Connect with us

জাতীয়

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

Published

on

ডিএসই

দেশের সামগ্রিক ও ইতিবাচক পরিবর্তনে গণভোটে জনগণকে হ্যাঁ ভোটের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে ডিসি, ইউএনও ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর ইস্কাটনের বিয়াম ভবনে এক মতবিনিময়সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত ১৬ বছরে বাংলাদেশ থেকে যত টাকা লুট হয়েছে তা দিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে স্বনির্ভর করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন ড. আলী রীয়াজ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর থাকতে হবে।

তাই গণভোটে হ্যাঁ-কে জয়যুক্ত করা প্রয়োজন।

আলী রীয়াজ বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে স্বার্থ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে ব্যবহার করা হয়েছে। এক ব্যক্তির সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়ে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়েছিল। তাই দেশ শাসনে এক ব্যক্তির ক্ষমতা লোপ করতে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হয়েছে।

দলের লেজুড়বৃত্তি না করে এলাকার মানুষের অধিকার আদায়ে সংসদ সদস্যদের কাজ করার আহ্বান জানান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

শেয়ার করুন:-

জাতীয়

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

Published

on

ডিএসই

আসন্ন গণভোটের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফটোকার্ড শেয়ার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার সকাল ১১টার দিকে ফেসবুক পেজ এবং এক্স হ্যান্ডল থেকে গণভোটের প্রচারণায় ফটোকার্ড শেয়ার করেন তিনি।

ফটোকার্ডে লেখা, “গণভোট ২০২৬- দেশকে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পথ খুলে দিন, ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে চলমান ফটোকার্ড শেয়ার অব্যাহত রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

রবিবার পর্যন্ত চলবে এ কার্যক্রম। ধারাবাহিক এই কার্যক্রমের লক্ষ্য গণভোটকে ঘিরে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা।

এদিকে, অন্য উপদেষ্টারাও দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সরকারিভাবেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

Published

on

ডিএসই

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৬ জন স্থায়ী পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ইইউ মিশনের উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, পর্যবেক্ষকরা নির্বাচনের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। তারা নির্বাচন কমিশন, প্রার্থী, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ এবং স্থানীয় নাগরিক পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

পর্যবেক্ষকরা দেশের ৬৪টি জেলায় শহর ও গ্রাম উভয় এলাকায় কাজ করবেন। নির্বাচনের কাছাকাছি সময়ে আরও ৯০ জন স্বল্পকালীন পর্যবেক্ষক যুক্ত হবেন। নির্বাচনের দিনে মোট প্রায় ২০০ জন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।

নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ঢাকায় একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

পোস্টাল ব্যালটের ডিজাইনে পরিবর্তনের কথা জানাল ইসি

Published

on

ডিএসই

দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফোনালাপে তিনি এ কথা জানান।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইসি মাছউদ বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালটে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। তবে দেশের ভেতরে ব্যবহৃত পোস্টাল ব্যালটে পরিবর্তন আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বিশেষ করে আসনভিত্তিক প্রার্থীদের নাম সংযুক্ত করে পোস্টাল ব্যালট ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন নির্বাচন কমিশনার।

তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য ব্যালট পাঠানোর প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হওয়ায় সেখানে কোনো পরিবর্তন করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট অপরিবর্তিতই থাকছে।

ইসি বলেন, দেশের ভেতরের পোস্টাল ব্যালট এখনও ছাপানো হয়নি। তাই সেখানে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে অনলাইন নিবন্ধনের পর প্রবাসী ভোটারের কাছে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। যার মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় আট লাখ। আর দেশের ভেতরে সরকারি চাকরিজীবী, ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা ও আইনি হেফাজতে থাকা ৭ লাখ ৬১ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে একই ঠিকানায় কয়েকশ ব্যালট কিংবা ব্যালট পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ, ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে বলে মনে করেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

Published

on

ডিএসই

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ বিষয়ক জাতিসংঘের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল ও পঞ্চম এলডিসি সম্মেলনের মহাসচিব রাবাব ফাতিমা।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বর্তমানে এই সফর না করার অনুরোধ জানানো হয়। এই সফরের নতুন কোনো তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, আগামী মাসে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশ সফর করতে পারে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

গত নভেম্বরে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, এলডিসি থেকে উত্তরণের সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ এবং নির্বিঘ্ন উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়নের পথনকশা প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার কাছ থেকে মতামত ও নথিপত্র সংগ্রহ করেছে জাতিসংঘ। এসব তথ্যের ভিত্তিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আশা, জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর স্থগিত হলেও নির্ধারিত সময়েই সংস্থাটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন বাংলাদেশে পাঠাবে।

এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব মাহবুবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার জানান, জাতিসংঘ এ দফায় আসছে না মানে পরে আসবে। তবে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদনটা আমরা পেয়ে যাব। এরপর বাকি প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে এগোবে।

এদিকে প্রস্তুতির ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনে এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি জানিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, এলডিসি থেকে উত্তরণ ঘটলে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিওটিও) আওতায় বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত বাণিজ্যসুবিধা আর থাকবে না, ফলে দেশের রপ্তানি ৬ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এলডিসির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ইতিবাচক অবস্থান নেই। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ২৭ সদস্য দেশের যে কোনো একটি দেশ বিরোধিতা করলে সেটিকে সম্মিলিত বিরোধিতা হিসেবে গণ্য করা হয়।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, আইসিসি বাংলাদেশসহ মোট ১৬টি ব্যবসায়ী সংগঠন গত ২৪ আগস্ট একযোগে সংবাদ সম্মেলন করে এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর দাবি তোলে। সরকার ইতোমধ্যে জাতিসংঘকে ব্যবসায়ীদের এই দাবির কথা জানিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত উত্তরণ পেছানোর বিষয়ে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে কোনো ইতিবাচক ইঙ্গিত পায়নি অন্তর্বর্তী সরকার। অন্যদিকে লাওস ও নেপাল এখনো এলডিসি থেকে উত্তরণ পেছানোর কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে বাংলাদেশ ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে বেরিয়ে যাবে। এর আগে ২০১৮ সালে মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক- এই তিন সূচকেই উত্তীর্ণ হয়ে দেশটি উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। ২০২১ সালের পর্যালোচনার পর জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ দেয়।

বাংলাদেশ নিট পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক বলেন, অন্তত তিন বছর উত্তরণ পেছানো প্রয়োজন, কারণ প্রস্তুতিতে ঘাটতি রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কারিগরি শিক্ষা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের যেমন সীমাবদ্ধতা আছে, তেমনি সরকারের ঘাটতিও বড়।

তিনি বলেন, যে স্তরে বাংলাদেশ যেতে চায়, সেখানে অন্যান্য দেশের ব্যাংকঋণের সুদ ৫ শতাংশের নিচে, অথচ দেশে তা প্রায় ১৫ শতাংশ। অন্য দেশে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিশ্চয়তা থাকলেও এখানে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সুশাসন ও অবকাঠামোর ঘাটতিও রয়েছে। তার প্রশ্ন, এসব সমস্যা রেখে কেবল নামমাত্র এলডিসি থেকে উত্তরণ হলে দেশের লাভ কী?

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

Published

on

ডিএসই

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণের পাশাপাশি ওষুধের নতুন মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের মোট বার্ষিক বিক্রির অন্তত ২৫ শতাংশ আর্থিক মূল্যের সমপরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বাজারে সরবরাহ ও বিক্রি নিশ্চিত করতে হবে। এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি নতুন কোনো ওষুধের অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারবে না।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে নীতিমালাটি অনুমোদন দিয়েছে। এখন এটি গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

এর আগে গত ৮ জানুয়ারি সরকার জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ তালিকা সম্প্রসারণের ঘোষণা দেয়। নতুন করে ১৩৫টি ওষুধ যুক্ত হওয়ায় তালিকায় মোট অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি। সরকার জানিয়েছে, শিগগিরই এসব ওষুধের দাম নির্ধারণ করা হবে এবং জাতীয় ঔষধ মূল্য নির্ধারণ নীতিমালা–২০২৫ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শিল্পমালিকদের আপত্তি

সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধারণ মানুষের জন্য ইতিবাচক বলে মনে করলেও ওষুধ শিল্পের মালিকরা ২৫ শতাংশ উৎপাদন বাধ্যবাধকতাকে ‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ ও ‘বাজারবিরোধী’ বলে সমালোচনা করেছেন। তাদের অভিযোগ, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ বা মূল্য নির্ধারণ কাঠামো তৈরির সময় শিল্পের অংশীজনদের সঙ্গে কোনো অর্থবহ আলোচনা হয়নি।

বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, দেশে কোনো কোম্পানিই শতভাগ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন করে না। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান ৫–১০ শতাংশের বেশি উৎপাদন করে না, আর অনেক নতুন কোম্পানি একেবারেই করে না। তাঁর ভাষায়, “দাম সংশোধন ছাড়া যদি ২৫ শতাংশ উৎপাদনে বাধ্য করা হয়, তাহলে লোকসান গুনে উৎপাদন করতে হবে, নইলে কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম দীর্ঘদিন ধরে বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত তিন দশকে মাত্র দু’বার মূল্য সংশোধন হওয়ায় অনেক ওষুধ উৎপাদন করলেই বড় অঙ্কের লোকসান হয়। এর ফলে স্যালাইনসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের উৎপাদন ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে।

রেনাটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ এস কায়সার কবিরও একই উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাজারের চাহিদা বিবেচনা না করে উৎপাদনের নির্দিষ্ট হার বেঁধে দেওয়া হলে তা কার্যকর হবে না। “চাহিদা না থাকলে অতিরিক্ত ওষুধ উৎপাদন করে গুদামে রাখা কোনো কোম্পানির পক্ষেই সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।

বিএপিআই সভাপতি আবদুল মুক্তাদির অভিযোগ করেন, মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় শিল্পের স্টেকহোল্ডারদের সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর মতে, নীতিমালার ভালো-মন্দ দিক সম্পর্কে শিল্প এখনো স্পষ্ট ধারণা পায়নি।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মত

ফার্মাসিস্ট ও বিশ্বব্যাংকের সাবেক পরামর্শক মো. আবু জাফর সাদেক অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণকে স্বাগত জানালেও সতর্ক করেন, অতিরিক্ত মূল্য নিয়ন্ত্রণ গুণগত মান ও সরবরাহ ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তিনি বলেন, একতরফা সিদ্ধান্তের বদলে সরকার ও শিল্পের মধ্যে সহযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি রোগীদের জন্য বেশি লাভজনক হবে।

সরকারের অবস্থান

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. সায়েদুর রহমান বলেন, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ দিয়েই প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা সম্ভব। এসব ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে আনলে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা আরও সহজ হবে। তিনি এই উদ্যোগকে ‘যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তার দাবি, গত ১৪ মাস ধরে একটি টাস্কফোর্স উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করেই নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করেছে।

নতুন মূল্য নির্ধারণ কাঠামো

নতুন নীতিমালায় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের ক্ষেত্রে ‘কস্ট-প্লাস বেঞ্চমার্কিং’ পদ্ধতিতে ভ্যাট বাদে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কাঁচামাল, প্রাইমারি প্যাকেজিং ব্যয় ও নির্ধারিত মার্কআপ যোগ করে এই দাম ঠিক করবে সরকার মনোনীত কমিটি বা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ)।

অন্যদিকে, অত্যাবশ্যকীয় তালিকার বাইরে থাকা ওষুধের দাম নির্ধারণে রেফারেন্স প্রাইসিং পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। নির্দিষ্ট সংখ্যক কোম্পানি উৎপাদন করলে বাজারমূল্যের মধ্যম মান বা আন্তর্জাতিক দামের ভিত্তিতে দাম ঠিক হবে, যা নির্ধারিত বেঞ্চমার্কের ১৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে হবে।

বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

টাস্কফোর্সের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ আবদুল হামিদ বলেন, দীর্ঘদিন দাম সমন্বয় না হওয়ায় উৎপাদনকারীরা অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ থেকে সরে গিয়েছিল। নতুন নীতিমালা সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে ওষুধের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং দাম কমবে। তাঁর মতে, “নিয়ন্ত্রিত মুনাফার মাধ্যমে শিল্প ও জনস্বাস্থ্য—উভয়ই উপকৃত হবে।”

তবে শিল্পমালিকদের আশঙ্কা, বাজার বাস্তবতা বিবেচনা না করলে এই নীতিমালা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এখন গেজেট প্রকাশের পর বাস্তবে নীতিমালাটি কীভাবে কার্যকর হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার23 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার1 day ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ টি কোম্পানির ২৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৩ হাজার টাকার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
জাতীয়1 minute ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়7 minutes ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি22 minutes ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি55 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়58 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী3 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিএসই
জাতীয়1 minute ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়7 minutes ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি22 minutes ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি55 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়58 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী3 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

ডিএসই
জাতীয়1 minute ago

গণভোটের ফটোকার্ড শেয়ার করলেন প্রধান উপদেষ্টা

ডিএসই
জাতীয়7 minutes ago

ডিসি-ইউএনও-নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রতি আলী রীয়াজের বিশেষ আহ্বান

ডিএসই
রাজনীতি19 minutes ago

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল

ডিএসই
রাজনীতি22 minutes ago

কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান

ডিএসই
রাজনীতি31 minutes ago

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ছিল ‘নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ’: নয়াদিল্লি

ডিএসই
রাজনীতি55 minutes ago

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাতীয় পার্টির শতাধিক নেতাকর্মী

ডিএসই
জাতীয়58 minutes ago

নির্বাচনি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

ভেনেজুয়েলার তেল বেচার অর্থ কাতারের ব্যাংকে

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

মাইক্রোফোন কেড়ে নিয়ে রিপাবলিক বাংলার সাংবাদিককে ধাওয়া

ডিএসই
রাজধানী3 hours ago

ইসলামী আন্দোলনের ১০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান