রাজনীতি
পদত্যাগ করলেন এনসিপির আরেক নেত্রী, জানালেন কারণ
এবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সৈয়দা নীলিমা দোলা নামে এক নেত্রী। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগপত্রও সঙ্গে যুক্ত করেছেন তিনি। ফরিদপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দলটিতে ছিলেন সৈয়দা নীলিমা দোলা।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐক্য গঠনের মধ্য দিয়ে দলটির একাধিক নেত্রী পতত্যাগ করেন। এবার সেই মিছিলে যুক্ত হলেন ফরিদপুর জেলার মহিলা লীগের সভাপতির মেয়ে সৈয়দা নীলিমা দোলা।
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা লিখেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল দায়িত্ব ও পদ থেকে পদত্যাগ করছি। আমি মনে করি, এনসিপির পক্ষে এখন আর মধ্যপন্থী রাজনীতির নতুন পথ সৃষ্টি সম্ভব নয়। এতদিন আমি এনসিপির সঙ্গে ছিলাম কারণ আমি মনে করেছিলাম, দলটি জুলাই পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে। তবে সম্প্রতি দলটির নানা সিদ্ধান্তের পর আমার কাছে এটুকু স্পষ্ট, এই দলটি সম্পূর্ণভাবে ডানপন্থী ঘরানায় ঢুকে পড়ছে এবং সেই ধারার রাজনীতিকেই তারা পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে। জামায়াতের সাথে এনসিপির যে নির্বাচন কেন্দ্রিক জোট তা কোনো কৌশলগত জোট নয়, যদি হতো তাহলে এত নেতাকর্মী পদত্যাগ করতো না। দলের নেতাকর্মীদের চোখে ধূলো দিয়ে এই জোট করা হয়েছে এবং মনোনয়ন দেবার নাম করে তীব্র প্রতারণা করা হয়েছে।
‘‘পদত্যাগ করার পর সাধারণত দলে থেকে যাওয়াদের অনেকে এমনটা বলেন যে, ক্ষমতা ও গুরুত্ব দেওয়ার পরেও আমরা চলে গেলাম কেন? তাই দলের সকলের স্বার্থে জানিয়ে রাখি, আমাকে কেউ কোনো ক্ষমতা দেয়নি বরং আমার প্রগতিশীল মানসিকতা এবং নিজের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের পরিচয় এনসিপিকে শক্তি যুগিয়েছে এতোদিন। যারা পদত্যাগ করছেন তাদের বামপন্থী বলে ফ্রেমিং করাটাও একটা গেইম প্ল্যানেরই অংশ বলে আমি মনে করি। কেননা, এতে করে জামায়াতের কাছে দল বিক্রি করা সহজ। বামপন্থীরা বেরিয়ে যাচ্ছে কেন এই পাল্টা প্রশ্ন আমি করতে চাই। তাহলে কী যারা রয়ে গেলো সকলেই ডানপন্থী? আপনারা না একটা সেন্ট্রিস্ট দল?’’
