কর্পোরেট সংবাদ
পূবালী ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন
সেবার মান বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যবস্থাপকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পূবালী ব্যাংক পিএলসির ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলের ‘৫ম শাখা ব্যবস্থাপক সম্মেলন- ২০২৫’ সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পূবালী ব্যাংকের ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চলাধীন শাখাসমূহের ব্যবস্থাপকবৃন্দের অংশগ্রহণে সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহাম্মদ আলী।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অফশোর ব্যাংকিং বিভাগ প্রধান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আল মামুন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় অঞ্চল প্রধান ও মহাব্যবস্থাপক আবু লাইছ মো. শামসুজ্জামান।
২০২৫ সালে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিভিন্ন কৌশল ও দিক নিয়ে সম্মেলনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
কর্পোরেট সংবাদ
ঢাকার মনিপুরী পাড়ায় ব্র্যাক ব্যাংকের নতুন উপশাখা উদ্বোধন
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের মনিপুরী পাড়ায় নতুন একটি উপশাখা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। এর মাধ্যমে ব্যাংকটির মোট উপশাখার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৬-তে। গত মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তেজগাঁওয়ের ১৪৫, মনিপুরী পাড়া, জেডিপিসি ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই উপশাখার উদ্বোধন করা হয়।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপশাখাটির উদ্বোধন করেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, ব্যাংকটির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের সিনিয়র জোনাল হেড (নর্থ) এ.কে.এম. তারেক, সিনিয়র জোনাল হেড (সাউথ) তাহের হাসান আল মামুন। এ ছাড়াও ব্যাংকের ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
ঢাকার এ ব্যস্ততম এলাকাটি মনিপুরী জাতিগোষ্ঠী, আবাসিক এলাকা ও ক্রমবর্ধমান ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্য সুপরিচিত। ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের এই উপশাখার মাধ্যমে বৈচিত্র্যময় এই গ্রাহকশ্রেণি আরও সুবিধাজনক ও উন্নত ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করবেন।
গ্রাহকরা এখানে অ্যাকাউন্ট খোলা, নগদ জমা ও উত্তোলন, ডিপিএস-এফডিআর খোলা, ইএফটিএন ও আরটিজিএসফান্ড ট্রান্সফার, রেমিটেন্স সেবা, ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, ক্রেডিট কার্ড, স্টুডেন্ট ফাইল, কনজ্যুমার লোন, ডেবিট কার্ড ও চেকবই প্রসেসিং, আস্থা অ্যাপ রেজিস্ট্রেশন, স্কুল ব্যাংকিং, সঞ্চয়পত্রসহ বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, এই উপশাখা থেকে বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত কোনো সেবা প্রদান করা হবে না।
বর্তমানে ব্র্যাক ব্যাংক দেশের অন্যতম বৃহত্তম ব্যাংকিং নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে। সারা দেশে ব্যাংকটির বর্তমানে ৩১০টি শাখা ও উপশাখা, ৩৩০টি এটিএম, ৪৪৬টি এসএমই ইউনিট অফিস এবং ১,১১৭টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট রয়েছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত স্থানীয় চ্যাপ্টার উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের ২০২৬–২৭ মেয়াদে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচিত হয়েছে। গত ১৭ জানুয়ারি সংগঠনটির বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্যদের ভোটে ৯ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন হয়। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি কমিটির প্রথম সভায় সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তানভির রহমান, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন মো. দেলোয়ার হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাকিল হোসেন। ৯ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন মহীন রীয়াদ, শাবাব মুস্তাফা, সুব্রত রায়, দোলন প্রভা, মঈনুল ইসলাম ও মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ হলো উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশনের অনুমোদিত একটি স্থানীয় চ্যাপ্টার। ২০১১ সালের ৩ অক্টোবর এটি ফাউন্ডেশনের ৩৯তম চ্যাপ্টার হিসেবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি পায়। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৯ জুন এটি বাংলাদেশে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট অনুযায়ী একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ এমন একটি পৃথিবীর স্বপ্নে বিশ্বাস করে যেখানে প্রতিটি মানুষ মানবতার সকল জ্ঞানের অংশীদার হতে পারবে। শিক্ষা ও জ্ঞান লাভের অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে গণ্য করে এই প্রতিষ্ঠানটি সমাজের সকল স্তরে উন্মুক্ত জ্ঞান তৈরি, সংগ্রহ ও প্রসারে কাজ করে। উইকিপিডিয়া ও অন্যান্য উইকি প্রকল্পের বিষয়বস্তুসমূহ স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে তৈরি হলেও, ফাউন্ডেশনটির লক্ষ্য এই অনন্য সম্প্রদায়কে ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবায় উৎসাহিত করা ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
