সারাদেশ
একই আসনে লড়বেন হান্নান মাসউদ ও তার বাবা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) সংসদীয় আসনে ভিন্ন দলের হয়ে নির্বাচন করবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ ও তার বাবা আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন হান্নান মাসউদ ও তার বাবা।
জানা গেছে, আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) হয়ে একতারা প্রতীকে এবং আব্দুল হান্নান মাসউদ শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করবেন।
এনিয়ে এলাকায় জন্ম দিয়েছে আলোচনা, সমালোচনা ও কৌতূহলের। কেউ কেউ বলছেন, এটি নবীন ও প্রবীণের প্রতীকী লড়াই, আবার কেউ দেখছেন রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের নতুন এক মাত্রা অথবা ভিন্ন কৌশল।
জানা গেছে, নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসনে এবারের নির্বাচনে ১৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে বিএনপি থেকে মো. মাহবুবুর রহমান, জামায়াতে ইসলামী থেকে অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, এনসিপি থেকে আবদুল হান্নান মাসউদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, শামীমা আজিম, তানভীর উদ্দিন রাজিব, মুহাম্মদ নুরুল আমীন।
এছাড়া জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে এটিএম নবী উল্যাহ, নাছিম উদ্দিন মো. বায়েজীদ। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মোহাম্মদ আবদুল মোতালেব, গণঅধিকার পরিষদের মোহাম্মদ আজহার উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম শরীফ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মোহাম্মদ আবুল হোসেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
হান্নান মাসউদ ও তার বাবার নির্বাচন নিয়ে হাতিয়ার বাসিন্দা আবদুস সালাম বলেন, একই পরিবার থেকে দুই বা ততোধিক প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ হাতিয়ার রাজনীতিতে নতুন কোনো বিষয় নয়। এটি মূলত একটি সুপরিকল্পিত কৌশল, যার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রভিত্তিক প্রভাব বজায় রাখা যায়। একাধিক প্রার্থী থাকলে একদিকে যেমন বেশি এজেন্ট নিয়োগ করা সম্ভব হয়, তেমনি মাঠে লোকবল ও শক্তির উপস্থিতিও বাড়ে, যা নির্বাচনের দিন বড় ভূমিকা রাখে।
এ বিষয়ে আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাংলাদেশের আন্দোলনে আমি সক্রিয়ভাবে লড়াই করেছি। তবে ভোটের অভিজ্ঞতা আমার জন্য একেবারেই নতুন। ভোটার হওয়ার পর এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারিনি। নোয়াখালী–৬ আসনের বাকি ১৩ জনের মধ্যে আমার বাবা একজন প্রবীণ ও অভিজ্ঞ মানুষ। তাই তার মনোনয়নপত্র দাখিল করাকে আমি উৎসাহিত করেছি। ভোটের মাঠে তার কাছ থেকেও নতুন কিছু শেখার সুযোগ হবে। আমি শাপলা কলি প্রতীকে লড়ব এবং বাবার এই নির্বাচনি লড়াইকেও আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাই।
তবে এ বিষয়ে আব্দুল মালেকের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, নোয়াখালীর ছয়টি আসনে ৮৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ৬২ জন প্রার্থী। আগামী ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাছাই কার্যক্রম চলবে।
তিনি জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ২২ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়ে চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাজনীতি
শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি: মির্জা ফখরুল
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, তেলিয়াপাড়ার বৈঠক থেকেই মূলত মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল নির্ধারণ এবং যুদ্ধের সূচনা হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর পরিকল্পনা এবং সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী যুদ্ধ পরিচালিত হয় এবং সেক্টরভিত্তিক সংগঠনের সিদ্ধান্তও এখান থেকেই আসে।
তিনি আরও দাবি করেন, শেখ মুজিবুর রহমান-এর নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয়নি, সে সময় তিনি পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন ।একইসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি এবং তা বিকৃত করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আইনজীবীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা রফিক।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার কৌশল নির্ধারণ এবং দেশকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।
সারাদেশ
খাল খনন বিপ্লব সমাপ্ত হলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত : পানিসম্পদমন্ত্রী
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এই বিপ্লবটা সমাপ্ত হয়নি। বিপ্লবটি যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তা-ধারণা দূরদর্শিতার আলোকে সমাপ্ত হতো তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ অব্যাহত থাকত।’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নের কাফিলাতলি বাজার এলাকায় খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২.৬ কিলোমিটার সি-খাল পুনঃখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন বিপ্লবটি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। চর্চা নেই, এখন চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এদেশে সমাপ্ত হবে।
যত বাধা-বিপত্তি বিপত্তিই থাকুক, কোনো কিছুই থাকবে না। খাল খালের গতিতে চলবে, প্রবাহ প্রবাহের গতিতে থাকবে। এটি হলো জনগণের চাওয়া, জনগণের পাওয়া।’
তিনি আরো বলেন, ‘খাল খনন করতে গিয়ে দেখি খালের মাঝখানে দোকান-বাড়িঘর গড়ে উঠেছে। যদি স্বনির্ভর বাংলাদেশের কাজ অব্যাহত থাকত তাহলে খালের মধ্যে দোকান-বাড়িঘর হতো না। কলকারখানার বর্জ্য বা মানুষের বাসাবাড়ির ড্রেন খালে পড়ত না।’
