Connect with us

আন্তর্জাতিক

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

Published

on

ডিএসই

গ্রিনল্যান্ড দখলের উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনায় যারা বাধা দেবে, সেই দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, দেশগুলো গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত না হলে তিনি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারেন।’ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের শাসনাধীন স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তবে কোন কোন দেশের ওপর এই নতুন শুল্কারোপ করা হতে পারে অথবা নিজের লক্ষ্য অর্জনে আমদানির ওপর এমন কর বসাতে কোন আইনি ক্ষমতা ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে ট্রাম্প বিস্তারিত কিছু বলেননি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড ছাড়াও আরও অনেক দেশ ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। এমনকি খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও অনেকে এই অধিগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। ট্রাম্প যখন এই মন্তব্য করছিলেন, তখন মার্কিন কংগ্রেসের একটি দ্বিদলীয় প্রতিনিধি দল গ্রিনল্যান্ড সফরে ছিলেন। মূলত অঞ্চলটির প্রতি সংহতি জানাতেই তাদের এই সফর।

১১ সদস্যের এই প্রতিনিধি দলে রিপাবলিকান সদস্যরাও ছিলেন। জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে গ্রিনল্যান্ড দখলের বিষয়ে প্রেসিডেন্টের আহ্বানে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সফরকালে তারা গ্রিনল্যান্ডের পার্লামেন্ট সদস্য (এমপি) ছাড়াও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেন ও গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ইয়েন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

প্রতিনিধি দলের নেতা ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস কুনস জানান, তাদের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয়দের কথা শোনা এবং তাদের মতামত ওয়াশিংটনে পৌঁছে দিয়ে বিদ্যমান ‘উত্তেজনা প্রশমন’ করা।

ট্রাম্পের দাবি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটন অঞ্চলটি হয় ‘সহজ উপায়ে’ নাহয় ‘কঠিন উপায়ে’ দখল করবে। তার এই মন্তব্যকে দ্বীপটি কিনে নেওয়া অথবা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে দখলের স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার এক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘দেশগুলো যদি গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে না আসে, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক বসাতে পারি; কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের প্রয়োজন।’

গ্রিনল্যান্ডে জনবসতি খুব কম হলেও দ্বীপটি প্রাকৃতিক সম্পদে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের মাঝামাঝি ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে অঞ্চলটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কবার্তা প্রদান এবং এই অঞ্চলের জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারির জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেকেই গ্রিনল্যান্ডে ১০০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক নামক একটি ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে মার্কিন বাহিনী।

ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে গ্রিনল্যান্ডে যেকোনো সংখ্যক সেনা মোতায়েন করতে পারে। কিন্তু ট্রাম্প মনে করেন, রাশিয়া বা চীনের সম্ভাব্য হামলা থেকে অঞ্চলটিকে যথাযথভাবে রক্ষা করতে হলে এর ‘মালিকানা’ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা প্রয়োজন।

ডেনমার্ক অবশ্য হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেকোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপ হবে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটোর অবসানের সংকেত। উল্লেখ্য, ন্যাটো জোটে যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে প্রভাবশালী অংশীদার।

ন্যাটোর মূল নীতি হলো, কোনো সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য মিত্ররা তাকে সহায়তা করবে। কিন্তু কোনো সদস্য রাষ্ট্র যদি অন্য কোনো সদস্যের বিরুদ্ধেই শক্তি প্রয়োগ করে, তবে কী হবে—সে বিষয়ে জোটে কোনো নজির নেই।

ইতিমধ্যেই ডেনমার্কের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলো। তারা বলেছে, আর্কটিক অঞ্চল তাদের কাছেও সমান গুরুত্বপূর্ণ এবং এর নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব ন্যাটোর যৌথভাবে নেওয়া উচিত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রেরও অংশগ্রহণ থাকবে।

এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যসহ বেশ কয়েকটি দেশ গ্রিনল্যান্ডে একটি বিশেষ অনুসন্ধানী মিশনে ক্ষুদ্র আকারের একটি সামরিক দল পাঠিয়েছে।

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডে শীঘ্রই ‘স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথের সামরিক সরঞ্জাম’ পাঠানো হবে।

