কর্পোরেট সংবাদ
চেতনা’র ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা
‘চেতনা, পরিবেশ ও মানব উন্নয়ন সংস্থা’র ৩৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সংস্থার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুছা মিয়ার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বিশেষজ্ঞ ও পি এম কে -এর সিনিয়র অ্যাডভাইজার মো. এনামুল হক।
সভার শুরুতে সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মো. আসিফুল হক বিগত বছরের কার্যক্রমের প্রতিবেদন এবং চলতি অর্থ বছরের বাজেট পেশ করেন, যা উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। সভায় সংস্থার কার্যক্রম দেশব্যাপী সম্প্রসারণ এবং সকল কাজে আধুনিক ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নির্বাহী পরিচালক মো. আসিফুল হক এবং তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন সংস্থার সহকারী পরিচালক (একাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স) মো. সাইফুজ্জামান। সভায় বক্তারা সংস্থার দীর্ঘ পথচলার সাফল্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনে পরিবেশ ও মানব উন্নয়নে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এমকে
কর্পোরেট সংবাদ
ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিল নগদ
রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়ে নগদের রেভিনিউ থেকে ডাক বিভাগকে এই অর্থ প্রদান করা হয়।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম কাছে এই চেক হস্তান্তর করেন নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ। এ সময় ডাক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এস এম হারুনুর রশীদ, নগদে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত সহযোগী প্রশাসক মো. নাহিম উদ্দিন, নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম এবং নগদ লিমিটেড ও ডাক বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার জন্যে প্রযুক্তিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিনিয়োগই করবেন নগদ লিমিটেড। সেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের কোনো আর্থিক বিনিয়োগও থাকবে না। তবে সেবা থেকে রেভিনিউ’র ৫১ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। নগদ লিমিটেড পাবে বাকি ৪৯ শতাংশ রেভিনিউ।
এর আগে সেবা শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা রেভিনিউ’র অংশ দিয়েছে নগদ লিমিডেট। এর মধ্যে ২০২৪ সালের মে মাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫ কোটি ৫১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৮ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। তারও আগে ২০২২ সালে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ টাকা এবং ২০২০ সালে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ডাক বিভাগকে প্রদান করে নগদ লিমিটেড।
চেক হস্তান্তরের পর নগদের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম । তিনি বলেন, নগদ এই খাতের বাজারে যথেষ্ট প্রতিযোগিতা সৃস্টি করতে সক্ষম হয়েছে যা ক্যাশলেস লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহককে আরো উৎসাহ দিচ্ছে। এর ফলে এই খাতে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি ঘটছে।
তিনি বলেন, নগদ ডাক বিভাগেরই সেবা। ডাক বিভাগ এবং নগদের সবাই মিলে আমরা নগকে আরো এগিয়ে নেবো। ডাক বিভাগ থেকে আমরা যেমন নগদকে ওউন করি একইভাবে সরকারও ওউন করে। এখন বছরে ১৩/১৪ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি সেই সময় দূরে নয় যখন বছরে এখান থেকে সরকার একশ কোটি টাকা রাজস্ব পাবে।
নগদের প্রসাশক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে আর্থিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান অসামান্য। নতুন নতুন উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে গ্রাহক স্বার্থ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান সবচেয়ে বেশী। সেই সঙ্গে প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব আয়েও নগদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২০১৯ সালের মার্চে যাত্রার পর থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নগদ। পিছিয়ে পড়া মানুষকে আর্থিক অন্তৰ্ভুক্তিতে যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।
