রাজনীতি
নাহিদ ইসলামরা এভাবে প্রতারণা না করলেও পারতেন: আব্দুল কাদের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করতেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান কাদের।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে কাদের লেখেন, ‘আগস্টের ৫ তারিখ রাতে জামায়াত নেতার বাসায় মিটিং দিয়ে যেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেটা আজকে এসে পূর্ণতা পাইছে।
এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় যারা নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদেরকে জানাই অভিনন্দন। তবে নাহিদ ইসলাম’রা মানুষের আবেগ নিয়ে এইভাবে প্রতারণা না করলেও পারতেন।’
উল্লেখ্য, জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ৮ দলের জোটে এনসিপি ছাড়াও যোগ দিয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।
এমকে
রাজনীতি
গণসংহতির পদ ছাড়লেন জোনায়েদ সাকি
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি।
দলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী হলেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।
জোনায়েদ সাকি বলেন, রাজনৈতিক দল ও সরকারকে আলাদা করার জন্য দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ছেড়েছি।
জুলাই জাতীয় সনদ ইস্যুতে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন কীভাবে হবে সেটা নিয়ে বিতর্ক চলমান। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামত প্রাধান্য পাবে।
শুক্রবার দলীয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান সমন্বয়কারীর দলীয় দায়িত্ব বিষয়ে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সংবাদ সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি নিজে উপস্থিত থাকবেন।
এছাড়া দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নীলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন।
রাজনীতি
এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন আরও এক নেতা
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় সদস্য আরজু আহমাদ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের হোয়াটসঅ্যাপে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।
এ ছাড়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।
জানা গেছে, আরজু আহমাদ এনসিপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সেল এবং ধর্ম ও সম্প্রীতি সেলেরও সদস্য ছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে আরজু আহমাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘দল থেকে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। দলের প্রতি কোনো ক্ষোভ থেকে নয়, বরং বর্তমানে দলকে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারার কারণে পদত্যাগ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, দল এগিয়ে যাক, এটাই আমার প্রত্যাশা। ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে আপাতত আমি সময় দিতে পারছি না। দলের জন্য সবসময় শুভকামনা থাকবে। তারা সঠিক রাজনীতিটা যেন করতে পারে, সে প্রত্যাশা থাকবে।
রাজনীতি
জামায়াতসহ ১১ দলের বিক্ষোভ আজ
গণভোটের রায় কার্যকর এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় ঐক্য।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ ঘোষণা দেন ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি অভিযোগ করেন সরকারি দল সংসদ পরিচালনায় ব্যার্থতার পরিচয় দিয়েছে৷ বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই ফ্যাসিবাদী পথে হাটছে উল্লেখ করে এই নেতা জানান, জনস্বার্থ রক্ষায় রাজপথের আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের আর কোনো বিকল্প নেই৷
তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারই করতে হবে। সংবিধান সংশোধনের মধ্যদিয়ে আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে সরকার। জনগণের রায় মূল্যায়ন না করলে, রাজপথে আন্দোলনের বিকল্প নেই।’
হামিদুর রহমান বলেন, ১১ দলের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে রাজপথের আন্দোলন ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই৷ শনিবার বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে ১১ দল।
এ সময় তিনি সংসদে সরকারি দলের মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন এবং জ্বালানি সংকট সমাধানে ব্যর্থতার সমালোচনা করেন৷ এই নেতা জানান, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আগামী ৭ এপ্রিল বৈঠক করে দীর্ঘমেয়াদি আন্দোলনের রূপরেখা ঘোষণা করবে ১১ দল।
রাজনীতি
গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে ক্ষোভ তাসনিম জারার
গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা।
শুক্রবার (০৩ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, সরকার গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল করতে চাইছে। সরকারের যুক্তি হলো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে বা কাউকে গ্রেপ্তার করতে হলে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে।
এই সূত্র ধরে ডা. তাসনিম জারা প্রশ্ন করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে যদি গুমের অভিযোগ ওঠে, আর সেই তদন্তের জন্য যদি খোদ সরকারের কাছেই অনুমতি চাইতে হয়, তাহলে কি কখনো সুষ্ঠু বিচার পাওয়া সম্ভব?
তদন্তের জন্য সরকারের এরুপ অনুমতি পাওয়া যায়নি বিধায় বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পায়নি বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু যখন বলা হয় যে, নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কিংবা কাউকে গ্রেপ্তার করতে সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে, তখন রাষ্ট্র মূলত নিজেকেই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে স্থাপন করে। আইনের চোখে সবাই সমান; এই সর্বজনীন সাংবিধানিক নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এটি।
সবশেষ তাসনিম জারা লেখেন, আইনকে হতে হয় অন্ধ ও নিরপেক্ষ। আর তা না হলে, সেই আইন হয় ক্ষমতাধারীদের সুরক্ষা দেওয়ার এবং সাধারণ জনগণকে নিষ্পেষণের হাতিয়ার।
রাজনীতি
আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে আজাদ মজুমদারের স্ট্যাটাস
ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।
আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’
তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।



