রাজনীতি
জামায়াত আমিরের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা
ঢাকা-১৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমির মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা মহানগরীর আওতাধীন আসনগুলোর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, সব কাগজপত্র ঠিক থাকায় এবং তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় মো. শফিকুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলো।
এর আগে, গত ২৯ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিল।
তফসিল অনুযায়ী, ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।
এমকে
রাজনীতি
ঋণখেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে: হাসনাত
ঋণ খেলাপিরা সংসদে গেলে ঋণ মেরে দেওয়ার আইন বানাবে বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ৬ নম্বর ফতেহাবাদ ইউনিয়নের জয়পুর চাঁন মিয়া সুপার মার্কেটে শহীদ ওসমান হাদির রুহের মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ ও দোয়ার মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা নতুন কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখলাম ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিতে। এই ঋণখেলাপিদের সংসদে পাঠিয়ে আসলে তারা জনগণকে কী বার্তা দিতে চায়, সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। যারা জনগণের টাকা মেরে দিচ্ছে, যারা ট্যাক্সের টাকা মেরে দিচ্ছে, তারা সংসদে গিয়ে মূলত তাদের এই ঋণ যেন না দিতে হয়, সেই বন্দোবস্ত তারা করবে। সংসদ সদস্য হয়ে তারা যেন ঋণটাকে মেরে দিতে পারে, এই ধরনের আইন বানাবে। সেজন্য ব্যালটের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপিদের ‘না’ বলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে ভারতীয়রা গুণ্ডামি চালিয়েছিল। ভারত থেকে বসে ঠিক করে দিয়েছে, আমাদের দেশটা কে চালাবে। বিভিন্ন ব্যাংকের মতো এজেন্ট দিয়েছে। যাকে এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল, সেই এজেন্ট মালিকের কথামতো দেশ চালিয়েছিল। যখন পারে নাই, তখন এজেন্টকে মালিক সরিয়ে নিয়ে গেছে।’
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে জামায়াত ও এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এমকে
রাজনীতি
ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা
রাজধানীর পান্থপথের গ্রিনরোড এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তার নাম আজিজুর রহমান মোসাব্বির। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৮টা ৪০ মিনিটে এ গুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, প্রাথমিকভাবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) ফজলুল করিম বলেন, দুজনকে গুলি করা হয়েছে। আজিজুর রহমান মোসাব্বির মারা গেছেন।
পুলিশ বলছে, বসুন্ধরা মার্কেটের পেছনে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা দুজনকে গুলি করে। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বিআরবি হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
এমকে
রাজনীতি
১৬ লাখ টাকা আয় কীভাবে হলো, ব্যাখ্যা করলেন নাহিদ
নির্বাচনি হলফনামায় নিজের বাৎসরিক আয় ১৬ লাখ টাকা দেখিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। হলফনামার এ তথ্য সামনে আসার পর থেকেই তার এই আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। একইসঙ্গে ওই পোস্টে ‘অপপ্রচারের’ জবাবও দিয়েছেন তিনি।
ফেসবুকের ওই এডমিন পোস্টে বলা হয়েছে, নির্বাচনি হলফনামায় নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই অপপ্রচার সত্য উদঘাটনের চেয়ে বরং একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদকে সন্দেহের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর একটি রাজনৈতিক প্রয়াস।
এতে বলা হয়, প্রথমত, বাৎসরিক আয় নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভুল ধারণার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। হলফনামায় যে ১৬ লক্ষ টাকার বাৎসরিক আয় উল্লেখ করা হয়েছে, তা কোনো নির্দিষ্ট চাকরি ছাড়ার পর হঠাৎ করে অর্জিত অর্থ নয়; এটি ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত) মোট আয়ের হিসাব। এই অর্থবছরের বড় একটি সময় (সাত মাস) নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই দায়িত্বের বিপরীতে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত বেতন–ভাতা পেয়েছেন।
