অর্থনীতি
পর্দা উঠল আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার
অবশেষে পর্দা উঠল ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ)। শনিবার (৩ জানুয়ারি) পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) এ মেলা উদ্বোধন ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
এবারের বাণিজ্য মেলায় অনলাইনে বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্টল বা প্যাভিলিয়ন স্পেস বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মেলায় ই-টিকিটিংয়ের (অন-স্পট টিকিট ক্রয় ব্যবস্থার পাশাপাশি অনলাইনে টিকিট ক্রয় করে কিউআর কোড স্ক্যান করে মেলায় প্রবেশ) ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ ছাড়া এবার ক্রেতা-দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিআরটিসির ডেডিকেটেড বাস সার্ভিসের পাশাপাশি কনসেশনাল রেটে ‘পাঠাও’ সার্ভিস যুক্ত হচ্ছে।
গত ১ জানুয়ারি থেকে তবে এবারের বাণিজ্য মেলা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করায় ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচি পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ইপিবির যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন, উৎপাদনে সহায়তার লক্ষ্যে বাণিজ্য মেলা রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আয়োজন করা হতো।
করোনা মহামারির কারণে ২০২১ সালে মেলা আয়োজন করা হয়নি। আর মহামারির বিধিনিষেধের মধ্যে ২০২২ সালে প্রথমবার মেলা পূর্বাচলে বিবিসিএফইসিতে আয়োজন করা হয়।
অর্থনীতি
করদাতার ব্যাংকে অনলাইনে ভ্যাট রিফান্ড চালু করলো এনবিআর
করদাতাদের ভ্যাট রিফান্ড পেতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে অনলাইনে সরাসরি ব্যাংক হিসাবে ভ্যাট ফেরতের নতুন ব্যবস্থা চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
এখন থেকে ই-ভ্যাট সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করলে ভ্যাট রিফান্ডের টাকা সরাসরি করদাতার নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।
আজ বুধবার (০৭ জানুয়ারি) ঢাকার তিনটি ভ্যাট কমিশনারেটের অধিভুক্ত তিনজন করদাতার ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ভ্যাট রিফান্ড প্রদানের মাধ্যমে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে করদাতাদের প্রতিনিধিসহ এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান কর ব্যবস্থাপনাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও ডিজিটাল করতে এনবিআরে চলমান উদ্যোগে করদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
এনবিআর জানায়, এনবিআরের ব্যবহৃত ই-ভ্যাট সিস্টেমে একটি নতুন রিফান্ড মডিউল সংযোজন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় অর্থ বিভাগের আইবাস প্লাস প্লাস সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিফান্ডের অর্থ স্থানান্তর করা হচ্ছে। অনলাইন রিফান্ড ব্যবস্থায় করদাতারা মাসিক মূসক (ভ্যাট) রিটার্ন দাখিলের সময়ই অনলাইনে রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট মূসক কমিশনারেট আবেদন যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণ শেষে অনুমোদন দিলে কোনো ধরনের কাগজপত্র বা সরাসরি অফিসে উপস্থিতি ছাড়াই রিফান্ডের টাকা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে যাবে।
সূত্র আরও জানায়, নতুন এই অনলাইন ভ্যাট রিফান্ড মডিউল বাস্তবায়নের ফলে রিফান্ড আবেদন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় দ্রুত নিষ্পত্তি সম্ভব হবে। পাশাপাশি ভ্যাট কার্যালয়ে বারবার আসা–যাওয়ার প্রয়োজন না থাকায় সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় হবে। রিফান্ড সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য বা সহযোগিতার জন্য করদাতাদের সংশ্লিষ্ট মূসক কমিশনারেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে এনবিআর।
অর্থনীতি
পিসিএ চূড়ান্ত করতে শেষ দফার আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস
অংশীদারিত্ব ওই সহযোগিতা চুক্তির (পিসিএ) খসড়া চূড়ান্ত করতে শেষ দফা আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ ও ইউরোপের ২৭ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সব উপাদান থাকা এই চুক্তি নিয়ে দুই দিনব্যাপী বৈঠকের প্রথম দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় দিনের বৈঠক হবে সিলেটে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার ঢাকায় অনুষ্ঠেয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে, ইইউর পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পাওলা পামপোলিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পিসিএ’র খসড়া চূড়ান্ত করতে শেষ দফা আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস। এই আলোচনা শেষে আগামী জুনের মধ্যে চুক্তিটি সইয়ের দিকে এগোবে উভয় পক্ষ। সেক্ষেত্রে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে যে দল সরকার গঠন করবে, তারাই ব্রাসেলসের এই সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়া শেষ করার কথা।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের সম্পর্কের শুরুতে ইইউ ছিল বাংলাদেশের কাছে দাতাগোষ্ঠী (উন্নয়ন অংশীদার), যা পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে উন্নীত হয়। ২০০১ সালে ইইউর সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি করে বাংলাদেশ। সেই চুক্তিতে অর্থনীতি, উন্নয়ন, সুশাসন কিংবা মানবাধিকারের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল। সময়ের ব্যবধানে ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং বাংলাদেশের সক্ষমতা বেড়েছে। অবস্থান আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হয়েছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম দেশ হিসেবে পিসিএ করার আলোচনা শুরু করে ইইউ। প্রায় বছর দেড়েকের আলোচনার পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার কথা।
গত বছরের এপ্রিলে ব্রাসেলসে পিসিএর খসড়া চূড়ান্ত করার জন্য প্রথম দফা আলোচনায় বসেছিল ঢাকা ও ইইউ। এরপর পর্যায়ক্রমে আরও তিনবার আলোচনায় বসে উভয় পক্ষ। এবার শেষ দফার আলোচনায় বসছে ঢাকা-ব্রাসেলস।
বাংলাদেশ ও ইইউর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ ও বিকাশের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর নতুন করে ইইউ–বাংলাদেশ অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়। ব্রাসেলসে ওই অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন উপস্থিত ছিলেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে পিসিএ চুক্তির খসড়া ব্রাসেলস থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। এই চুক্তির আইনি কাঠামো নির্ধারণ করা হয় মানবাধিকার-বিষয়ক। চুক্তিতে সংযুক্তি, প্রতিরক্ষা, অন্তর্জাল নিরাপত্তা কাঠামোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলার মতো উপাদান রয়েছে।
অর্থনীতি
বছরের প্রথম পাঁচদিনে রেমিট্যান্স এলো ৭ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা
চলতি জানুয়ারির প্রথম পাঁচদিনে দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ৬০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে) সাত হাজার ৩৬৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
আরিফ হোসেন খান জানান, গত বছরের জানুয়ারি প্রথম পাঁচদিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ৩৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। এ সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২ শতাংশ। অন্যদিকে, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৮৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই প্রবাসী আয় এসেছিল এক হাজার ৪১৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার।
অর্থনীতি
বাড়ি কিনতে মিলবে চার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ
নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং রিয়েল এস্টেট খাতে ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে ভোক্তা ঋণ সংক্রান্ত প্রুডেনশিয়াল রেগুলেশনের ২৩ নম্বর বিধি সংশোধন করেছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, কোনো একক গ্রাহককে ব্যাংক সর্বোচ্চ কত টাকা আবাসন ঋণ দিতে পারবে, তা এখন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিদ্যমান আবাসন ঋণ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়- যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত (খেলাপি) আবাসন ঋণ ৫ শতাংশ বা তার কম, তারা সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে, তারা সর্বোচ্চ ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন করতে পারবে। আর যেসব ব্যাংকের শ্রেণিকৃত আবাসন ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আবাসন ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ঋণ-ইক্যুইটি অনুপাত ৭০:৩০ অপরিবর্তিত রেখেছে। পাশাপাশি, ব্যাংকগুলোকে কঠোরভাবে নির্দেশ দেয়া হয়েছে-ঋণগ্রহীতার অবশ্যই নির্ধারিত কিস্তি পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত নিট নগদ আয় থাকতে হবে, তা নিশ্চিত করতে হবে। ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নীতিমালা ২০০৪ ও ২০১৯ সালে জারিকৃত পূর্ববর্তী নির্দেশনাগুলোকে প্রতিস্থাপন করবে।
তবে আবাসন ঋণের সীমা সংশোধন করা হলেও ভোক্তা ঋণসংক্রান্ত অন্যান্য বিদ্যমান নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় চাপের মুখে থাকা সম্ভাব্য গৃহমালিকরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে খেলাপি ঋণের হার কম রাখতে এ নীতিগত পরিবর্তন ব্যাংকগুলোকেও উৎসাহিত করবে।
অর্থনীতি
রপ্তানি ডকুমেন্ট অনলাইনে জমার অনুমতি দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ, দ্রুত ও আধুনিক করতে ডকুমেন্টারি কালেকশন ব্যবস্থার আওতায় রপ্তানি ডকুমেন্ট অনলাইনে জমা ও প্রক্রিয়াকরণের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি সংক্রান্ত কাজগুলো এখন ডিজিটালভাবে সম্পন্ন করা যাবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থাকে আধুনিক করা এবং রফতানি কার্যক্রমে গতি আনতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের চলমান ডিজিটাল কার্যক্রমের সঙ্গে রফতানি প্রক্রিয়াকে সমন্বয় করাও এর লক্ষ্য।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো ইউনিফর্ম রুলস ফর কালেকশন (ইউআরসি) এবং এর ইলেকট্রনিক প্রেজেন্টেশন সংক্রান্ত সম্পূরক ই-ইউআরসি অনুসরণ করে ডকুমেন্ট এগেইনস্ট পেমেন্ট (ডিপি) ও ডকুমেন্ট এগেইনস্ট অ্যাকসেপ্টেন্স (ডিএ)—উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপদ ব্যাংক-টু-ব্যাংক ইলেকট্রনিক চ্যানেলের মাধ্যমে রফতানি ডকুমেন্ট প্রক্রিয়াকরণ করতে পারবে।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়াকরণ স্থানীয় ও বিদেশি ব্যাংকের পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে করা যাবে। এ ক্ষেত্রে ডকুমেন্টের ফরম্যাট ও উপস্থাপনের স্থান নির্ধারণসহ বিক্রয় চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে যে ডকুমেন্টারি কালেকশন ই-ইউআরসি কাঠামোর আওতায় ইলেকট্রনিকভাবে পরিচালিত হবে।
আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য হলে ইলেকট্রনিক ট্রান্সফারেবল রেকর্ডসের মাধ্যমে সব ডকুমেন্ট ইলেকট্রনিকভাবে উপস্থাপন করা যাবে। তবে যেখানে এ ধরনের রেকর্ডস গ্রহণযোগ্য নয়, সেখানে টাইটেল ও হস্তান্তরযোগ্য ডকুমেন্ট ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাঠাতে হবে; অন্য নথিগুলো ইলেকট্রনিকভাবে পাঠানো যাবে। প্রয়োজনে ব্যাংকগুলো প্রত্যয়িত ইলেকট্রনিক কপিও সরবরাহ করতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক স্বীকৃত ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল স্বাক্ষর, ডিজিটাল সাউন্ড অ্যান্ডোর্সমেন্ট সার্টিফিকেট বা সুইফট বার্তার মাধ্যমে টাইটেল ডকুমেন্টের ডিজিটাল অ্যান্ডোর্সমেন্টেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এডি ব্যাংকগুলোকে নিরাপদ ট্রান্সমিশন, সঠিক রেকর্ড সংরক্ষণ এবং ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
এব্যবস্থা পর্যায়ক্রমিক ও ঝুঁকিভিত্তিক পদ্ধতিতে পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু করা যাবে। পাইলট কার্যক্রম শুরু হলে তা বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করতে হবে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এ উদ্যোগ রপ্তানি প্রক্রিয়ার দক্ষতা বাড়াবে এবং বাংলাদেশকে আরও ডিজিটাল ও নিরাপদ ট্রেড ফাইন্যান্স ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।