ট্রাম্পকে তার এই পরিকল্পনা থেকে বিরত রাখতে ওয়াশিংটনে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার কয়েকদিন পরই মার্কিন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল গ্রিনল্যান্ড সফরে যায়। এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ন্যাটোর কট্টর সমর্থক মার্কিন সিনেটর ও হাউস অভ রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যরা।

প্রতিনিধি দলের প্রধান ক্রিস কুনস ও অধিকাংশ সদস্য ট্রাম্পের ঘোর বিরোধী ডেমোক্র্যাট হলেও, এই দলে থম টিলিস ও লিসা মুরকোস্কির মতো মধ্যপন্থি রিপাবলিকান সিনেটররাও রয়েছেন।

গ্রিনল্যান্ডের এমপি আয়া চেমনিৎজ বলেন, মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে এই বৈঠক তাকে ‘আশাবাদী’ করেছে। তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘আমাদের বন্ধু প্রয়োজন, আমাদের মিত্র প্রয়োজন।’

হোয়াইট হাউসের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্কের অবস্থানের বিশাল পার্থক্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি ম্যারাথন, কোনো স্বল্প দূরত্বের দৌড় নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকেই আমরা মার্কিন পক্ষের এই চাপ দেখে আসছি। সবকিছু এখনই শেষ হয়ে গেছে—এমনটা ভাবা বোকামি হবে। পরিস্থিতি প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বদলাচ্ছে। তাই আমরা যত বেশি সমর্থন পাব, ততই ভালো।’

লিসা মুরকোস্কি গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের যেকোনো প্রচেষ্টা রুখে দেওয়ার লক্ষ্যে আনা একটি দ্বিদলীয় বিলের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। অন্যদিকে একজন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য এই দ্বীপ অধিগ্রহণের সমর্থনে পাল্টা বিল উত্থাপন করেছেন।

গ্রিনল্যান্ডে ট্রাম্পের বিশেষ দূত জেফ ল্যান্ড্রি গত শুক্রবার ফক্স নিউজকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ডেনমার্কের সঙ্গে নয়, বরং গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা।

তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে অত্যন্ত সিরিয়াস। আমার মনে হয় তিনি তার লক্ষ্য পরিষ্কার করে দিয়েছেন।’

গত বুধবার হোয়াইট হাউসে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ বৈঠকের বিষয়ে একজন ডেনিশ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে জানান, মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট এমন একটি ‘মধ্যপন্থা’ খোঁজার প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে ট্রাম্প, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড সব পক্ষই সন্তুষ্ট থাকে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, হোয়াইট হাউসের বৈঠকে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ড দখলের প্রসঙ্গ ওঠেনি।

তা সত্ত্বেও গ্রিনল্যান্ড দখলের ব্যাপারে ট্রাম্পের প্রকাশ্য ঘোষণাকে ডেনমার্ক অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছে বলে জানান ওই ডেনিশ কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

Published

on

ডিএসই

সৌদি আরব চারটি ভিন্ন স্থানে মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত খনি কোম্পানি ‘মাদেন’ এই সোনার সন্ধান পেয়েছে। বর্তমানে চালু থাকা খনি এবং নতুন ও পুরোনো বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক খনন কার্যক্রম চালানোর পরই এই সাফল্য এসেছে।

গত ১২ জানুয়ারি এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। মাদেন জানিয়েছে, কোনো একটি দেশের ভেতরে চালানো খনিজ অনুসন্ধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বৃহত্তম প্রচেষ্টা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক খননকাজে ৯০ লাখ (৯ মিলিয়ন) আউন্সের বেশি সোনার সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। তবে খনন ব্যয়, পণ্যের দামসহ বার্ষিক সাধারণ হিসাব-নিকাশ সমন্বয়ের পর প্রকৃত নতুন সোনার মজুতের পরিমাণ নির্ধারিত হয়েছে ৭৮ লাখ আউন্স।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সবচেয়ে বেশি সোনা পাওয়া গেছে মাদেনের প্রধান প্রকল্প ‘মানসুরা মাসারাহ’ থেকে। গত এক বছরে এই প্রকল্পে নতুন করে ৩০ লাখ আউন্স সোনা যোগ হয়েছে। এ ছাড়া ‘উরুক ২০/২১’ ও ‘উম আস সালাম’ এলাকা থেকে মোট ১৬ লাখ ৭০ হাজার আউন্স সোনার সন্ধান পাওয়া গেছে। পাশাপাশি ‘ওয়াদি আল জাও’ এলাকায় প্রথমবারের মতো আনুমানিক ৩৮ লাখ আউন্স খনিজ সম্পদের খোঁজ মিলেছে।