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা আরো লিখেছেন, ‘‘একটি বিষয় বলা দরকার, আমি এনসিপিতে আসার আগেও রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক স্পেসে গুরুত্বপূর্ণ অনেক কাজ করেছি। এনসিপিতে আসার পরেও করেছি।
সুতরাং দলের সাথে আদর্শিক জায়গা ছাড়া আমার আদান-প্রদান খুবই সীমিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে মনে হচ্ছে, আমার মতো কর্মীকে ধরে রাখার সামর্থ্য এনসিপির এখন আর নেই। আমি এও মনে করি যে, জুলাইয়ের জনতার কাছে এনসিপির অনেক দায় রয়েছে। অভ্যুত্থানের পর এনসিপির ওপর বাংলাদেশের মানুষ যে বিশ্বাস ও আস্থা রেখেছিল তা বিগত কয়েক মাসে চূর্ণবিচূর্ণ হয়েছে। আমি মনে করি আসন্ন কঠিন সময়ে জনতা এনসিপিকে এর সমুচিত জবাব দেবে। তবে একথাও সত্য, ইতিমধ্যে দল হিসেবে এনসিপি সেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া শুরু করেছে।’’
‘‘এনসিপির ভেতরে থেকেই আমি তীব্র লড়াই চালিয়ে গেছি। দলটা যেন সেন্ট্রিস্ট অবস্থানে থাকে সে জন্য নারী, শিশু, শ্রমিক, আদিবাসী, হিজড়া, হিন্দু, মাজারকেন্দ্রিক জনগণকে এক করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু গত দেড় বছরজুড়ে অন্তবর্তী সরকারের আমলে প্রায় সব ঘরানার প্রান্তিক মানুষের ওপর চলা অনিয়ন্ত্রিত অনাচার ও নির্যাতন নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর ব্যাপারে গণ অভ্যুত্থানের পর গঠিত এই ‘তারুণ্যনির্ভর’ দলকে অন্তত পাঁচ দিন করে ভাবতে হয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের মনমরা ও দায়সারা প্রতিবাদ আমার রাজনৈতিক অভিপ্রায়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দেশের আপামর মানুষের জন্যেও তা হতাশার।’’
পদত্যাগপত্রে সৈয়দা নীলিমা দোলা লিখেছেন, সবশেষে এই বলব যে, আমার বা আমার মত মানুষদের এনসিপি থেকে বিদায় এটাই প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে এনসিপি ছাড়াও জুলাইয়ের আরও একটি পক্ষশক্তি আছে। এ মানুষেরা বাংলার জনতা ও জমিনকে চেনে বলেই আমি ধারণা পোষণ করি। এনসিপির বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলতে চাই, রাজনৈতিক প্রয়োজনে নেগোসিয়েশন বা দফারফা সবাই বা বেশিভাগ দল করলে করুক, এনসিপির জন্য তা নিতান্ত বেমানান। কারণ, এনসিপি হাজারো জুলাই শহীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে এসেছিল। আমি দলটির নেতাদের বলতে চাই, ধর্মীয় রাজনীতিকে ফ্রন্টে এনে পলিটিক্স খেলার জন্য শহীদেরা জান দেননি। আপনাদের মনে করিয়ে দেওয়া দরকার, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে কোনো ধর্মীয় বিপ্লব বা অভ্যুত্থান হয়নি। তবে আপনারা এই অভ্যুত্থানকে ধর্মীয় মোড়কে ভরে আওয়ামী বয়ানকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে রয়েছেন। এজন্য আপনাদের লাল সালাম। পৃথিবীর যাবতীয় সমৃদ্ধি আপনাদের ঘিরে রাখুক।
এমকে
রাজনীতি
সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশে কোনো সমস্যা নেই: জামায়াত আমির
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারি দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা যখন সংসদে কথা বলেন, তখন তাদের কথায় দেশে কোনো সমস্যা খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমরা যখন সমাজের কাছে যাই, তখন দেখি সমস্যার পাহাড় জমে আছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে হামে আক্রান্ত শিশুদের পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, দেশে সবচেয়ে প্রাধান্য পাওয়ার কথা দুটি খাত হলো শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যখাত। কিন্তু আমাদের দেশে এই দুই খাতই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। আমরা সংসদে প্রশ্ন করে জানতে চেয়েছিলাম, দেশে পর্যাপ্ত আইসিইউ আছে কিনা। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আছে। অথচ আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে সাক্ষ্য দিচ্ছি, বাংলাদেশের বেশিরভাগ হাসপাতালে আইসিইউ-এর অস্তিত্বই নেই।
