারবে না। তদন্ত চলাকালে আসামিকে গ্রেফতার বা হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজন হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করবেন বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

কমিশনের তদন্তে যদি দেখা যায়, অভিযোগটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অপরাধমূলক অপব্যবহার ছিল, তাহলে কমিশন সংশ্লিষ্ট আদালতে প্রতিবেদন দেবে। আদালত সেটিকে পুলিশ প্রতিবেদন হিসেবে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বলে অধ্যাদেশে জানানো হয়েছে।

কমিশনের তদন্তে যদি দেখা যায়- অভিযোগে উল্লিখিত কাজ রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ ছিল, সেক্ষেত্রে কমিশন উপযুক্ত মনে করলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সরকারকে আদেশ দিতে পারবে।

এক্ষেত্রে আদালতে কোনো মামলা করা যাবে না কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যধারা গ্রহণ করা যাবে না বলেও অধ্যাদেশে জানানো হয়। অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সরকার প্রয়োজনে বিধি প্রণয়ন করতে পারবে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

দেশে অবৈধ মাদক ব্যবহারকারী ৮২ লাখ: গবেষণা

Published

on

গোল্ডেন

দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ বা প্রায় ৮২ লাখ মানুষ কোনো না কোনো ধরনের অবৈধ মাদক ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত একটি জাতীয় গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রোববার বিএমইউর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনফারেন্স হলের ৫০৪ নম্বর কক্ষে ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট কারণসমূহ’ শীর্ষক জাতীয় পর্যায়ের গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএমইউর উপাচার্য অধ্যাপক মো. শাহিনুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) মহাপরিচালক হাসান মারুফ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে মাদক ব্যবহার একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তবে এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহারের আওতায় আনা হয়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত গবেষণাটি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালটেন্টস লিমিটেড (আরএমসিএল) যৌথভাবে সম্পন্ন করে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়কালে নেটওয়ার্ক স্কেল-আপ মেথড ব্যবহার করে দেশের আটটি বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণায় বিভাগভেদে মাদক ব্যবহারের হারে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গেছে। ময়মনসিংহ (৬.০২ শতাংশ), রংপুর (৬.০০ শতাংশ) ও চট্টগ্রাম (৫.৫০ শতাংশ) বিভাগে মাদক ব্যবহারের হার সবচেয়ে বেশি। তুলনামূলকভাবে রাজশাহী (২.৭২ শতাংশ) ও খুলনা বিভাগে (৪.০৮ শতাংশ) হার কম।

সংখ্যার হিসাবে সবচেয়ে বেশি মাদক ব্যবহারকারী ঢাকা বিভাগে—প্রায় ২২ লাখ ৯০ হাজার। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮ লাখ ৭৯ হাজার এবং রংপুর বিভাগে প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার মানুষ। সব মিলিয়ে দেশে যেকোনো ধরনের মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮১ লাখ ৯৫ হাজার।

মাদক প্রকারভেদ বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক গাঁজা (ক্যানাবিস)। এর ব্যবহারকারী প্রায় ৬০ লাখ ৮০ হাজার। এরপর রয়েছে ইয়াবা বা মেথামফেটামিন (প্রায় ২৩ লাখ), অ্যালকোহল (২০ লাখ), কোডিনযুক্ত কাশির সিরাপ, ঘুমের ওষুধ ও হেরোইন। ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা প্রায় ৩৯ হাজার, যাদের মধ্যে এইচআইভি ও হেপাটাইটিসসহ সংক্রামক রোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি।

গবেষণায় আরও জানা যায়, একজন মাদক ব্যবহারকারী গড়ে মাসে প্রায় ছয় হাজার টাকা মাদকের পেছনে ব্যয় করেন। একই ব্যক্তি একাধিক ধরনের মাদক সেবন করতেও পারে।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাদক ব্যবহারকারীদের বড় একটি অংশ খুব অল্প বয়সেই মাদকে জড়িয়েছে। প্রায় ৩৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ৮–১৭ বছর বয়সে প্রথম মাদক গ্রহণ করে এবং ৫৯ শতাংশ শুরু করে ১৮–২৫ বছর বয়সে।

বেকারত্ব, বন্ধুমহলের চাপ, আর্থিক অনিশ্চয়তা, পারিবারিক অস্থিরতা, মানসিক চাপ ও অনানুষ্ঠানিক পেশায় যুক্ত থাকা মাদক ব্যবহারের প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আশঙ্কাজনকভাবে, প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যবহারকারী জানিয়েছেন—মাদক সহজেই পাওয়া যায়।

চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের সুযোগ নিয়েও গবেষণায় হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। মাত্র ১৩ শতাংশ মাদক ব্যবহারকারী কখনো চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা পেয়েছেন। যদিও অর্ধেকের বেশি ব্যবহারকারী মাদক ছাড়ার চেষ্টা করেছেন, পর্যাপ্ত চিকিৎসা, কাউন্সেলিং ও সামাজিক সহায়তার অভাবে অধিকাংশই সফল হতে পারেননি।