‘সরে দাঁড়াতে’ চান ঢাবির উপাচার্য
সংসদ নির্বাচনের দুদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা বললেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারাবাহিকতা রক্ষায় যেন কোনো অসুবিধা না হয়, সেজন্য ‘সরকার চাইলে’ আরো কিছুদিন দায়িত্ব চালিয়ে যেতেও তার আপত্তি নেই।
মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “আমি এখন মনে করছি যে, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা একটি ভালো পর্যায়ে এসেছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’
২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের সরকার পতনের পর পরিবর্তনের হাওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদেও পরিবর্তন আসে। ওই বছর ২৭ অগাস্ট ভিসির দায়িত্ব পান ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “ক্রান্তিকালীন সময়ে, খুব বিশেষ ধরনের পরিস্থিতিতে আমরা ২০২৪ এর অগাস্ট মাসের শেষের দিকে দায়িত্ব নিয়েছি। খুবই আপৎকালীন একটি পরিস্থিতিতে, যে সময় বিশ্ববিদ্যালয় কার্যত অচল ছিল, একাডেমিক কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল, হলগুলো ভাসমান অবস্থায় ছিল এবং প্রশাসনিক কাঠামো অকেজো হয়ে পড়েছিল।
“ওই পরিস্থিতিতে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে আমাদের প্রথম কাজ ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজকর্ম শুরু করা এবং এটিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আজকে প্রায় দেড় বছর পর আপনাদের সবাইকে সাথে নিয়ে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি।”
সে কারণে ‘সরে যাওয়ার’ ইচ্ছার কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, “এখন এই মুহূর্তে আমাদের যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন কোনো অসুবিধায় না পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সেজন্য আমাকে যদি সরকার মনে করেন, অংশীজনরা যদি মনে করেন যে আরো কিছু সময় এই ধারাবাহিকতার প্রশ্নে হঠাৎ শূন্যতে যেন না হয় সেই প্রশ্নে যদি তারা কিছু সময় নিতে চান, আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি।
“কিন্তু সারাদেশের মতই আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি, একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবেন এবং আমরা তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা করব।”
নির্বাচনের পর নতুন সরকার যদি রাখতে চায়, ভিসি পদে থেকে যাবেন কি না-এমন প্রশ্নে অধ্যাপক নিয়াজ বলেন, “এটা খুবই জটিল প্রশ্ন। আমি খুবই একজস্টেড। আপাতত একটু বিশ্রাম প্রয়োজন।”
পদত্যাগের প্রক্রিয়া কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি আমার মাননীয় আচার্য বরাবর লিখব। বর্তমানে আমি ডেপুটেশনে আছি। এরপর ডেপুটেশন থেকে আমি অব্যাহিত চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে আমি ফেরত যেতে চাই।
“এর পরের পরিস্থিতিতে যদি অন্য কোনো দায়িত্বের বিষয় থাকে, বা অন্য কোনো সুযোগ যদি আমাকে আল্লাহ দেন, তখন আমি সেটা চিন্তা করব, বিবেচনা করব। আপাতত অনেকদিন কঠিন পরিশ্রম হয়েছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর কয়েকটি ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির’ কথাও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন নিয়াজ আহমদ খান।
তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সংবরণ হয়েছে। তার সবচাইতে বড় উদাহরণ হচ্ছে ডাকসু এখন কার্যকর আছে। শিক্ষার্থীদের অধিকার মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। এখন কারো পক্ষে সেটি সম্পূর্ণ আবার রিভার্স করা, একদম এটিকে সম্পূর্ণভাবে ইগনোর করার সুযোগ কারো নেই।
“দ্বিতীয়ত, এত রকম সীমাবদ্ধতার মধ্যেও টাইমস হায়ার এডুকেশন আমাদের ২০০ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। আমাদের বিদেশি ছাত্রের সংখ্যা এখন ১৬০ ভাগ বেড়েছে।”
এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮৪১ কোটি টাকার যে প্রকল্প শুরু হয়েছে, তাতে আবাসন সংকট নিরসন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।