বাস্তবতা হলো, এই ১৬ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ টাকাই উপদেষ্টা হিসেবে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা, যা ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধিত, আয়করযোগ্য এবং সম্পূর্ণভাবে নথিভুক্ত। বাকি অংশ এসেছে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট (পরামর্শক) হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজের সম্মানী থেকে, যারও সুস্পষ্ট কর হিসাব রয়েছে।
মোট সম্পদ সংক্রান্ত তথ্যের বিষয়ে ওই ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, নাহিদ ইসলামের মোট সম্পদ ৩২ লক্ষ টাকা। মোট সম্পদ কোনো এক বছরের আয় নয়, এটি একজন মানুষের পুরো জীবনের সঞ্চয়ের সমষ্টি।
নাহিদ ইসলামের ক্ষেত্রে এই সম্পদ তার প্রায় ২৭ বছরের জীবনের জমাকৃত সঞ্চয়। এর মধ্যে রয়েছে উপদেষ্টা পদের বিপরীতে প্রাপ্ত বেতন থেকে সেভিংস, পূর্ববর্তী সেভিংস, পারিবারিক ও সামাজিক অনুষ্ঠানে পাওয়া উপহার, স্বর্ণালংকারের মূল্য, ফার্নিচার এবং ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্যের সমষ্টি। পাশাপাশি উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের পর আয়কর পরিশোধিত ইনকামও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এখানে মোট সম্পদ যেটা একেবারেই সত্য ও একুরেট সেই তথ্যই দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ঘিরে যে অপপ্রচার চলছে, সেটিও তথ্যের অপব্যবহার ছাড়া কিছু নয়।
উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের সময় নাহিদ ইসলামের ব্যাংক একাউন্টে যে প্রায় ১০ হাজার টাকা ছিল, সেটি ছিল উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন মোট আয়ের পর অবশিষ্ট নগদ অর্থ—তার মোট সম্পদের প্রতিফলন নয়। পরবর্তীতে সরকারিভাবে মন্ত্রীদের আসবাবপত্র ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ অর্থ একই অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ায় ব্যালেন্স বৃদ্ধি পায়, যা হলফনামায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। বর্তমানে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মাত্র দুটি—একটি সোনালী ব্যাংকে এবং আরেকটি নির্বাচনি ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকে খোলা। এর বাইরে তার আর কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। একই সঙ্গে এটিও পরিষ্কার যে উপদেষ্টা পদে থাকা অবস্থায় যেমন তার কোনো জমি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি ছিল না, পদত্যাগের পরেও তা হয়নি—এই তথ্য হলফনামায় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।
পেশা সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে, পেশা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হলফনামার কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা হিসেবে শিক্ষকতা উল্লেখ করা হয়নি। তার পূর্ববর্তী পেশা সরকারের উপদেষ্টা এবং বর্তমান পেশা হিসেবে কনসালট্যান্সি উল্লেখ আছে, যা একটি স্বীকৃত ও বৈধ পেশা। তিনি একটি টেক ফার্মে স্ট্র্যাটেজিক ও পলিসি সিদ্ধান্তে পরামর্শ দেন—যে প্রতিষ্ঠানের নাম ইলেকশন কমিশনে দাখিল করা নথিতেই উল্লেখ রয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠান কোনো সরকারি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত নয় এবং নাহিদ ইসলামের যুক্ত থাকার কারণে প্রতিষ্ঠানটি কখনোই কোনো সরকারি সুবিধা পায়নি। তার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি এই পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন—এতে অস্বাভাবিক বা গোপন কিছু নেই।
