রাজনীতি
দেড় কোটি টাকার সম্পদ আমির হামজার, বার্ষিক আয় সাড়ে ৮ লাখ
ইসলামি বক্তা কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আমির হামজার মোট সম্পদের পরিমাণ এক কোটি ৫৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৬০ টাকা। তার বার্ষিক আয় আট লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা। তবে আকিজ গ্রুপে তার খতিবের চাকরি থেকে প্রাপ্ত অর্থের হিসাব নেই হলফনামায়। ১০ ভরি সোনার গহনা ও আসবাবপত্র সবই উপহার হিসেবে পেয়েছেন বলে দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় আমির হামজা পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন কাপড় ও বইয়ের ব্যবসা। তবে ইসলামি বক্তা হিসেবে ওয়াজ মাহফিলসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা কিংবা আকিজ গ্রুপের খতিবের চাকরি থেকে তার আয় কত, সে বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা নেই হলফনামায়।
এ বিষয়ে আমির হামজার ভাষ্য, ওয়াজ মাহফিল থেকে যা উপার্জন হয়, তা ধরেই বার্ষিক আয়ের বিবরণী দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি আকিজ গ্রুপের খতিব। আকিজ গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি আছে। আমার পরিবারের খরচ সব আকিজ গ্রুপ চালায়। বিনিময়ে আমার মাহফিলের উপার্জনের টাকা আমি তাদের নির্মিত মাদরাসা-এতিমখানায় দান করে দিই।’
হলফনামায় আমির হামজা ১০ ভরি সোনার গহনার কথা উল্লেখ করেছেন। তবে সবই উপহার হিসেবে পাওয়া। এ বিষয়ে আমির হামজা বলেন, ‘বিয়ের সময় স্ত্রীকে যেসব গহনা কিনে দিয়েছিলাম, তা দেনমোহর হিসেবে পরিশোধ হয়ে গেছে। এর বাইরে আর কোনো সোনার গহনা কেনা হয়নি। আমার স্ত্রীর বাবা ও মামারা ধনী মানুষ। এসব তারাই উপহার হিসেবে দিয়েছেন।’
হলফনামা অনুযায়ী, আমির হামজার গাড়ির দাম ২৫ লাখ টাকা। তবে কী গাড়ি, কোন মডেল কিংবা নম্বর প্লেট উল্লেখ নেই।
এ বিষয়ে আমির হামজা বলেন, ‘আমার টয়েটো নোহা একটি গাড়ি রয়েছে। এগুলোর বাজারমূল্য নতুন প্রায় ৩৮ লাখ টাকা। আমি পাঁচ বছরের পুরোনো গাড়ি ফরিদপুরের এক মালিকের কাছ থেকে কিনেছি। এজন্য বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।’
এমকে
রাজনীতি
বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান, উপনেতা তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হচ্ছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বিরোধী দলীয় উপনেতা হচ্ছেন কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জামায়াতে নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
সংসদ সদস্যদের শপথ শেষে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদীয় দলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া গাইবান্ধা জেলার জামায়াতের আমির ও গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ১১ দলীয় জোটের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হবে।
এমএন
রাজনীতি
মন্ত্রিপরিষদের শপথে যাচ্ছে না এনসিপি
নতুন সরকারের মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে না জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন তার ফেসবুক পোস্টে এ বিষয়টি জানান।
তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের আকাঙ্খা ও জনরায়ের প্রতি সম্মান জানাতে সংবিধান সংস্কার পরিষদসহ সংসদ সদস্য হিসেবে পর পর দুইটি শপথ নিচ্ছেন এনসিপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। একইসঙ্গে, গণভোটের রায় না মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় আজ বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার সিদ্ধান্ত।
এমএন
রাজনীতি
জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন আহমদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী দল বিএনপি ‘জুলাই সনদ’ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে দল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জুলাই সনদে যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সরকার গঠনের পর থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদে শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে স্বাক্ষরিত এই সনদের প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে এবং রাষ্ট্রকে নতুন ধারায় এগিয়ে নিতে সংসদ হবে প্রধান প্ল্যাটফর্ম। প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে সেই প্রক্রিয়া এগোবে।
তার ভাষ্যমতে, সংবিধানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর কোনো সদস্যের শপথ পাঠ করানোর এখতিয়ার নেই। এ কারণে ওই ধরনের কোনো প্রক্রিয়াও হয়নি। আমরা সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই এখানে এসেছি। আগামীতেও রাষ্ট্র পরিচালনা হবে পুরোপুরি সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে, বলেন তিনি।
এসময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর শপথ, সরকার গঠন ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপরিচালনা—সবকিছুই সংবিধান অনুযায়ী হয়েছে এবং হবে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমেদ। একইসঙ্গে জানান, সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে নেতা নির্বাচিত করে রাষ্ট্রপতির কাছে সরকার গঠনের চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শপথ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন বলেন, গণভোটের রায় ও জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে হলে সংসদে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংশোধনের পর তৃতীয় তফসিলে শপথের ফরম সংযুক্ত করার বিষয়টি সংসদ নির্ধারণ করবে।