মাদেন জানিয়েছে, ‘সেন্ট্রাল অ্যারাবিয়ান গোল্ড রিজিওন’-এ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খননকাজ চালানোর ফলে বেশ কয়েকটি নতুন খনিজ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া ঐতিহাসিক ‘মাহদ’ স্বর্ণখনির আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়েও নতুন খনিজ সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর ফলে খনিটির কার্যকাল আরও বাড়ানো সম্ভব কি না, তা যাচাই করা হবে।

মাদেনের প্রধান নির্বাহী বব উইল্ট জানিয়েছেন, এসব ফলাফল কোম্পানির দীর্ঘমেয়াদি অনুসন্ধান কৌশল যে সঠিক পথে রয়েছে, তা প্রমাণ করে। তিনি বলেন, ‘চারটি এলাকায় ৭০ লাখ আউন্সেরও বেশি সোনা যুক্ত হওয়া আমাদের স্বর্ণভাণ্ডারের বিশালতা ও সম্ভাবনাকেই তুলে ধরে।’

তিনি আরও বলেন, এই প্রবৃদ্ধি ভবিষ্যতে কোম্পানির আয় বাড়াতে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি দেখায় যে ‘অ্যারাবিয়ান শিল্ড’-এ স্বর্ণের যে সম্ভাবনা রয়েছে, তা কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে কোম্পানি এখনো প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে।

সোনার পাশাপাশি অন্যান্য খনিজের ক্ষেত্রেও অগ্রগতির কথা জানিয়েছে মাদেন। ‘জাবাল শায়বান’ ও ‘জাবাল আল ওয়াকিল’ এলাকায় প্রাথমিক খননকাজে তামা, নিকেল এবং প্ল্যাটিনাম গ্রুপের ধাতুর সন্ধান পাওয়া গেছে।

মানসুরা মাসারাহ প্রকল্পে বর্তমানে মোট খনিজ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ৬০ লাখ টন। এখানে প্রতি টনে গড়ে ২ দশমিক ৮ গ্রাম সোনা রয়েছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৪ লাখ (১০.৪ মিলিয়ন) আউন্স।

মাদেন জানিয়েছে, গভীর স্তরে আরও খনিজ সম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সেখানে খননকাজ চালানো হবে।

এই আবিষ্কারকে সৌদি আরবের খনি খাতের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিকে বহুমুখী করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে খনি খাতকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

Published

on

ডিএসই

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরগোধায় ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তারা। খবর জিও টিভির।

কর্মকর্তারা জানান, ট্রাকের আরোহীরা একটি জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

শনিবার ভোরে সরগোধা শহরের কোট মোমিন এলাকার ঘালাপুর বাংলা খালের পাশে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি খাদে পড়ে যায়। এসময় ট্রাকটিতে মোট ২৩ জন যাত্রী ছিলেন। ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ৭ জনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে উদ্ধারকারীরা।
হতাহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী টিএইচকিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো ৭ জন মারা যান।
উল্লেখ্য, পুরো পাঞ্জাব প্রদেশ এখন ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুয়াশার কারণে খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খানেও একই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে ইন্দাস মহাসড়কের তাউন্সা শরিফ সীমান্তবর্তী বাস্তি দাওয়ানা এলাকায় চিনিবাহী একটি ট্রেইলার ও যাত্রীবাহী ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×
শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইয়েমেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন শায়া মোহসেন জিনদানি

