Connect with us

আন্তর্জাতিক

বৃষ্টি-শীতের তাণ্ডবে ভয়াবহ ভোগান্তিতে গাজার ফিলিস্তিনিরা

Published

on

জেড

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় শীতকালীন বৃষ্টি ও তীব্র ঠান্ডা নতুন করে ভয়াবহ দুর্ভোগ ডেকে এনেছে। লাখো বাস্তুচ্যুত মানুষ এখন ছেঁড়া-ফাটা তাঁবু ও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘদিনের দখলদার ইসরাইলের বর্বর হামলায় ঘরবাড়ি হারানো এসব মানুষের জন্য প্রকৃতির এই প্রতিকূলতা যেন আরেক দফা দুর্যোগ।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) গাজার ওপর দিয়ে শক্তিশালী নিম্নচাপ বয়ে গেছে। ভারী বর্ষণ ও দমকা হাওয়ায় অনেক এলাকায় তাঁবু ভেসে গেছে, আশ্রয়কেন্দ্র প্লাবিত হয়েছে। চলতি শীত মৌসুমে এটি তৃতীয় বড় ধরনের নিম্নচাপ, আর সামনে আরও একটি শক্তিশালী ঝড় আসার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক পরিবার ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকেই তাঁবুতে বসবাস করছে। প্রায় পুরো যুদ্ধকালজুড়েই তারা স্থায়ী কোনো আশ্রয় পায়নি। আসন্ন বৃষ্টি ও শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

চলতি মাসের শুরুতে ভারী বর্ষণে গাজার বহু তাঁবু ও অস্থায়ী আশ্রয় ডুবে যায়। কারণ, উপত্যকার অধিকাংশ স্থাপনা আগেই দখলদয়ার বাহিনীর বর্বর হামলায় ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু ডিসেম্বর মাসেই ঠান্ডাজনিত কারণে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনজন শিশু। প্রবল শীত ও ভেজা পরিবেশে হাইপোথার্মিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু ভবন ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে।

গাজা পোর্ট এলাকায় সিভিল ডিফেন্সের এক কর্মকর্তা ইব্রাহিম আবু আল-রিশ জানান, ঝড়ের মধ্যে ভঙ্গুর তাঁবুতে থাকা মানুষেরা সাহায্যের জন্য তাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। তিনি বলেন, “আমরা প্লাস্টিক দিয়ে ডুবে যাওয়া তাঁবু ঢাকার চেষ্টা করছি, কিন্তু তা পর্যাপ্ত নয়।”

আল জাজিরার প্রতিবেদক ইব্রাহিম আল খলিলি বলেন, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাবে শীতের প্রকোপ বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। বৃষ্টিতে কাদায় তলিয়ে যাচ্ছে পুরো এলাকা, একই কষ্ট বারবার ফিরে আসছে।

মানবিক সংস্থাগুলো বলছে, এই সংকট মোকাবিলায় দ্রুত আরও ত্রাণ ও আশ্রয় সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দেওয়া জরুরি।

এই মানবিক বিপর্যয়ের মধ্যেই ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওয়াশিংটন সফরের প্রস্তুতির খবর পাওয়া গেছে। সেখানে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। গেল ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি এখনো আংশিকভাবে টিকে আছে। যদিও শতাধিকবার ইসইরাইল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৪১৪ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ১৪২ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও ৬৭৯টি মরদেহ।

সর্বশেষ হিসাবে, দখলদার বাহিনীর হামলা শুরু হওয়ার পর গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৭১ হাজার ২৬৬ জনে। আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজারেরও বেশি মানুষ।

এমকে

শেয়ার করুন:-

আন্তর্জাতিক

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগর নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

Published

on

জেড

হরমুজ প্রণালির পর এবার ওমান উপসাগর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইরান। চাঞ্চল্যকর এমন দাবি করেছেন দেশটির নৌবাহিনীর একজন কমান্ডার। রোববার (২৯ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওমান উপসাগর ইরানের সামরিক বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ওই অঞ্চলে মোতায়েনরত মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।

তাসনিম নিউজকে ইরানি ওই কমান্ডার বলেছেন, ইরানের সামরিক বাহিনী মার্কিন সেনাদের তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় আসার অপেক্ষায় রয়েছে। সীমার মধ্যে এলেই উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার মাধ্যমে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

তিনি বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৎপরতা ও সামরিক মহড়ার মুখে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ইরানি জলসীমা থেকে শত শত মাইল দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ইরানের ওই কমান্ডার আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির পূর্বাঞ্চল এবং ওমান উপসাগর বর্তমানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালির পূর্ব অংশে ইরানের এই একচ্ছত্র আধিপত্য ঘোষণার ফলে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির ওপর বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হলো। ইরানের এই কঠোর অবস্থান এবং মার্কিন রণতরীর পিছু হটার খবর পুরো মধ্যপ্রাচ্যের রণকৌশলে নতুন মোড় নিতে পারে। তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে তাদের জলসীমায় যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশের দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে

Published

on

জেড

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় সোমবার সকালে এশিয়ার বাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং শেয়ারবাজারে বড় পতন দেখা গেছে। বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া তেলের দাম প্রায় ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ১০৩ ডলারে পৌঁছেছে। এর ফলে ব্রেন্ট তেল ইতিহাসে সর্বোচ্চ মাসিক লাভের পথে রয়েছে।

এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক ৪.৫ শতাংশ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক ৪ শতাংশ কমেছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান হুমকি দিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা জাহাজে হামলা চালানো হতে পারে। এই হুমকির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সাধারণত বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। কিন্তু পরিস্থিতি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তেলের দাম দ্রুত বাড়ছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

ম্যাকুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞ শন ফোলি বলেছেন, সংঘাত কমানো না গেলে তেলের দাম আরো বাড়তে পারে। তার মতে, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলার আশঙ্কাও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
তারা বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে যাওয়া জ্বালানি বহনকারী জাহাজে হামলা করতে পারে। ফোলি সতর্ক করে বলেন, যদি এই জলপথও বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে বিশ্বের আরো প্রায় ১০ শতাংশ তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে। এতে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার ওপর বড় চাপ পড়বে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর আগের দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৭২ ডলার। পরে ১৮ মার্চ তেলের দাম ১১৯.৫০ ডলারে পৌঁছে যায়, যা ২০২২ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ।

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরান বিশ্ববিদ্যালয় ও মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বাড়িতে প্রতিশোধমূলক হামলার হুমকি দেওয়ার পর এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তিনি ইরানের তেল দখল করতে পারেন এবং সম্ভবত দেশটির প্রধান জ্বালানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপও দখল করে নিতে পারেন।

দ্বীপটিতে ইরানের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না তাদের কোনো প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আছে। আমরা খুব সহজেই এটি দখল করতে পারি।’ ট্রাম্প এই সম্ভাব্য পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর যুক্তরাষ্ট্র তেল শিল্পকে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা করছে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে আরো তিন হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা এসে পৌঁছেছে। এরপর ইরানের সংসদ স্পিকার সতর্ক করে বলেন, তার দেশের বাহিনী ‘আমেরিকান সেনাদের জন্য অপেক্ষা করছে’।

সূত্র : বিবিসি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরানের তেল-খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে চাই : ট্রাম্প

Published

on

জেড

ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল রোববার ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ ব্যাপাারে কথা বলেছেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, ‘আপনি এটা কেন করছেন?’ তবে তারা নির্বোধ।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারি…এমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি— আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।”

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

খার্গ দ্বীপে ইরানের প্রহরা ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “আমার মনে হয় না খার্গ দ্বীপে ইরানের আর কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর আছে। আমরা খুব সহজেই সেটির দখল নিতে পারি।”

উল্লেখ্য, ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।

অন্যদিকে, পারস্য উপসাগরের ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র : বিবিসি

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক বিরল বিমান ধ্বংস করল ইরান

Published

on

জেড

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিরল ও অত্যাধুনিক ক্ষমতাসম্পন্ন বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বিমানঘাঁটিতে হামলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।

রোববার (২৯ মার্চ) ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাতে টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ আগাম সতর্কতা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। হামলার ফলে বিমানটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে শুক্রবার ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে ১২ মার্কিন সেনাসদস্য আহত হন এবং কয়েকটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

অনলাইনে প্রকাশিত নতুন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, হামলায় একটি রোয়িং ই-৩ সেন্ট্রি বিমানও গুরুতর ক্ষতির শিকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও আরব কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে, এই আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলোর মধ্যে একটি ই-৩ সেন্ট্রি ছিল।

ই-৩ সেন্ট্রি একটি এয়ারবোর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম (এডব্লিউএসিএস) বিমান, যা উন্নত রাডার প্রযুক্তি ব্যবহার করে শত শত কিলোমিটার দূর থেকে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে সক্ষম। এটি আকাশ থেকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক পরিস্থিতির চিত্র কমান্ডারদের কাছে সরবরাহ করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে মাত্র ১৬টি কার্যকর ই-৩ সেন্ট্রি বিমান ছিল, যা কয়েক দশক আগে প্রায় ৩০টির বহর থেকে কমে এসেছে।

এছাড়া, এই বহরের বিকল্প সহজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও জানানো হয়েছে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বোয়িং ই-৭ ওয়েডগেটেইলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যার প্রতিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলার।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আন্তর্জাতিক

ইরান ইস্যুতে ইসলামাবাদে বৈঠকে ৪ প্রভাবশালী মুসলিম দেশ

Published

on

জেড

ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছে চার প্রভাবশালী মুসলিম দেশ।

রোববার (২৯ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে। এই বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