আইসিইউ মেইনটেইন করতে হলে আগে আইসিইউ রিসোর্স পারসনকে প্রশিক্ষিত করতে হবে, যাদের ক্রিটিক্যাল কেয়ার স্পেশালিস্ট বলা হয়। সেই ব্যবস্থাটাই বাংলাদেশে গড়ে তোলা হয়নি।
শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বদা নিজেদের সাধ্য অনুযায়ী সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। আমরা সব রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, আপনারাও মানুষের জন্য কাজ করুন। এই হাসপাতালটিতে সারা দেশ থেকে শিশুরা চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু এখানে পর্যাপ্ত সেবা দেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা নেই।
আগে সরকার এ হাসপাতালের জন্য ৩০ কোটি টাকা বাজেট প্রদান করতো, কিন্তু গত বছর থেকে তা কমিয়ে ২৮ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। যুগের সঙ্গে ও চাহিদা অনুযায়ী বাজেট বৃদ্ধি পাওয়ার কথা, কিন্তু তা কেন কমানো হয়েছে? আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ জানাই, আপনারা এ শিশু হাসপাতালটির দিকে বিশেষ নজর দিন। কারণ শিশুরাই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।
শিশু হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে এখানে ৬৪ জন হামের রোগী ভর্তি আছে এবং গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৩ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। এছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হাম সন্দেহে ১০ জন শিশু মারা গেছে এখানে।
রাজনীতি
জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন হিসেবে জাতীয় নারীশক্তির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে নারীশক্তির সদস্যসচিব মাহমুদা আলম মিতুর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি গঠনের তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের অনুমোদনে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নবগঠিত কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মনিরা শারমিন এবং সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাহমুদা আলম মিতু। এছাড়া সংগঠনের মুখ্য সংগঠকের দায়িত্ব পালন করবেন নুসরাত তাবাসসুম।
কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বে আরো রয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পদে সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে মনজিলা ঝুমা। যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন হাফসা জাহান, নাবিলা তাসনিদ, খন্দকার খালেদা আক্তার, আশরেফা খাতুন ও মুনা হাফসা।
এছাড়া যুগ্ম সদস্যসচিব পদে দ্ব্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি, নাহিদা বুশরা, কাজী আয়েশা আহমেদ, নীলা আফরোজ, মাহমুদা রিমি ও ইসরাত জাহান বিন্দুসহ মোট ছয়জন দায়িত্ব পালন করবেন।
সংগঠনটিকে গতিশীল করতে আটজন যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও ১৬ জন সংগঠককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
যুগ্ম মুখ্য সংগঠক হয়েছেন ইশরাত জাহান, উরসী মাহফিলা, সাদিয়া আফরিন, জয়ন্তী বিশ্বাস, সোনিয়া লুবনা, নাফিসা মুশতারী ও নাদিয়া ইসলাম মিম।
সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রেহনুমা রুমা, ফারজানা আক্তার, মনি মুক্তা, সেজুতি আক্তার, ঐশি আলম পৃথ্বী, নির্মী আক্তার নিপা, শাহিন সুলতানা ইতি, সাদিয়া আলম স্নিগ্ধা, বেনজির আক্তার, সাবরিনা রহিম প্রিয়া, ফালানি রবিদাস, ঋদিতা হৃদি, ফারহা এমদাদ ও সুরাইয়া ইয়াসমীন।
কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ফারিবা হায়দার, সালওয়া শামস, ইয়াসমিন তামান্না, সামিনা নাসরিন স্বপ্নীল, আকলিমা আক্তার, তোফাইয়া তুন নাসা শিমু, কানিজ ফাতেমা, মাহমুদা আকতার দুলারি, মোছা. শারমিন আক্তার, ফারজানা আক্তার নুপুর, তাসনিম তিশা, সাবিকুন নাহার, তাহমিদুন্নাহার তামান্না, আজরীন আরবী, শামসুন্নাহার ও মারিয়াম ইসলাম।