Published

on

ডিএসই

ইয়েমেনের রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়া মোহসেন জিনদানি। তিনি বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সালেম বিন ব্রেইকের স্থলাভিষিক্ত হলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে শায়া মোহসেন জিনদানি ইয়েমেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (পিএলসি) কাছে সালেম বিন ব্রেইক তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিলে কাউন্সিল তা গ্রহণ করে। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জিনদানির নাম ঘোষণা করা হয়। ইয়েমেনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ‘সাবা’ এক প্রতিবেদনে এই খবর নিশ্চিত করেছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর এই পরিবর্তন এলো। উল্লেখ্য যে, ২০১৪ সালে ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী রাজধানী সানা দখল করলে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর আল হাদী দেশ ছেড়ে সৌদিতে আশ্রয় নেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

হুথিদের দমন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরাতে ২০১৫ সাল থেকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত প্রতিরক্ষা জোট হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে আসছে। প্রায় ১১ বছর ধরে চলা এই দীর্ঘ সংঘাতের ফলে বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি সমর্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল।

সম্প্রতি দক্ষিণ ইয়েমেনের পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসার পরই প্রধানমন্ত্রী পদে এই রদবদল করা হলো। দীর্ঘ দিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ (এসটিসি) এই অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল। তবে সম্প্রতি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের নতুন সামরিক কৌশলের মুখে এসটিসি’র তৎপরতা কার্যত স্তিমিত হয়ে পড়ে এবং দলটির প্রধান এইদারুস আল জুবাইদি সংযুক্ত আরব আমিরাতে আশ্রয় নেন। দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার এই সন্ধিক্ষণেই শায়া মোহসেন জিনদানিকে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, জিনদানির এই নিয়োগ মূলত রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংস্কারকে গতিশীল করার অংশ। ইয়েমেন বর্তমানে ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা কাটিয়ে ওঠা নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত পিএলসি’র উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে জিনদানিকে সাংবিধানিক বিধি মোতাবেক দ্রুত নতুন সরকার গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ইয়েমেনে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি আলোচনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি স্থগিত করল ইরান

Published

on

ডিএসই

ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ৮০০ বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বুধবার এই ৮০০ জনের ফাঁসি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের মিত্র দেশগুলোর প্রবল চাপের মুখে ইরান পিছু হঠতে বাধ্য হয়েছে। গত ২০ দিন ধরে চলা তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে তেহরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা যে নজিরবিহীন সংকটের মুখে পড়েছে, এই সিদ্ধান্ত তারই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের ইতিহাসে ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ৪৭ বছরের শাসনামলে এবারের মতো এত বড় ও ব্যাপক গণআন্দোলন আগে কখনো দেখা যায়নি। মূলত দেশটির ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং মুদ্রার চরম অবমূল্যায়নই এই বিক্ষোভের প্রধান কারণ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানি রিয়ালের মান ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে; যেখানে এক ডলারের বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৫৫ রিয়াল। এই ভয়াবহ অর্থনৈতিক পতনের ফলে ইরানে খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসার মতো মৌলিক চাহিদাগুলো মেটানো সাধারণ মানুষের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা জনগণকে রাজপথে নামতে বাধ্য করেছে।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল গত ২৮ ডিসেম্বর রাজধানী তেহরানের ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট থেকে। জীবনযাত্রার আকাশচুম্বী ব্যয়ের প্রতিবাদে শুরু হওয়া সেই ধর্মঘট মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে দাবানলের মতো ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় প্রতিটি শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ইরান সরকার ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে এবং পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে। সশস্ত্র সংঘাত ও দমনে এ পর্যন্ত ১২ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং হাজার হাজার বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর একাধিক হুমকি দিয়েছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৮০০ বিক্ষোভকারীর ফাঁসি স্থগিতের মাধ্যমে ইরান কিছুটা নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা সরাসরি মার্কিন হামলার আশঙ্কাকে আপাতত কমিয়ে আনতে পারে।

যদিও ইরানের অভ্যন্তরীণ অবস্থা এখনো অত্যন্ত অস্থিতিশীল এবং বিক্ষোভকারীরা পুরো দেশকে অচল করে রেখেছেন, তবুও এই বিপুল সংখ্যক মানুষের জীবন রক্ষা পাওয়াকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একটি কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এমকে

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরান থেকে নাগরিকদের ফিরিয়ে আনবে ভারত

