জাতীয়
একনেক সভায় ৪৫ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১০ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৩২ হাজার ১৮ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার ২৯১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা পাওয়া যাবে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বএ অনুষ্ঠিত সভায় এ প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১৪টি নতুন, ৬টি সংশোধিত এবং ৫টি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন জানায়, উল্লেখযোগ্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে উত্তরের জনপদে উন্নত চিকিৎসার লক্ষ্যে ১০০০ শয্যা বিশিষ্ট ‘বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল’ স্থাপন। এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পটিও একনেকে পাস হয়েছে।
যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে চট্টগ্রামের লালখান বাজার থেকে শাহ-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ (২য় সংশোধিত) এবং দোহাজারী-রামু-কক্সবাজার সিঙ্গেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যুব ও আইটি খাতের উন্নয়ন শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশীদের জন্য ৬৪ জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সংশোধিত প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও স্কুল বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ তৈরির প্রকল্পে সায় দিয়েছে কমিটি।
নাম পরিবর্তন ও সমাপ্তি সভায় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি’র নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি’ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মহাকাশ ও অবলোকন কেন্দ্র এবং খুলনা নভোথিয়েটার প্রকল্প দুটি অসমাপ্ত রেখেই সমাপ্ত করার বিষয়ে জানানো হয়।
একনেক সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।
এমকে
জাতীয়
নির্বাচন কমিশনের ওপর কূটনীতিদের শতভাগ আস্থা আছে: সিইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানার পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সর্বোচ্চ আস্থা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর সোয়া ১২টার দিকের রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান।
সিইসি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা কী কী প্রস্তুতি নিয়েছি তার সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাদেরকে আজ আমরা জানিয়েছি। তারা আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং আমাদের সকল কর্মকাণ্ডকে এপ্রিশিয়েট করেছেন। তারা আমাদেরকে এ-ও জানিয়েছেন যে, তারা একটি স্বচ্ছ নির্বাচন বিষয়ে কমিশনের প্রতি খুবই আস্থাশীল।
তিনি বলেন, আমাদের কর্মকাণ্ড পুরোটা আমরা তাদের সামনে তুলে ধরেছি। আমরা তাদেরকে জানিয়েছি যেএখানে কোন লুকচুরির কোনো ব্যাপার নাই। আমরা ইনশাআল্লাহ একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে পারব, এ বিষয়ে তারা আশাবাদী।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের প্রস্তুতির পাশাপাশি নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোতায়েন বিষয়ে আমাদের পরিকল্পনা কী তা জানতে চেয়েছেন, আমরা তাদের জানিয়েছি যে নির্বাচন উপলক্ষে আমরা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও আনসার মোতায়েন করব।
তিনি বলেন, তারা আমাদের কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে খুব ভালোভাবে বুঝেছেন। আমাদের যে উদ্দেশ্যটা একেবারেই স্বচ্ছ এবং ফোকাসটা একটা সুন্দর নির্বাচন আয়োজন-এ ব্যাপারে তারা বুঝতে পেরেছেন এবং তারা খুবই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। আগামীতে তারা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন।
সিইসি বলেন, আপনারা নিশ্চিত থাকেন। ইনশাল্লাহ আমাদের তরফ থেকে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সুন্দর একটা নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।
এর আগে, সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর গুলশানে ওয়েস্টিন হোটেলের বলরুমে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট, ২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও মিশনে কর্মরত সকল বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন।
এ বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার- আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত), ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ নির্বাচন কমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করছেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ইত্যাদি নানা জরুরি বিষয়ে কূটনীতিকদের অবহিত করতে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এমকে
জাতীয়
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি সব মিশনের কূটনীতিকদের সঙ্গে আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় হোটেল ওয়েস্টিনে আমরা (কমিশনের সব সদস্য) দেশে অবস্থানরত সব বিদেশি কূটনীতিক, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসব।
তিনি আরও বলেন, এ বৈঠকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে কমিশনের প্রস্তুতি, স্বচ্ছতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হবে।
এমকে
জাতীয়
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
দেশের উত্তরাঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার প্রায় ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব দিকে এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বলে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে এই কম্পন অনুভূত হয়। অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণকারী আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সূত্রটি জানায়, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থলের গভীরতা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। তবে প্রাথমিক বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি অগভীর ভূমিকম্প ছিল।
এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে হালকা কম্পনের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এমকে
জাতীয়
ভবিষ্যৎ সরকারের জন্য সাত দফা ‘পরিবেশ এজেন্ডা’ দিলেন রিজওয়ানা হাসান
স্বাধীনতার ৫৪ বছর ধরে পুঞ্জীভূত অব্যবস্থাপনা, দূষণ ও পরিবেশগত সংকট দেড় বছরের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে পুরোপুরি সমাধান করা বাস্তবসম্মত নয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তবে বর্তমান সরকার একটি স্বচ্ছ সমাধান প্রক্রিয়ার ভিত্তি তৈরি করে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য সাত দফার একটি সুসংহত ‘পরিবেশ এজেন্ডা’ তুলে ধরেন।
উপদেষ্টা বলেন, “চীন যে সমস্যা ১০ বছরে শেষ করতে পারে না, তা বাংলাদেশের এই সরকারের কাছে দেড় বছরে প্রত্যাশা করা ঠিক নয়।” তিনি স্পষ্ট করেন যে, সমস্যার পাহাড় রাতারাতি সরানো সম্ভব নয়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই—এখন প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি কাঠামোগত সমাধানের পথ তৈরি করছে। এই সংস্কার কার্যক্রমকে টেকসই করতে এবং পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন হবে।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনী ইশতেহারগুলোতে ভালো কথার অভাব নেই, কিন্তু বড় ঘাটতি বাস্তবায়নের রোডম্যাপে। রাজনৈতিক সস্তা জনপ্রিয়তার বাইরে এসে দায়বদ্ধ আচরণের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সহজ, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে—তা স্পষ্ট না হলে জনগণ কিছুই পায় না।
উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত চারটি নির্বাচনে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে বারবার অঙ্গীকার করা হলেও বাস্তবে তা আজও পূরণ হয়নি। এই বাস্তবতা থেকেই শিক্ষা নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।
আগামী সরকারের জন্য সাত দফা পরিবেশ এজেন্ডা
ভবিষ্যৎ সরকারের করণীয় হিসেবে উপদেষ্টা সাতটি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব দেন—
১. বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ: ইটের বিকল্প হিসেবে ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো এবং জ্বালানি মান ইউরো-৪ থেকে ইউরো-৬ এ উন্নীত করে বায়ুমান উন্নয়ন।
২. শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ: পুলিশ সার্জেন্টদের সরাসরি জরিমানা করার ক্ষমতা দিয়ে নতুন বিধিমালা কার্যকর করে হর্ন ব্যবহারের সংস্কৃতি বদলানো।
৩. বন পুনরুদ্ধার: দখলকৃত বনভূমি উদ্ধার এবং বন সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী প্রাকৃতিক বন অন্য কাজে ব্যবহার বন্ধ রাখা।
৪. বন্যপ্রাণী কল্যাণ: বন্যপ্রাণী ও বননির্ভর জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ।
৫. শিল্প দূষণ রোধ: অনলাইন মনিটরিংয়ের মাধ্যমে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ।
৬. আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা: তিস্তা ও পদ্মা ব্যারেজসহ বড় প্রকল্পগুলোর ফিজিবিলিটি ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা।
৭. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বিভাগীয় শহরগুলোতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে সার উৎপাদনের উদ্যোগ।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর দেশে প্রথমবারের মতো যানবাহন স্ক্র্যাপিংয়ের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ‘স্ক্র্যাপ পলিসি’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া বায়ুদূষণ কমাতে সরকার ১০০টি ইলেকট্রিক বাস আমদানির প্রকল্প অনুমোদন করেছে।
এছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) থেকে ২০ হাজার একর বনভূমি এবং কক্সবাজারে প্রশাসনের ট্রেনিং সেন্টারের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ৭০০ একর বনভূমি উদ্ধার করা হয়েছে। সাভারকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে এবং অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে নিয়মিত অভিযান চলছে।
বুড়িগঙ্গা নদীর নিচে ৫ থেকে ৭ মিটার পলিথিন স্তরের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, পলিথিনমুক্ত বাজার চাইলে কেবল সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না—জনগণকেও আচরণ বদলাতে হবে।
ভবিষ্যৎ সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি পরিবেশবান্ধব কাজ করা হয়, আমরা সহযোগিতা করব। কিন্তু পরিবেশের বিরুদ্ধে গেলে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান সরকার পরিবেশের যে সুদৃঢ় ভিত্তি তৈরি করছে, পরবর্তী সরকার সেটিকে মূল রাষ্ট্রীয় এজেন্ডায় পরিণত করবে।
এমএন
জাতীয়
দ্রুত পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর আহ্বান ইসির
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দিয়ে হলুদ খাম ডাকযোগে পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছে ইসি। ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটারদের ব্যালট রিটার্নিং অফিসারের নিকট পৌঁছালেই ভোট গণনায় সম্পৃক্ত হবে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এতে বলা হয়েছে, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী ভোটারগন ব্যালট প্রাপ্তির পর যত দ্রুত সম্ভব ভোটদান সম্পন্ন করে নিকটস্থ পোস্ট অফিস/ডাক বাক্সে হলুদ খাম জমা দিন।
রিটার্নিং অফিসারের নিকট ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ব্যালট পৌঁছালেই শুধুমাত্র ভোট গণনায় সম্পৃক্ত হবে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
এমএন