কর্পোরেট সংবাদ
নগদের ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার রয়েল এনফিল্ড জিতলেন কুমিল্লার নোমান
‘আসা আর ফেরা, সারপ্রাইজ সেরা’ ক্যাম্পেইনের মেগা পুরস্কার হিসেবে রয়েল এনফিল্ড মোটরসাইকেল জিতে নিয়েছেন কুমিল্লার এ এস এম নোমান সরকার। এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে নগদের সকল শর্ত অনুসরণ করে লেনদেন করার পর তিনি এই মেগা পুরস্কার জিতলেন।
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) মাঠে দুদিনব্যাপী নগদ কার্নিভালে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদের প্রশাসক মো: মোতাছিম বিল্লাহ বিজয়ীর হাতে মেগা পুরস্কারটি তুলে দেন। এ সময় নগদের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্যামল বি দাস, নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূইয়া উপস্থিত ছিলেন।
এই ক্যাম্পেইনে স্কুটি, আইফোনসহ ছোটছোট আরো পুরস্কার জিতেছেন অংশগ্রহণকারীরা। এ ছাড়া প্রতি মিনিটে নগদে লেনদেনকারী প্রথম গ্রাহক নগদে রিচার্জ জিতেছেন। এভাবে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের কয়েক হাজার পুরস্কার বিতরণ করেছে নগদ। এই ক্যাম্পেইনে অংশষ নিয়ে বরিশালের সানী ব্যাপারী জিতেছেন আইফোন ও ময়মনসিংহের সোহেল জিতেছেন একটি স্কুটি।
রয়েল এনফিল্ড বিজয়ী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী এ এস এম নোমান সরকার বলেন, ‘নগদের ফেসবুক পেইজে লাইক দেওয়া ছিল আমার। ওখান থেকে জানতে পারি এই ক্যাম্পেইনের বিষয়ে। এরপর আমার অব্যবহৃত নগদ ওয়ালেট চালু করে লেনদেন শুরু করি।‘ তিনি অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, ‘আমি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। খুবই আনন্দিত বোধ করছি। এখন থেকে নিয়মিত নগদে লেনদেন করব এবং বন্ধুবান্ধবদেরও উৎসাহিত করব।
গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে চলা এই ক্যাম্পেইনে গ্রাহকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এরমাধ্যমে নগদ তার গ্রাহকদের প্রতি যে দায়বদ্ধতা, তা নিয়মিতভাবে পালন করে যাচ্ছে। সামনে এমন আরো দারুণ দারুণ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে আরোবেশি সেতুবন্ধ তৈরি করতে কাজ করছে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
ন্যাশনাল ব্যাংকের রেমিট্যান্স আসবে নগদ ওয়ালেটে
প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে স্বজনদের কাছে দ্রুত ও নিরাপদে পৌঁছে দিতে সহজ মাধ্যম উন্মুক্ত করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি। এখন থেকে ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ সরাসরি গ্রাহকের নগদ ওয়ালেট-এর মাধ্যমে পাঠাতে পারছেন।।
চুক্তির আওতায় বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রবাসীরা আন্তর্জাতিক এক্সচেঞ্জ হাউস, মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) বা ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে পারবেন। বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্স ন্যাশনাল ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীর নগদ ওয়ালেটে পৌঁছে দেবে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের যেকোনো স্থান থেকে সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট খরচে ২৪ ঘণ্টা এ রেমিট্যান্স গ্রহণ ও ব্যবহার করতে পারবেন।
পাশাপাশি রেমিট্যান্স গ্রহীতারা সরকারের দেওয়া দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রণোদনাও উপভোগ করতে পারবেন। এ ছাড়া ৬০টিরও বেশি মানি ট্রান্সফার অপারেটর (এমটিও) এবং তিন লাখেরও বেশি নগদ উদ্যোক্তা পয়েন্টের মাধ্যমে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে।
সম্প্রতি বনানীতে নগদের প্রধান কার্যালয়ে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ও নগদের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ইনচার্জ) মো. মেশকাত-উল-আনোয়ার খান, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মিল্টন রায়, নগদের সিনিয়র সহযোগী প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান ও মো. আবু তালেব, সহযোগী প্রশাসক আনোয়ার উল্লাহ, চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মুহম্মদ শাহীন সারোয়ার ভূঁইয়া, রেমিট্যান্স বিভাগের প্রধান মো. আহসানুল হক বাশারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে রেমিট্যান্স সেবার আওতাভুক্ত করতে এটিকে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসাবে উল্লেখ করেন ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদিল চৌধুরী ও নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই চুক্তির মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
এমএন



