রাজনীতি
জামায়াত আমিরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা মহানগরীর আওতাধীন আসনগুলোর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, সব কাগজপত্র ঠিক থাকায় এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলো।
এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল।
তফসিল অনুযায়ী, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
এমকে
রাজনীতি
ব্যবসায়ীদের সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দেবে বিএনপি: আমীর খসরু
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ব্যবসায়ীরা বর্তমানে বড় ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, যার কারণে দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না, কর্মসংস্থান কমে যাচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি এগিয়ে নেওয়ার গতি ব্যাহত হচ্ছে। ব্যাংকিং খাত, স্টক এক্সচেঞ্জ ও ক্যাপিটাল মার্কেট সবখানেই গুরুতর সংকট রয়েছে। এসব সমস্যা নিয়েই শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শুনেছেন। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন আমীর খসরু।
এর আগে, দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্প–উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আমীর খসরু সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে ব্যবসায়ীরা তাঁদের সমস্যাগুলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সামনে তুলে ধরেন।
তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ভোটে যদি বাংলাদেশ বিএনপি সরকার গঠন করতে পারে এবং তারেক রহমান দায়িত্বে আসেন, তাহলে এসব সমস্যার সমাধান হবে। ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার এবং বিভিন্ন নীতিগত সমস্যার কারণে ব্যবসার খরচ বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে বাড়তি মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, যা শেষ পর্যন্ত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলছে।
এসব প্রতিকূল অবস্থার কারণে ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা ঠিকভাবে চালাতে পারছেন না, অন্যদিকে বিনিয়োগও বাড়াতে পারছেন না। দেশীয় ব্যবসায়ীরা যদি বিনিয়োগ করতে না পারেন, তাহলে বিদেশিরা কীভাবে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে—সে প্রশ্নও বৈঠকে উঠে এসেছে। এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, তারেক রহমান শুধু সমস্যাগুলোর সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেননি, বরং প্রতিটি সমস্যার কী ধরনের সমাধান হতে পারে, সে বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মতামত জানতে চেয়েছেন। পাশাপাশি তিনি নিজেও যেগুলোকে বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনীয় মনে করেছেন, সেগুলো তুলে ধরেছেন।
ব্যবসায়ীরা প্রত্যাশা করছেন, জনগণের ভোটে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এসব সমস্যার সমাধান হবে। এ বিষয়ে তারেক রহমান তাঁদের আশ্বস্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সমস্যার সমাধানের পথ নিয়ে বিএনপির ভেতরে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং সে অনুযায়ী নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এসব নীতিমালা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়েও তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। শুধু নীতিমালা প্রণয়ন করাই নয়, এসব সমস্যা সমাধানে বাস্তবায়নের কৌশল ও অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেটিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
আমীর খসরু বলেন, বিএনপি একটি ব্যবসাবান্ধব দল। বিএনপির সময় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়েছে, সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি বেড়েছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার ঘটেছে। এ কারণেই ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। বৈঠক শেষে মনে হয়েছে, ব্যবসায়ীরা সন্তুষ্ট। কারণ, তাঁদের অভিজ্ঞতায় বিএনপির সময় শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন হয়নি, ব্যাংক লুটপাট হয়নি, টাকা পাচার হয়নি। বরং বিএনপির শাসনামলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি হয়েছে। এ কারণেই ব্যবসায়ীরা বিএনপির ওপর আস্থা রাখছেন।
তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা করতে আসিনি। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানাতে এসেছিলাম। আমরা ব্যবসায়ী মহল মনে করি খালেদা জিয়া ও প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতি ছিল বেসরকারি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য। দেশে ব্যক্তিখাতের যে উন্মেষ হয়েছে এটার পথিকৃৎ তারা ছিলেন। আমরা সেই জায়গা থেকে কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছিলাম। কিন্তু তারেক রহমান আমাদের কাছ থেকে শুনতে চেয়েছেন যে আমাদের সমস্যা কী। তিনি ক্ষমতায় আসলে কী করতে পারেন তার একটা আউটলাইন আমাদের কাছে চেয়েছেন। আমরা আমাদের বিরাজমান সমস্যা যেগুলো জানিয়েছি। আমাদের জ্বালানির সমস্যা, আইনশৃঙ্খলা সমস্যা, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার অসুবিধার কথা বলেছি। গণমাধ্যমের ঝুঁকির কথাও বলেছি। ব্যবসার খরচ যাতে কমানো যায়, শেয়ার বাজার যাতে শক্তিশালী করা যায়। ব্যাংকের উপর যাতে নির্ভরশীলতা কমে আসে, এসব বলেছি। আমরা গত এক বছর দেখলাম দেশে অনেক বেশি নিরাপত্তা সংকট। আমরা বলেছি যে সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করতে হবে। শিল্প বাণিজ্য এবং সাধারণ মানুষের জন্যও নিরাপত্তা দিতে হবে। দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য এগিয়ে নেওয়ার জন্য যেসব অবকাঠামো প্রয়োজন, সেগুলি করতে হবে। অবকাঠামো ছাড়া কোনো শিল্প গড়ে উঠতে পারে না না, কর্মসংস্থানও হবে না। দীর্ঘদিন বেসরকারি খাদ্যের বিনিয়োগে যে স্থবির অবস্থা তৈরি হয়েছে, সেটা আমরা বলেছি। আমরা চেয়েছি যে আমলাতান্ত্রিক যে হয়রানি বা বিভিন্ন পলিসিগতভাবে আমরা বাধাগ্রস্ত হচ্ছি সেটা যাতে না হয়। ডিরেগুলেট করার কথা বলেছি। তারেক রহমান ভালোভাবে নোট করেছেন এবং বলেছেন, উনি যদি ক্ষমতায় আসেন তাহলে উনি চেষ্টা করবেন এগুলো সমাধান করার।
বিসিআই সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীদের সম্মানটা অত্যন্ত জরুরি। সব সময় ঢালাওভাবে বলা হয় যে ব্যবসায়ীরা সব চোর-বাটপার। কিন্তু ইকোনমি যদি বড় করতে হয় ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করা উচিত। সেটাই আমরা ওনাকে বলেছি।
আমরা চাই, যে সরকারই আসুক না কেন তারা যাতে দায়িত্ববোধ নিয়ে আসে। অর্থনীতি হলো দেশের উন্নয়নের মূল ভিত্তি। ফলে অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে হলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়েই সরকারকে একসাথে কাজ করা উচিত। তারেক রহমানও বলেছেন, উনিও মনে করেন, যদি উনারা ক্ষমতায় আসতে পারেন তাহলে ব্যবসায়ীদেরকে সঙ্গে নিয়ে পলিসিগুলো যেখানে যেখানে দেওয়া দরকার তা করবেন। কিছু কিছু জায়গায় হয়ত পারা যাবে, কিছু কিছু জায়গায় হয়ত পারা যাবে না। কিন্তু একটা স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করবেন এবং ব্যবসায় সহায়ক একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
বৈঠকের শুরুতে এফবিসিসিআই সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন উপস্থিত ব্যবসায়ীদের পরিচয় তুলে ধরেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিএসআরএমের চেয়ারম্যান আলী হোসেন আকবর আলী, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন ও এ. কে. আজাদ, স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তাফা কামাল, উত্তরা মোটর করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি. রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, স্টিল মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য ও ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান, প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী।
এমকে
রাজনীতি
দু-এক দিনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন তারেক রহমান
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দু-একদিনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হবেন তারেক রহমান।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সিলেটের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের চেয়ারপার্সনের মৃত্যুতে পদটি শূন্য রয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানকে এই পদে বসানো হবে।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, বরাবরের মতো এবারো সিলেট থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবে বিএনপি।
তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন জাতির জন্য এজন্য গুরুত্বপূর্ণ যে, মানুষ তার ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। নির্বাচন নিয়ে মিডিয়া আশঙ্কার কথা বললেও দল হিসেবে বিএনপি শঙ্কা বোধ করে না। প্রথম থেকেই নির্বাচন চেয়েছে বিএনপি।
গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর গত শনিবার তারেক রহমান ঢাকা-১৭ আসনের ভোটার হন।
অন্যদিকে, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমানের পক্ষে এই মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর তালুকদার ও বগুড়া শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত হওয়া সব কটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ আসন ছিল বিএনপির দখলে। এর মধ্যে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত চারবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য হন বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
এক-এগারোর পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথম ছবিসহ ভোটার তালিকা তৈরি হয়। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান কারামুক্ত হয়ে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর লন্ডনের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছিলেন। বিদেশে থাকায় তখন ভোটার তালিকায় তিনি অন্তর্ভুক্ত হননি। এর পরপর আওয়ামী লীগের শাসনকালে তিনি দেশে আসেননি, ভোটারও হননি।
গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ১১ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে ভোটগ্রহণ।
এমকে
রাজনীতি
নির্বাচনের পরিবেশ আশাব্যঞ্জক: মির্জা ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ বেশ আশাব্যাঞ্জক মনে হচ্ছে। কারণ যারা কিছুদিন আগেও বলতেন এটা না হলে নির্বাচন হতে দেব না, সে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো কিন্তু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তারা ইতোমধ্যেই তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে ও নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। সেই দলগুলো এখন নির্বাচন প্রক্রিয়াতে নেমে পড়েছে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গুটিকয়েক মহল এখনো এর বিরুদ্ধে কাজ করার চেষ্টা করছে ও তারা কিছু আন্দোলন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আমি মনে করি না যে, তারা তাদের সেই লক্ষ্য অর্জনে সফল হবে। কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি, সবাই নির্বাচনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। কিছু মহল এখনো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করলেও সেটা ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার আসার পর থেকে গত এক বছরে দেশে ভয়ঙ্কর একটা কালচারের শুরু হয়েছে। যেটা হচ্ছে মব ভায়োলেন্স। মবোক্রেসি যেটা গণতন্ত্রকে একেবারে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখান থেকে সচেতনভাবে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে ও এর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেটা সম্ভব একমাত্র একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা যদি আমরা চালু করতে পারি ও সুষ্ঠ নির্বাচন করতে পারি তাহলে।
পরে আবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হলেও এটি এখন কার্যত একটি কেয়ারটেকার সরকার থেকে পূর্ণাঙ্গ সরকারের রূপ নিয়েছে। এ সরকারের পেছনে জনগণের সরাসরি ম্যান্ডেট নেই, এমন কথা কেউ কেউ বললেও, তাদের যে সংস্কারমূলক উদ্যোগ ও সনদ বাস্তবায়নের কাজ তারা করেছে, সেজন্য অবশ্যই তাদের কৃতিত্ব দিতে হবে।
দুয়েক দিনের মধ্যে তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হচ্ছেন জানিয়ে তিনি বলেন, দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই পদটি শূন্য রয়েছে। তার শুন্যতা পূরণে তারেক রহমানকেই এই পদে বসানো হবে।
নির্বাচনের প্রচারণা শুরু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো সিলেট থেকেই এবারও নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করবে বিএনপি।
তিনি বলেন, এ নির্বাচন শুধু আমাদের কাছে নয় জাতির জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন এই জাতি তাদের ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গণতন্ত্রের পূর্ব শর্ত হচ্ছে, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে একটা নির্বাচিত পার্লামেন্ট গঠন করা ও সেই পার্লামেন্টের মাধ্যমে একটি সরকার গঠন করা, যারা দেশের সত্যিকারার্থেই একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন তার পথে এগিয়ে চলছে। সবার সহযোগিতায় কমিশন নির্বাচন বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে রাজকীয়ভাবে প্রস্থান করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। আগামীতে যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ ছিল খালেদা জিয়ার স্বপ্ন, সেটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
নির্বাচন সঠিক সময়েই অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও আমাদের নেতা তারেক রহমানের লন্ডনে বৈঠকের পর থেকেই বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায় যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সরকার এখনও সেই পথেই হাঁটছে।
