পুঁজিবাজার
মুন্নু এগ্রোর পর্ষদ সভা ২৮ জানুয়ারি
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি মুন্নু এগ্রো অ্যান্ড জেনারেল মেশিনারি লিমিটেড পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা করেছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি বিকাল ৫টায় কোম্পানিটির পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, আলোচিত সভায় কোম্পানিটির গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সমাপ্ত দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর’২০২৫-ডিসেম্বর’২৫) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হবে। পর্ষদ এ প্রতিবেদন অনুমোদন করলে তা প্রকাশ করবে কোম্পানিটি।
এমকে
পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার উন্নয়নে ডিবিএ–জেএসডিএ’র যৌথ উদ্যোগ
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও শক্তিশালী, দক্ষ ও আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত করতে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এবং জাপান সিকিউরিটিজ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (জেএসডিএ)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন তাকাশি হিবিনো ও সাইফুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক কোনো স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ডিবিএ’র এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সমঝোতা, যা সংগঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সমঝোতা অনুযায়ী, উভয় পক্ষ পুঁজিবাজার উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে। এর মধ্যে রয়েছে আইন ও বিধিবিধান বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়, স্ব-নিয়ন্ত্রক সংস্থার শাসনব্যবস্থা ও নীতিমালা উন্নয়ন, তদারকি ও কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম জোরদার, আধুনিক আর্থিক লেনদেন পদ্ধতি গড়ে তোলা, নতুন বিনিয়োগ পণ্য উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগকারী শিক্ষার প্রসার।
চুক্তি প্রসঙ্গে ডিবিএ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, জেএসডিএ’র মতো অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব দেশের পুঁজিবাজারে কাঠামোগত উন্নয়ন, সুশাসন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে, যা বাজারকে আরও স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করে তুলবে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার আরও সংগঠিত ও গতিশীল হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এর সুফল পাবে।
চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য জেএসডিএ’র চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে দুই সংস্থার মধ্যে আরও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
উল্লেখ্য, জেএসডিএ পরিচালিত এশিয়া সিকিউরিটিজ ফোরাম এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ডিবিএ ২০২৩ সাল থেকে এই ফোরামের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে অংশ নিয়ে দেশের পুঁজিবাজার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
পুঁজিবাজার
ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছে
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) কমেছে। আলোচ্য এ সময়ে ডিএসইর পিই রেশিও কমেছে ১ শতাংশ।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্য মতে, বিদায়ী সপ্তাহের শুরুতে ডিএসইর পিই রেশিও ছিল ৯.৪৬ পয়েন্টে। আর সপ্তাহ শেষে পিই রেশিও অবস্থান করছে ৯.৩৬ পয়েন্টে। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর পিই রেশিও ০.১ পয়েন্ট বা ১ শতাংশ কমেছে।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিএফফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে পিএফফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির ইউনিটদর বেড়েছে ৩০.১৯ শতাংশ।
আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ফান্ডটির দর ছিল ৫ টাকা ৩০ পয়সা, যা বিদায়ী সপ্তাহ শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ৯০ পয়সায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে দর বেড়েছে ১ টাকা ৬০ পয়সা।
দর বৃদ্ধির তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মীর আখতার হোসেন। কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩৬ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছেছে, যা ৩০.০০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পিএলএফএসএল। প্রতিষ্ঠানটির দর ২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৯০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, অর্থাৎ ২৬.০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে ২১.৬৮ শতাংশ (৩০ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৩৭ টাকা ৬০ পয়সা), পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ২০.৪৮ শতাংশ (৪৯ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৬০ টাকা), মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের ১৮.৪৮ শতাংশ (২৭ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৩২ টাকা ৭০ পয়সা), ডেল্টা স্পিনিংয়ের ১৭.৫৪ শতাংশ (৫ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৬ টাকা ৭০ পয়সা), ফাস ফাইন্যান্সের ১৭.৩৯ শতাংশ (২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৭০ পয়সা), গোল্ডেন সনের ১৫.৬৩ শতাংশ (১২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১৪ টাকা ৮০ পয়সা) এবং এইচএফএলের ১৫.১১ শতাংশ (১৩ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ১৬ টাকা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ দরপতনের শীর্ষে রয়েছে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৩.৮৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে শেয়ারটির মূল্য ছিল ৩ টাকা ৬০ পয়সা, যা বিদায়ী সপ্তাহ শেষে নেমে এসেছে ৩ টাকা ১০ পয়সায়। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে দর কমেছে ৫০ পয়সা।
দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জিএসপি ফাইন্যান্স। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৪ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমে ৪ টাকা ৫০ পয়সায় নেমেছে, যা ৬.২৫ শতাংশ হ্রাস নির্দেশ করে।
তৃতীয় স্থানে থাকা আলহাজ টেক্সটাইলের শেয়ারদর কমেছে ৬.২২ শতাংশ। সপ্তাহের শুরুতে এর দর ছিল ১২০ টাকা ৫০ পয়সা, যা শেষ কার্যদিবসে দাঁড়িয়েছে ১১৩ টাকায়। এতে দর কমেছে ৭ টাকা ৫০ পয়সা।
এছাড়া সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে হাক্কানি পাল্পের দর কমেছে ৬.১৪ শতাংশ (৮৩ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৭৮ টাকা), ফ্যামিলি টেক্সের ৬.০৬ শতাংশ (৩ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ১০ পয়সা), নূরানী ডাইংয়ের ৫.৮৮ শতাংশ (৩ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৩ টাকা ২০ পয়সা), এপেক্স ট্যানারির ৫.৮৭ শতাংশ (৭৮ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৭৩ টাকা ৮০ পয়সা), রহিম টেক্সটাইলের ৫.৫৪ শতাংশ (২০৯ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১৯৭ টাকা ৬০ পয়সা), আইএফআইসি ব্যাংকের ৫.৪৫ শতাংশ (৫ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৫ টাকা ২০ পয়সা) এবং এটলাস বাংলাদেশের ৫.০৫ শতাংশ (৭১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৬৭ টাকা ৭০ পয়সা)।
পুঁজিবাজার
সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ
বিদায়ী সপ্তাহে (১২-১৬ এপ্রিল) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এ লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান নিয়েছে খান ব্রাদার্স পিপি ব্যাগ। পুরো সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ৪.৪৩ শতাংশের সমান। ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিটি ব্যাংক। কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৫৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.৪৯ শতাংশ।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইডস। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ২৫ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩.১১ শতাংশ।
এদিকে শীর্ষ তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানির মধ্যে লাভেলো আইসক্রিমের দৈনিক গড় লেনদেন ১৮ কোটি ৭১ লাখ ৮০ হাজার টাকা (২.২৯ শতাংশ), ডমিনেজ স্টিলের ১৭ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা (২.১১ শতাংশ), সাপোর্ট লিমিটেডের ১২ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা (১.৫৬ শতাংশ), কেডিএস এক্সেসরিজের ১২ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা (১.৫৫ শতাংশ), গোল্ডেন সনের ১১ কোটি ৮২ লাখ টাকা (১.৪৪ শতাংশ), মীর আখতার হোসাইনের ১১ কোটি ৭৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা (১.৪৪ শতাংশ) এবং পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ১১ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা (১.৪০ শতাংশ) লেনদেন হয়েছে।