রাজনীতি
এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা
জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়ার গুঞ্জন নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির সাবেক নেত্রী রুমিন ফারহানা। তিনি এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, এর কোনো ভিত্তি নেই, এটা গুজব।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জার্মানভিত্তিক গণমাধ্যম ডয়েচে ভেলের (বাংলা) টক শোতে অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি।
রুমিন ফারহানা বলেন, এটা একেবারেই গুঞ্জন, একেবারেই গুজব।
এটার সঙ্গে ন্যূনতম কোনো সত্যতা নেই। তিনি জানান, এনসিপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে যে আলোচনা বা প্রচার হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। তার বক্তব্য, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছে। এনসিপির পক্ষ থেকেও তাকে দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপি ছেড়ে দেওয়া বা বিএনপি থেকে বহিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরে অবশ্যই অন্য অনেক দল এপ্রোচ করবে। সেই ধারাবাহিকতায় এনসিপিও কিছুটা করেছে। ওরা বারবারই বলেছে আপা চলে আসেন আমাদের সাথে। আসেন আমরা একসাথে কাজ করি।
আপনি জুলাই মাঠে ছিলেন। আপনার বাসা ভাঙচুর হয়েছে। আপনি একজন ফ্রন্টলাইনার। সো আপনি আমাদের সঙ্গে যুক্ত হন। আমি তাদের এপ্রোচে হেসেছি। এটা নিয়ে কথা বাড়াইনি।’
এনসিপিতে যোগ দিলে সংসদে কথা বলার আরও স্পেস তৈরি হবে কিনা- এ প্রশ্নের জবাবে রুমিন ফারহানা বলেন, শুধু কথা বলার সুযোগের জন্য আমি কোনো জোটে যোগ দেব না। কথা বলার জন্য অসংখ্য প্ল্যাটফর্ম আছে’ সেখানে আমি কথা বলতে পারি।
কিন্তু আমার নিজস্ব রাজনৈতিক আদর্শ, চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা বিসর্জন দিয়ে কেবল সংসদে দুই মিনিট কথা বলার সুযোগ পাওয়ার জন্য কোনো দলে যোগ দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয়।
রাজনীতি
হামে আক্রান্ত শিশুদের দেখতে শিশু হাসপাতালে জামায়াত আমির
হামে আক্রান্ত শিশুদের দেখতে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত শিশু হাসপাতালে গেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় তিনি শিশুদের দেখতে যান।
এসময় বিরোধীদলীয় নেতা হাসপাতালের ম্যানেজমেন্ট কমিটি ও পরিচালকসহ চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা ও চিকিৎসার সার্বিক বিষয়ে জানতে চান এবং সমস্যাগুলো শোনেন।
পরে জামায়াত আমির হাসপাতালের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।
মতবিনিময় সভায় আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
রাজনীতি
ছাত্র রাজনীতির নতুন যাত্রাকে কলুষিত করেছে শিবির: আব্দুল কাদের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের ছাত্র রাজনীতিতে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি নানা ধরনের অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ‘৫-ই আগস্টের পরে ছাত্র রাজনীতির নতুন যাত্রাকে কলুষিত করার পেছনে শিবিরের অনেক দায় আছে। ঐ সময়ে সুসংগঠিত ফোর্স হিসেবে রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে শিবিরের হাতে ছিল, তারা কেবল নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে গিয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার’কে রুদ্ধ করেছেন। রাজনীতিতে নোংরামির চর্চা শুরু করেছেন, উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে নাস্তানাবুদ করেছেন প্রতিপক্ষকে।
আব্দুল কাদের তার স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, সাংগঠনিকভাবে সভ্য-ভব্য বলে নামডাকওয়ালা শিবির এক্ষেত্রে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষকে সামনে আনতে পারতো কিন্তু নিয়ে আসছে নিম্নস্তরের কিছু অযোগ্য লোককে, যারা সংগঠন এবং রাজনীতি; দুইটার কালচারকেই নষ্ট করছে, রীতিমতো ডুবাইছে।



