পুঁজিবাজার
খালেদা জিয়ার সময়েই স্থাপিত হয়েছে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো: ডিএসই চেয়ারম্যান
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের অৰ্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অনন্য ও অসামান্য। বাংলাদেশের বাজারভিত্তিক ও বেসরকারি খাতনির্ভর অর্থনৈতিক উন্নয়ন কাঠামোর ভিত্তি বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেই স্থাপিত হয়।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসইর মাল্টিপারপাস হলে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইস’র চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কমিশনারবৃন্দ, ডিএসই’র চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার ও পরিচালকবৃন্দ, সিএসই’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম, বিএপিএলসি’র প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদসহ পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং ডিএসই’র কর্মকর্তারা।
ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সাল থেকে বেসরকারি খাতে যে ব্যাপক সম্প্রসারণের সূচনা হয়, তার সুফল আজ দেশের সাধারণ মানুষ ভোগ করছে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজার ও আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে তুলতেও তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন রাষ্ট্রনায়কের প্রকৃত অবদান তাঁর প্রয়াণের পর আরো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় দেশের সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁর প্রতি জনগণের গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।
ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন দৃঢ় ও দূরদর্শী নেতা, যার অবদান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষভাবে স্মরণীয়। ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গঠিত হয়, যা দেশের পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯৪ সালের ২ মার্চ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শীর্ষস্থানীয় দশটি কোম্পানিকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিতি, যা শিল্প ও কর্পোরেট খাতকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
ডিএসই’র পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য সবচেয়ে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় তাঁর মৃত্যুর পর মানুষের উপস্থিতি ও আবেগে। তাঁর জানাজায় কোটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ প্রমাণ করে তিনি কত মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তিনি ছিলেন একজন বড় মাপের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যাঁর প্রতি ভিন্ন মত ও ভিন্ন পথের মানুষের মধ্যেও গভীর শ্রদ্ধা ছিল। আমরা আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
ডিবিএ’র প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন মানবিক রাজনীতিবিদ, যিনি বিরোধী মতের প্রতিও সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে, বিশেষ করে গত ১৫ বছরের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দেশ ও মানুষের স্বার্থে অবিচল ছিলেন। জাতীয় ঐক্য ও গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর আপসহীন ভূমিকা আজও প্রেরণার উৎস। পুঁজিবাজার উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯১ সালে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেট উন্মুক্ত করার মাধ্যমে তিনি এ খাতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেন। তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলেই আজকের আধুনিক পুঁজিবাজার গড়ে উঠেছে। আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করছি এবং আল্লাহর কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করছি।’’
ডিএসই’র প্রধান পরিচালক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত স্মরণসভায় বিএপিএলসির প্রেসিডেন্ট রিয়াদ মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন প্রধানমন্ত্রী বা একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেত্রীই ছিলেন না; সময়ের পরিক্রমায় তিনি যেন আমাদের সমাজ ও সামাজিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন। এমনটি মনে হয়, তাঁর ব্যক্তিত্ব আমাদের সামাজিক ও পারিবারিক বন্ধনের গভীরে, আমাদের সামাজিক চেতনা ও অনুভূতির ভেতর গভীরভাবে মিশে গেছে। একজন মানুষ হিসেবে তাঁর যেমন গুণ ছিল, তেমনি স্বাভাবিকভাবেই কিছু সীমাবদ্ধতাও ছিল। তবে বিগত কয়েক দিনে সারা দেশে তাঁর প্রতি যে বিপুল ভালোবাসা ও গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে, তা প্রমাণ করে—সব সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন।’’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভাতিজা মো. শামস ইস্কান্দার সকলের কাছে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমার জন্য দোয়া কামনা করেন।
এমকে
পুঁজিবাজার
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতে, পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রির হিড়িক
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে কেন্দ্র করে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। সপ্তাহের প্রথম দিনেই লেনদেন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির হিড়িক পড়ে। যার জেরে সব সূচকে বড় পতন দেখা দেয়। দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