কিছু কিছু আসনে দুজন করে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, মূলত বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে রাখা হয়েছে। আমরা প্রায় ১০–১২টি আসনে এই ব্যবস্থা করেছি। কারণ কয়েকটি আসনে ব্যাংক ক্লিয়ারেন্স বা মামলা সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে শঙ্কা ছিল। সেই কারণে বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে।
তারেক রহমানের সিলেট সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণত বড় রাজনৈতিক দলগুলো সিলেট থেকেই নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করে থাকে। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানও সিলেট থেকেই প্রচারণা শুরু করবেন বলে আমরা আশা করছি।
চট্টগ্রাম ও ঢাকায় বিএনপি প্রার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের প্রার্থীরা নিজেরা অত্যন্ত সচেতন ও সজাগ। তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই যতটা সম্ভব নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন। আমি বিশ্বাস করি, এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না।
জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণভোট নিয়ে আমাদের অবস্থান খুব পরিষ্কার। আমরা নির্বাচনের দিনেই গণভোট চেয়েছি ও যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ওপরই গণভোট হবে। জনগণ সেখানে তাদের মতামত প্রকাশ করবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উত্তরাঞ্চল ও খুলনা অঞ্চলে বিএনপির একাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনাগুলো অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এসব বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি দেওয়া জরুরি।
খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমি এইটুকুই বলতে চাই, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া শুধুমাত্র বিএনপির নেত্রী নয়, তিনি ছিলেন সমগ্র বাংলাদেশের নেত্রী। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি তার সমস্ত জীবনটাই উৎসর্গ করেছেন। তার রাজনৈতিক জীবনের পুরোটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের জন্য যেন সংগ্রাম করা। সে সংগ্রাম তিনি করেছেন এবং সেই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝ থেকে চলে গেছেন। বেগম জিয়ার চলে যাওয়াটা হয়েছে একটা রাজকীয় চলে যাওয়া। এদেশের মানুষ যে তাকে কত ভালোবাসতো তার প্রমাণ আমরা দেখেছি। ৩০ তারিখে তার জানাজার মধ্য দিয়ে আমরা সেটা লক্ষ্য করেছি।
তিনি বলেন, আজকের এই সময়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়। এই সময়টা আমাদের জাতির জীবনে একটা কান্তিকালের মত। আমরা যদি নির্বাচন করতে গণতন্ত্রে ফিরে যেতে না পারি জাতিগতভাবে আমরা ফেল করব। সুতরাং আমাদেরকে অত্যন্ত সাবধানে পা ফেলতে হবে। আমাদের কোন প্রভোকেশনে পা দেওয়া উচিত হবে না। আমাদের এমন কোন কাজ এমন কোন রাজনৈতিক কাজ করা ঠিক হবে না যে সমস্ত কাজগুলো আমাদের এই উদ্দেশ্যকে ব্যহত করতে পারে।
এমকে
রাজনীতি
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব মাহদী হাসানের নিঃশর্ত জামিনসহ তিনটি দাবি ও তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠনটি।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মাহদী হাসানের জামিন-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া এবং এর আগে ঘোষিত দুই দফা দাবির প্রেক্ষিতে পরবর্তী কর্মসূচি ও কার্যক্রম জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব ঘোষণা দেওয়া হয়।
এর আগে শনিবার রাতে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি থেকে সংগঠনটি দুই দফা দাবি উত্থাপন করে। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল—শনিবার রাতের মধ্যেই মাহদী হাসানের নিঃশর্ত মুক্তি ও হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহার। পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ জনগণের ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারির দাবিও জানানো হয়।
রবিবার সন্ধ্যার সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশীদ বলেন, দুই দফার মাঝে শুধুমাত্র প্রথম দফা আংশিক বাস্তবায়িত হয়েছে। মাহদীকে কিন্তু নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়নি। একটি মামলায় কেবলমাত্র জামিন দেওয়া হয়েছে। সুতরাং আমাদের প্রথম দফা সম্পূর্ণভাবে পূরণ হয়নি।
সুতরাং আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের যে কর্মসূচি, সেটি চলমান থাকবে, সেটি থেমে থাকবে না। বর্তমানে আগের দুইটি দফার সাথে নতুন একটি দফা যুক্ত করে আমরা তিন দফা দিতে চাই।
