অর্থনীতি
১৪তম বর্ষে নভোএয়ার, টিকিটে ১৪ শতাংশ ছাড়
দেশের অন্যতম বিমান সংস্থা নভোএয়ার আগামীকাল ৯ জানুয়ারি ১৪তম বর্ষে পদার্পণ করছে। প্রতিষ্ঠানটি আজ বৃহস্পতিবার থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন শুরু করেছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক মাসের জন্য টিকিটের মূল্যে ১৪ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে নভোএয়ার। অফারটি উপভোগ করতে নভোএয়ারের বিক্রয়কেন্দ্র, ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস থেকে টিকিট কেনা যাবে। যাত্রীরা VQANNI14 প্রমোকোড ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপস থেকেও টিকিট কিনতে পারবেন।
২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে নভোএয়ারের যাত্রা শুরু হয়। স্বল্প সময়ের মধ্যেই যাত্রীসেবার মান, সময়ানুবর্তিতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি আকাশপথে ভ্রমণে যাত্রীদের কাছে একটি আস্থাশীল নাম হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে।
নভোএয়ার ১৩ বছরে মোট এক লাখ ৪২ হাজারেরও বেশি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে এবং ৮০ লাখের বেশি যাত্রীকে সেবা দিয়েছে।
যাত্রীসেবা আরও সহজ, আধুনিক ও মানসম্মত করতে নভোএয়ার দেশের প্রথম বিমান সংস্থা হিসেবে চালু করে ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’, কো-ব্র্যান্ডেড কার্ড, টিকিট কেনার মোবাইল অ্যাপ এবং ওয়েব চেক-ইন সুবিধা। পাশাপাশি স্মাইলস মেম্বারদের জন্য বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্র্যান্ডগুলোর আউটলেটে বিশেষ ছাড় এবং বোর্ডিং পাস প্রিভিলেজ প্রোগ্রামের মাধ্যমে যাত্রীদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ব্যবসায়িক সহযোগী ও যাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, সময়ানুবর্তী ফ্লাইট ও নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে যাত্রীদের চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নত সেবা প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে নভোএয়ার আজ আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের মাধ্যমে যাত্রীসেবা আরও উন্নত করাই আমাদের অঙ্গীকার।
বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও সৈয়দপুর অভ্যন্তরীণ রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। নভোএয়ারের বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন; ১৩৬০৩ অথবা ভিজিট করুন।
অর্থনীতি
যুক্তরাষ্ট্রকে বাংলাদেশের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। এ ছাড়া তিনি সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রকে পারস্পরিক শুল্ক ২০ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব দেন খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠকে খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে।
এ প্রেক্ষাপটে খলিলুর রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কহার কমানোর প্রস্তাব দেন। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এ প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পোশাক পণ্যের ওপর পারস্পরিক শুল্ক কমানো বা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাবও তিনি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার কথা জানান।
উভয় পক্ষ বাকি থাকা কয়েকটি বিষয় দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত ও কার্যকর করার বিষয়ে একমত হয়।
খলিলুর রহমান বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী দিনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ভ্রমণ সহজ করতে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের সহায়তা কামনা করেন।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ডিএফসি (ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশন) তহবিলে প্রবেশাধিকারের অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার এ বিষয়ে তার প্রচেষ্টার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। ইউএসটিআরের পক্ষে সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডান লিঞ্চসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ড. খলিলুর রহমান আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।
অর্থনীতি
স্বর্ণের দাম আরও কমলো
টানা দুই দফা বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতনপদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা।
এর আগে গত ৫ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে এক লাফে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা।
সব মিলিয়ে নতুন বছরে মোট ৩ দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর মধ্যে এক দফায় বাড়ানো হলেও ২ দফায় কমেছে স্বর্ণের দাম।
এর আগে সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া গত বছর মাত্র ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
এমকে
অর্থনীতি
বাংলাদেশকে ২৭০ কোটি টাকা অনুদান দিচ্ছে জার্মানি
দেশের জ্বালানি দক্ষতা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং নগর উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে ২১.৭৭ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দিচ্ছে জার্মানি। বাংলাদেশি টাকায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৭০ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাথে এবং জার্মান উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেড এর মধ্যে পাঁচটি পৃথক অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী। অন্যদিকে, জার্মানি সরকারের পক্ষে জিআইজেড ঢাকা অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর হেনরিখ-জর্গেন শিলিং চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুদানের পাঁচটি প্রকল্প হচ্ছে, জ্বালানি দক্ষতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি: নীতিগত পরামর্শ ও জ্বালানি সাশ্রয় প্রকল্প। ইন্টিগ্রেট: অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নগর সংহতি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধি। প্রিসাইজ: শিল্প ও পরিবেশগত নিরাপত্তার বিষয়ে পেশাদার শিক্ষা। গ্রেস: পরিবেশবান্ধব শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (গ্রিন রুম এয়ার-কন্ডিশনিং) উন্নয়ন। ডিএস২এস: এশিয়ায় সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন প্রকল্প।
ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, জার্মানি বাংলাদেশের অন্যতম দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন সহযোগী। এই অনুদান বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জিআইজেড-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর হেনরিখ-জর্গেন শিলিং বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে জার্মানির অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এমকে
অর্থনীতি
ঋণের প্রলোভনে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র, বিশ্বব্যাংকের সতর্কবার্তা
বিশ্বব্যাংকের নাম ও লোগো ব্যবহার করে ভুয়া ফেসবুক আইডির মাধ্যমে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এ ধরনের প্রতারণা থেকে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে- তারা কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ দেয় না এবং কারোর ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্যও জানতে চায় না।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো বিশ্বব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশে সম্প্রতি সংস্থাটির নাম ও লোগো ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কার্যকলাপের খবর পাওয়া যাচ্ছে। একটি চক্র ফি আদায়ের বিনিময়ে বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্বব্যাংক কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ প্রদান করে না এবং কারও ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্যও জানতে চায় না।
সংস্থাটি আরও জানায়, প্রতারকরা বিশ্বব্যাংকের নাম ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ব্যবহার করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ফেসবুক পেজ ও ভুয়া আইডি তৈরি করেছে। এ ছাড়া তারা আরও বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে। এ ধরনের কোনো প্রকল্পের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।
যদি কোনো ব্যক্তি এ ধরনের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের মুখোমুখি হন, তাহলে তাকে অবিলম্বে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে।
এমকে
অর্থনীতি
ধর্মঘট প্রত্যাহার, এলপি গ্যাস বিক্রি শুরু
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলাটেরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কার্যালয়ে হওয়া বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে।
গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। পরে তার আহ্বানে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন ব্যবসায়ীরা।
বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, যারা ইন অ্যাকটিভ কোম্পানি আছে তাদের আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ডাকা হবে। চলমান সংকট সমাধানে বিইআরসি চেষ্টা করে যাবে।
এ সময় গ্যাসের চলমান সংকট আসন্ন রমজানের আগেই কেটে যাবে বলে আশ্বস্ত করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
এমকে