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক ও লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ১৯৭৮ সালে সবশেষ খনন হওয়া সি-খালটি খননে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি খনন হলে সদরের হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ ৪টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা ও কৃষি কাজে সুফলভোগী হবেন।
সারাদেশ
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের প্রভাব সারা বিশ্বকে আক্রান্ত করেছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব আছে, তবে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উচ্চমূল্যে জ্বালানি কিনে কতদিন এভাবে চলবে তা ভাবনার বিষয়, তাই শীঘ্রই তেলের দামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রামের কেইপিজেড ইয়ংওয়ান কর্পোরেশন মিলনায়তনে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অধিকাংশ তেল আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তেলের সংকট মোকাবিলায় সারা বিশ্বের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। তবে জ্বালানি তেল ব্যবহারে আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। ইতিমধ্যে সাশ্রয় প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে মন্ত্রী থেকে সাধারণ মানুষ সবাইকে অংশ নিতে হবে।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি আরো বলেন, আমেরিকাসহ সব দেশে তেলের দাম বেড়েছে। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো আছে। ঈদের সময় সবাই নির্বিঘ্নে বাড়ি গেছে এবং কাজে ফিরেছে। কলকারখানা ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থাৎ দেশে কোনো সংকট তৈরি হয়নি।
পুঁজিবাজারের অস্থিরতা কাটিয়ে বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুঁজিবাজারে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে। আমরা এমন পরিবেশ তৈরি করব যাতে বিনিয়োগকারীরা স্বস্তি পায়। পুঁজিবাজারকে সঠিক জায়গায় নিয়ে যেতে আমরা কাজ করছি। এ সময় তিনি ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিনির্ভর বিনিয়োগের ওপর জোর দিতে বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।
বর্তমান সরকারের কার্যক্রম প্রসঙ্গে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নতুন সরকার এখন পর্যন্ত খুবই ভালো করছে। সবকিছুর সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখাই এখন আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করছি।
সিআইইউ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কোরিয়ান ইপিজেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ শাহজাহান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কিহাক সাং, সিআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লুৎফি এম আইয়ুব এবং সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং ইয়ংওয়ান কর্পোরেশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন ।
সারাদেশ
ময়মনসিংহে হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যু, নতুন ভর্তি ৯
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে শিশু ভর্তি ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিশুটি মারা যায়।
একই সময়ে নতুন করে আরও ৯ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ৬৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে এসব শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়। তাদের সবাইকে হাসপাতালের নির্ধারিত হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ মার্চ থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত মোট ১৮১ জন শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১১২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখন পর্যন্ত এই রোগে মোট ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে আরও ১৮ জন শিশু।
জানা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অল্পসংখ্যক শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে শুরু করে। তবে মার্চের মাঝামাঝি থেকে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি শিশুদের জন্য হাসপাতালে ৬৪ শয্যাবিশিষ্ট পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু রয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল টিম গঠন করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সারাদেশ
৬ কোটি টাকার হীরাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ হীরা (হীরক) ও বিভিন্ন বিদেশি মুদ্রাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ টহল দল যশোর-ঝিকরগাছা মহাসড়কের নতুনহাট বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে আটক করে তার কাছ থেকে আনুমানিক ১৫৫.৭৬ গ্রাম ওজনের হীরা উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তি ভারতের তামিলনাড়ুর বাসিন্দা সুজাউদ্দিন (৫২)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ঢাকা থেকে ডায়মন্ড সংগ্রহ করে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে কলকাতায় পাচারের উদ্দেশ্যে তিনি যাত্রা করেছিলেন। গত এক মাসে তিনি থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একাধিকবার যাতায়াত করেছেন বলেও জানা গেছে।
উদ্ধারকৃত হীরা যশোরের একটি স্বর্ণ ও হীরা বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করে সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। হীরা ছাড়াও তার কাছ থেকে বাংলাদেশি টাকা, ভারতীয় রুপি, মার্কিন ডলার, থাই বাথ, একটি মোবাইল ফোন ও একটি ডিজিটাল ঘড়ি উদ্ধার করা হয়।
সব মিলিয়ে জব্দকৃত মালামালের মোট সিজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ কোটি ৬২ লাখ ৬৫ হাজার ১৬১ টাকা।
আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তাকে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং জব্দকৃত মালামাল যশোর ট্রেজারিতে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।



