জাতীয়
নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখতে ইইউর প্রধান পর্যবেক্ষক আসছেন বৃহস্পতিবার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবস আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ঢাকায় আসছেন।
ঢাকার ইইউ দূতাবাস সূত্র জানায়, সফরকালে ইজাবস ইইউর বাংলাদেশ মিশনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
ইজাবস লাটভিয়ার নাগরিক এবং বর্তমানে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন। সফরের সময় তিনি নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রস্তুতি ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করবেন। ঢাকা ছাড়ার আগে ১১ জানুয়ারি তার সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, এ সফরের পর প্রধান পর্যবেক্ষক অন্তত আরও দুবার বাংলাদেশ সফর করবেন।
গত ১১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে ইইউ ইজাবসকে প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়।
এক বিবৃতিতে ইজাবস বলেন, ‘বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের নেতৃত্ব পেয়ে আমি সম্মানিত বোধ করছি। এই মিশন নির্বাচনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন তুলে ধরবে।’
এই মিশন বাংলাদেশের জনগণ এবং তাদের শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সুরক্ষার প্রতি ইইউর সমর্থনের বাস্তব উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ইইউ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মানদণ্ড অনুযায়ী পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করবে। এছাড়া প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় করবে।
জাতীয়
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পল কাপুর, বৈঠক করছেন প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর।
বুধবার (৪ মার্চ) সকাল পৌনে ৯টায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন পল কাপুর।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র বলছে, পল কাপুর বর্তমানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এরপর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে বসবে।
সংশ্লিষ্ট বৈঠকগুলোতে রাজনৈতিক বোঝাপড়া, বাণিজ্য চুক্তির বাস্তবায়ন, দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়, মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সমস্যা, আঞ্চলিক ইস্যু-বিশেষ করে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
এর আগে দুই দিনের সফরে মঙ্গলবার রাতে ঢাকায় আসেন পল কাপুর।
সফরসূচি অনুযায়ী, পল কাপুর আজ অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। আজ সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন তিনি।
সফরের শেষদিন বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করবেন পল কাপুর। এরপর রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে পলের। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইফতার পার্টিতে অংশ নেবেন তিনি।
পল কাপুরের ঢাকা সফর নিয়ে ঢাকা মার্কিন দূতাবাস সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই সফরের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা। সফরকালে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি কাপুর নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
এমএন
জাতীয়
নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করতে আইন লঙ্ঘন ড. ইউনূসের
বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর ফলে দায়িত্ব পর-পরবর্তী এক বছর তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকবেন।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়। তবে সেটি জনসমক্ষে প্রকাশ পায় সম্প্রতি।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তার দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
নিজেকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করতে অসততার আশ্রয় নিয়ে তিনি আইন ও সংবিধানের মৌলিক নীতি লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
ড. ইউনূস যে অধ্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সঙ্গে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ওই আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।
বিদায়ি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয়ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ।
তারা বলছেন, তিনি (ড. ইউনূস) যদি বিদায়ি রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্ণিত সবার জন্য সময় বাড়াতেন, তা হলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত। কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
নিজেকে শুধু ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেননি ড. ইউনূস। অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন তিনি। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে। সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. ইউনূস।
এমএন
জাতীয়
অভিনন্দন জানানো বিলবোর্ড-ব্যানার অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে টানানো সব ধরনের বিজ্ঞাপন, ব্যানার ও বিলবোর্ড দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী হাতিরঝিল এলাকা পার হওয়ার সময় পুলিশ প্লাজার সামনে তাঁর ছবি সম্বলিত অভিনন্দন বার্তা ও ব্যানার দেখতে পান। তিনি তখনই সেগুলো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই তা কার্যকর করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন কোম্পানির এলইডিতে প্রদর্শিত অভিনন্দন বার্তাও দ্রুত বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
কয়েকদিন আগেও বিজয় সরণীর সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময়ে একটি এলইডিতে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল সেটা দেখে তিনি তখনই তা অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী অফিস করেছেন সচিবালয়ে। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অফিসে আসেন। দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল জিয়াউল হক।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি, অবৈধ পাচার ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল বাড়ানো এবং জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।’
ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলায় রাজধানীর সড়কে যান চলাচলের গতি বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি প্রকৃতি কেমন এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ উপস্থাপন করা হয়েছে।
সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি ১ কি.মি.বেড়েছে। ‘
তিনি আরো বলেন,‘রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিলো ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার যা কিনা পায়ে হাঁটা গতির সমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন।’
এমএন
জাতীয়
জাতিসংঘের সভাপতি পদে যুক্তরাজ্যের সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার জন্য যুক্তরাজ্যের সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে তিনি এই সমর্থন চান।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী সীমা মালহোত্রাকে পাঠানোর জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের প্রশংসা করেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ ঐতিহাসিক সম্পর্ক, জনগণের মধ্যে শক্তিশালী সংযোগ এবং যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের প্রাণবন্ত অবস্থানের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন, যা দুই দেশের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু হিসেবে কাজ করে চলেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও হাইকমিশনার সহযোগিতার নতুন পথ অন্বেষণের বিষয়ে আলোচনা করেন, বিশেষ করে শিক্ষা, অভিবাসন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের প্রতি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে নেতৃত্বের ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি ২০২৬-২০২৭ মেয়াদে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের আসন্ন সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতায় যুক্তরাজ্যের সমর্থন কামনা করেন।
হাইকমিশনার বাংলাদেশি প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়টি তাদের সদর দপ্তরে উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন এবং আশ্বস্ত করেন যে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে যথাযথ বিবেচনায় নেবে।
এমএন
জাতীয়
দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত কারণে আজ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি। কোন চাপের মুখে নয়, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই পদত্যাগ করেছি। নতুন পর্ষদ গঠিত হবে। তাদের জন্য শুভ কামনা।
২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি দুদকের দুই কমিশনারও নিয়োগ দেওয়া হয়।
এমএন