উদ্ভাবনী সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আর্থিক খাতে অভুতপূর্ব পরিবর্তন ঘটিয়েছে নগদ। সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনুদান বিতরণ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সহায়তা ও ভাতার টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণ এবং সরকারের অন্যান্য যে সব ভাতা ও অনুদান বিতরণ হবে সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নগদ।
কর্পোরেট সংবাদ
‘ঈদের চাঁদ আকাশে, সালামি দিন বিকাশ-এ’, ডিজিটাল সালামিতে জমে উঠছে ঈদ উৎসব
ঈদের দীর্ঘ ছুটি শুরু হওয়ার আগে অফিসের শেষ কর্মদিবসটি এখন ভিন্ন এক আমেজ নিয়ে আসে। কাজের ব্যস্ততার মাঝেই কনিষ্ঠ সহকর্মীদের অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে দল বেঁধে অগ্রজদের কাছ থেকে সালামি আদায় করা। আর এই সালামি আদান-প্রদানকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় মজার সব স্মৃতি।
এক সময় নতুন কড়কড়ে নোটে সালামি দেয়ার চল থাকলেও, কালের বিবর্তনে সালামি আদান-প্রদানেও লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। গত কয়েক বছর ধরেই ঈদ ঘনিয়ে আসলে কানে বাজছে ‘ঈদের চাঁদ আকাশে সালামি দিন বিকাশ-এ।’
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিন যাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাজ করি, তাদের সঙ্গে ঈদের আগে সালামি বিনিময় এক বাড়তি আনন্দ যোগ করে। আগে নতুন নোটের জন্য ব্যাংকে যেতে হতো, এখন আগেভাগেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে ‘অ্যাড মানি’ করে রাখি। এতে অফিসের জুনিয়র সহকর্মী থেকে শুরু করে এলাকার ছোট ভাইবোন, দূরে থাকা ভাগ্নে-ভাগ্নি কিংবা ভাতিজা-ভাতিজিদের সালামি পাঠানো কাছেও সহজ হয়ে গিয়েছে বিকাশ-এর কল্যাণে।”
এ বছরই চৌদ্দ বছরে পড়েছে কায়নাত আরিতা। মাকে বলে সে কয়েক মাস আগে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খুলেছে। কায়নাত জানায়, “গত বছর সবাই বড় আপুর মোবাইলে আমার সালামি পাঠিয়ে দিয়েছিল। তবে এবার আমার নিজেরই বিকাশ অ্যাকাউন্ট আছে। তাই নিজের অ্যাকাউন্টেই এবার সালামি পাব।”
এমনি করে লাখো গ্রাহক এখন সালামি দিতে বিকাশ ব্যবহার করছেন। ২০২৫ সালে ঈদ-উল-ফিতরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ বিকাশ অ্যাপ থেকে ঈদ কার্ড সহ সালামি পাঠিয়েছেন। এই গ্রাহকদের ৪০ শতাংশই নারী। আবার, গ্রাহকদের ৩০ শতাংশই সালামি পাঠিয়েছেন চাঁদ রাতে। প্রায় ৪৮ শতাংশ পাঠিয়েছেন ঈদের দিন, আর বাকিরা পরের দুই দিনে। এদিকে, ৭০ শতাংশের বেশি সালামি যাচ্ছে এক জেলা থেকে আরেক জেলায়। এছাড়াও, জেন-জি থেকে বেবি বুমার সব বয়সের গ্রাহকরাই বিকাশ থেকে
সালামি পাঠাচ্ছেন।
বিকাশ-এ সালামি পাঠানোর খুঁটিনাটি:
যেভাবে বিকাশ-এ সালামি পাঠাবেন: ঈদ সালামি পাঠাতে বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি অপশনে যেতে হবে, তারপর নিচে থাকা ঈদ মোবারক লেখা ঈদ কার্ড সিলেক্ট করতে হবে। সেখানে নিজের মতো করে ম্যাসেজ এবং সিগনেচার যোগ করে দেয়া যাবে। অথবা আগে থেকেই যুক্ত থাকা ম্যাসেজও পাঠানো যাবে। কার্ড যুক্ত হয়ে গেলে সালামির অংক বসিয়ে এবং সবশেষে বিকাশ পিন দিয়ে সালামি পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
গ্রুপ সেন্ড মানি: যারা একসঙ্গে অনেককে সালামি পাঠাবেন, তারা খুব সহজে বিকাশ অ্যাপে গ্রুপ সেন্ড মানি ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। এজন্য শুরুতেই বিকাশ অ্যাপের সেন্ড মানি আইকনে ক্লিক করে গ্রুপ সেন্ড মানি অপশন ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ৭টি নাম্বার অ্যাড করে সালামি পাঠানোর গ্রুপ তৈরি করে নেয়া যাচ্ছে। তারপর মোট সেন্ড মানির পরিমাণ দিয়ে চাইলে প্রতি নাম্বারে সমানভাগে অথবা একেক নাম্বারে একেক পরিমান সালামি পাঠাতে পারবেন। একজন গ্রাহক একাধিক গ্রুপ তৈরি করে সালামি পাঠাতে পারবেন।
সালামির সাথে বর্ণিল ঈদ কার্ড: সালামি পাঠানোর সময় বিকাশ অ্যাপে থাকা বর্ণিল ঈদ কার্ড সিলেক্ট করে তার উপর নিজের আবেগ-অনুভূতি, স্নেহ-ভালোবাসা জানিয়ে মেসেজ যুক্ত করতে পারবেন যেকোনো গ্রাহক। বাংলা ও ইংরেজি– দুই ভাষাতেই মেসেজ লেখার সুযোগ রয়েছে।