AdLink দ্বারা বিজ্ঞাপন ×

চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও মিশরও সহায়তা করছে।

পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। এমনকি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেও সরাসরি যোগাযোগ হয়েছে বলে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে।

এদিকে, পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান জানিয়েছে, তারা নিজেদের শর্ত ও সময় অনুযায়ীই যুদ্ধের অবসান চায়। যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আগ্রাসন বন্ধ, ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ শনিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ফোনে কথা বলেন। গত পাঁচ দিনের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় আলোচনা, যেখানে উত্তেজনা প্রশমিত করা ও সংলাপ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

ফোনালাপে পাকিস্তান ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এবং চলমান ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ উপসাগরীয় ও মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে সংলাপ ও উত্তেজনা হ্রাসের প্রচেষ্টা চালানোর কথাও জানানো হয়েছে।

ইরানের প্রেসিডেন্টও আলোচনার জন্য পারস্পরিক আস্থা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শেয়ার করুন:-
পুরো সংবাদটি পড়ুন

পুঁজিবাজারের সর্বশেষ

জেড জেড
পুঁজিবাজার50 minutes ago

জেড ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিটিকে ‘বি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তরিত...

জেড জেড
পুঁজিবাজার59 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ২৪৭ কোটি টাকা

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন। এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম দেড়...

জেড জেড
পুঁজিবাজার20 hours ago

ব্লক মার্কেটে ৩২ কোটি টাকার লেনদেন

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ৪৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক...

জেড জেড
পুঁজিবাজার21 hours ago

দরপতনের শীর্ষে প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং...

জেড জেড
পুঁজিবাজার21 hours ago

দর বৃদ্ধি শীর্ষে বাংলাদেশ অটোকারস

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে ১১৪টির শেয়ারদর বৃদ্ধি পেয়েছে।...

জেড জেড
পুঁজিবাজার21 hours ago

শেয়ারবাজারে লেনদেনের শীর্ষে একমি পেস্টিসাইড

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন শেষে তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড। ঢাকা স্টক...

জেড জেড
পুঁজিবাজার22 hours ago

সূচকের পতনে সপ্তাহ শুরু, দর কমেছে ২৫০ কোম্পানির

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন লেনদেন হওয়া...

সোশ্যাল মিডিয়া

তারিখ অনুযায়ী সংবাদ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
জেড
অর্থনীতি5 minutes ago

দুই দফা আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

জেড
জাতীয়19 minutes ago

ক্রীড়া কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক26 minutes ago

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগর নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

জেড
জাতীয়39 minutes ago

অবৈধ তেল মজুদকারী ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

জেড
পুঁজিবাজার50 minutes ago

জেড ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

জেড
পুঁজিবাজার59 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ২৪৭ কোটি টাকা

জেড
আইন-আদালত1 hour ago

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

জেড
স্বাস্থ্য1 hour ago

হামের লক্ষণ ও প্রতিকার, যা জানা জরুরি

জেড
জাতীয়1 hour ago

সংসদে বিল আকারে উঠছে না গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক2 hours ago

জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে

জেড
অর্থনীতি5 minutes ago

দুই দফা আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

জেড
জাতীয়19 minutes ago

ক্রীড়া কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক26 minutes ago

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগর নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

জেড
জাতীয়39 minutes ago

অবৈধ তেল মজুদকারী ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

জেড
পুঁজিবাজার50 minutes ago

জেড ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

জেড
পুঁজিবাজার59 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ২৪৭ কোটি টাকা

জেড
আইন-আদালত1 hour ago

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

জেড
স্বাস্থ্য1 hour ago

হামের লক্ষণ ও প্রতিকার, যা জানা জরুরি

জেড
জাতীয়1 hour ago

সংসদে বিল আকারে উঠছে না গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক2 hours ago

জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে

জেড
অর্থনীতি5 minutes ago

দুই দফা আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

জেড
জাতীয়19 minutes ago

ক্রীড়া কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক26 minutes ago

হরমুজের পর এবার ওমান উপসাগর নিয়ন্ত্রণে নিল ইরান

জেড
জাতীয়39 minutes ago

অবৈধ তেল মজুদকারী ধরতে লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা

জেড
পুঁজিবাজার50 minutes ago

জেড ক্যাটাগরিতে আলহাজ্ব টেক্সটাইল

জেড
পুঁজিবাজার59 minutes ago

সূচকের মিশ্র প্রবণতা, দেড় ঘণ্টায় লেনদেন ২৪৭ কোটি টাকা

জেড
আইন-আদালত1 hour ago

বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

জেড
স্বাস্থ্য1 hour ago

হামের লক্ষণ ও প্রতিকার, যা জানা জরুরি

জেড
জাতীয়1 hour ago

সংসদে বিল আকারে উঠছে না গণভোট : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেড
আন্তর্জাতিক2 hours ago

জ্বালানি তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়িয়েছে