Published

on

ডিএসই

ইরান থেকে নিজ নাগরিকদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশটি তাদের নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জরুরি বার্তা দিয়েছে দ্রুত সময়ে ইরান ছাড়তে বলেছে। মূলত ইরানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।

কাল শুক্রবার তেহরান থেকে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করবে দেশটি। প্রথম দফায় ফিরিয়ে আনা হবে শিক্ষার্থীদের।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গুলিস্তান বিশ্ববিদ্যালয় এবং শহীদ বেহেস্তি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থীকে প্রথম দফায় ফিরিয়ে আনা হবে। তারা কালই ভারতে অবতরণ করবেন।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

কোন কোন নাগরিককে ফিরিয়ে আনা হবে তাদের একটি চূড়ান্ত তালিকা কালকের মধ্যে প্রকাশ করবে ভারত সরকার।

গতকাল বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওই সময় তারা ইরান ও ইরানের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।

আলাদাভাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জসওয়াল এক সতর্কবার্তায় ভারতীয়দের ইরান ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। ধারণা করা হয় ইরানে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় রয়েছেন।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। যা গত বৃহস্পতিবার সহিংস রূপ ধারণ করে। এরপর শুক্রবারও সহিংসতা অব্যাহত ছিল। এই বিক্ষোভ দমনে ওই দুইদিন ব্যাপক কঠোর অবস্থানে যায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়ে আসছিলেন যদি ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা শুরু করে তাহলে তারা সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করবেন। দিন যত যাচ্ছিল তার হুমকি তত বাড়ছিল। এতে করে হামলার শঙ্কাও তীব্র হয়েছিল। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে ট্রাম্প এ পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন। তবে তার হুমকির কারণে অনেক দেশ নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলেছিল।

বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান তিনি জানতে পেরেছেন ইরান বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা বন্ধ করেছে। এছাড়া তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরও স্থগিত করেছে। তার এ বক্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছিল তিনি তার আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে সব মূল্য সূচকের পতনের মধ্যে দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকার প্রথম স্থানে উঠে এসেছে পিপলস...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার20 hours ago

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ফাইন ফুডস

বিদায়ী সপ্তাহে (১১ জানুয়ারি-১৫ জানুয়ারি) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সর্বোচ্চ লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা দুই বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

অবলুপ্ত হওয়া পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী দুই বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

বিএসইসি জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৯ সাংবাদিক

পুঁজিবাজারভিত্তিক সাংবাদিকতায় উল্লেখযোগ্য অবদান ও পেশাদারত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বিএসইসি ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিজম এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছেন ৯ জন সাংবাদিক। এদের মধ্যে তিনটি...

ডিএসই ডিএসই
পুঁজিবাজার2 days ago

ব্লক মার্কেটে ২৭ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৪ টি কোম্পানির ২৭ কোটি ৭২ লাখ ৮৩ হাজার টাকার...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০
১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭৩০৩১
ডিএসই
আন্তর্জাতিক13 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া52 minutes ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়18 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

ডিএসই
আন্তর্জাতিক13 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া52 minutes ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়18 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং

ডিএসই
আন্তর্জাতিক13 minutes ago

৭৮ লাখ আউন্স সোনার বিশাল মজুতের সন্ধান পেলো সৌদি আরব

ডিএসই
আবহাওয়া52 minutes ago

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

ডিএসই
জাতীয়1 hour ago

২৫ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ না হলে মিলবে না নতুন অনুমোদন

ডিএসই
আন্তর্জাতিক1 hour ago

পাকিস্তানে জানাজায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

ডিএসই
সারাদেশ2 hours ago

সিলেটে তিন বাসের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১২

ডিএসই
আন্তর্জাতিক2 hours ago

কোনো দেশ গ্রিনল্যান্ড দখলের বিরোধিতা করলেই নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি ট্রাম্পের

ডিএসই
পুঁজিবাজার18 hours ago

ডিএসইর বাজার মূলধন বেড়েছে এক হাজার ২৬০ কোটি টাকা

ডিএসই
জাতীয়18 hours ago

সৌদিতে থাকা ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে পাসপোর্ট দেবে বাংলাদেশ

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বিআইএফসি

ডিএসই
পুঁজিবাজার19 hours ago

সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে পিপলস লিজিং