রোববার (১ মার্চ) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরুতে পতন হয় ২৩৫ পয়েন্ট পর্যন্ত। পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে দেখা গেলেও পতন অব্যাহত থাকে।
বেলা ১টা পর্যন্ত ৩৫৫টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, হাতবদল হয়েছে ৮টির এবং দর বেড়েছে ২৫টি কোম্পানির শেয়ারদর। যার জেরে প্রধান সূচক ডিএসইএক্সের পতন হয়েছে ১৪০ পয়েন্ট পর্যন্ত।
ডিবিএ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের রেজিস্ট্রিকৃত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশের সরাসরি ব্যবসা আছে বলে আমাদের জানা নেই। যদি থেকেও থাকে সেটা খুব ইনসিগনিফিক্যান্ট। আমাদের আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসবো।
খুব শিগগিরই লেনদেনে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরবে বলে আশা করছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।
এক বিনিয়োগকারী বলেন, এটা নিয়ে আতঙ্ক হওয়ার কিছু নেই। খুব তাড়াতাড়ি পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে আশা করি।
এমএন
পুঁজিবাজার
ব্লক মার্কেটে ২৪ কোটি টাকার লেনদেন
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) কোম্পানিগুলোর মোট ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৯৩৬টি শেয়ার ৪৩ বারে লেনদেন হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ২৪ কোটি ৬৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেডের ৪ কোটি ৬৯ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকার, দ্বিতীয় স্থানে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৭২ হাজার টাকার এবং তৃতীয় স্থানে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৪ কোটি ৩৯ লাখ ৫৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ ওয়েলডিং
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেড।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্রমতে, রবিবার (০১ মার্চ) বাংলাদেশ ওয়েলডিং ইলেক্ট্রোডস লিমিটেডের শেয়ার দর ১ টাকা ৪ পয়সা বা ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ কমেছে। এর ফলে কোম্পানিটি দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করেছে।
দরপতনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৬ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ কমেছে।
এছাড়াও, ডিএসইতে দরপতনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো-ম্যাকসন্স স্পিনিং মিলস, এএফসি এগ্রো বায়োটেক, এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি, নাহি অ্যালুমিনিয়াম কোম্পোসাইট প্যানেল, রিং শাইন টেক্সটাইল লিমিটেড এবংএইচ আর টেক্সটাইল লিমিটেডের দরপতন হয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
দর বৃদ্ধির শীর্ষে শাইনপুকুর সিরামিক্স
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯ কোম্পানির মধ্যে ৩০টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দর বৃদ্ধি পেয়েছে শাইনপুকুর সিরামিক্স পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) ডিএসইতে সর্বোচ্চ শাইনপুকুর সিরামিক্স পিএলসির শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১ টাকা ৭ পয়সা বা ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেড়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি দর বৃদ্ধি তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে নেয়।
দর বৃদ্ধির এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল ইনফর্মেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। কোম্পানিটির শেয়ার দর ৫ দশমিক ০৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তৃতীয় স্থানে থাকা ব্যাংক এশিয়া পিএলসি দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
এছাড়াও, ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হচ্ছে- গ্রামীন ওয়ান ৩.২ শতাংশ, আইসিবি এমপ্লোয়ি প্রোভিডেন্ট মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান ২.০৮ শতাংশ, জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ ১.৫৫ শতাংশ, খান ব্রাদাস্ পি.পি. ১.১ শতাংশ, সিটি ইন্সুরেন্স পিএলসি ১.০৫ শতাংশ এবং ফাইন ফুডস লিমিটেড ০.১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমএন
পুঁজিবাজার
সপ্তাহের প্রথমদিনে লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র মতে, রবিবার (০১ মার্চ) সিটি ব্যাংক পিএলসি কোম্পানিটি ৩৯ কোটি ৬৭ লাখ ১৯ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটি লেনদেনের তালিকায় প্রথম স্থান দখল করে।
এদিন লেনদেনের এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিল খান ব্রাদাস্ পি.পি. ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর ২৫ কোটি ৯৮ লাখ ৫৮ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড।
এছাড়াও, ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো-রবি আজিয়াটা পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া, ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি, আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি এবং ঢাকা ব্যাংক পিএলসি।
এমএন