সালামি চেয়ে রিকোয়েস্ট মানি: সালামি শিকারিদের জন্য এক মোক্ষম অস্ত্র বিকাশ অ্যাপের রিকোয়েস্ট মানি ফিচার। অ্যাপ থেকে ‘রিকোয়েস্ট মানি’ আইকনে ট্যাপ করে সর্বোচ্চ ১০টি বিকাশ নাম্বারে পৃথকভাবে বা গ্রুপ তৈরি করে প্রিয়জনের কাছে সালামির রিকোয়েস্ট পৌঁছে দেয়া যাবে। রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে বিদেশ থেকে সালামি: যারা কাজের প্রয়োজনে প্রিয়জনকে দূরে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাস করেন তারাও এখন বিকাশ-এর রেমিটেন্স সেবার মাধ্যমে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে সালামি পাঠাতে পারেন।
সেন্ড মানি বান্ডেল: এদিকে, যারা অনেককে সালামি পাঠাবেন তারা সেন্ড মানির খরচ কমাতে বিকাশ অ্যাপের ‘আমার বিকাশ’ সেকশন থেকে পছন্দের ‘সেন্ড মানি বান্ডেল’ কিনে নিতে পারেন। বর্তমানে গ্রাহকরা ৩০ দিন মেয়াদে ৫, ১০, ২৫, ৫০, ও ১০০টি সেন্ড মানি বান্ডেল কিনতে পারবেন।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদ ইসলামিকের তিন ব্যবহারকারী জিতলেন উমরাহ প্যাকেজ
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নগদ ইসলামিক ওয়ালেট ব্যবহার করে তিন পেশার তিনজন গ্রাহক জিতে নিয়েছেন পবিত্র উমরাহ প্যাকেজ। বিজয়ীদের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে নগদের পক্ষ থেকে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।
নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়ে সম্প্রতি ঢাকার উত্তরার অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন, ঢাকার কাফরুল এলাকার ঠিকাদার মো. শাহজাহান ও লালমনিরহাটের একজন কৃষক মো. মানিক এই পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন। পুরস্কার হিসেবে পবিত্র উমরাহ করতে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে বিজয়ী তিনজনই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
পুরস্কার পাওয়ার নিজের অনুভূতি জানিয়ে অটোরিকশাচালক মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ‘মা অসুস্থ, ওষুধপত্র কেনার জন্য নগদ ইসলামিক অ্যাপ ব্যবহার করি। আল্লাহর ঘর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে যাব, এটা একটা পরম সৌভাগ্য।’
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইস্কাটনের মসজিদুন নূরের খতিব মাওলানা গাজী সানাউল্লাহ রাহমানী, নাশিদ শিল্পী মুনাইম বিল্লাহ ও নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি।
এ বিষয়ে নগদ ইসলামিক শরিয়াহ বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, ‘নগদ ইসলামিকের এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তিনজন মুসলমান ভাই মহান আল্লাহর পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে পারবেন, এটার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। আমরা নগদ ইসলামিকের মাধ্যমে এরকম কিছু উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের গ্রাহকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।’
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ‘পাঠাও ঈদ বাজার’ আয়োজন
ঈদ মানেই আনন্দ ভাগ করে নেওয়া। আর এই আনন্দের দিনে পাঠাও পাশে দাঁড়িয়েছে তাদের হিরোদের যারা প্রতিদিন সচল রাখছেন বাংলাদেশের চাকা। দেশের শীর্ষ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’, তাদের রাইডার ও ডেলিভারি পার্টনারদের পার্টনারদের সম্মান জানাতে প্রতিষ্ঠানটি আয়োজন করেছে বিশেষ ‘পাঠাও ঈদ বাজার’।
সারা বছর ধরে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও পার্সেল সার্ভিসে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পাঠাও হিরোদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আয়োজনে রাইডস, ফুড ও পার্সেল সার্ভিসের সেরা ৫০০ জন পারফর্মিং পাঠাও হিরোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
এই বিশেষ ‘ঈদ বাজার’ থেকে তারা নিজেদের এবং পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ঈদ সামগ্রী সংগ্রহ করেছেন, যেন প্রিয়জনদের নিয়ে ঈদের খুশি উপভোগ করতে পারেন আরও প্রাণবন্তভাবে।
এ বিষয়ে পাঠাও-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবরার হাসনাইন বলেন, পাঠাও-এর প্রতিটি অর্জনের পেছনে রয়েছে আমাদের রাইডার ও পার্টনাররা। তারাই আমাদের মেরুদণ্ড এবং আসল হিরো। এই ঈদ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই এবং চাই তারা যেন পরিবারের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে উৎসবটি উদযাপন করতে পারেন।
উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পাঠাও হিরোদের দীর্ঘমেয়াদী কল্যাণেও কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে পদ্মা ডায়াগনস্টিক লিমিটেডের সঙ্গে একটি স্বাস্থ্যসেবা চুক্তি করেছে পাঠাও। এর ফলে পাঠাও হিরোরা এখন থেকে রেডিওলজি ও প্যাথলজি সেবায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাবেন। রাইডার কমিউনিটির জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পাঠাওয়ের চলমান প্রচেষ্টারই একটি প্রতিফলন এই পার্টনারশিপ।
পাঠাও-এর সাথে কাজ করা অনেক হিরোর গল্পই সংগ্রামের এবং সাফল্যের। বছরের পর বছর ধরে পাঠাও- এর সাথে যুক্ত থেকে অনেক রাইডার তাদের সন্তানদের উন্নত শিক্ষা নিশ্চিত করছেন এবং পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে এনেছেন। তাদের এই অদম্য যাত্রায় পাশে থাকতে পেরে পাঠাও গর্বিত। এই ঈদে পাঠাও সেইসব হিরোদের সেলিব্রেট করছে, যাদের নিষ্ঠা আর পরিশ্রমে প্রতিদিন সহজ হচ্ছে লাখো মানুষের জীবন।
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও, এমন একটি ডিজিটাল প্লাটফর্ম তৈরি করছে যা অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি সবার দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে পাঠাও শীর্ষস্থানে রয়েছে। ১৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৪ লাখ পাঠাও হিরো ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১৫ হাজারের বেশি রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে পাঠাও। প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৬ লাখের বেশি মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
এমএন
কর্পোরেট সংবাদ
নগদে রেমিটেন্স নিয়ে স্বর্ণের হার জিতলেন ফরিদপুরের বন্যা খাতুন
প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাঠানো কষ্টার্জিত রেমিটেন্স বৈধপথে দেশে পাঠানোর বিষয়ে উৎসাহিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইনের প্রথম বিজয়ী হয়েছেন ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বন্যা খাতুন। দুবাইপ্রবাসী স্বামী মো. ফরিদের পাঠানো রেমিটেন্স নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করে তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।
সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালীতে বন্যা খাতুনের বাড়িতে গিয়ে তার হাতে পুরস্কার হিসেবে স্বর্ণের হার তুলে দিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। এসময় সেখানে নগদের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্বর্ণের হার উপহার পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত পরিবারের সদস্যরা ভিডিও কলের মাধ্যমে যুক্ত হন দুবাই প্রবাসী ফরিদের সঙ্গে। তিনি কথা বলেন অভিনেত্রী টয়ার সঙ্গেও। এসময় ফরিদ বলেন, “নগদে এমন একটা ক্যাম্পেইন চলছে সেটা জানতাম। কিন্তু এই স্বর্ণের হারটা যে আমার ঘরেই যাবে সেটা চিন্তাও করিনি। দুবাই থেকে পরিবারের জন্য নিয়মিত নগদের মাধ্যমেই রেমিটেন্স পাঠাই, কিন্তু এত বড় একটা গিফট পাব সেটা ছিল আমার ভাবনার বাইরে।”
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স দ্রুত ও নিরাপদে দেশের প্রিয়জনদের মোবাইলে পৌঁছে দিতে কাজ করছে নগদ। ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসীদের পরিবারের জন্য বাড়তি আনন্দের উপলক্ষ্য তৈরি করতেই ‘হার না মানা হার’ শিরোনামে এই ক্যাম্পেইন চালু করে নগদ। ক্যাম্পেইনের আওতায় প্রবাসীরা নগদের মাধ্যমে দেশে সর্বনিম্ন ১০ হাজার টাকা রেমিটেন্স পাঠালেই দেশে থাকা প্রিয়জনদের জন্য স্বর্ণের হার জেতার সুযোগ পাচ্ছেন।
এই ক্যাম্পেইন বিষয়ে নগদের চিফ মার্কেটিং অফিসার সাইমন ইমরান হায়দার বলেন, “প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব সময়ই তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ান, যা আমাদের অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঈদের আগে বিদেশ থেকে আসা অর্থের অঙ্ক আরেকটু বড় হয়। আমরা এই পুরো ঘটনাটিকে আরো আনন্দময় করতেই ‘হার না মানা হার’ ক্যাম্পেইন চালু করি। এই প্রক্রিয়ায় নগদের মাধ্যমে রেমিটেন্স পাঠিয়ে যদি স্বর্ণের হার জিতে নেওয়া যায়, তাহলে সেটি হবে ওই প্রবাসী ও তার স্বজনদের জীবনের একটি বিশেষ ঘটনা।’