তিনি সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের ২(ক) ধারার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পাঠ করাতে অপারগ হলে বা অনুপস্থিত থাকলে, তিন দিনের মধ্যে তাদের মনোনীত প্রতিনিধি শপথ পড়াবেন। সেটিও না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে শপথ পাঠ করাবেন। সেই বিধান অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনারই শপথ পড়িয়েছেন।
শপথের পর অনুষ্ঠিত সংসদীয় দলের বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে তারেক রহমানকে সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা হিসেবে তাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, যারা শপথ নিয়েছেন—উপস্থিত সবাই ওই সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেছেন।
সালাহউদ্দিন জানান, সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর তারেক রহমান দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে দুটি নির্দেশ দিয়েছেন— ১. কোনো সংসদ সদস্য ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি নেবেন না। ২. সংসদ সদস্য হিসেবে সরকারি কোনো প্লট গ্রহণ করবেন না। তিনি বলেন, আজ থেকে পরিবর্তনের শুরু। সংসদ সদস্য হলেই কেউ বিশেষ সুবিধাভোগী হবে—এ ধারণা বদলাতে হবে।
এমএন
রাজনীতি
দুটি শপথই নিলেন জামায়াতের এমপিরা
অবশেষে শপথ নিলেন জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোট ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে এ শপথ অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে বিএনপি থেকে নির্বাচিত এমপিরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন নবনির্বাচিতদের শপথবাক্য পাঠ করান।
এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় ধাপে শপথ নেন জামায়াতের নেতারা। তবে, দ্বিতীয় শপথের আগে স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানা ও বিএনপির ইশরাক হোসেনকে সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
এর আগে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। এ কারণে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শপথ নিয়েও অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল। আজ দুপুর ১২টায় শপথ নেওয়ার কথা থাকলেও জোটের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসায় কিছুটা বিলম্ব হয়।
জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান, নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে তারা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এর আগে সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নেওয়ার কারণ হিসেবে কক্সবাজার-১ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সাংসদ সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, ‘আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। জাতীয় সংসদে বিষয়টি সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হলে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।’
বিএনপি এই অবস্থান নেওয়ার পরই জামায়াত জোটের মধ্যে শপথ নিয়ে দ্বিধাদবন্দ্ব তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত জামায়াতের এমপিরা দুটি শপথই গ্রহণ করলেন।
এমএন
রাজনীতি
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসনে বিজয়ী হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১১টার দিকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। পরে বিকেলে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।
মির্জা আব্বাস অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র ও তৎকালীন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য।
জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের পর মির্জা আব্বাস এ দলে যোগদান করেন। তিনি দলটির প্রথমদিককার একজন নেতা। ১৯৮০-এর দশকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৯০ সালে বাংলাদেশের আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক হিসেবে কাজ করেন।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ২০ মার্চ ১৯৯১ থেকে ১৯ মে ১৯৯১ পর্যন্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯ মে ১৯৯১ সালে তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে নিযুক্ত হন। ২৮ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।
১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ সালের বিতর্কিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯ মার্চ ১৯৯৬ থেকে ৩০ মার্চ ১৯৯৬ পর্যন্ত তিনি বিতর্কিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের ভূমিমন্ত্রীর পাশাপাশি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সাবের হোসেন চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।
১ অক্টোবর ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৬ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। ১১ অক্টোবর ২০০১ থেকে ২৭ অক্টোবর ২০০৬ পর্যন্ত তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সময়কালেই ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা সংশোধিত আইন পাস হয়।
আব্বাস ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মামলার কারণে ও ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ দলের সিদ্ধান্তের কারণে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন।
এমএন