মাদক ব্যবহারকারীরা চিকিৎসা ও পুনর্বাসন (৬৯ শতাংশ), কাউন্সেলিং (৬২ শতাংশ) এবং কর্মসংস্থান সহায়তাকে (৪১ শতাংশ) সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ৬৮ শতাংশ ব্যবহারকারী সামাজিক ও পারিবারিক পর্যায়ে অপবাদ ও বৈষম্যের শিকার হওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গবেষণা স্পষ্ট করে দেখিয়েছে—মাদক সমস্যা শুধু আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়। এটি একটি বহুমাত্রিক জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকট। তাই দমনমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রতিরোধ, চিকিৎসা, পুনর্বাসন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক পুনঃএকত্রীকরণ নিশ্চিত করাই সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠানে বিএমইউর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম বলেন, “আমরা ভাবি মাদকাসক্তরা অন্য কেউ। কিন্তু বাস্তবে আমরা এবং আমাদের সন্তানেরাও ঝুঁকির মধ্যে আছি। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই বিপদ মোকাবিলা করতে হবে।”

মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. হাসান মারুফ বলেন, পরিবার থেকেই মাদক প্রতিরোধ শুরু করতে হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা সম্প্রসারণে ঢাকা ছাড়াও সাত বিভাগে ২০০ শয্যার পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে।

বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, শিশু ও তরুণদের মাদকের ভয়াবহ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে সরবরাহ ও চাহিদা— দুটিই কমাতে হবে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

হাসিনার প্রকাশ্য বক্তব্য দেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

Published

on

গোল্ডেন

মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত পলাতক শেখ হাসিনাকে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বিস্ময় ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। সরকার বলছে, ওই বক্তব্যে বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃ‌তি‌তে দিল্লিতে শেখ হা‌সিনার প্রকাশ্য বক্ত‌ব্যের বি‌রোধিতা করে‌ছে সরকার।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিবৃতিতে বলা হয়, ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং তার দলীয় অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে নির্বাচনকে ভন্ডুল করতে সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়ানোর আহ্বান জানান। বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এ ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বল‌ছে, দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত আনার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও ভারত এখনো সে দায়িত্ব পালন করেনি। উল্টো নিজ ভূখণ্ডে তাকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি।

ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেওয়া আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালা সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থি। এটি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই বেপরোয়া উসকানি প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনের আগে ও নির্বাচন দিবসে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য সরকার আওয়ামী লীগকে দায়ী করবে এবং তাদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএন

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার58 minutes ago

গোল্ডেন সনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি গোল্ডেন সন লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ৩১ জানুয়ারি দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ফার কেমিক্যাল

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৪টায়...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিত...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সোনালী আঁশ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সোনালী আঁশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো এমএল ডাইং

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি এমএল ডাইং অ্যান্ড টেক্সটাইল পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মাগুরা মাল্টিপ্লেক্স পিএলসি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ৩১ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত...

গোল্ডেন গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

ইউনাইটেড পাওয়ারের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির পর্ষদ সভা আগামী ২৯ জানুয়ারি...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
গোল্ডেন
রাজনীতি11 minutes ago

নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত: মির্জা ফখরুল

গোল্ডেন
অর্থনীতি20 minutes ago

সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার: অর্থসচিব

গোল্ডেন
জাতীয়36 minutes ago

সর্বোচ্চ তিন মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার58 minutes ago

গোল্ডেন সনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ফার কেমিক্যাল

গোল্ডেন
জাতীয়1 hour ago

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

গোল্ডেন
আইন-আদালত1 hour ago

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

গোল্ডেন
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সোনালী আঁশ

গোল্ডেন
রাজনীতি11 minutes ago

নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত: মির্জা ফখরুল

গোল্ডেন
অর্থনীতি20 minutes ago

সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার: অর্থসচিব

গোল্ডেন
জাতীয়36 minutes ago

সর্বোচ্চ তিন মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার58 minutes ago

গোল্ডেন সনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ফার কেমিক্যাল

গোল্ডেন
জাতীয়1 hour ago

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

গোল্ডেন
আইন-আদালত1 hour ago

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

গোল্ডেন
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সোনালী আঁশ

গোল্ডেন
রাজনীতি11 minutes ago

নৌকা থাকলে গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করত: মির্জা ফখরুল

গোল্ডেন
অর্থনীতি20 minutes ago

সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার: অর্থসচিব

গোল্ডেন
জাতীয়36 minutes ago

সর্বোচ্চ তিন মাসের সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেবে যুক্তরাষ্ট্র

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার58 minutes ago

গোল্ডেন সনের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার1 hour ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো ফার কেমিক্যাল

গোল্ডেন
জাতীয়1 hour ago

নির্বাচন উপলক্ষে ৩ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

গোল্ডেন
আইন-আদালত1 hour ago

সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

গোল্ডেন
কর্পোরেট সংবাদ2 hours ago

রেমিট্যান্স সেবা সহজ করতে নগদ ও শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ

গোল্ডেন
পুঁজিবাজার2 hours ago

পর্ষদ সভার তারিখ জানালো সোনালী আঁশ