সংগঠনটির ঘোষিত তিন নম্বর দাবি হল : জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীসহ সামরিক, আধা সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে, তাদের সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনী সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মক্ষেত্রে তাদের হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করা এবং ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্যাসিবাদের রোষাণলে পরে সশস্ত্র বাহিনীতে পদোন্নতি বঞ্ছিত অফিসারদের দ্রুত পদোন্নতি ও গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদগুলোতে পদায়ন করা। এসময় রিফাত রশীদ তিনটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সারা দেশের যে যে থানার অধীনে ছাত্র জনতাকে শহীদ করা হয়েছে সেই সকল থানার ওসি এবং সেই জেলাগুলোর এসপি থেকে শুরু করে তদুর্ধ্ব কমান্ডিং অফিসারদের তালিকা তৈরি করে তালিকাটি আইসিটি ট্রাইব্যুনালে জমা পূর্বক মামলার করবে সংগঠনটি। সেই সাথে ইনডেমিনিটি অর্ডিন্যান্স রাষ্ট্রপতি কতৃক জারি নিশ্চিতে আইন উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাদের সাথে মতবিনিময় করা হবে। আর নির্বাচনকালীন বৃহত্তম দুটি জোটের প্রধানের সাথে সাক্ষাৎপূর্বক তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে জুলাইয়ের বৈপ্লবিক চেতনাকে সমুন্নত রাখা এবং জুলাই বিপ্লবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যাপারটি স্পষ্ট উল্লেখ নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আমার প্রতিটি ভাই-বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
আমরা দেখতে পাচ্ছি অনেক রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ভোট পাওয়ার জন্য অনেক সময় অনেক ধরনের পলিটিক্যাল স্ট্যান্ড নিচ্ছে। তারা আওয়ামী পুনর্বাসনে ব্যস্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নাই, সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগের বাংলাদেশে কোনো ভোট নাই।
তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা হুঁশিয়ারি করে বলে দিতে চাই, তারা যদি সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসন করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন রাজপথে রাজনৈতিকভাবে এর জবাব দিতে এখনো প্রস্তুত রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের বৈপ্লবিক রূপান্তরের লক্ষ্যে আমরা সারা বাংলাদেশে আমাদের কার্যক্রম আবারও শুরু করেছি। সুতরাং এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ মূলতপাটন না করা পর্যন্ত এবং গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই চলমান থাকবে।
এমকে
রাজনীতি
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক আজ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন কমিটির চেয়ারম্যান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এই তথ্য জানান।
এর আগে, গত ১ জানুয়ারি রাতে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে চেয়ারম্যান এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে সদস্যসচিব করে ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে বিএনপি।
পরে ওইদিন রাতে বিএনপির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচন কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সমন্বিতভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে অভিজ্ঞ ও দায়িত্বশীল নেতাদের নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটিতে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আর প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে।
এ ছাড়া কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদ, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
তাদের মধ্যে রয়েছেন মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিজন কান্তি সরকার, হাবিব উন নবী খান (সোহেল), জিয়াউদ্দিন হায়দার, মঞ্জুর হোসাইন আলমগীর, মাহদি আমিন, সালেহ শিবলী, এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, সাইমুম পারভেজ, রেহান আসাদ ও জুবায়ের বাবু।
কমিটিতে আরও রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর, আবদুল কাইয়ুম, গিয়াসউদ্দিন রিমন, হুমায়ুন কবির, এ বি এম আবদুস সাত্তার, মোহাম্মদ জকরিয়া, মোস্তাকুর রহমান, বেলায়েত হোসেন মৃধা, মেহেদুল ইসলাম, ফরহাদ হালিম ডোনার, অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান, কামরুল ইসলাম সজল, অধ্যাপক হারুন অর রশিদ, প্রকৌশলী শোয়েব বাশারী বাবলু, কামরুজ্জামান কায়সার, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, আবদুল মোনায়েম মুন্না, আফরোজা আব্বাস, মনির খান, আ ন ম খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, ইয়াসিন আলী, আবুল কালাম আজাদ, কাজী মো. সেলিম রেজা, রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও আনোয়ার হোসেন।