নাহিসের ওই ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত প্রতিটি তথ্য আয়কর রিটার্ন ও নির্বাচনি হলফনামার মাধ্যমে আইনগতভাবে যাচাইযোগ্য। তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন আয়, পদত্যাগের পর পেশাগত আয় এবং জীবনের সামগ্রিক সম্পদ—সবকিছু আলাদা করে, স্বচ্ছভাবে ঘোষণা করেছেন। অথচ এই স্পষ্ট ও পৃথক ক্যাটাগরিগুলোকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুলিয়ে দিয়ে একটি অসৎ রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে। বাস্তবে, সীমিত সম্পদ ও স্বচ্ছ আয়ের ঘোষণা এই কথাই প্রমাণ করে যে নাহিদ ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার বা অবৈধ সম্পদ সঞ্চয়ের রাজনীতির বাইরে থেকেই দায়িত্ব পালন করেছেন—আর সেটিই এই অপপ্রচারের মূল অস্বস্তির জায়গা। দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, এই দেশে সত্য বলা অনেক সময় অপরাধে পরিণত হয়। যত বেশি স্বচ্ছতা দেখানো হয়, তত বেশি কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। অথচ যেসব রাজনীতিবিদ বছরের পর বছর দেশে-বিদেশে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন, যাদের হলফনামার তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না—তাদের ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা প্রায় অনুপস্থিত। কারণ ক্ষমতার সঙ্গে আপস করা থাকলে প্রশ্ন ওঠে না।
এমকে
রাজনীতি
খালেদা জিয়ার ত্যাগ জাতি আজীবন মনে রাখবে: আমীর খসরু
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, যে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, তা জাতি আজীবন মনে রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সবকিছুর ঊর্ধ্বে গিয়ে দেশের মাটি ও মানুষকে বেছে নিয়েছিলেন। এই দেশের মানুষের ভালো-মন্দের সাথে উনি মিশে গেছেন।’
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আমীর খসরু।
তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে একমাত্র নেতা, যিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একদিনের জন্যও আপস করেননি।’
খালেদা জিয়ার জানাজায় কোটি মানুষের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এই যে কোটির উপরে মানুষ সেদিন জানাজায় গেছে, এটা এমনিতে হয় না। হৃদয়ের টান থেকে সেদিন সবাই উপস্থিত হয়েছিল।’
খালেদা জিয়ার সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের কথা স্মরণ করে আমীর খসরু বলেন, ‘মেয়েরা যখন একেবারেই স্কুলে যেত না।
ওই সময় খালেদা জিয়া খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা চালু করেছেন। মেয়েরা যাতে স্কুলে যায়, গরিব শিশুরা যাতে স্কুলে যায় এজন্য উপবৃত্তি, বৃত্তি দিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের যে মশাল শহীদ জিয়ার হাত থেকে নিয়েছিলেন, সেই মশাল দীর্ঘ সময় বহন করেছেন এবং এখন তা তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়েছেন।’
ভবিষ্যতের কর্মসূচি সম্পর্কে আমীর খসরু বলেন, ‘তারেক রহমান সাহেব যে রূপরেখা আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করতে হবে।
দলীয় নেতৃত্বের ঘোষিত নীতি যেমন ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ফার্মার্স কার্ড’, এক কোটি কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করেন আমীর খসরু।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি মানুষের জন্য চিন্তা করা হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়নের সুফল প্রত্যেক নাগরিকের কাছে যাবে।’
এমকে
রাজনীতি
ওপর লেভেলের চাপে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে: সুরভী
মামলা বাণিজ্য ও প্রতারণায় অভিযুক্ত আলোচিত ‘জুলাইযোদ্ধা’ তাহরিমা জান্নাত সুরভী বলেছেন, ওপর লেভেলের চাপ আছে বলেই আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো, এই ওপর লেভেলের লোকটা কে?
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। সুরভী বলেন, আমি টানা চারদিন হাসপাতালে ছিলাম। অনেকে আমাকে দেখতেও গিয়েছিলো।
তিনি বলেন, আমার বয়স ১৭ বছর। আমার পরীক্ষা আছে তাই আমি জামিন চেয়েছিলাম। যারা আমাকে অনেক হেল্প করেছেন যারা তাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি ১১ দিন জেলে ছিলাম। আমাকে দুইবার রিমান্ড দেওয়া হয়। কোনো প্রমাণ না থাকলেও আমাকে রিমান্ড দেওয়া হয়। আমি কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ছিলাম না।
সুরভী বলেন, আমার কাছে আপসনামা নিয়ে আসে। আমি সেখানে সই করি না। আমি তার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলা করেছিলাম। সেই প্রেক্ষিতে আমার কাছে আপসনামা নিয়ে আসে।
এমকে




