জাতীয়
নতুন বছরে কতদিন ছুটি পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
নতুন বছরে সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি থাকছে ২৮ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন। গত বছরের ৯ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন বছরে সাধারণ ছুটি থাকবে ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে আরও ১৪ দিন—সব মিলিয়ে মোট সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ২৮ দিন। এর মধ্যে ৯ দিন পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে (শুক্র–শনিবার), ফলে প্রকৃত ছুটি থাকছে ১৯ দিন।
ঐচ্ছিক ছুটির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মুসলিম কর্মীদের জন্য ৫ দিন, হিন্দুদের জন্য ৯ দিন, খ্রিষ্টানদের ৮ দিন, বৌদ্ধদের ৭ দিন এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কর্মীদের জন্য ২ দিন করে ঐচ্ছিক ছুটি ভোগের সুযোগ থাকবে। তবে একজন কর্মকর্তা বছরে সর্বোচ্চ ৩ দিন পর্যন্ত ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন এবং তার জন্য বছরের শুরুতেই কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। সাধারণ ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে এ ছুটি যুক্ত করার সুযোগও থাকবে।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৬ সালে দেশের সরকারি–আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এই ছুটি পালন করা হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানের ছুটি ও সময়সূচি নিজস্ব আইনে নিয়ন্ত্রিত অথবা জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা, তারা প্রয়োজন ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নিজস্ব নিয়মে ছুটি ঘোষণা করবে।
কর্মব্যস্ত জীবনে লম্বা ছুটি সবসময়ই স্বস্তির। এবারও কয়েকটি মাসে এক–দুই দিনের পরিবর্তিত ছুটি নিলে মিলবে টানা ছুটির সুযোগ। দেখে নেওয়া যাক মাসওয়ারি ছুটির সম্ভাব্য ধারাবাহিকতা—
ফেব্রুয়ারি
৪ ফেব্রুয়ারি (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) শবে বরাতের ছুটি বুধবার পড়তে পারে। ৫ ফেব্রুয়ারি এক দিন ছুটি নিলে ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারির সাপ্তাহিক ছুটিসহ মোট ৪ দিনের দীর্ঘ অবকাশ মিলবে।
মার্চ
মার্চ মাসে মাত্র এক দিন ছুটি নিলেই মিলতে পারে টানা ৭ দিনের ছুটি। ২০ মার্চ জুমাতুল বিদা, ২১ মার্চ (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে–পরে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় মোট ৫ দিন ছুটি পাওয়া যাবে। এ ছাড়া ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি থাকতে পারে; ১৮ মার্চ ছুটি নিলে টানা ৭ দিনের ছুটি সম্ভব। এদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস বৃহস্পতিবার হলে আগের বা পরের দিনে ছুটি নিয়ে পাওয়া যাবে টানা ৩ থেকে ৪ দিনের বিশ্রাম।
এপ্রিল
১০–১১ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের ছুটি। মাঝের ১২ ও ১৩ এপ্রিল ছুটি নিলে টানা ৫ দিনের বিরতি মিলবে।
মে
মে মাসে ২৪ ও ২৫ মে ছুটি নিলে বিরলভাবে টানা ১০ দিনের দীর্ঘ ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২৮ মে ঈদুল আজহা। ঈদের আগে ২৬–২৭ মে ও পরে ২৯–৩১ মে নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকায় ২২–২৩ মে’র সাপ্তাহিক ছুটি ধরে মোট ১০ দিনের অবকাশ পাওয়া সম্ভব।
আগস্ট
৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবসে সাধারণ ছুটি। ৬ আগস্ট ছুটি নিলে ৭–৮ আগস্টের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৪ দিনের ছুটি মিলবে। অন্যদিকে ২৬ আগস্ট মিলাদুন্নবী (সা.) অনুমেয় তারিখ। ২৭ আগস্ট ছুটি নিলে ২৮–২৯ আগস্টের সাপ্তাহিক বন্ধ মিলে পাওয়া যাবে আরও টানা ৪ দিনের ছুটি।
অক্টোবর
২০ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে সাধারণ ছুটি। ২২ অক্টোবর ছুটি নিলে ২৩–২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক বন্ধসহ মোট ৫ দিনের দীর্ঘ ছুটি পাওয়া যাবে।
ডিসেম্বর
১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস (বুধবার)। ১৭ ডিসেম্বর ছুটি নিলে ১৮–১৯ ডিসেম্বর শুক্রবার–শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে মোট ৪ দিনের অবকাশ মিলবে।
এমকে
জাতীয়
ধর্মমন্ত্রী হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ
কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ নতুন মন্ত্রিসভায় ধর্মমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার পর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
শপথ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
কায়কোবাদ কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসন থেকে ছয়বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রতিবারই বিজয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে তিনি নিজ এলাকায় সাংগঠনিক ভিত্তি সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ট মহলে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে যে, মসজিদ-মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, ধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদার এবং হজ ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করতে তিনি অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ নেবেন।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সকল ধর্মের মানুষের সহাবস্থান ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবেন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
উল্লেখ্য, নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে সরকারের কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জাতীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেতন-ভাতা ও প্রাপ্য সুবিধা কী?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথগ্রহণ করেছেন। এরপর বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা নির্বাচিত করেন।
বিকেলে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে জনমনে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’-এর ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা বেতন পাবেন। পাশাপাশি তিনি মাসে ১ লাখ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন, যদিও সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন থাকে এবং তিনি সেখানে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা নির্ধারিত আছে। এ ছাড়া বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে তার জন্য ২৫ লাখ টাকার বিমা কভারেজ এবং দেড় কোটি টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল অর্পিত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনোদনের জন্য যে খরচ করা হয়, তা সম্পূর্ণ ভাতা হিসেবে তাকে প্রদান করা হবে। অফিস থেকে বাসায় এবং বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের সমস্ত খরচই সরকার বহন করবে। প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও তিনি ভাতা হিসেবে পাবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটি খরচও সরকারই বহন করবে।
এমএন
জাতীয়
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ২৪ জন
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৪ জন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ২৮ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সঞ্চালনায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তারা শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৪ প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
শপথ নেওয়া ২৪ প্রতিমন্ত্রী হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসির খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এর আগে, একই অনুষ্ঠানে ২৫ জন মন্ত্রী হিসেবে পপথ গ্রহণ করেন। তারা হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
এমএন
জাতীয়
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার দল বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়।
মঙ্গলবার (ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথবাক্য পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
এর আগের সকালে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সংসদীয় সভায় তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা।
এমএন
জাতীয়
মন্ত্রিপরিষদে শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী
বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ২৫ জন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার ২০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তারা শপথগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শপথ পাঠ করান।
শপথ পাঠ করা ২৫ জন হলেন— মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান।
তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ ও খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
অন্যদিকে, মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে ডাক পেয়েছেন ২৪ জন। তারা হলেন— এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, রাজীব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসির খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহাম্মেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
এমএন



